মক্কা অভিমুখে ড্রোন হামলায় ওআইসির নিন্দা

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:১১ এএম

ইসলামের পবিত্র নগরী মক্কা অভিমুখে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। এ ঘটনার নিন্দা তীব্র জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। 


তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের এই অভিযোগকে ‘পুরোনো মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে তা অস্বীকার করেছে হুতিরা। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।


সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে, মক্কার কাছে ইয়েমেনের হুতিদের ছোড়া একটি ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।


জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ড্রোনটি শনাক্ত করা হয়। নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটিকে ভূপাতিত করা হয়। পরে ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণে পড়ে।


আল-মালিকি এটিকে মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগও হুতিদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল।


তিনি বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ ও হজযাত্রীদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের জন্য ‘লাল রেখা’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।


তবে মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হাজেম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার দাবি ‘পুরোনো মিথ্যা’, যা এর আগেও ব্যবহার করা হয়েছে।


তিনি দাবি করেন, এ ধরনের অভিযোগ এখন আর কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।


এদিকে মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হুতিদের হামলার অভিযোগে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ওআইসি। সংস্থাটির মহাসচিবালয়ের এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের চলমান হামলারও নিন্দা করা হয়।


বিবৃতিতে বলা হয়, পবিত্র স্থান ও মসজিদ লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা লঙ্ঘন করে। একই সঙ্গে এটি বিশ্বের মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করে।


ওআইসি বলেছে, পবিত্র স্থান, উপাসনালয় ও বেসামরিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ইসলামি মূল্যবোধ এবং আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির পরিপন্থি।


পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা লঙ্ঘনকে অগ্রহণযোগ্য ও অসহনীয় উল্লেখ করে এর জন্য দায়ীদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।


সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে ওআইসি বলেছে, দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা বজায় রাখতে রিয়াদ যেসব পদক্ষেপ নেবে, তাতে সংস্থাটির সমর্থন রয়েছে।


এর আগে মঙ্গলবার হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদির খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।


২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা ও দেশের কয়েকটি অঞ্চল দখল করার পর ইয়েমেনে যুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ করে।




ওমর আবদুল্লাহ ও নিধি রাজদান

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:০৭ পিএম

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ নিধি রাজদান নামে এক হিন্দু নারী সাংবাদিককে বিয়ে করেছেন। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) তারা এ ঘোষণা দিয়েছেন।


৫৬ বছর বয়সী ওমর এক্সে লিখেছেন, “গতকাল এক নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।” এতে নিধি রাজদানকে ট্যাগ করেন তিনি।


সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়েটি সম্পন্ন হয়। এতে পরিবারের কাছের সদস্যরা আসেন।


যারমধ্যে ছিলেন ওমর আব্দুল্লাহর বাবা ফারুক আব্দুল্লাহ এবং মোলি আব্দুল্লাহ। অপরদিকে নিধি রাজদনের বাবা এমকে রাজদান এবং শার্লা রাজদানও উপস্থিত ছিলেন।


ওমর আব্দুল্লাহ এর আগে পায়েল আব্দুল্লাহ নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে দুই সন্তানও আছে। তবে স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। এ কারণে তিনি তাকে ডিভোর্স দিতে চান। পরে তাদের এই বিয়ের সম্পর্কটি কয়েক বছর ধরে ঝুলে থাকার পর গত জুলাইয়ে সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে তাদের চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়।


এরআগে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। পরবর্তীতে তারা মামলা তুলে নিতে সম্মত হন এবং বিচ্ছেদ চূড়ান্ত করেন।


এদিকে তার সাবেক স্ত্রী পায়েল আব্দুল্লাহও হিন্দু ছিলেন। বিয়ের আগে তার নাম ছিল পায়েল নাথ। ওমর আব্দুল্লাহর সঙ্গে বিয়ের পর তিনি নিজের নাম পাল্টে রাখেন পায়েল আব্দুল্লাহ।


