হাজারো ফুটবলপ্রেমী দর্শকের বাঁধভাঙা জোয়ার আর তুমুল করতালির মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় সম্পন্ন হলো জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব মাঠে (পুরানো স্টেডিয়াম) অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ফাইনালে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা দলকে পরাজিত করে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে আলমডাঙ্গা উপজেলা দল।
গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া এই জমকালো ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে দুই দলই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে মাঠ কাঁপিয়ে তুললেও কোনো দলই গোল করতে না পারায় ফাইনাল ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। শেষ পর্যন্ত স্নায়ুচাপ ধরে রেখে বাজিমাত করে আলমডাঙ্গা উপজেলা। টাই ব্রেকারে আলমডাঙ্গা উপজেলা দল ৪-৩গোলে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা দলকে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করে।
খেলা শেষে এক বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আব্দুল্লাহ হারুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মঞ্চ আলোকিত করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মিনহাজুল ইসলাম।
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার মো: আব্দুল্লাহ হারুন উপস্থিত দর্শক ও খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আজকের এই মাঠ ও উপচে পড়া দর্শক প্রমাণ করে চুয়াডাঙ্গার মানুষ ফুটবলকে কতটা ভালোবাসেন। খেলাধুলা কেবল শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায় না, বরং যুবসমাজকে মাদক, স্মার্টফোনের অপব্যবহার ও সব ধরণের সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে একটি সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে।”
তিনি আরও বলেন, “টুর্নামেন্ট পরিচালনায় জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ উভয় দলই অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে। আমাদের তরুণেরা এই মাঠ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চুয়াডাঙ্গার নাম উজ্জ্বল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক শরিফুজ্জামান শরীফ বলেন, গ্রাম বাংলার সবচাইতে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। এই ফুটবলকেই কেন্দ্র করে সোনালী অতীতে চুয়াডাঙ্গা ফুটবলের ইতিহাস বিস্তৃত হয়েছে বাংলাদেশের পণ্ডি পেরিয়ে ওপার বাংলায়। চুয়াডাঙ্গা থেকে বর্তমানে আর তেমন কোনো ভালো ফুটবলার তৈরি হচ্ছেনা। তাই চুয়াডাঙ্গার সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চুয়াডাঙ্গার মাঠে-ঘাটে নিয়মিতভাবেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফুটবল টুর্নামেন্ট। আমি আশা করবো এই ধরনের টুর্নামেন্ট থেকেই একদিন চুয়াডাঙ্গা জেলা ফুটবল আবারো ফিরে পাবে তার অতীতে হারানো গৌরব। সমৃদ্ধ হবে চুয়াডাঙ্গার ফুটবল অঙ্গন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতেও চুয়াডাঙ্গার ক্রীড়াঙ্গনকে মুখরিত রাখতে এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বিশেষ অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন আলমডাঙ্গা উপজেলা দল ও রানার্স-আপ চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা দলের খেলোয়াড়দের হাতে প্রাইস মানি ও ট্রফি তুলে দেন। তীব্র উত্তেজনা আর জমকালো সাংস্কৃতিক আবহ আর কর্দমক্ত মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে চুয়াডাঙ্গার বেশ কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬।
ফাইনাল খেলার ট্রফি উন্মোচন, মঞ্চে বসে জমকালো ফুটবল লড়াই উপভোগ করতে ও ন্যাশনাল ক্যাটাগরির মঞ্চে আহরণ করে ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের স্বামী এ বি এম নাজিমউদ্দিন আহমেদ, দুই সন্তান রুহি ও রহিন,চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা: হাদী উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মোঃ হুমায়ুন কবীর, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার তিথি মিত্র, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাভলী ইয়াসমিন, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর আক্তার, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া সুলতানা এ্যানী, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আরডিসি এসএম আসিফ মমতাজ, আলমডাঙ্গা উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মহেশ্বর মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরি, আব্দুর রউফ শিবলু, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বিলাস, চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজী, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজিব খান, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মহলদার, সদর উপজেলা বিএনপি'র সহ-সভাপতি ইকরামুল হক, মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি আতিয়ার রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হামিদ উদ্দিন বাবু, সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক মতিউর রহমান মিশর, সদর উপজেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা ,সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ, আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মীর উজ্জ্বল, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ইমরান মহলদার রিন্টু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাকন প্রমূখ।
সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহরিন হক মালিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা, সাবেক কৃতি ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন, সারোয়ার হোসেন জোয়ার্দ্দার মধু, শেখ শরিফুল ইসলাম, নাজমুল হক শান্তি, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল ইসলাম মল্লিক, সাবেক কৃতি ফুটবলার মিজানুর রহমান মানিক, আইয়ুব হোসেন, টিপু সুলতান, বাবু মুন্সী,শহিদুল কদর জোয়ার্দ্দার,আলমডাঙ্গা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মন্ডল, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, সোহাগ, মুরাদ ফেরদৌস, দামুড়হুদা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মাহবুর রহমান বাচ্চু, জীবন নগর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব শাহাজাহান কবীর, ঝিনাইদহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ক্রীড়া সংগঠক আবদুল মতলু, চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কোষাধক্ষ্য আশাবুল হক আশা, দপ্তর সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজন, সাবেক ফুটবলার মিলন বিশ্বাস, ঢাকা ব্রাদারস ক্লাবের সাবেক অধিনায় তরিকুল ইসলাম তরু, সোহেল রানা,আহসান খান, সুমন প্রমূখ।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজি ও জেলা প্রশাসক লুৎফুনাহরের যৌথ উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গার সাবেক ফুটবলারদের কে সম্মাননা ক্রেস্ট দেয়া হয়।
মরণোত্তর সম্মাননা ক্রেস্ট প্রাপ্তরা হলেন: বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত হায়দার আলী জোয়ার্দ্দার, প্রয়াত সাবেক ফুটবলার মোজাম্মেল হক, প্রয়াত সাবেক ফুটবলার নুরুজ্জামান, প্রয়াত সাবেক ফুটবলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ তোতা মিয়া, সাবেক ফুটবলার প্রয়াত আশরাফ জোয়ার্দ্দার সাবু।
আজীবন সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় সাবেক কৃতি ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন ও কানাডা প্রবাসী কৃতি ফুটবলার মামুন জোয়ার্দ্দারকে।
এছাড়া জীবিত কৃতি ফুটবলারদের দেওয়া হয় সম্মাননা স্বারক। স্মারক ক্রেস্ট প্রাপ্ত সাবেক ফুটবলরা হলেন, সাবেক ফুটবলার সরোয়ার হোসেন জোয়ার্দ্দার মধু, সাবেক ফুটবলার আবুল কালাম আজাদ, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল ইসলাম মল্লিক, সাবেক ফুটবলার শহিদুল ইসলাম কদর জোয়ার্দ্দার, সাবেক ফুটবলার শেখ শরিফুল ইসলাম, সাবেক ফুটবলার গিয়াস উদ্দিন পিনা, সাবেক ফুটবলার নাজমুল হক শান্তি, সাবেক কৃতি গোল রক্ষক খন্দকার আমিরুল ইসলাম বাবলু, সাবেক কৃতি গোল রক্ষক রিয়াসাদ শামীম জোয়ার্দ্দার আবির, সাবেক ফুটবলার মিজানুর রহমান মানিক ও সাবেক ফুটবলার রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা।
ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় চুয়াডাঙ্গা ডি এফ এর সভাপতি একলাস উদ্দিন সুজন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপের থিম সং রচয়িতা শাহ আলম সনি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাজী মামুনুজ্জামান আদুন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব ইমরান মহলদার রিন্টু, আলমডাঙ্গা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মামুন অর রশিদ মন্ডল, জীবননগর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব শাহাজাহান কবীর, দামুড়হুদা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মাহবুব বাচ্চুকে। টুর্নামেন্টে বিশেষ অবদানের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয় চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজীকে।
খেলোয়াড়দের কে উৎসাহিত করার জন্য টুর্নামেন্টের শুরু থেকে ফাইনাল অবধি বিভিন্ন ক্রীড়া মোদী ব্যাক্তি, ক্রীড়া সংগঠকরা ফুটবলারদের কে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ফুটবলারদের জন্য আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দেন। সে ঘোষণা অনুযায়ী টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা কে আর্থিক পুরস্কার দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্টের পুরস্কার দেন চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, তরুণ উদীয়মান খেলোয়াড়ের আর্থিক পুরস্কার দেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম- সম্পাদক হামিদ উদ্দিন বাবু, সেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কার দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার অহিদুল আলম মানি, তরুণ উদীয়মান দু-জন খেলোয়াড়কে আর্থিক পুরস্কার দেন চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপি'র ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ও বিশিষ্ট আম ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দুস মহলদার, টুর্নামেন্টের ৮ জন সেরা দর্শকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রায়ত কৃতি ক্রিকেটার মাহফুজের পিতা চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি রাফিতুল্লাহ মহলদার, সেরা গোলরক্ষক ও সেরা ধারাভাষ্যকারের পুরস্কার প্রদান করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুল হক।
