‘বয়কট ইসরায়েল’ স্টিকার লাগানোয় এই দুই ব্রিটিশ পর্যটককে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১১:১৫ পিএম

‘ফ্রি প্যালেস্টাইন, বয়কট ইসরায়েল’ স্লোগান সংবলিত স্টিকার লাগানোর অভিযোগে যুক্তরাজ্যের দুই পর্যটককে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে মোদী সরকার। ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাজস্থানের একটি শহরে এসব স্টিকার লাগানোর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। রাজ্য পুলিশ জানায়, লুইস গ্যাব্রিয়েল ডি এবং আনুশি এমা ক্রিস্টিন নামে ওই দম্পতি পর্যটন ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়েছেন।



পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, গত ২১ জানুয়ারি জনপ্রিয় পর্যটন শহর পুষ্করে একাধিক স্থানে ওই দুই পর্যটক স্টিকার লাগাচ্ছেন, এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। স্টিকারগুলোতে লেখা ছিল, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন, বয়কট ইসরায়েল’ (ফিলিস্তিন মুক্ত করো, ইসরায়েল বয়কট করো)। রাজস্থানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজেশ মীনা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করে অন্য দেশের প্রতি অসম্মানজনক কর্মকাণ্ডে জড়ানো ভিসা বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।



তিনি ইন্ডিয়া টুডেকে আলাদা করে বলেন, বিদেশি নাগরিকদের কর্মকাণ্ডের ওপর আমাদের নজর খুবই কড়া। কোনো বিদেশি নাগরিক পর্যটন ভিসার শর্ত ভঙ্গ করলে তাকে শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যে দেশ থেকে ফেরত পাঠানো এবং ভবিষ্যতে কালো তালিকাভুক্ত করার মতো পদক্ষেপও রয়েছে।



রাজেশ মীনা জানান, গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভারতের অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫-এর আওতায় ওই দম্পতিকে নোটিশ পাঠায় পুলিশ অপরাধ তদন্ত বিভাগ। এর মাধ্যমে তাদের ভিসা বাতিল করা হয় এবং অবিলম্বে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।



পুষ্কর শহরটি ইসরায়েলি পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। সামরিক দায়িত্ব শেষ করার পর অনেক ইসরায়েলি এখানে সময় কাটাতে আসেন। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্যে জানা গেছে, বর্তমানে শহরটিতে প্রায় দুই হাজার ইসরায়েলি অবস্থান করছেন। সূত্র- দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:০৫ পিএম

ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে হামলা চালানোর পর গত দুই দিন ধরে সব ধরনের হামলা বন্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার কাজে ব্যবহৃত ‘ইন্টারসেপ্টর ’ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।


রোববার (২৬ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।


প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টাদের মধ্যে মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের মজুত দ্রুত কমে যাওয়া নিয়ে আলোচনা হয়। ওই আলোচনার পরই সপ্তাহের শেষ দিকে নির্ধারিত বড় ধরনের বিমান হামলার পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসে ওয়াশিংটন।


এর আগে গত শুক্রবার(২৪ জুলাই) ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, ইরানের ওপর বিমান হামলা আরও জোরদার করা হবে। তবে শীর্ষ সামরিক পরামর্শকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর তিনি তার সেই অবস্থান পরিবর্তন করেন। 


সংবাদমাধ্যমটিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুটি পৃথক সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ডেন কেইন ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানে বড় ধরনের আক্রমণ চালাতে পারে, তবে এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সেনাদের সুরক্ষায় নিয়োজিত ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত সংকটজনক হারে কমে যেতে পারে।


এ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, লাগাতার তীব্র হামলা চালিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করা যাবে কি না, তা নিয়েও হোয়াইট হাউসের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। 


সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার ফলে ইরানিদের মধ্যে উল্টো জাতীয়তাবাদী ঐক্য জোরদার হয়েছে এবং তারা বিদেশি হুমকি মোকাবিলায় একাট্টা হয়েছেন।


উল্লেখ্য, এমন কৌশলগত সংশয়ের মাঝেই গত শুক্রবার ও শনিবার(২৫ জুলাই) রাতে ইরানি ভূখণ্ডে নতুন করে কোনো হামলা চালায়নি মার্কিন বাহিনী।



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:২৯ এএম

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা। ৩৬ দিনের টানা আন্দোলনের ফলে বিজেপি সরকার তাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে বলে বিশ্বাস তাদের। শিক্ষার্থী ও যুবকদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে আন্দোলন সফল হয়েছে বলে মনে করছে সিজেপি।


এই সফল আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সিজেপি নেতারা রাজনীতিতে যোগ দেবেন কি না, এ নিয়ে সব স্তরে কৌতুহল তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সিজেপির দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার সাক্ষাৎকার নিয়েছে। পূর্ণকালীন রাজনীতিতে যোগ দেবেন কি না, এমন প্রশ্নে তাদের মধ্যে একজন বলেছেন, “ভারতে কখনোই কোনো কিছুকে না বলবেন না।”


তবে সিজেপি এখনই পূর্ণকালীন রাজনীতিতে নামার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যুব নেতৃত্বাধীন তৃণমূল আন্দোলনকে শক্তিশালী করাই তাদের অগ্রাধিকার।


রানকা এনডিটিভিকে বলেছেন, “আমার মনে একমাত্র যে বিষয়টি কাজ করছে তা হল, বাড়িতে ফেরা ও ঘুমানো, বিশ্রাম নেবো আর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবো। গত কয়েক মাস ধরে আমি বাড়ি থেকে দূরে আছি আর আমি সত্যিই আরাম করতে চাই। গত দুই মাসে যা যা ঘটেছে তা আমাদের সবাইকেই কাবু করে ফেলেছে বলে আমার ধারণা।


