ট্রাম্পকে এভাবেই চিত্রিত করেছেন ইরানের নেতা খামেনি

  • প্রকাশ : সোমবার ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৯:১৪ এএম

টানা ১৬ দিন ধরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভ দমনে ইরানের শাসকরা 'অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছেন, এমন অভিযোগ এনেছে পশ্চিমা বিশ্ব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানের জনগণের মুক্তির সংগ্রামে সহায়তা করতে সেনা পাঠাবেন তিনি।


ট্রাম্পের নানা উসকানিমূলক কথার 'প্রতীকী' জবাব দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। আজ সোমবার এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্স।


ধনকুবের ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক মাধ্যম এক্সে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির আনুষ্ঠানিক অ্যাকাউন্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি কার্টুন পোস্ট করা হয়েছে।


কার্টুনটিতে প্রাচীন মিশরে মমি সংরক্ষণের বিশেষ কফিনে (সারকোফ্যাগাস নামে পরিচিত) ট্রাম্পের একটি ভঙ্গুর মূর্তি দেখানো হয়েছে। দেখে মনে হয় একটি পিরামিডের ভেতর ট্রাম্পের মুখাবয়ব সম্বলিত একটি সারকোফ্যাগাস রাখা হয়েছে। তবে ছবিতে কোনো মমি বা মানুষ দেখানো হয়নি।


কার্টুনে চিত্রিত দেওয়াল ও সারকোফ্যাগাসের গায়ে প্রাচীন মিশরীয় লিপি হায়রোগ্লিফিক্স দৃশ্যমান। কার্টুনের সঙ্গে একটি বার্তা পোস্ট করা হয়। সেখানে প্রাচীন মিশরের ফেরাউনের  মতো ঐতিহাসিক ও কিংবদন্তী শাসকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, অত্যাচারী শাসক নমরুদের কথাও উল্লেখ করে বলা হয়েছে, 'তারা যখন সবচেয়ে গৌরবময় অবস্থানে ছিলেন, তখন তাদেরকে উৎখাত করা হয়েছিল'।


এমন কী, পাহলভি রাজবংশের প্রথম ও দ্বিতীয় শাহ রেজা খান ও মোহাম্মদ রেজার কথাও বলা হয়েছে ওই বার্তায়।


খামেনির অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা বার্তায় বলা হয়, 'যে ব্যক্তি গর্ব ও অহমিকার সঙ্গে ওখানে বসে গোটা বিশ্বের বিচার করছেন, তার জানা উচিৎ, যে ফেরাউন, নমরুদ, রেজা খান ও মোহাম্মদ রেজার মতো পৃথিবীর সকল স্বৈরাচারী ও অহংকারী মানুষকে গৌরবের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে উৎখাত করা হয়েছে। একেও (ট্রাম্প) উৎখাত করা হবে।'


এর আগে, তেহরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায় তবে তারা পাল্টা জবাব দেবে।


বিক্ষোভকারীদের প্রাণহানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছে। তবে রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের নেতারা তাকে ফোন করেছেন এবং তারা 'আলোচনা করতে চান'। তবে তিনি যোগ করেন, বৈঠক হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে 'পদক্ষেপ নিতে হতে পারে'।


যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করছে, সে বিষয়ে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু বলেননি। তবে রবিবার তিনি বলেন, 'আমরা খুবই কঠোর কিছু বিকল্প নিয়ে ভাবছি।'


বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ সহযোগী সিবিএসকে এক কর্মকর্তা জানান, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার বিভিন্ন বিকল্প সম্পর্কে ট্রাম্পকে অবহিত করা হয়েছে।


ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে কর্মকর্তারা জানান, অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে থাকতে পারে অনলাইনে সরকারবিরোধী উৎসগুলোকে জোরদার করা, ইরানের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সাইবার অস্ত্র ব্যবহার, অথবা আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ।


চলমান বিক্ষোভ নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন অধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি।


সব মিলিয়ে বলা যায়, তেহরান-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের অস্থিতিশীল। খামেনির এই সর্বশেষ 'উসকানিতে' ট্রাম্প কি প্রতিক্রিয়া দেখান, সেটাই এখন দেখার বিষয়।



  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৪ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৪ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৪ পিএম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় অর্ণব আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড়টি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।


সোমবার (২৬ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় অর্ণব পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। সোমবার দুপুর ১২টায় এর অবস্থান ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এ সময় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে সোমবার মধ্যরাত নাগাদ পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

পরে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আগামী বুধবার ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

 