টুর্নামেন্টের শুরু থেকে ফাইনাল অবদি প্রতিটি ম্যাচের ম্যান অব দি ম্যাচের আর্থিক পুরস্কার দিয়েছেন আলমডাঙ্গা মন্ডল স্পোর্টসের স্বত্বাধিকারী মামুন অর রশিদ মন্ডল, টুর্নামেন্টের নির্ধারিত সময়ের প্রথম গোলদাতার পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দেন চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আল্লাহর দান হোটেলের স্বত্বাধিকারী রায়হান উদ্দিন। গ্র্যান্ড ফাইনালের প্রথম গোলদাতাকে পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেন আনাস এগ্রোর স্বত্বাধিকারী রাসেল বিশ্বাস।এছাড়া উদীয়মান সেরা ডিফেন্ডার ও মিড ফিল্ডার কে পুরস্কার দেন তুষন এগ্রোর স্বত্বাধিকারী মনোয়ারুল ইসলাম সুমন এবং ম্যান অব দ্যা ফাইনালের আর্থিক পুরস্কার প্রদান চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজি।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনে খুশি হয়ে জেলার ফুটবলপ্রেমী দর্শকরা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান ও সদ্য বদলি আদেশ পাওয়া এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
গতকালের ফাইনাল ম্যাচটি পরিচালনা করেন প্রধান রেফারি সাজ্জাদ হোসেন, দুই সহকারি শফিকুন নবী রিয়ান, লিটা হোসেন, ইমাম হোসেন ও ম্যাচ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন রেজাউৱ হক জোয়ার্দ্দার রেজা।
খেলার ধারা বিবরণী করেন ইসলাম রকিব ও শামীম খান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোহাম্মদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিরূপা ভৌমিক, সাংবাদিক নিয়াজ মোঃ খান বিটু, গভঃ মডেল গালর্স হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল লতিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সালাহউদ্দিন, এনজিও নেতা এস.এম শাহীন, জেলা বিএনপির নেতা মোঃ নূরুল হুদা, নারী নেত্রী ফারজানা খানম জারমিন, ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান শফিক, জেলা বিএনপির নেতা আতিকুল ইসলাম জালাল প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে মাদকের বিস্তার ঘটেছে, কিন্তু এ ব্যাপারে আইন-শৃংখলা বাহিনীর কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই।
সভায় বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নের বটতলী বাজারের বিভিন্ন দোকানের ছাদে ও তিতাস নদীর পূর্বপাড়ে মাইমল হাটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকেই প্রকাশ্যে জুয়া খেলা শুরু হয়, চলে মধ্য রাত পর্যন্ত। জুয়া খেলে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরে। এ ব্যাপারে প্রতিকার হওয়া দরকার।
এছাড়াও অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতে মানুষ দিশেহারা। বক্তারা অনলাইন জুয়া বন্ধে, কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ও মাদক কারবারিদের পুলিশের অভিযান জোরদার করার দাবি জানান।
সভায় বক্তারা বলেন, শহরে অবৈধ মোটর সাইকেলের চলাচল বেড়েছে। এর মধ্যে বেশীর ভাগই টানা গাড়ি। এসব মোটর সাইকেলের চালকরা হেলমেট ছাড়াই বেপরোয়া গতিতে মোটর সাইকেল চালায়। এতে একদিকে দুর্ঘটনা বাড়ছে। অপরদিকে অপরাধ প্রবনতাও বেড়েছে।
বক্তারা বলেন, শহরে ছিচকে চুরির প্রবনতা বেড়েছে, এসব চোরেরা বিভিন্ন বাড়ির টিউবওয়েল, বাসা-বাড়ির বিদ্যুতের সার্ভিস লাইন, এসির কুলিং পাইপ, নির্মাণাধীন বাড়ির দরজা-জানলা, রড খুলে নিয়ে ভাঙ্গারীর দোকানগুলো বিক্রি করছে।
বক্তারা এসব ভাঙ্গারীর দোকানে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।
সভায় বক্তারা দুর্ঘটনারোধে শহরের বিরাসার মোড় গ্যাস ফিল্ডের সামনে, পৌর এলাকার গোর্কণঘাট ব্রীজের গোড়ায় ও সূর্যমুখী কিন্ডারগার্টেনের সামনে নিয়মিত একজন করে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানান। শহরের যানজট নিরসনকল্পে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং শহরের মসজিদ রোড ও পুরাতন কোর্টরোডকে ওয়ানওয়ে করার দাবি জানান।
সভায় সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, মাদকের ব্যাপারে কোন আপোষ নেই। মাদকরোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, সাধ ও সাধ্যেও মধ্যে সমন্বয় কওে সদর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবো।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, সদর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সকলের সহযোগীতায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো উন্নতি করা হবে। এজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোন আপোষ নেই। মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। ভ্রাম্যমান আদালতে সাজাও দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, পৌরসভার রাস্তা-ঘাটে চলাচল করতে গিয়ে জনগন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এসব ভাঙ্গা-চুরা রাস্তাঘাট সংস্কার করতে পৌর কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন, যানজট আমাদের বড় সমস্যা। অতিরিক্ত যানজটের কারনে শহরে চলাফেরা করতে কষ্ট হয়। যানজট লাঘবে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে চলাচলকরা সিএনজিচালিত অটোরিকসার বিরুদ্ধে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, আসন্ন দূর্গাপূজাকে সামনে রেখে কেউ যাতে কোন ধরনের নাশকতা করতে না পারে সেজন্য সকলকে খেয়াল রাখতে হবে।
