• প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৩ পিএম

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় ১০০ জন নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী মুসল্লিকে পবিত্র ওমরাহ পালন ও মক্কা-মদিনা জিয়ারতের সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল মা জাহানারা ইসলামিয়া মহিলা  একাডেমির  প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাহমুদ হোসেন টিটু। এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় প্রথম ধাপে তিনজন ইমাম একজন মুয়াজ্জিন ও একজন মুসল্লী ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কার পথে যাত্রা করেছেন।


সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মাহমুদ হোসেন টিটুর পল্টন কার্যালয় থেকে তাঁরা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় প্রত্যেককে নগদ ৩৫০ সৌদি রিয়াল ও হাদিয়া প্রদান করা হয়।


ওমরাহযাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন আল মদিনা জামে মসজিদের খতিব মুফতি আজিজুল ইসলাম, শিবলী, চৌধুরীবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. ইমাম উদ্দিন, আল মদিনা জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মাওলানা মো. অলিউল্লাহ এবং গোলাকান্দাইল এলাকার মুসল্লি মো. সেকান্দার শেখসহ পাঁচজন।


মাহমুদ হোসেন টিটু জানান, তিনি আল্লাহর দরবারে নিয়ত করেছিলেন, ১০০ জন নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী মুসল্লিকে ওমরাহ পালন এবং পবিত্র মক্কা ও মদিনা জিয়ারতের সুযোগ করে দেবেন। সেই নিয়ত বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে মুসল্লিদের ওমরাহ পালনের ব্যবস্থা করছেন তিনি।


তিনি আরও জানান, ইনশাআল্লাহ, পরবর্তী ধাপে আরও ২০ জনকে একসঙ্গে ওমরাহ পালনের জন্য পাঠানো হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে ১০০ জন মুসল্লিকে পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।


নিজ উদ্যোগে মুসল্লিদের পবিত্র ওমরাহ পালনের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও জোরদার হবে।




সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৪৮ পিএম

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী ২৫টি অভিযান চালিয়ে ৬৭ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। পরে তাদের মধ্যে ৬২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি পাঁচজনের মধ্যে একজনকে ১৫১ ধারায়, একজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার এবং তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা ও জরিমানা করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে, সোমবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।  


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার বিভিন্ন থানায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।


পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানা, কোম্পানীগঞ্জ, বেগমগঞ্জ মডেল থানা, সেনবাগ, চাটখিল ও চরজব্বর থানায় আটক কিশোরদের মধ্যে যথাক্রমে ৭, ৭, ১৩, ১১, ১১ ও ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোনাইমুড়ী থানায় একজনকে ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার, একজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার এবং দুজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া কবিরহাট থানায় তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৪৪ পিএম

কসবা থানার দায়েরকৃত মামলা ও আসামী গ্রেফতার নিয়ে আদালত অঙ্গনে তোলপাড় চলছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা তলব করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার বিচারিক স্বচ্ছতা নিরপেক্ষতা  এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জগনের আস্থা রক্ষার্থে উচ্চ পদস্থ ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা দ্বারা তদন্ত আবশ্যক বলে আদালত মনে করেন।


জানা যায়, কসবা জি.আর ৩৯৩/২৬ নং মামলায় বিল্লাল হোসেন প্রকাশ কসাই মনির ও সুজন মিয়া নামে আসামীরা জেল হাজতে আটক রয়েছে। এর-ই মধ্যে তাদেরকে ংযড়ি অৎৎবংঃ  দরখাস্ত গুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়।


এদিকে মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায় আসামী মনির, সুজন মিয়া ও মোঃ রুমন ভূইয়াকে গ্রেফতারের পর নিকট আত্মীয় হিসাবে তাদের সকলের পিতাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ১৫/৯/২৬ইং আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালতের তারা নিবেদন করেন যে, তাদের পিতা ইতিমধ্যে মৃত্যু বরণ করেছে। বিষয়টি আদালতের নিকট সন্দেহজক প্রতিমান হয় এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা স্মারক যথাযথ লিপিবদ্ধ না করায় তদন্ত কর্মকর্তা কাজী ছানোয়ার হোসেনকে আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের নিদের্শ প্রদান করা হয়। এর প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে একটি লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করে এবং একই দিনে গ্রেফতারকৃত আসামী মনির, সুজন মিয়া ও  রুমন ভূইয়াদের সংশোধনকৃত গ্রেফতারী স্বারক পুনরায় দাখিল করেন। 