নেত্রী মাচাদো। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:১৫ পিএম

দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি সময় নির্বাসনে থাকার পর নিজ দেশ ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। দেশে ফিরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আমি এখানে, আপনাদের সঙ্গে।’  এর আগে, একাধিকবার দেশে ফেরার চেষ্টা করেও সফল হননি তিনি। এবার তার প্রত্যাবর্তন ঘটল ভেনেজুয়েলার জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে। গত জানুয়ারিতে, নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করতে যাওয়ার জন্য অন্ধকারের সুযোগে দ্রুতগতির নৌকায় ভেনেজুয়েলা ছাড়েন মাচাদো।


এর এক মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে যায়। এরপর মাদুরোর ডেপুটি ডেলসি রদ্রিগেজকে সমর্থন দেয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। পরে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন রদ্রিগেজ। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি তেল চুক্তিও সই করেন, যেখানে ওয়াশিংটনকে বেশ অনুকূল শর্ত দেওয়া হয়। রোববার (২৫ অক্টোবর) ভেনেজুয়েলার লারা রাজ্যের একটি গির্জায় প্রার্থনায় অংশ নিতে দেখা যায় মাচাদোকে। এ সময় তার চারপাশে ভিড় করেন সমর্থকেরা। তারা তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং হাত ধরে স্বাগত জানান।


এরপর উল্লাসরত সমর্থকদের গাড়িবহর নিয়ে রাজধানী কারাকাসের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি। রাজধানীতে যাওয়ার পথে বিভিন্ন স্থানে সমর্থকেরা তাকে স্বাগত জানাতে জড়ো হন। রোববার গভীর রাতে কারাকাসে প্রবেশের সময় গাড়ির সানরুফ দিয়ে বেরিয়ে হাসিমুখে সমর্থকদের অভিবাদন জানাতে দেখা যায় তাকে। এক্সে দেওয়া আরেক পোস্টে মাচাদো লেখেন, ‘আমাদের কারাকাসে পুনর্মিলনের রাত। প্রতিটি পরিবারের পুনর্মিলনের জন্য, প্রতিটি রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির জন্য, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার জন্য।’


মাচাদোর ঘনিষ্ঠ মিত্র ও সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এডমুন্দো গনসালেস উরুতিয়াও তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  রোববার হামলায় নিহত নয়জনের মধ্যে আটজনকে গির্জার পাশেই সমাহিত করা হয়। শেষকৃত্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। 


বার্তা সংস্থা এএফপির ছবিতে দেখা যায়, ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতিতে এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে পতাকায় মোড়ানো কফিনগুলো জনতার ভিড়ের মধ্য দিয়ে বহন করা হচ্ছে।


সৌদি আরব এবং পাকিস্তানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৫০ পিএম

সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমন্বয় নিয়ে আলোচনার জন্য এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। আর পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ২টি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে জেরুজালেম পোস্ট। বৈঠকে তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধানও অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একজন। 

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার উপসচিব আলী বাঘেরি কানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করবেন। সেখানে তারা ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে সৌদি সরকারের গণমাধ্যম কার্যালয়, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এবং তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষই সাড়া দেয়নি। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর হামলা বেড়ে যাওয়ার পর এই প্রথম তিন দেশের জোটের সব সদস্যের সঙ্গে ইরানের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ হতে যাচ্ছে। সৌদি আরবের ওপর হুতিদের ধারাবাহিক হামলার মধ্যে এ বৈঠককে আঞ্চলিক পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে, গত সপ্তাহে, তেহরান সফর করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সে সময় তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সফরে ইরানি কর্মকর্তারা তাকে জানান, তেহরানের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে পাকিস্তান। এর আগে দেশটির মধ্যস্থতায় জুনে একটি অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি হয়েছিল। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও লড়াই শুরু হলে চুক্তিটি ভেঙে পড়ে।

এদিকে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির সঙ্গে সংঘাত অব্যাহত থাকায় রোববারও নতুন করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের একটি ঝাঁক প্রতিহত করেছে সৌদি আরব।

চলতি মাসের শুরুর দিকে মক্কা চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রীরা রিয়াদে জরুরি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সৌদি আরবে সামরিক বাহিনী ও প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত হন তারা।

ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ঘিরে চলমান সংঘাতে সৌদি আরবের ওপর হামলা ক্রমেই অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরব বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ চাপের মুখে পড়েছে।

 গত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের কোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে বাকি সদস্যদের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

