গ্যাসের দাম ২৫২ টাকা বাড়ার ঘটনাকে ‘খুশির উপলক্ষ’ দেখিয়ে পাঞ্জাবির দামে ছাড়ের বিজ্ঞাপন দিয়েছিল বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান নবীন ফ্যাশন। তবে বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা দামে অনলাইন বা সরাসরি বিক্রয়কেন্দ্র-কোথাও পাঞ্জাবি পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করেন অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল।
গ্যাসের দাম বেড়েছে ২৫২ টাকা, সেই দামেই নবীন ফ্যাশনের পাঞ্জাবির অফার। গ্যাসের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষ অসন্তুষ্ট। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে খুশির বিজ্ঞাপন দেওয়া আপত্তিকর।
অভিযান শেষে আব্দুল জব্বার মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিজ্ঞাপনে গ্যাসের দাম ২৫২ টাকা বাড়ার বিষয়টিকে খুশির উপলক্ষ হিসেবে তুলে ধরে ২৫২ টাকা বা তার কম দামে পাঞ্জাবি বিক্রির কথা জানিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু অনলাইন ও অফলাইন-কোনো মাধ্যমেই ওই দামে পাঞ্জাবি পাওয়া যায়নি।’
তিনি বলেন, ‘গ্যাসের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষ অসন্তুষ্ট। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে খুশির বিজ্ঞাপন দেওয়া আপত্তিকর। ছাড় দেওয়ার বিষয়ে তাদের আপত্তি নেই, তবে প্রতারণামূলক বা চাতুর্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ নেই।’
অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বিষয়টি নজরে আসার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইট থেকে বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নিয়েছে এবং এ জন্য ক্ষমাও চেয়েছে।’
অভিযানের সময় ফার্মগেট আউটলেটের এক কর্মচারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা বিষয়টি বুঝতে না পেরে ভুল করেছেন। বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।’
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।এদিন দুপুর ২টার দিকে স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তবে বিমানবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন আগুন লাগার খবর অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, সেখানে আগুন লাগেনি, বরং ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ধোঁয়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।টনার কারণ এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে দুর্গাপূজা ছুটিতে মেট্রোরেল চলাচলের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে কর্তৃপক্ষ। ছুটির দিনগুলোতে যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে নির্ধারিত সময়ে ১০ থেকে ২০ মিনিট বিরতিতে ট্রেন পরিচালনা করা হবে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আহসান উল্লাহ শরিফী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিএমটিসিএলের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, পূজার ছুটির দিনগুলোতে পিক আওয়ারের সময় প্রতি ১০ মিনিট পর পর মেট্রোরেল চলাচল করবে।
সাধারণত মেট্রোরেলের নিয়ম অনুযায়ী: সকাল ৮টা ১০ মিনিট থেকে ১০টা ৩০ মিনিট এবং বিকেল পৌনে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সময়কে ‘পিক আওয়ার’ হিসেবে ধরা হয়। উল্লেখ্য, স্বাভাবিক কর্মদিবসে পিক আওয়ারে প্রতি ৫-৬ মিনিট পর পর ট্রেন চলাচল করে। অন্যদিকে অফ-পিক আওয়ার বা অন্যান্য সময়ে সাধারণত ৮-১০ মিনিটের ব্যবধানে ট্রেন স্টেশন ছাড়ে।
ডিএমটিসিএলের নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার: উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ৬টায় প্রথম ট্রেন এবং রাত ৯টা ৫০ মিনিটে শেষ ট্রেন ছাড়ে। অন্যদিকে মতিঝিল স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়ে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে এবং শেষ ট্রেন ছাড়ে রাত সাড় ১০টায়। শুক্রবার: সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারে উত্তরা উত্তর থেকে বিকেল ৩টায় এবং মতিঝিল থেকে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে প্রথম ট্রেন ছাড়ে। এই দিনে দুই স্টেশন থেকে রাতের শেষ ট্রেন ছাড়ে যথাক্রমে ৯টা ৫০ মিনিট ও রাত ১০টা ৩০ মিনিটে।
ইশরাক হোসেন।
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের অংশ নেওয়ার ঘটনা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন তিনি।
‘মাদকবিরোধী সংগ্রামের ষোলকলা পূর্ণ করা হবে’ হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন থেকে মাদকের আস্তানাগুলো বাঁশের লাঠি দিয়ে ধ্বংস করবেন। আর পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত ৮টা ১৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কিছু নামকরা গণমাধ্যমের নামকরা আইনজীবী প্যানেল দিয়ে আইন এর ধারা স্পষ্ট করে ব্যাখা নেয়ার সামর্থ্য আছে এবং আমার বিশ্বাস তারা সে চর্চা করেও।’
তিনি আরও লেখেন, ‘সব জেনে শুনে বুঝেও তাদের খবরের ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘুন্টিঘরে মাদকের এক্সক্লুসিভ সাপ্লায়ার ছিলো এরা। তাই আমার অভিযানের পর বন্য পশুর মতো আচরণ করছে।’
মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘ওয়েট অ্যান্ড সি। সব মাদকের আখড়া (যারা হয়তো এই পেপারগুলোকে অর্থায়ন করে) ওগুলা মাটির সাথে মেশানো হবে।’
নিজের অস্ত্র বহনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্যে বৈধ লাইসেন্স করা অস্ত্র ছিলো। এখন থেকে এই আস্তানাগুলো বাঁশের লাঠি দিয়ে ধ্বংস করবো। পুলিশ দাঁড়ায় দাঁড়ায় দেখবে, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে করে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাবে। মাদকবিরোধী সংগ্রামের ১৬ কলা পূর্ণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। তার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে কয়েকজনকে ধরতে বলছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরাও কয়েকজনকে ধরতে এগিয়ে যান। ভিডিওতে একজনকে গুলি করার হুমকি দিতে শোনা যায়। এ ছাড়া একজন দেহরক্ষীকে এক তরুণকে লাথি মারতেও দেখা যায়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরা ব্যক্তিগত অস্ত্র হাতে নিয়ে কাউকে আটক করতে কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো অভিযান পরিচালনা করতে পারেন কি না।