সূত্র: এনডিটিভি


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৫ পিএম

কলকাতায় ফের বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ঘেরাওকে কেন্দ্র করে এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাধীন সনাতনী রাষ্ট্রের দাবি এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির’ দাবিতে শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজপথে নেমেছিল ‘বঙ্গসেনা’ নামের একটি কট্টরপন্থি সংগঠন। তবে পুলিশের বাধার মুখে  মিশনের মূল ফটক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি তারা।


শনিবার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর থেকে মিছিল বের করেন বঙ্গসেনার কর্মী-সমর্থকেরা। মিছিলের সামনের সারিতে দেখা যায় বিপুল সংখ্যক গেরুয়া বসনধারী ও সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীদের। সেখান থেকে বিভিন্ন স্লোগান তুলে মিছিলটি পার্ক সার্কাসের বাংলাদেশ মিশনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।


মিছিলটি উপ-হাইকমিশনের কাছাকাছি আসা মাত্রই প্রস্তুত থাকা কলকাতা পুলিশ ডাবল ব্যারিকেড তুলে সেটিকে থামিয়ে দেয়। মিশন থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ আগেই বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয়া হয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সামান্য বচসা ও ধাক্কাধাক্কি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে প্রশাসন। ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থান নিয়ে নিজেদের দাবি-দাওয়া নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বঙ্গসেনার সদস্যরা।


এই কর্মসূচির কারণে পার্ক সার্কাস ও সংলগ্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। শনিবারে মিশন বন্ধ থাকার কারণে এদিন কোনো স্মারকলিপি জমা দিতে পারেননি সংগঠনের প্রতিনিধিরা। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উপ-হাইকমিশন ও তার আশপাশের এলাকায় আগাম অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।


উল্লেখ্য, চলতি মাসে এটি বাংলাদেশ মিশনের সামনে দ্বিতীয়বার উত্তেজনা সৃষ্টির ঘটনা। এর আগে গত ৩ অক্টোবর ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ এবং বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের সন্ন্যাসীরা প্রায় একই দাবিতে মিশনের বাইরে অবস্থান নিয়েছিলেন। সেবারে অবশ্য তারা মিশনের কর্মকর্তাদের কাছে একটি স্মারকলিপি তুলে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।


আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে সংসদ সদস্যদের মধ্যে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৫ পিএম

‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ বা যৌনতা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব নিয়ে বিতর্কের জেরে আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় সংসদ সদস্যদের পরস্পরের দিকে কিল-ঘুষি, লাথি ও চেয়ার ছুড়তে দেখা যায়। অধিবেশনকক্ষের পাশাপাশি পার্লামেন্ট ভবনের করিডোরেও ছড়িয়ে পড়ে হাতাহাতি।


চলতি বছরের শুরুতে বিরোধী দল স্ট্রং আর্মেনিয়া পার্টি নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশে ‘কোনো অসন্তুষ্ট নারী থাকবে না’—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এ লক্ষ্য পূরণে দলটি ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়। দলটির দাবি ছিল, যৌন অসন্তুষ্টির কারণে মধ্যবয়সী শ্বেতাঙ্গ নারীদের মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, যা মোকাবিলায় এ ধরনের মন্ত্রণালয় প্রয়োজন।


গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পার্লামেন্টে প্রস্তাবটি নিয়ে বিতর্কের একপর্যায়ে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ক্ষমতাসীন সিভিল কন্ট্রাক্ট পার্টির সংসদ সদস্য তারন চাখোয়ান বিরোধী দলকে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে দলটির নেতা নারেক রাপেতিয়ানকে নারীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।


বিতর্কের সময় চাখোয়ান রাপেতিয়ানকে ‘আপাদমস্তক ঝামেলা’ বলে কটাক্ষ করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। একপর্যায়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আসন ছেড়ে চাখোয়ানের বক্তব্য দেওয়ার ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।