তদন্তকারী কর্মকর্তার দাখিলকৃত ব্যাখায় উল্লেখ করেন যে, গ্রেফতারের পর আসামীরা এজাহারে বর্ণিত নাম ও ঠিকানা প্রদান করলেও তাদের পিতামৃত বা মৃত্যু বরণ করেছে সে বিষয়ে কোন তথ্য প্রদান করেনি। এখানে উল্লেখ থাকে য, জৌদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৪৬ এ  ৪৬(অ)  ধারায় বিধানমতে আসামী গ্রেফতারের পরপরই গ্রেফতারের স্মারক (গবসড়ৎধহফঁস ড়ভ অৎৎবংঃ) যথাযথ ভাবে পুরণ করতে হবে। শুধু তাই নহে উক্ত স্মারকের ১৩নং কলামে বর্ণিত বিধানমতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবার/আত্মীয়/নিকটজন/ প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা(হ্যা/না) তা সঠিক ভাবে উল্লেখ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অথচ অত্র মামলায় ৩ আসামীর মৃত পিতাদেরকে আসামী গ্রেফতারের বিষয় জানানো হয়েছে মর্মে নথিতে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করে সংশোধনকৃত গ্রেফতারী স্মারক পুনরায় দাখিল করে। 


সেখানে তদন্তকারী কর্মকর্তা ব্যাখ্যায় উল্লেখ্য করেন যে, আসামীরা নাম  ও ঠিকানা প্রদান করলেও তাদের পিতা মৃত বা মৃত্যু বরণ করেছে সে বিষয়ে কোন তথ্য প্রদান করেনি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার গুরুতর ও অস্বাভাবিক ক্রটি নথিপত্রে দৃশ্যমান হওয়ায় এজাহারের সত্যতা ও পুলিশের গ্রেফতার প্রক্রিয়া সর্ম্পকে আদালতের মনে বস্তুনিষ্ট সন্দেহের সৃষ্টি হয়। 


মামলার নথি থেকে আরো জানা যায়, যে, তালতলা চৌরাস্তা পয়েন্টটি দীর্ঘদিন ধরে ভারত সীমান্তবর্তী অবৈধ পণ্য ও মাদকের বড় চালান পরিবহনের কৌশলগত রুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত হিসাবে অভিযুক্ত বাদশাহ জুয়েল এবং কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদের পরোক্ষ যোগ সাজশে পুর্বতন সিন্ডিকেডের অংশীদারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সরিয়ে দিয়ে ওই রুটের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই সাজানো মামলা তৈরী করা হয়েছে।

এই অবস্থায় বিচারিক স্বচ্ছতা নিরপেক্ষতা এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগনের আস্থা রক্ষার্থে উচ্চ পদস্থ ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা দ্বারা তদন্ত আবশ্যক বলে আদালত মনে করেন। 


আদালতের আদেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে নন এমন একজন দক্ষ ও নিরপেক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগের কথা বলা হয়।

 বিষয়টি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্বরাস্ট্র সচিব, পুলিশ  মহাপরিদর্শক, ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জকে প্রেরন করা হয়েছে। একই সাথে পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া অফিসার ইনচার্জ কসবা থানা,এস আই/(নিরস্ত্র) কাজী ছানোয়ার হোসেনকে অবগত করা হয়েছে। 