এদিকে এ ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে। রোববার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তদন্তে আইনের ব্যত্যয় পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর গ্রিনরোড সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের দুই নম্বর খেলার মাঠসংলগ্ন ‘সকালের হাট-বাজার’ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) থেকে বাজারটি বন্ধের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। আবাসিক এলাকার পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং খেলার মাঠের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার কথা জানিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে গ্রিনরোড এস্টেট সরকারি কর্মচারী সমাজকেন্দ্র।
শনিবার ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর এক দিন পরই গ্রিনরোড সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের বাজার বন্ধের ঘোষণা এলো।
সমাজকেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, আবাসিক এলাকার পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ, বাসিন্দাদের স্বাভাবিক চলাফেরা নিশ্চিত করা এবং ক্রীড়া ও বিনোদনস্থল সচল রাখার বিষয়ে দেওয়া নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১৮ অক্টোবর থেকে ওই স্থানে কোনো ধরনের অস্থায়ী দোকানপাট বসানো, হাট-বাজার পরিচালনা কিংবা বর্জ্য ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ছাড়া কোয়ার্টারের অভ্যন্তরে এবং উভয় পাশের ফুটপাতেও কোনো দোকানপাট বসতে পারবে না। বাসিন্দাদের চলাচল, খেলার মাঠের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা এবং শিশুদের খেলাধুলার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে গ্রিনরোড এস্টেট সরকারি কর্মচারী সমাজকেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, কোয়ার্টারের ভেতরে বসা বাজারটির কারণে আবাসিক এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছিল। বাজারে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকত, দুর্গন্ধ ছড়াত এবং পলিথিনসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের স্তূপ তৈরি হতো।
সরকারি আবাসিক কোয়ার্টারের ভেতরে এভাবে বাজার বসানো ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নজরুল ইসলাম বলেন, বাজারের কিছু সবজি ব্যবসায়ী সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেট হিসেবেও থাকেন।
বাজার বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের এসডি ও এসও পর্যায়ের কর্মকর্তারা মৌখিকভাবে তাদের জানিয়েছেন, বাজারটি কলোনির পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত চিঠি দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনের অংশ হিসেবে ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ হাইস্কুল, গ্রিনরোড সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার এবং আজিমপুরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি কয়েকটি হাসপাতালও পরিদর্শন করেন।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্টহাউজে অভিযান চালিয়ে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ ও ২০৯ বোতল-ক্যান বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো বার লাইসেন্স ছাড়াই বিদেশি মদ মজুত ও বিক্রি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৩০ মিনিটে গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত রেস্টহাউজটিতে অভিযান চালানো হয়। ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা মদের পরিমাণ ১৭৭ লিটার। এ ছাড়া ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের পরিমাণ ২৪৪ লিটার।
ডিএনসি জানায়, ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে বিদেশি মদ মজুত ও পাইকারি এবং খুচরা বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি মূলত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি। সেখানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় রেস্টহাউজটির ম্যানেজার মো. আতাউর রহমান শামীমকে আটক করা হয়। পরে অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে মদ মজুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।
ডিএনসির প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের কাছে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্তে অনুসন্ধান চলছে।
ডিএনসি জানায়, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মো. ওমর জামিল নামে আরেক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে অভিযানের সময় তিনি উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে পলাতক আসামি হিসেবে মামলা করা হয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ডিএনসির প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় এবং ঢাকা মেট্রো উত্তর ও দক্ষিণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আতাউর রহমান শামীম, পলাতক ওমর জামিল এবং অজ্ঞাতনামা অন্যদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার নমুনা ডিএনসির হেফাজতে রয়েছে।
কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার ও পোস্টার প্রদর্শন এবং লিফলেট বিতরণ করা
ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার রোধে প্রত্যেক নাগরিক ও পরিবারকে সপ্তাহে দু’দিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা করে নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকারপ্রধানের এই নির্দেশনা অনুযায়ী রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে সচেতনতামূলক প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে এই প্রচারণা চালানো হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ঢাকা সিভিল সার্জন অফিসের প্রচারণায় কামরাঙ্গীরচরে ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার হতে পারে, এমন জায়গাগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।