রয়টার্সের দেখা চুক্তির নথি অনুযায়ী, এর প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সদস্য দেশগুলোর ভৌগোলিক অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব কিংবা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তের জন্য হুমকি তৈরি হলে তা মোকাবিলায় পক্ষগুলো ‘সব প্রয়োজনীয় উপায়’ ব্যবহার করবে। চুক্তিটি অনুসমর্থনের প্রক্রিয়া গত সপ্তাহে শুরু করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট, যা এখনো চলমান। অন্যদিকে, গত সপ্তাহে চুক্তিটি অনুমোদন করেছে পাকিস্তান। 


ভূমিকম্প

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৩ পিএম

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকায় ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পে দুই দেশের একাধিক অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.২।


শুরুতে এর মাত্রা ৫.৮ বলে ধারণা করা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৫.২ নির্ধারণ করা হয়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়েছিল ভূপৃষ্ঠের ১১০ কিলোমিটার গভীরে।


আফগান সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে দেশটির রাজধানী কাবুল, নানগারহারসহ আশপাশের কয়েকটি প্রদেশে কম্পন অনুভূত হয়। তবে আফগানিস্তানে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


অন্যদিকে, পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা এবং উত্তরের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে।


দুই দেশেই পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


তথ্যসূত্র: রয়টার্স, জিও নিউজ। 


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৫৮ এএম

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা নির্বাচনে নাটকীয় জয় পেয়েছেন। কট্টর ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে তিনি ঐতিহাসিকভাবে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় বসছেন। প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, ৮০ বছর বয়সী এই বামপন্থী নেতা পেয়েছেন ৫১.৭৫ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে তাঁর ৪৫ বছর বয়সী প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৪৮.২৫ শতাংশ ভোট।


অক্টোবরের শুরুতে নির্বাচনের প্রথম ধাপে বলসোনারোর কাছে অল্প ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন লুলা। এতে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। আর প্রগতিশীল ব্রাজিলীয়রা তিন সপ্তাহের জন্য হতাশ হয়ে গিয়েছিলেন। আশির দশকে গণতন্ত্র ফিরে আসার পর এমনটা আর কখনোই হয়নি। প্রথম ধাপে দ্বিতীয় হওয়া কোনো প্রার্থী এর আগে দ্বিতীয় ধাপে জিততে পারেননি।


কিন্তু গতকাল রোববার লুলা ঠিক সেই অসম্ভব কাজটাই করে দেখিয়েছেন। এতে সাও পাওলোর রাস্তায় আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। সেখানকার একটি হোটেলে বসেই তিনি ভোট গণনা দেখছিলেন।


ফলাফল নিশ্চিত হওয়ার পর লুলার অন্যতম প্রধান মিত্র রেজিনাল্ডো লোপেস দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘আমার কাছে অবিশ্বাস্য লাগছে...এর মধ্য দিয়ে ব্রাজিল বিশ্বকে জানিয়ে দিল যে কট্টর ডানপন্থীরা হলো ফ্যাসিবাদী। তারা কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে, গরিবদের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এবং সমকামীদের বিরুদ্ধে...। আমরা এই দেশের গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে  নতুন করে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছি।’


তিন সপ্তাহ আগে ব্রাজিলের এই প্রেসিডেন্ট ২২ লাখ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। কিন্তু এবার তিনি ৪৩ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।


৮১ বছর বয়সী এই বামপন্থী নেতা তাঁর সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসার মধ্য দিয়েই এই বিশাল ব্যবধান গড়ে তুলেছেন। তাঁর মিত্ররা এটিকেই সবচেয়ে বড় সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন।


প্রথম ধাপে ভোট না দেওয়ার হার ছিল রেকর্ড ২১.০৮। এ কারণে লুলার ভোটাররাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। কারণ, তাঁরা ভোটকেন্দ্র থেকে বেশ দূরে থাকেন। তবে দ্বিতীয় ধাপে ভোট না দেওয়ার এই হার কমে ১৯.২১–এ নেমে আসে।


আগামীকাল মঙ্গলবার লুলার বয়স ৮১ বছর পূর্ণ হবে। এই জয় তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের চূড়ান্ত অধ্যায়। সত্তরের দশকের শেষের দিকে সাও পাওলোর শিল্প শহরতলিতে একজন শ্রমিকনেতা হিসেবে তাঁর এই জীবন শুরু হয়েছিল।


গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেন লুলা। রাজনীতিতে আসার পর ১৯৮৯, ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ সালে টানা তিনবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। ২০০২ সালে তিনি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনিই শ্রমিক শ্রেণি থেকে উঠে আসা প্রথম প্রেসিডেন্ট।  