সংঘর্ষের সময় সংসদ সদস্যদের একে অপরকে ঘুষি ও লাথি মারতে দেখা যায়। পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার ও ক্ষমতাসীন দলের সদস্য ভাহাগন আলেকসানিয়ান বিরোধী আইনপ্রণেতাদের দিকে একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন। অন্যদিকে চাখোয়ানকে বিরোধী সংসদ সদস্য গার্নিক দাভতিয়ানের দিকে পানি ছিটাতে দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন আইনপ্রণেতা পানির বোতল ছোড়েন এবং পার্লামেন্টের কয়েকটি টেবিল ভেঙে যায়।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার অধিবেশন মুলতবি না করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার ভাষ্য ছিল, সবাই যেন ঘটনাটি সরাসরি দেখতে পারেন। তবে সংঘর্ষের মাত্রা বেড়ে গেলে শেষ পর্যন্ত অধিবেশনে বিরতি ঘোষণা করতে হয়। বিরতির পরও হাতাহাতি থামেনি; পার্লামেন্টের করিডোরেও দুই পক্ষের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা দুই দলের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে মানবপ্রাচীর তৈরি করেন। কয়েকজন সংসদ সদস্যকে আঘাতপ্রাপ্ত ও ছেঁড়া পোশাকে চেম্বার থেকে বের হতে দেখা যায়।


ঘটনার পর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান সহিংসতার নিন্দা জানান। তবে একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের ভূমিকার প্রতি সমর্থনও জানান তিনি। পাশিনিয়ান বলেন, ‘আমি সহিংসতার নিন্দা করি, তবে আজ সিভিল কন্ট্রাক্ট উপদল যে ব্যবস্থা নিয়েছে আমি তাকে সমর্থন করি; কারণ বিরোধী দলে থাকার মানে এই নয় যে কেউ উদ্ধত আচরণ করবে। চেয়ার ছুড়ে মারা হোক বা অন্যকিছু, এটি ছিল যথাযথ ও সঠিক।’


পরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী কৌতুক করে লেখেন, ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’ নামের দলটির সংসদ সদস্যরা ‘শারীরিকভাবে ততটা শক্তিশালী নন’। 


সেই পোস্টের মন্তব্যে চাখোয়ান বলেন, ‘আমার কিছুটা খারাপ লাগছে। তারা [স্ট্রং আর্মেনিয়া] লড়াই শুরু করে আর তারপর পালিয়ে যায়।’


চাখোয়ান পরবর্তীতে প্রতিপক্ষের আচরণকে ‘গুণ্ডামি’ হিসেবে অভিহিত করে জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে সংঘাত উসকে দিয়ে মার না খেয়ে পালিয়ে যাওয়া চলবে না।’


অন্যদিকে, বিরোধী নেতা কারাপেতিয়ান সংঘর্ষের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘটনাটিকে ‘খাঁটি আর্মেনীয় ধাঁচের পুরুষে পুরুষে স্বাভাবিক লড়াই’ বলে বর্ণনা করেন। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরক্ত করে আসা ব্যক্তিরা এবার সরাসরি জবাব পেয়েছেন।


এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা জানতে চাইলে আর্মেনিয়ার প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।


এদিকে একই দিনে আলবেনিয়ার পার্লামেন্টেও বিরোধী আইনপ্রণেতাদের বিক্ষোভ ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বিরোধী সংসদ সদস্যরা স্মোক বোমা বিস্ফোরণ ঘটান এবং ডায়াস অবরুদ্ধ করেন।


বিতর্কিত একটি রিসোর্ট প্রকল্পকে কেন্দ্র করে আলবেনিয়ায় কয়েক মাস ধরে চলা ‘ফ্লেমিংগো আন্দোলন’ পরে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়। সেন্ট্রাল ব্যাংক অব আলবেনিয়া-সংক্রান্ত একটি আইনের সংশোধনী নিয়ে ভোটাভুটির সময় ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন বিরোধী সদস্যরা। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী এডি রামার পদত্যাগ দাবি করেন।