সভায় সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যানগন, সদর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঝালকাঠির নলছিটিত মোটরসাইকেল মহড়া ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ও পৌর যুবদল। মিছিলটি শহর ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপততিত্ব করনে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন শাহীন। বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব পলাশ সজ্জন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লাভলু সিকদার, যুগ্ম আহ্বায় রেজওয়ানুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান শিমুল, শহর যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম শরীফ, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রাজন, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহাগ মুন্সি, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাজিব এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
সভায় বক্তারা বলেন, সারাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য করার ষড়যন্ত্র করছে। এই সন্ত্রাসীদের কোন জায়গা নলছিটিতে হবে না। এদের প্রতিহত করতে নলছিটি উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অবৈধভাবে টায়ার পুড়িয়ে বায়ু ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ‘গ্রীন এনার্জি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ধল্লা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ধল্লা এলাকায় গ্রীন এনার্জি নামের প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে টায়ার পুড়িয়ে বায়ু ও পরিবেশ দূষণ করে আসছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার ৮(১) বিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সব স্থাপনা দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির বলেন, ‘জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পাশের দোকানে ঢুকে যায়। এ ঘটনায় চারজন নিহত হন। আহত হয়েছেন সাতজন। নিহত সবাই অটোরিকশার আরোহী।
আজ সোমবার সকাল আটার দিকে লালমনিরহাট-পাটগ্রাম-বুড়িমারী মহাসড়কের ঘুন্টি বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নের গুড়িয়াটারী উফারমারা গ্রামের বাসিন্দা মো. ফাতুল মিয়া (৩৫), মো. মোস্তাকিম (৩৮) ও আনোয়ার হোসেন (২০) এবং একই ইউনিয়নের ইসলামপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মো. নুর আমিন (৩০)।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বুড়িমারী ইউনিয়নের ঘুন্টি বাজার এলাকার মো. বাদশা (৫৫) ও জাফর উদ্দিন (৬০), গুড়িয়াটারী উফারমারা গ্রামের মো. দিপু মিয়া (৩০), মো. মিশন মিয়া (২০) ও সাইফুল ইসলাম (৩২) এবং ইসলামপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আইনুল হক (৩৫)। তাঁরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে পাটগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অটোরিকশাটি ঘুন্টি বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারোনো ট্রাকটি সড়কের পাশের দোকানে ঢুকে পড়ে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান দুজন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা লিখিত কোনো অভিযোগ করেননি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিতে চাইলে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গাজীপুরের টঙ্গীতে ১০ কেজি গাঁজাসহ মোছা. মাজেদা বেগম (৩৭) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। টঙ্গী গাজীপুরা কাজীবাড়ি এলাকার চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাজেদা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার ধরাভাঙ্গা (মধ্যপাড়া ছলিমগঞ্জ) গ্রামের মৃত ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে এবং আরিফুল ইসলাম বাছেদের স্ত্রী। তিনি বর্তমানে গাজীপুরা কাজীবাড়ি এলাকার চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের ৫ম তলার ডি-৫ ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গী পূর্ব থানার একটি টিম গাজীপুরা কাজীবাড়ি এলাকার চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের ৫ম তলার ডি-৫ ফ্ল্যাটে অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং মাজেদা বেগমকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা (নম্বর-৫০, ধারা ৩৬(১) এর ১৯(খ)) রুজু করা হয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যথাযথ পুলিশ পাহারাধীন অবস্থায় তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি উদ্যোগে ও ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি'র সহযোগিতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের গোয়ালপাড়া সবুজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম শরীফ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি'র সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আলম লাবু, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সায়েম সহ অন্যরা।
এ সময় শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ ও বনজ ও ঔষধি জাতের দুুইশত গাছের চারা বিতরণ করা হয় ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষর্পণ করা হয়।