ডিজিটাল মিটার পুনঃস্থাপনের দাবি
রংপুর নগরীর যে সকল বাসা-বাড়িতে ডিজিটাল মিটার অপসারণ করে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে অবিলম্বে সে সকল বাসা-বাড়ি থেকে প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পুনরায় ডিজিটাল মিটার সংযোগ দিতে হবে। প্রিপেইড মিটারের দুঃসহ বোঝা জনগণ আর বহন করতে করতে পারছে না।
নতুন করে আর কোনো বাসা-বাড়িতে শোষণ ও হয়রানির যন্ত্র প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা চলবে না। জনগণের অভিযোগ ও অসন্তোষ আমলে নিয়ে সরকারকে এই প্রিপেইড মিটার বাতিলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নতুবা জনগণের এই ক্ষোভ গণবিস্ফোরণে রুপ নেবে।
আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আদালত চত্বরে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এ কথাগুলো বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সামগ্রিক বিষয়ে আলোকপাত করে বক্তৃতা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব এডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য আব্দুল জব্বার সরকার, এবিএম মসিউর রহমান, বিজয় প্রসাদ তপু, মাহাবুব আলম, সবুজ রায়, সানজিদা আক্তার, কনক রহমান, রেদোয়ান ফেরদৌস প্রমুখ।
বিগত ২২ জুলাই ২০২৬ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকসহ নেসকোর ৬ কর্মকর্তাকে বিবাদী করে নগরীর বাসা-বাড়ীতে প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের কার্যক্রম অবৈধ এবং বেআইনি মর্মে ঘোষণামুলক মোকদ্দমা করেন।
আজ রোববার অত্র মোকদ্দমার শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু বিবাদীগণের বরাবরে সমন জারি না হওয়ার কারণে দিনান্তর হয়। পরবর্তীতে আদালত চত্বরে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ আদালত চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আদালতের সমন জারির দায়িত্বে নিয়োজিত জারি কারকের কর্তব্য কাজে অবহেলার সমালোচনা করে জনগুরুত্বপূর্ণ মোকদ্দমায় এহেন গাফিলতির জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ, সংবাদ সম্মেলন থেকে গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিল, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, বিদ্যুৎ এর দাম কমানো, বিদ্যুৎ খাতকে বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধ এবং গ্রাহকদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ, উল্লেখিত দাবিতে আগামীতে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের গণস্বাক্ষরসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিসহ ধারাবাহিক আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার, বালীগাঁও বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলামের (৭৫) মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
রবিবার সন্ধ্যায় উত্তরার একটি আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এমপি ফজলুল হক মিলন বলেন, “বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে তাঁর দীর্ঘদিনের ভূমিকা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তিনি ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা, সমাজসেবী ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তি।”
তিনি আরও বলেন, “সিরাজুল ইসলামের মতো একজন গুণী ও প্রবীণ মানুষের মৃত্যুতে কালীগঞ্জবাসী একজন অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিকে হারাল। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। আমি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ যেন তাঁদের এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।”
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর বালীগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলামকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ও সালাম প্রদান করা হয়। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিদ্যালয় মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে বালীগাঁও সামাজিক গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তাঁর মৃত্যুতে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোলেমান আলম, মো. খায়রুল আহসান মিন্টু, কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. লুৎফর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আনোয়ারুল হক বাচ্চু, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. হারুন অর রশিদ দেওয়ান, কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম প্রধান, সদস্য সালাহ্ উদ্দিন আহমেদ, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
তেঁতুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা পড়েছে আজ
হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রকৃতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। বইছে হালকা হিমেল বাতাস। ঘনকুয়াশায় ঢেকে গেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। সেপ্টেম্বর মাসের শেষভাগেই এমন দৃশ্যের দেখা মিললো তেঁতুলিয়ায়।
আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে ঘনকুয়াশায় ছেয়ে যায় প্রকৃতি। কুয়াশার কারণে সড়কে দূরের কোনো কিছু দেখা যায়নি স্পষ্ট। সকালের দিকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার ভোরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকলেও ভোরের ঘনকুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় এলাকায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে শীতের আগমনী বার্তা। সম্প্রতি পঞ্চগড় অঞ্চলে মৌসুমী আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে ভোরে এমন ঘনকুয়াশা দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার ইমরান হোসেন জানান, ঘনকুয়াশার কারণে ভোরে কয়েক গজ দূরের পথও দেখা যায়নি। হিমেল বাতাসের কারণে অনেককেই হালকা গরম কাপড় গায়ে জড়িয়ে ঘর থেকে বের হতে দেখা গেছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, ভোরের কুয়াশা ও আবছা আলোর কারণে মাঠে কাজ শুরু করতে কিছুটা দেরি হয়েছে আজ। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের আলো ফুটলে ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসে।
উত্তরের সীমান্তঘেঁষা এ জনপদে সেপ্টেম্বরের শেষে এমন কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া আসন্ন শীত মৌসুমের স্পষ্ট বার্তা জানান দিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোহাম্মদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিরূপা ভৌমিক, সাংবাদিক নিয়াজ মোঃ খান বিটু, গভঃ মডেল গালর্স হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল লতিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সালাহউদ্দিন, এনজিও নেতা এস.এম শাহীন, জেলা বিএনপির নেতা মোঃ নূরুল হুদা, নারী নেত্রী ফারজানা খানম জারমিন, ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান শফিক, জেলা বিএনপির নেতা আতিকুল ইসলাম জালাল প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে মাদকের বিস্তার ঘটেছে, কিন্তু এ ব্যাপারে আইন-শৃংখলা বাহিনীর কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই।
সভায় বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নের বটতলী বাজারের বিভিন্ন দোকানের ছাদে ও তিতাস নদীর পূর্বপাড়ে মাইমল হাটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকেই প্রকাশ্যে জুয়া খেলা শুরু হয়, চলে মধ্য রাত পর্যন্ত। জুয়া খেলে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরে। এ ব্যাপারে প্রতিকার হওয়া দরকার।
এছাড়াও অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতে মানুষ দিশেহারা। বক্তারা অনলাইন জুয়া বন্ধে, কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ও মাদক কারবারিদের পুলিশের অভিযান জোরদার করার দাবি জানান।
সভায় বক্তারা বলেন, শহরে অবৈধ মোটর সাইকেলের চলাচল বেড়েছে। এর মধ্যে বেশীর ভাগই টানা গাড়ি। এসব মোটর সাইকেলের চালকরা হেলমেট ছাড়াই বেপরোয়া গতিতে মোটর সাইকেল চালায়। এতে একদিকে দুর্ঘটনা বাড়ছে। অপরদিকে অপরাধ প্রবনতাও বেড়েছে।
বক্তারা বলেন, শহরে ছিচকে চুরির প্রবনতা বেড়েছে, এসব চোরেরা বিভিন্ন বাড়ির টিউবওয়েল, বাসা-বাড়ির বিদ্যুতের সার্ভিস লাইন, এসির কুলিং পাইপ, নির্মাণাধীন বাড়ির দরজা-জানলা, রড খুলে নিয়ে ভাঙ্গারীর দোকানগুলো বিক্রি করছে।
বক্তারা এসব ভাঙ্গারীর দোকানে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।
সভায় বক্তারা দুর্ঘটনারোধে শহরের বিরাসার মোড় গ্যাস ফিল্ডের সামনে, পৌর এলাকার গোর্কণঘাট ব্রীজের গোড়ায় ও সূর্যমুখী কিন্ডারগার্টেনের সামনে নিয়মিত একজন করে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানান। শহরের যানজট নিরসনকল্পে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং শহরের মসজিদ রোড ও পুরাতন কোর্টরোডকে ওয়ানওয়ে করার দাবি জানান।
সভায় সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, মাদকের ব্যাপারে কোন আপোষ নেই। মাদকরোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, সাধ ও সাধ্যেও মধ্যে সমন্বয় কওে সদর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবো।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, সদর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সকলের সহযোগীতায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো উন্নতি করা হবে। এজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোন আপোষ নেই। মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। ভ্রাম্যমান আদালতে সাজাও দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, পৌরসভার রাস্তা-ঘাটে চলাচল করতে গিয়ে জনগন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এসব ভাঙ্গা-চুরা রাস্তাঘাট সংস্কার করতে পৌর কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন, যানজট আমাদের বড় সমস্যা। অতিরিক্ত যানজটের কারনে শহরে চলাফেরা করতে কষ্ট হয়। যানজট লাঘবে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে চলাচলকরা সিএনজিচালিত অটোরিকসার বিরুদ্ধে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, আসন্ন দূর্গাপূজাকে সামনে রেখে কেউ যাতে কোন ধরনের নাশকতা করতে না পারে সেজন্য সকলকে খেয়াল রাখতে হবে।
সভায় সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যানগন, সদর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঝালকাঠির নলছিটিত মোটরসাইকেল মহড়া ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ও পৌর যুবদল। মিছিলটি শহর ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপততিত্ব করনে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন শাহীন। বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব পলাশ সজ্জন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লাভলু সিকদার, যুগ্ম আহ্বায় রেজওয়ানুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান শিমুল, শহর যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম শরীফ, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রাজন, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহাগ মুন্সি, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাজিব এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
সভায় বক্তারা বলেন, সারাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য করার ষড়যন্ত্র করছে। এই সন্ত্রাসীদের কোন জায়গা নলছিটিতে হবে না। এদের প্রতিহত করতে নলছিটি উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অবৈধভাবে টায়ার পুড়িয়ে বায়ু ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ‘গ্রীন এনার্জি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ধল্লা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ধল্লা এলাকায় গ্রীন এনার্জি নামের প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে টায়ার পুড়িয়ে বায়ু ও পরিবেশ দূষণ করে আসছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার ৮(১) বিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সব স্থাপনা দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির বলেন, ‘জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পাশের দোকানে ঢুকে যায়। এ ঘটনায় চারজন নিহত হন। আহত হয়েছেন সাতজন। নিহত সবাই অটোরিকশার আরোহী।
আজ সোমবার সকাল আটার দিকে লালমনিরহাট-পাটগ্রাম-বুড়িমারী মহাসড়কের ঘুন্টি বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নের গুড়িয়াটারী উফারমারা গ্রামের বাসিন্দা মো. ফাতুল মিয়া (৩৫), মো. মোস্তাকিম (৩৮) ও আনোয়ার হোসেন (২০) এবং একই ইউনিয়নের ইসলামপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মো. নুর আমিন (৩০)।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বুড়িমারী ইউনিয়নের ঘুন্টি বাজার এলাকার মো. বাদশা (৫৫) ও জাফর উদ্দিন (৬০), গুড়িয়াটারী উফারমারা গ্রামের মো. দিপু মিয়া (৩০), মো. মিশন মিয়া (২০) ও সাইফুল ইসলাম (৩২) এবং ইসলামপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আইনুল হক (৩৫)। তাঁরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে পাটগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অটোরিকশাটি ঘুন্টি বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারোনো ট্রাকটি সড়কের পাশের দোকানে ঢুকে পড়ে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান দুজন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা লিখিত কোনো অভিযোগ করেননি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিতে চাইলে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।