হ্যালোইন উৎসব

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:২৪ পিএম

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর রাত নামলেই শুরু হয় হ্যালোইন উৎসব। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, শপিংমল থেকে শুরু করে পার্টির জায়গা- সবখানেই দেখা যায় ভূত, প্রেত, কঙ্কাল, ডাইনি ও ভ্যাম্পায়ারের সাজ। 


কেউ মুখে রক্তের দাগ আঁকেন, কেউ পরেন কঙ্কালের পোশাক। আবার কেউ বাড়ির সামনে সাজিয়ে রাখেন কৃত্রিম কবর, ভূতের মূর্তি ও ভয়ংকর মুখ খোদাই করা কুমড়া।


বর্তমানে হ্যালোইন অনেকের কাছে আনন্দ, সাজসজ্জা, পার্টি ও বিনোদনের উৎসব। তবে এর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মৃত্যু, আত্মা, পরলোক এবং প্রাচীন লোকবিশ্বাস। প্রায় দুই হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য থেকে কীভাবে এই উৎসবের সূচনা হলো? কেন মৃতদের আত্মার সঙ্গে হ্যালোইনের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে?


হ্যালোইনের ইতিহাসের শিকড় খুঁজতে হলে ফিরে যেতে হয় প্রাচীন কেল্টিক জনগোষ্ঠীর কাছে। ইতিহাসবিদদের মতে, হ্যালোইনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে তাদের ‘সাওইন’ উৎসবের।


প্রাচীন কেল্টিক জনগোষ্ঠী বর্তমান আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও উত্তর ফ্রান্সের কিছু অঞ্চলে বসবাস করত। তাদের কাছে ১ নভেম্বর ছিল নতুন বছরের শুরু। দিনটি গ্রীষ্মের সমাপ্তি ও শীতের আগমনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। ফসল কাটার মৌসুম শেষে শুরু হতো দীর্ঘ ও অন্ধকার শীতকাল।


কেল্টিকদের বিশ্বাস ছিল, ৩১ অক্টোবর রাত অর্থাৎ বছরের শেষ রাতে জীবিত মানুষের জগৎ ও মৃতদের জগতের মধ্যকার দূরত্ব কমে আসে। এ সময় মৃতদের আত্মা পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অতিপ্রাকৃত শক্তিও মানুষের জগতে বিচরণ করে বলে তারা মনে করত।


এসব অশুভ শক্তি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে তারা বড় বড় আগুন জ্বালাতেন। অনেকে পশুর চামড়া ও মুখোশ পরে নিজেদের চেহারা বদলে ফেলতেন, যাতে আত্মারা তাদের চিনতে না পারে। এ সময় খাবার ও পানীয় উৎসর্গ করার রীতিও প্রচলিত ছিল।


পরবর্তী সময়ে রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তারের ফলে কেল্টিক অঞ্চলে রোমানদের বিভিন্ন উৎসব ও সংস্কৃতির প্রভাব পড়ে। এরপর ইউরোপে খ্রিষ্টধর্মের প্রসারের সঙ্গে যুক্ত হয় নতুন ধর্মীয় আচার।


খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারে ১ নভেম্বর পালিত হতে শুরু করে ‘অল সেইন্টস ডে’ বা সব সন্তের স্মরণ দিবস। এর আগের সন্ধ্যাকে বলা হতো ‘অল হ্যালোজ ইভ’। সময়ের সঙ্গে এই নাম সংক্ষিপ্ত হয়ে ‘হ্যালোইন’ নামে পরিচিতি পায়। এ ছাড়া ২ নভেম্বর পালিত হয় ‘অল সোলস ডে’। এদিন মৃত ব্যক্তিদের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করা হতো। 


ফলে ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময়টি ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃতদের স্মরণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। হ্যালোইনের অন্যতম পরিচিত প্রতীক হলো ভেতরটা ফাঁপা করে কেটে ভয়ংকর মুখ তৈরি করা কুমড়া। এর নাম ‘জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন’।


তবে শুরুতে কুমড়া নয়, শালগম, আলু কিংবা অন্যান্য সবজি কেটে তাতে মুখ তৈরি করা হতো। এর পেছনে রয়েছে আয়ারল্যান্ডের একটি লোককাহিনি।