এব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার শাহ মোঃ আব্দুর রউফ এর মোবাইল ০১৩২০-১১৪৯০০ এ যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেনি। কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ এর মোবাইল-০১৩২০-১১৫১৩৭ এ যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেনা বলে জানান। তবে মামলা নম্বর হোয়াটএ্যাপে পাঠানো কথা বলে ফোন রেখে দেন। মামলার তদন্তকারী অফিসার এর ফোন নং-০১৭১৮-৬৪২৮৮৩ যোগাযোগ করে বক্তব্যে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি আদালতকে ব্যাখ্যা দিয়েছি এবং বিষয়টি মামলার বাদী পুরণ করার কথা, এটি তার বিষয় নয়। আমি ওসি স্যারের সাথে মিটিং এ রয়েছি বলে ফোন রেখে দেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৫৬ পিএম

রংপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সারের কোন সংকট নেই, এটি বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করে নির্বাচিতরাই ওই সব জেলায় নিজ দলের কর্মী দ্বারা হইচই করে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। শুধুমাত্র জনগণের সরকারকে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য এই রাজনৈতিক দল এই সংকট তৈরী করেছে।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত পরবর্তি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের মাধ্যমে জাতির কাছে জানাতে চাই, যে সব জেলায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে, সেইসব জেলাগুলো হচ্ছে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, রংপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, মেহেরপুর, নড়াইল। অর্থাৎ যে সমস্ত জেলা থেকে বেহেশতের টিকেট বিক্রি করে নির্বাচিত হয়েছেন ঠিক ওই জেলাগুলোতেই তৈরি হয়েছে এই সারের সংকট। চট্টগ্রাম বিভাগের কোন জেলায় স্যারের সংকট নেই, বগুড়াতেও স্যারের সংকট নেই, পাবনায়, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, রাজশাহী ও সিলেটে সারের কোন সংকট নেই।


তিনি বলেন, যে সব জেলায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরী হয়েছে, সেই সব জেলায় যারা সারের ডিলার রয়েছে, এর বাইরে আমরা নতুন করে ডিলার নিয়োগ দিচ্ছি, যাতে করে আর সংকট তৈরী করতে না পারে। প্রয়োজনে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ডিলারদের গোডাউন চেক করা হবে। যাতে করে কেউ মজুত রেখে কোন সংকট তৈরি করতে না পারে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমান সরকারের শুরুর দিকে তেল এবং গ্যাস নিয়ে সমস্যা হয়েছে, এটা সরকার অস্বীকার করে না এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে বিভিন্ন কারণে বিশ্বের মত বাংলাদেশেও সমস্যা করেছে।এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে একই সাথে সাময়িক সমস্যার কারনে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে জাতির কাছে।


তিনি বলেন, তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে। দাম না বাড়ালে এই তেল ইন্ডিয়াতে পাচার হয়ে যেত। যার কারনে দাম বাড়ানো হয়েছে। এখনও সমান হয়নি ইন্ডিয়ার সাথে। তাছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, বিশ্বে তেলের মূল্য কমে গেলে আমরাও সমন্বয় করে তেলের দাম কমিয়ে দেব।


বিদ্যুৎ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৃৎ সমস্যা এটা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সমস্যা। এই সমাস্যার সমাধানে আমাদের সময় দিতে হবে। সরকারের ছয় মাসের মেয়াদে একটা ভঙ্গুর অর্থনীতি, একটা অনির্বাচিত সরকারের হাত থেকে ক্ষমতা নেওয়া, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুধু দায় ও সময় বাড়িয়েছে। তারা দেশের জন্য কোন কাজ করেনি অথচ ছয় মাসের মাথায় এসে সরকারকে সহযোগিতা না করে ১১ দলীয় জোট ফুটবল কিংবা ক্রিকেট টিম বানিয়ে তারা যে রংপুরে এসে লংমার্চ করে গেল এখান থেকে কি প্রাপ্তি হলো। তারা বলছে তেলের ক্রাইসিস রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন তাদের দুই হাজার গাড়ির জন্য কোথায় তেল পেলো। লংমার্চ করে যদি তেল ও গ্যাসের সমাধান হতো তাহলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত লংমার্চ করত।


এরপর প্রতিমন্ত্রী বড়দরগা সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি রংপুর জেলার আইন-শৃঙ্খলা ও জেলার উন্নয়ন সভায় যোগদেন। বিকালে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং পরে জেলা পরিষদ স্কুল এন্ড কলেজের কি প্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।


