বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬, সময় : ১:৫৬ এএম

শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম। গতকাল সোমবার উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন শিক্ষকরা। পদোন্নতির দাবিতে শিক্ষকরা গত ২১ এপ্রিল থেকে আন্দোলন করছিলেন। সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টির সমাধান হবে- এমন আশ্বাসে পাঁচ দিন আন্দোলন স্থগিত করেন তারা। 


গত শনিবার সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে না যাওয়ায় গতকাল সোমবার থেকে শাটডাউন কর্মসূচিতে যান শিক্ষকরা। 


বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, আন্দোলনকারী শিক্ষকরা গতকাল সকাল ৯টায় প্রশাসন ভবনের নিচতলায় অবস্থান নেন। পরে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে রেজিস্ট্রারসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস ছাড়তে বাধ্য করেন। 


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষকরা বেলা ১১টার দিকে নিচতলা থেকে সরে গেলে উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম তাঁর দপ্তরে যান। বিকেল পর্যন্ত তিনি নিজের দপ্তরেই ছিলেন। আন্দোলনকারীরা রেজিস্ট্রার, অর্থ বিভাগসহ অন্যান্য দপ্তরে তালা দিলেও উপাচার্যের অফিসে যাননি। 


আন্দোলনকারী শিক্ষক ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা  বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় বলেন, এ পরিস্থিতির জন্য উপাচার্য দায়ী। আমরা তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি। উপাচার্যকে প্রশাসনিকভাবে কোনো সহযোগিতা করব না। শিক্ষকরা যেসব প্রশাসনিক পদে ছিলেন সেগুলো থেকে পদত্যাগ করেছেন। পদোন্নতির বোর্ড বসানোর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও উপাচার্য বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছেন। তাই আমরা আর তাঁকে প্রশাসনিক সহযোগিতা করব না।


দুপুরে উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, সব বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করে এ ধরনের আন্দোলন সমীচীন নয়। 


ঘটনার শুরু যেভাবে


পদোন্নতি চাওয়া ৬০ শিক্ষকের দাবি, বেশির ভাগ শিক্ষকের দুই বছর আগে পদোন্নতির মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাউকে পদোন্নতি দেয়নি।  


অন্যদিকে উপাচার্য দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিন্ন পদোন্নতি নীতিমালা করেছে। জানুয়ারিতে তিনি এ সংক্রান্ত ইউসিজির চিঠি পেয়েছেন। এ নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সভায় আইনের সংবিধি প্রণয়ন করতে হবে। 


ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জামিলুর রহমান গতকাল সোমবার রাতে সমকালকে বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের কথা আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে কাল বুধবার ইউজিসিতে সভা হবে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:২৩ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘মেঘনা অববাহিকায় ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি: গবেষণা ও উদ্ভাবন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। মুখ্য আলোচক ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী ও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক। এছাড়াও নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিন এবং নোয়াখালী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোসাম্মৎ শওকত আরা কলি উপস্থিত ছিলেন। 


বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, "দেশে জলবায়ু ও কৃষি নিয়ে এ ধরনের গবেষণা এখনও তুলনামূলকভাবে কম এবং গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নও সহজে পাওয়া যায় না। তিনি তাঁর উপস্থাপনায় আবহাওয়াসংক্রান্ত তথ্য ও বন্যার পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের গবেষণা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান"।


মুখ্য আলোচক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরে এ ধরনের গবেষণাভিত্তিক প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, “বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের নোবিপ্রবির এ প্রকল্পটি দেখেছেন এবং এর প্রশংসা করেছেন। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি প্রকল্পটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প পরিচালককে উৎসাহিত করেছেন।”


তিনি আরও বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য নিরাপত্তা বর্তমানে আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কৃষি উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে, যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে উপকূলীয় অঞ্চলে। ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে এখনই জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন এবং আধুনিক, অভিযোজন সক্ষম কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শুধু প্রথাগত কৃষি পদ্ধতির ওপর নির্ভর করলে চলবে না।


সভাপতিত্ব করেন নোবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান  অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান। 


সেমিনারে প্রকল্পের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করে প্রকল্প পরিচালক জানান, "সেমিনারে জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা ও এর বহুমাত্রিক প্রভাব, কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মিটিগেশন ও অ্যাডাপটেশন কৌশল, মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে ভবিষ্যতে সয়াবিন ও বার্লি চাষের সম্ভাবনা এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়"।


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে আয়োজিত এ সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:১৭ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জব কর্নারের সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রসংগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনূর রহমান বরাবর  স্মারকলিপি দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ২ টার দিকে স্মারকলিপিটি উপাচার্যের কাছে জমা দেন তারা।