“এটা গর্বের মুহূর্ত। এটা সত্যি খুশি হওয়ার, স্বস্তি পাওয়ার মুহূর্ত। এরপর কী হয় দেখবো আমরা।”


তিনি রাজনৈতিক জীবনের কথা নাকচ করে দিচ্ছে কি না, সরাসরি এমন প্রশ্নে তিন বলেন, “আমি যা অনুভব করি ভারতে কখনোই কোনো কিছুকে না বলতে নেই।”


সৌরভ দাস জোর দিয়ে জানিয়েছেন, রাজনীতি তাদের দলের তাৎক্ষণিক উদ্দেশ্য নয়।


তিনি বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য খুব স্পষ্ট। এই আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, কারণ ইতোমধ্যে (দেশে) ৭৫০ থেকে ৮০০ মতো রাজনৈতিক দল আছে। এগুলোর কোনোটিই তরুণদের ইচ্ছাকে পূর্ণতা দিতে সক্ষম না।


“আর আমরা এই আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই যেন ক্ষমতায় থাকা যেকোনো রাজনৈতিক দল বা নেতা তরুণদের জন্য কাজ করতে সমর্থ হয় আর তাদের দাবি পূরণ করে। এই মুহূর্তে এটাই আমাদের কর্মসূচী।”


ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, আন্দোলনের পথ থেকে এখনই সরছেন না তারা। লিখিতভাবে সরকার সব দাবি মেনে নেওয়ার কথা না জানালে অবস্থান মঞ্চ ছাড়বেন না তার


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:২১ এএম

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক ১৫ দিনের সংঘাতে বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে থাকা ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি অত্যাধুনিক নজরদারি ও অপারেশনাল ড্রোন ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি। শনিবার আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা ও মেহের নিউজ এজেন্সি।


আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি বলেন, ৮ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত চলা ১৫ দিনের লড়াইয়ে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তার দাবি, ওই সময়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হামলায় ১১টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়।


তিনি আরও দাবি করেন, ধ্বংস হওয়া ১৭টি ড্রোনের মধ্যে আটটি ছিল সংযোজনের অপেক্ষায় থাকা (আনপ্যাকড) ড্রোন।


আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, যা একটি হ্যাঙ্গারের ভেতরে ছিল, একটি পি-৮ সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি সি-১৭ পরিবহন বিমান এবং আটটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (ট্যাংকার) বিমান রয়েছে।


তবে আইআরজিসির এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা ইস্যুকে কেন্দ্র করে চলতি মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। ৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, গত মাসে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক আর কার্যকর নেই।


এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এর প্রভাব পড়েছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলায় ইরানে ৫৯ জন নিহত এবং ৫৯২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ ও তথ্যকেন্দ্রের প্রধান হোসেইন কারমানপুরের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি।


এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পূর্ববর্তী দফার মার্কিন হামলায় ইরানে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন বলে ইরানের দাবি। নিহতদের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী ছিলেন। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত এবং ২৬ জন নিহত হন।

 


নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ যোশী

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:১০ পিএম

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে টানা আন্দোলনের মুখে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ যোশী। তিনি তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।


আজ শনিবার সন্ধ্যায় ভারতের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় খাদ্য ও ভোক্তা বিষয়কমন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে চলমান আন্দোলনের মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। 


পদত্যাগপত্রে তিনি বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে চার দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন তিনি। চলমান পরিস্থিতিকে ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি’ যেন অপব্যবহার করতে না পারে, সে কারণেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছিল দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৫ দিন ধরে চলা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি। তার পদত্যাগের পর আন্দোলনকারী সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) কেন্দ্র সরকারের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।


প্রহ্লাদ যোশী বর্তমানে কেন্দ্রীয় খাদ্য ও ভোক্তা বিষয়কমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার আগের দিন তিনি বলেছিলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ‘অসামাজিক শক্তি’ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।


তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদের অধিকার রয়েছে। তবে আন্দোলন যাতে অন্য কোনো পক্ষের স্বার্থে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকা উচিত।


পদত্যাগের পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৫৪ পিএম

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। 


দলটি জানিয়েছে, তাদের প্রথম দাবি পূরণ হলেও আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।


আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছিল তাদের প্রথম দাবি, যা সরকার মেনে নিয়েছে। তবে এখনো বাকি রয়েছে আরও দুই দাবি। একটি হলো আত্মহত্যা করা সব শিক্ষার্থীর পরিবারের জন্য ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অন্যটি হলো আন্দোলনে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে যেন কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হয়।


দলটির বক্তব্য, এসব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন ও চাপ অব্যাহত থাকবে। সিজেপির দাবি, পরীক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই তাদের আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।


ধর্মেন্দ্র প্রধান

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:৪৭ পিএম

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। আন্দোলনের মুখে নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রীসভায় এটিই প্রথম কোনো পদত্যাগ। শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং কেন্দ্রের মধ্যে তৃতীয় দফা বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান লেখেন, যন্তর মন্তরসহ দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, দেশবিরোধী শক্তিগুলো যাতে এর সুযোগ নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যেন বজায় থাকে, ভারতের একটি ছাত্রের ভবিষ্যতও যেন আইনি জটিলতায় জড়িয়ে না পড়ে এবং আমাদের সন্তানরা যেন পড়াশোনায় সময় দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ায় মনোযোগ দিতে পারে এসব কথা মাথায় রেখে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।


এর আগে কেন্দ্রের সঙ্গে টানা তৃতীয় দফা আলোচনার আগেই নিজেদের অবস্থান জানিয়ে সিজেপি বলেছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনো আলোচনা হবে না।