সংবিধান অনুযায়ী, টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পর লুলা পদত্যাগ করেছিলেন। তবে ২০২২ সালের নির্বাচনে বলসোনারোর বাবা এবং তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে হারিয়ে তিনি আবারও ক্ষমতায় ফেরেন। পরে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র করার অপরাধে জইর বলসোনারোকে কারাগারে পাঠানো হয়।


লুলার এই জয় বলসোনারোর জন্য একটি দুঃসংবাদ।  তিনি এখন ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তিনি আশা করেছিলেন যে ছেলে জিতলে তিনি হয়তো মুক্তি পাবেন এবং সরকারে কোনো পদ পাবেন।


এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্যও একটি বড় ধাক্কা। তিনি বলসোনারো পরিবারের মিত্র।


ট্রাম্প আশা করেছিলেন, লাতিন আমেরিকায় তাঁর সমর্থক নেতাদের তালিকায় বলসোনারোও যুক্ত হবেন।


লুলার জয়ের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ব্রাসিলিয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানেই বলসোনারো গৃহবন্দী অবস্থায় আছেন এবং তাঁর ছেলে সেখান থেকেই ভোট গণনা দেখছিলেন।


গত শনিবার লুলার সমর্থকেরা দুটি বিশাল শোডাউন করেন। রিও ডি জেনিরোর কোপাকাবানা সৈকতে ১০ লাখের বেশি মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। এর চেয়েও বেশি মানুষ সাও পাওলোর প্রাণকেন্দ্র পাওলিস্তা অ্যাভিনিউতে মিছিল করেন।


রিও ডি জেনিরোর সমাবেশে ট্রাকচালক জোসিয়াস সিলভা কথা বলেন। তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে চলা বলসোনারোবিরোধী বিক্ষোভের পর লুলার ফিরে আসার বিষয়ে তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।


সিলভা দাবি করেন, ‘জনগণ জেগে উঠেছে... এর আগে কখনো এমন বিক্ষোভ হয়নি। এটি ব্রাজিলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ।’


গতকাল সন্ধ্যায় লুলার শত শত সমর্থক ভোট গণনা দেখতে আবারও পাওলিস্তা অ্যাভিনিউতে ফিরে আসেন। তখন তাঁরা লুলার ছবিযুক্ত লাল পতাকা ওড়াচ্ছিলেন।


শুরুতে লুলার এগিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ৩৫ বছর বয়সী কামিলো বুয়ার্কে বলেন, ‘এখানে থাকতে পেরে এবং লুলার জন্য লড়াই করতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। আমার চারপাশের এই মানুষের শক্তি, আনন্দ আর ভালোবাসা থেকেই আমার আত্মবিশ্বাস এসেছে। এটাই হলো গণতন্ত্র।’


ইসরায়েলি হামলার পরে গাজার দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:১১ এএম

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন, যাদের মধ্যে পাঁচজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। রোববার (২৫ অক্টোবর) উপত্যকাটির বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলা চালানো হয়। চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু।


সূত্র জানায়, গাজা নগরীর ইসলামিক ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে ইসরায়েলি হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং আরও কয়েকজন আহত হন।


বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এর কিছুক্ষণ আগে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের একটি জমায়েত লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। হামলার পর গাজা নগরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষাক্রম-সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী সামরিক অভিযানে বাড়িঘর ধ্বংস হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত অনেক ফিলিস্তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন।


 উত্তর গাজায় উপত্যকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আল-রশিদ উপকূলীয় সড়কে বেসামরিক মানুষের একটি জমায়েত লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলায় কয়েকজন আহত হন। তবে আহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট সূত্র।


এ ছাড়া জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের পশ্চিমে আল-ফালুজা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে পায়ে আঘাত পাওয়া এক ফিলিস্তিনিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট সূত্র। খান ইউনিসে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে এক নারীও মাঝারি মাত্রায় আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা আনাদোলুকে জানান, খান ইউনিস শহরের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি কামান থেকে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে। এ ছাড়া উপকূলের দিকে গুলি ও গোলা ছুড়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজ।


মধ্য গাজায় দেইর আল বালাহ শহরের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় ৩৩ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।


স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার ভোরে গাজা নগরীর পূর্বাঞ্চলীয় আল তুফাহ এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন স্থানে দুটি দফায় বাড়িঘর ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে দুটি বড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।


২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১ হাজার ৫৫১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ৫৭৩ জন আহত হয়েছেন।


২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ৭৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। এ ছাড়া উপত্যকাটির বেসামরিক অবকাঠামোর প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।