এসময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো: সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশসাক ইসরাত জাহান, শহিদ আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৩ এএম

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব খালেকুজ্জামান বাবলু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রগতির মূল ভিত্তি হিসেবে গুরুত্ব দিতেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে, এলাকার উন্নয়ন করতে হবে এবং বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। 


তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে জন্য তাদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সহায়তার অংশ হিসেবে গাজীপুরের কালীগঞ্জে ৪৪টি পরিবারের মাঝে ৬৮ বান্ডেল ঢেউটিন ও ১ লাখ ৩২ হাজার টাকার চেক বিতরণকালে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব খালেকুজ্জামান বাবলু এসব বলেন।


রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঢেউটিন ও নগদ অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়।


সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান লাভলু, কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফুর রহমান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোলেমান আলম।


অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম প্রধান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মোল্লা, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. হারুন অর রশিদ দেওয়ানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সর্বশেষ সব খবর

বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে এমপি মিলনের শোক

‘দেশ ও সমাজের কল্যাণে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে’


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৭ এএম

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার, বালীগাঁও বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলামের (৭৫) মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন।


রবিবার সন্ধ্যায় উত্তরার একটি আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এমপি ফজলুল হক মিলন বলেন, “বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে তাঁর দীর্ঘদিনের ভূমিকা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তিনি ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা, সমাজসেবী ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তি।”


তিনি আরও বলেন, “সিরাজুল ইসলামের মতো একজন গুণী ও প্রবীণ মানুষের মৃত্যুতে কালীগঞ্জবাসী একজন অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিকে হারাল। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। আমি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ যেন তাঁদের এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।”


সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর বালীগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলামকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ও সালাম প্রদান করা হয়। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিদ্যালয় মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে বালীগাঁও সামাজিক গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।


তাঁর মৃত্যুতে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোলেমান আলম, মো. খায়রুল আহসান মিন্টু, কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. লুৎফর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আনোয়ারুল হক বাচ্চু, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. হারুন অর রশিদ দেওয়ান, কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম প্রধান, সদস্য সালাহ্ উদ্দিন আহমেদ, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

সর্বশেষ সব খবর

তেঁতুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা পড়েছে আজ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৬ এএম

হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রকৃতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। বইছে হালকা হিমেল বাতাস। ঘনকুয়াশায় ঢেকে গেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। সেপ্টেম্বর মাসের শেষভাগেই এমন দৃশ্যের দেখা মিললো তেঁতুলিয়ায়। 


আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে ঘনকুয়াশায় ছেয়ে যায় প্রকৃতি। কুয়াশার কারণে সড়কে দূরের কোনো কিছু দেখা যায়নি স্পষ্ট। সকালের দিকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। 

তেঁতুলিয়ায় কুয়াশার সঙ্গে বইছে হালকা হিমেল বাতাস

​তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার ভোরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকলেও ভোরের ঘনকুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় এলাকায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে শীতের আগমনী বার্তা। সম্প্রতি পঞ্চগড় অঞ্চলে মৌসুমী আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে ভোরে এমন ঘনকুয়াশা দেখা যাচ্ছে।


​স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার ইমরান হোসেন জানান, ঘনকুয়াশার কারণে ভোরে কয়েক গজ দূরের পথও দেখা যায়নি। হিমেল বাতাসের কারণে অনেককেই হালকা গরম কাপড় গায়ে জড়িয়ে ঘর থেকে বের হতে দেখা গেছে। 


স্থানীয় কৃষকরা জানান, ভোরের কুয়াশা ও আবছা আলোর কারণে মাঠে কাজ শুরু করতে কিছুটা দেরি হয়েছে আজ। ​তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের আলো ফুটলে ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসে। 


উত্তরের সীমান্তঘেঁষা এ জনপদে সেপ্টেম্বরের শেষে এমন কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া আসন্ন শীত মৌসুমের স্পষ্ট বার্তা জানান দিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সর্বশেষ সব খবর