স্মারকলিপিতে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জব কর্নারটি বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হয়ে আসছে, দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে তীব্র স্থানসংকট সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন অনেক শিক্ষার্থী আসন সংকটের কারণে পড়াশোনার সুযোগ না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও সংকীর্ণ পরিবেশে গাদাগাদি করে পড়াশোনা করতে হচ্ছে, যা একটি স্বাস্থ্যকর ও মনোযোগী শিক্ষার পরিবেশের পরিপন্থী। সেই ধারাবাহিকতায় দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য উপাচার্যের সদয় দৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।


স্মারকলিপিতে তারা ৭ টি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো: জব কর্নারের জন্য আরও একটি রিডিং রুম সংযোজন করা; শুক্রবারে জব কর্নার খোলা রাখার ব্যবস্থা করা;‎ ‎আবাসিক হলসমূহের ছুটির সঙ্গে জব কর্নারের ছুটির সামজস্য বিধান করা; উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা; ‎রিডিং রুমে পর্যান্ত ডেস্ক ও উপযুক্ত আসবাবপত্র সংযোজন করা; নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা; জব কর্নারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা স্থাপন করা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:০১ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হকৃবি) উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্যের অনুমোদনক্রমে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী তাঁকে চার বছরের জন্য উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এ মেয়াদকালে তাঁর চাকরির নির্ধারিত বয়সসীমা পূর্ণ হলে সেদিন পর্যন্তই তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক অবস্থান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি ও বিধি অনুসারে এবং উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও আচার্য এ নিয়োগাদেশ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র কৃষি অর্থনীতি, এগ্রিবিজনেস ও কৃষি বিপণন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পে কাজ করেছেন এবং দেশি-বিদেশি সাময়িকীতে তাঁর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৫৩ পিএম

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৫-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আচার্যের অনুমোদনক্রমে অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারকে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর অথবা অবসরের নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটবে) উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি উপাচার্যের পদমর্যাদা অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও আচার্য প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি: নওরোজ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৪০ পিএম

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (WUB)-এর মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্বের বিকাশ এবং অ্যাকাডেমিক ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ‘মেকানিক্যাল ক্লাব’-এর ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।


সম্প্রতি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত “মেকানিক্যাল কার্নিভাল-২০২৬” অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে নবগঠিত কমিটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা ও অনুমোদন দেওয়া হয়।


নতুন কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হবে। ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিভাগের প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মিজানুর রহমান। সহকারী পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন সহকারী প্রফেসর মো. সোহেল রানা। এছাড়া সহযোগী উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিভাগের লেকচারার মো. ইউসুফ আলী এবং আহমেদ আব্দুল্লাহ মুজাহিদ।


নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মারুফ আহমেদ। সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রিতম দেবনাথ, আবু রায়হান শাফী ও নুর আমিন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোব্বাসিরা আক্তার।


নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর কমিটির পক্ষ থেকে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। আগামী মেয়াদে কারিগরি সেমিনার, ওয়ার্কশপ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিট এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মেকানিক্যাল ও রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।


এ উপলক্ষে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, মেকানিক্যাল ক্লাব শিক্ষার্থীদেরবাস্তবমুখী অভিজ্ঞতা  নেতৃত্বগুণ অর্জনের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। আশা করিসভাপতি মারুফ আহমেদ  সাধারণ সম্পাদকমোব্বাসিরা আক্তারের নেতৃত্বে নতুন কমিটি ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নবগঠিত কমিটি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের পেশাগত প্রস্তুতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৫১ এএম


দ্য ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি)-এর সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটির ১৫তম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্যরা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।


সোমবার মন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে আইটিইটি’র নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন দ্য ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম, বাংলাদেশ-এর সভাপতি প্রকৌশলী এ. টি. এম. শামসুদ্দিন খানসহ অন্যান্যরা।


সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আইটিইটি’র নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, চলমান সংকট নিরসন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন। পাশাপাশি শিল্পখাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইটিইটি’র কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট লিখিত পরামর্শ আহ্বান করেন।


আলোচনার এক পর্যায়ে আইটিইটি’র পক্ষ থেকে দেশের টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে মানসম্মত ও বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রী জানান, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও শিক্ষক সংকট নিরসনে চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্টুডেন্ট ও টিচার এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালুর পরিকল্পনা বিবেচনা করা হচ্ছে।


দেশের টেক্সটাইল খাতের সার্বিক উন্নয়ন এবং প্রকৌশলীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের সঙ্গে আইটিইটি’র এই গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর