অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান শপথ গ্রহণ করেছেন। তিনি সিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নানের সহধর্মিণী এবং বাংলাদেশ মহিলা জামায়াতের কেন্দ্রীয় ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রবিবার (০৩.০৫.২০২৬) রাত ৯টার দিকে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্যমতে, এ সময় বিএনপি জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে ১ জন সদস্য শপথ গ্রহণ করেন।
শপথ গ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রথা অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে গিয়ে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরশহরের পশ্চিম বাদুরতলী এলাকার সহায়-সম্বলহীন অসহায় বৃদ্ধ আয়েজ উদ্দিন তালুকদার (৮০)-এর চিকিৎসাসেবায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই বৃদ্ধের খোঁজখবর নেন প্রেসক্লাবের সদস্যরা। এ সময় তাঁর প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করে দেন তাঁরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আসলাম শিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রেহান উদদীন রেহান, সদস্য আরিফ শিকদার, এ কে আজাদ ও মো. আলমগীর হোসেনসহ অন্যরা।
এ বিষয়ে প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আসলাম শিকদার বলেন, লোকমুখে জানতে পারেন, কলাপাড়া হাসপাতালে একজন অসহায় বৃদ্ধ ভর্তি হয়েছেন। তিনি কলাপাড়া পৌরশহরের রাস্তার পাশের ফুটপাতে সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বর্তমানে কর্মহীন তার আয়ের কোন উৎস নাই এবং সক্ষম কোন স্বজন নাই। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রয়োজন হয়, যা কেনার সামর্থ্য তাঁর নেই। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যরা মিলে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁর প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা নিয়মিত তাঁর খোঁজখবর রাখছি। ভবিষ্যতেও তাঁর ওষুধের প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করা হবে। শুধু এই রোগীই নন, অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে আমরা সব সময় থাকতে চাই। এটি উপজেলা প্রেসক্লাবের সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
টাঙ্গাইল জেলা ব্যাপী তালবীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "মূর্খ সংঘ"এর আয়োজনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজ প্রকৃতি ফিরিয়ে আনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে ভয়াবহ বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় টাঙ্গাইল জেলা ব্যাপী তালবীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে তাল বীজ বপনের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: আশেক পারভেজ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই সকলকে যার যার অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাড়াতে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বজ্রপাত রোধে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "মূর্খ সংঘ" এর উদ্যোগে তাল বীজ লাগানোর যে কার্যক্রম শুরু করেছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
এ সময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ হাসান খান টিটন, মোঃ চঞ্চল চৌধুরী, শামীম আলম মামুন,"মূর্খ সংঘ"এর উদ্যোক্তা মোস্তাক আহমেদ রানা উপস্থিত ছিলেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বর্তমান সরকার আগের সরকারের গতানুগতিক ধারায় পরিচালিত হচ্ছে না, ভবিষ্যতেও হবে না। কিছুটা সময় লাগলেও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার কাজ করছে। বৃহস্পতিবার রাতে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আগে দেশে অরাজকতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে স্বাভাবিকভাবে অনেক কাজ করা সম্ভব হতো না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। তবে এখন আর এসব চলতে দেওয়া হবে না। সরকার দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচন প্রমাণ করেছে, আগের মতো নির্বাচন আর হচ্ছে না, ভবিষ্যতেও হবে না। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের মধ্য দিয়েও এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দেশের সার্বিক উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা খাতকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতের ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি, আহাজারি ও অভিযোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারি অফিস-আদালত, হাসপাতালসহ সব প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সবার সদিচ্ছা থাকলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। এ জন্য সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এমপি মির্জা ফয়সল আমিন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের এমপি ডাক্তার আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও -৩ আসনের এমপি জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, আর্থিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও চাকরির প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামীকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে যোগ দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন নাটোরের লালপুর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।
জানা গেছে, ঈশ্বরদী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ প্রধান মুকুল হোসেন এবং বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ প্রধান আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে লালপুরের ৯৪ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য এ সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন।
মুকুল জানান, সমাবেশের নতুন ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে ঢাকার তেজগাঁওয়ের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ড। শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে নির্ধারিত পোশাকে সমাবেশস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ মহাসমাবেশে দেশের ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ৪৭ হাজার দফাদার ও মহল্লাদার গ্রাম পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি, বর্তমান বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, আর্থিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ এবং চাকরির যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা নিশ্চিত করা। স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা ও সরকারি বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাঁদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাই এবারের মহাসমাবেশ থেকে তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ ও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসবে—এমন প্রত্যাশা করছেন গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।
লালপুরের অংশগ্রহণকারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা আশা করছেন, তাঁদের সম্মিলিত দাবিগুলো যথাযথ গুরুত্ব পাবে এবং দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৬২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরে পৌঁছেছে সাড়ে ১৩ মিটার গভীরতার ‘এমভি এমবিএস তাইসি’ নামের একটি মাদার ভ্যাসেল। গতকাল রাত ৮টার দিকে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে (প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে গভীর সাগরে) এসে পৌঁছায়।
১৯৯ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩২ মিটার প্রস্থের জাহাজটি গত ২৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার তারাহান বন্দর থেকে ছেড়ে আসে। জাহাজটিতে আনা কয়লা পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
পায়রা বন্দররের উপপরিচালক (ট্রাফিক) জনাব আজিজুর রহমান বলেন, গত প্রায় আড়াই বছর ধরে পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলে মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে চ্যানেলের নাব্যতা কমে যাওয়ায় বড় জাহাজগুলো সরাসরি বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না । গত মার্চ ২০২৬ এর পর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের কুতুবদিয়া এ্যাংকোরেজে থেকে শিপ টু শিপ পদ্ধতিতে কয়লা খালাস করে ছোট ছোট লাইটার জাহাজের মাধ্যমে বিসিপিসিএল ও আরএনপিএল জেটিতে কয়লা পরিবহন করা হচ্ছিলো।
বর্তমানে পায়রা আউটার এ্যাংকোরেজ শিপ টু শিপ কার্গো হ্যান্ডলিং এর জন্য উপযোগী হওয়ায় এখন থেকে বিসিপিসিএল ও আরএনপিএল এর কয়লাবাহী মাদার ভ্যাসেল সরাসরি পায়রা আউটার এ্যাংকোরেজে আসবে এবং লাইটারিং এর মাধ্যমে ড্রাফট কমিয়ে ১৮/২০ হাজার মেট্রিকটন কার্গো নিয়ে মাদার ভ্যাসেল পায়রা বন্দরের ইনার এ্যাংকোরেজে প্রবেশ করতে পারবে। ফলে কয়লা পরিবহন খরচ হ্রাস পাবে।পাশাপাশি পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেল ড্রেজিংয়ের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি করা গেলে কয়লা নিয়ে মাদার ভ্যাসেল সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারবে ।
পায়রা বন্দরের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন এস. এম. শরিফুর রহমান জানান, গতকাল রাতে মাদার ভ্যাসেলটি নির্বিঘ্নে বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। আজ থেকেই পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হবে। অর্ধেকের বেশি পণ্য খালাসের পর জাহাজটি টার্মিনালে এসে অবশিষ্ট পণ্য খালাস করবে।
তিনি আরও বলেন, এখন থেকে একের পর এক জাহাজ পায়রা বন্দরে আসতে থাকবে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে মসজিদের উন্নয়নের কথা বলে অভিনব কৌশলে ১৫০ বস্তা সিমেন্ট আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রতারকের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শ্রীনগর ধানহাটা বাজারের আমির এন্টারপ্রাইজ, নামক একটি সিমেন্টের দোকানে সম্প্রতি একটি ফোন কল আসে। ফোন করা ব্যক্তি নিজেকে কাশেম মৃধা ছেলে মনু মৃধা বাড়ি ষোলঘর ইউনিয়ন সমসাবাদ এলাকার পরিচয় দেন, এলাকার একটি মসজিদের নির্মাণকাজের জন্য ১৫০ বস্তা সিমেন্ট প্রয়োজন।
দোকানদার কামাল হোসেন জানান, সিমেন্টগুলো নসিমন গাড়িতে লোড করার সময় তিনি টাকা পরিশোধের কথা বললে মনু মৃধা জানান যে, তিনি ব্যাংকে লোক পাঠিয়েছেন, সেখান থেকে টাকা তুলে দেওয়া হবে।
কিছুক্ষণ পর মনু মৃধা পুনরায় ফোন করে জানান যে তিনি ভুল লোকেশন দিয়েছেন এবং সিমেন্টের গাড়িটি যেন ‘ইয়াসমিন দেলোয়ার হাসপাতালের পাশে, তার রোড সিমেন্টের দোকানে পাঠানো হয়। কথামতো সিমেন্টের গাড়িটি সেখানে পাঠানোর পর থেকেই আর টাকা পরিশোধ করেননি। পরবর্তীতে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন এবং ফোন বন্ধ করে রাখেন।
ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী কামাল হোসেন বলেন, মনু মৃধা একজন ধুরন্ধর প্রতারক। সে এর আগেও এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে এমন প্রতারণা করেছে। আমার সাথেও একই কায়দায় বিশ্বাসভঙ্গ করে সে সিমেন্টগুলো আত্মসাৎ করেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কামাল হোসেন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে, এ ঘটনার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে এই প্রতারককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।