কথিত আছে, স্টিঞ্জি জ্যাক নামের এক ব্যক্তি শয়তানকে ধোঁকা দিয়েছিলেন। মৃত্যুর পর স্বর্গ কিংবা নরক- কোথাও তাঁর ঠাঁই হয়নি। হাতে জ্বলন্ত কয়লা নিয়ে তাঁকে পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াতে হয়। সেই কাহিনি থেকেই জ্বলন্ত আলোসহ খোদাই করা সবজির নাম হয় জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন।


পরবর্তী সময়ে আইরিশ অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে এই ঐতিহ্য নিয়ে যান। সেখানে শালগমের পরিবর্তে বড় আকারের কুমড়া ব্যবহার শুরু হয়। কারণ কুমড়া সহজে কাটা যায় এবং এর ভেতরে আলো রাখাও সুবিধাজনক। ধীরে ধীরে কুমড়া হয়ে ওঠে হ্যালোইনের অন্যতম প্রধান প্রতীক।


হ্যালোইনের আরেকটি জনপ্রিয় আয়োজন হলো ‘ট্রিক অর ট্রিট’। এদিন শিশুরা ভূত, ডাইনি, সুপারহিরো কিংবা বিভিন্ন কাল্পনিক চরিত্রের পোশাক পরে প্রতিবেশীদের বাড়িতে যায়। দরজায় কড়া নেড়ে মিষ্টি বা চকলেট চায়। মিষ্টি না দিলে মজা করে দুষ্টুমি করার কথা বলে। এ প্রথাই পরিচিত ‘ট্রিক অর ট্রিট’ নামে।


এই রীতির শিকড়ও ইউরোপের পুরোনো ঐতিহ্যে। মধ্যযুগে অল সোলস ডে উপলক্ষে দরিদ্র মানুষেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ‘সোল কেক’ নামের বিশেষ খাবার চাইতেন। বিনিময়ে বাড়ির মৃত স্বজনদের আত্মার জন্য প্রার্থনা করতেন।


পরবর্তী সময়ে শিশুদের মধ্যেও বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার সংগ্রহের রীতি জনপ্রিয় হয়। আইরিশ ও স্কটিশ অভিবাসীদের মাধ্যমে এই ঐতিহ্য যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশটিতে ট্রিক অর ট্রিট ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।


বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় হ্যালোইন সবচেয়ে বেশি জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়। বাড়িঘর সাজানো, শিশুদের ট্রিক অর ট্রিট, ভয়ংকর পোশাকের প্রতিযোগিতা, কুমড়া খোদাই এবং বিশেষ পার্টির আয়োজন করা হয়।


আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডেও হ্যালোইনের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য রয়েছে। সেখানে আগুন জ্বালানো, মুখোশ পরা, লোকজ খেলা ও বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়। যুক্তরাজ্যেও শিশু-কিশোরদের মধ্যে দিনটি বেশ জনপ্রিয়।


অন্যদিকে, মেক্সিকোতে ১ ও ২ নভেম্বর পালিত হয় ‘ডে অব দ্য ডেড’ বা মৃতদের স্মরণে উৎসব। এ সময় পরিবারের সদস্যরা প্রয়াত স্বজনদের স্মরণ করেন, কবর সাজান, তাঁদের পছন্দের খাবার রাখেন এবং রঙিন কঙ্কালের সাজে উৎসবে অংশ নেন। তবে ডে অব দ্য ডেড ও হ্যালোইন দুটি আলাদা ঐতিহ্যের উৎসব।


একসময় আত্মার ভয়, মৃত্যু ও অশুভ শক্তির বিশ্বাসকে ঘিরে যে ঐতিহ্যের বিকাশ ঘটেছিল, সময়ের সঙ্গে তা অনেকটাই বদলে গেছে। বর্তমানে হ্যালোইন বিনোদন ও বাণিজ্যিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। পোশাক, মুখোশ, কুমড়ার সাজসজ্জা, মিষ্টি, খেলনা ও সিনেমাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিশাল বাজার।


তবে হ্যালোইনের ইতিহাসে এখনো জড়িয়ে রয়েছে মৃতদের স্মরণ, আত্মা সম্পর্কে প্রাচীন বিশ্বাস এবং ঋতু পরিবর্তনের ঐতিহ্য। অর্থাৎ আজকের হ্যালোইন কেবল ভূত বা ভয়ংকর সাজের উৎসব নয়; এটি প্রাচীন লোকবিশ্বাস, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও আধুনিক সংস্কৃতির দীর্ঘ বিবর্তনের ফল।


বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম সর্বোচ্চ

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩০ এএম

ইরান যুদ্ধের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে, এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।


গতকাল শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) লেনদেন শেষে ডিসেম্বরের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ৬৪ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের দিনের তুলনায় দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। দিনের লেনদেনে একপর্যায়ে ব্রেন্টের দাম ১১৮ ডলারে উঠেছিল।


অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ১ শতাংশ। দিন শেষে প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়ায় ১০৪ ডলার ১২ সেন্টে।


অক্টোবর মাসে ব্রেন্টের দাম বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। একই সময়ে ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ।


এদিকে হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকার ঘিরে একাধিক ঘটনার খবর সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। 


ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দিনের মধ্যে সুপারট্যাংকার সংশ্লিষ্ট চারটি ঘটনা ঘটেছে। তাদের দাবি, ইরানি কর্তৃপক্ষের নিষিদ্ধ ঘোষিত পথে চলাচলের সময় দুটি ট্যাংকার মাইনে আঘাত করেছে।


বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে এ ধরনের ঘটনা তেলের সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।


সূত্র : আল জাজিরা


রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:২৬ এএম

ইউরোপের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর ইচ্ছা রাশিয়ার নেই, তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ও তারা চাইলে মস্কো যুদ্ধ করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে কোনো পক্ষই বিজয়ী হবে না। খবর দ্য টেলিগ্রাফের।


নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপের পর পুতিন বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের উদ্যোগকে সমর্থন করে রাশিয়া। তবে উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছানো উচিত নয়, যার পরিণতি কারও জন্যই ভালো হবে না।


পশ্চিমা দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে; এমন প্রেক্ষাপটে পুতিন বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত, তবে ইউরোপের সঙ্গে কোনো যুদ্ধ চাই না। তবে তাদের কেউ যদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে চায়, তাহলে নিতে পারে। আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’ ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে একই ধরনের অবস্থান জানিয়েছিলেন পুতিন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ করার পরিকল্পনা করছি না।


তবে ইউরোপ যদি হঠাৎ আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয় এবং তা শুরু করে, তাহলে আমরা এখনই প্রস্তুত।’ বৃহস্পতিবার পুতিন আরও বলেন, রাশিয়ার কৌশলগত পরাজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যুদ্ধ হলে কোনো বিজয়ী থাকবে না।


চলতি সপ্তাহের শুরুতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব ও নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পুতিন। তার দাবি, ইউরোপীয় নেতারাই এ ফোনালাপের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আলোচনাকে সঠিক পথে একটি পদক্ষেপ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে, গ্রীষ্মে ফাঁস হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ন্যাটোর দৃঢ়তা যাচাই করতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জোটটির পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে হামলা চালাতে পারে রাশিয়া। মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল, বাল্টিক অঞ্চলের কোনো দেশে সীমিত স্থল অভিযান অথবা পূর্ব ইউরোপজুড়ে সাইবার হামলার মাধ্যমে উত্তেজনা বাড়াতে পারেন পুতিন।


যদিও ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ না চাওয়ার কথা বলছেন রুশ প্রেসিডেন্ট, তবে অভিযোগ রয়েছে, কয়েক মাস ধরে ড্রোনসহ বিভিন্ন ধরনের ‘হাইব্রিড’ হামলার মাধ্যমে ইউরোপীয় দেশ ও ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া যাচাই করছে মস্কো।