• প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২০ এএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৬ এএম

নজরুল ইউনিভার্সিটি ফিল্ম সোসাইটি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২০ এএম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা শুরু করেছে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘নজরুল ইউনিভার্সিটি ফিল্ম সোসাইটি (Nazrul University Film Society-NUFS)’। চলচ্চিত্রচর্চা, সুস্থ সাংস্কৃতিক নন্দনবোধের বিকাশ এবং বিশ্বসিনেমার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এ উপলক্ষে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে তানভীর ইসলাম রানাকে আহ্বায়ক এবং শেখ সাকিবুর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তবিবুর রহমান মুন্না, আফিয়া জাহিন উষা, আকাশ আকন্দ, কামরুল হাসান, সুমাইয়া আফরিন বৃষ্টি, মেহেদী হাসান ভূইয়া, জাহরা বাতুল মেহরীন, ইয়াকুব আলী নয়ন, আব্দুল্লাহ ইশরাক লাবিব, শিহাবুস সালেহ মো. শুভ রহমান, আমীর হামজা ও আদিত্য দেবনাথ অংকন।

কমিটির সদস্যরা হলেন— আশরাফুল ইসলাম জুবায়ের, আবু সাঈদ হাসান, ইসরাত জাহান ভাবনা, তদ্রুপ কৈরী তূর্য, ইতিশা পারভীন তথা, শ্রবণ জশিও, রাতুল হাসান তামিম, হৃদি চিরান, মাহমুদুল রহমান শাকিল, নানজিবা তাবাসসুম জয়ন্তী, মো. ইলিয়াস, শানাত কুমার অ্যাশ স্বচ্ছ, মেঘলা মরমা, তাউসীফ, মো. হাসান, প্রত্যয়, নূর আলম ঢালী, বলটন শর্মা, মো. শান্ত ইসলাম শাকিল, অন্বয় বড়ুয়া অভি, মাইনুল ইসলাম আবির, শাকিল বাবু, মৃদুল হাসান মিনহাজ, আব্দুল্লাহ উমায়ের অন্তু, তুষার বিশ্বাস, শ্রীকান্ত দেব আকাশ, তাহমিদ খান শ্রেয়, মৌমিতা আখতার লাবণ্য ও হাবিবুল্লাহ বিশ্বাস।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলচ্চিত্র বিশ্লেষণ, নির্মাণশৈলী শিক্ষা এবং দেশীয়-আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সম্পর্কে জ্ঞান বিস্তারই হবে সংগঠনটির মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ, চিত্রনাট্য রচনা, সিনেমাটোগ্রাফি, আলোকচিত্র ও সম্পাদনা বিষয়ক বিশেষায়িত কর্মশালা, ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং চলচ্চিত্র সমালোচনা সেশনের আয়োজন করা হবে।

সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, শিক্ষামূলক ও সৃজনশীল এ সংগঠনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদ ও বিভাগের নিয়মিত শিক্ষার্থীরা সদস্য হতে পারবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী, দেশের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা ও কলাকুশলীদের সমন্বয়ে গঠিত বহিঃস্থ উপদেষ্টা পরিষদ এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত সম্মানিত সদস্য পরিষদ সংগঠনটির কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে।

সংগঠনটির আহ্বায়ক তানভীর ইসলাম রানা বলেন, “আমরা চাই নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রথাগত বিনোদনের বাইরে গিয়ে স্বাধীন চলচ্চিত্র ও শিল্পভিত্তিক নন্দনচর্চার একটি সুদৃঢ় ভিত্তি তৈরি হোক। এই সোসাইটি কেবল সিনেমা দেখার সুযোগই তৈরি করবে না, বরং এখান থেকেই আগামী দিনের প্রতিশ্রুতিশীল নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদক ও সংস্কৃতিকর্মী তৈরি হবে।”



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৫১ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় অধিকতর তদন্ত ও অভিযুক্তদের শাস্তি নির্ধারণে ৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 


আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও এ্যান্টি র‍্যাগিং ভিজিলেন্স কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।


হল প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো জালাল উদ্দীনকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের এ উপ-কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন- সদস্য সচিব মো. সালাউদ্দিন মোল্লা, সদস্য ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মাকসুদা আকতার। 


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের একাডেমিক কমিটি কর্তৃক দাখিলকৃত র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের প্রেক্ষিতে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত ও বিধি অনুযায়ী প্রযোজ্যক্ষেত্রে শাস্তির ধরণ নির্ধারণের জন্য এ উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।


এর আগে, র‍্যাগিং-এর শিকার হয়ে সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয় সংশ্লিষ্ট বিভাগে ১৬ জন নবীন শিক্ষার্থী। বিভাগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট জমা দিলে পুনরায় উপকমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:১২ পিএম

‎বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পর্ষদে আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রেদোয়ান।

গতকাল ‎সোমবার (১০ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মো. জাহানুর ইসলাম ও স্থায়ী পর্ষদের মুখপাত্র মাহদী হাসান মজুমদার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।

‎ ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রুহুল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইশা সুলতানা সাদিয়া মনোনীত হয়েছেন।

‎দায়িত্ব পাওয়ার পর নবমনোনীত আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. রেদোয়ান বলেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আমি ফোরামের আইনভিত্তিক কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর করতে চাই। নিয়মিত আইনবিষয়ক লেখালেখি, সমসাময়িক আইন ও বিচারব্যবস্থার বিশ্লেষণ, গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা, আইনসচেতনতামূলক কর্মশালা, সেমিনার, বিতর্ক ও অন্যান্য বুদ্ধিবৃত্তিক আয়োজনের মাধ্যমে সদস্যদের আইনবিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে চাই। একই সঙ্গে তরুণ লেখকদের মধ্যে আইন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সংবিধান বিষয়ে চিন্তাশীল লেখালেখির চর্চা আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় রাখি।

‎তিনি শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এই গুরুদায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে ফোরামের লক্ষ্য ও অগ্রযাত্রায় যাতে কার্যকর অবদান রাখতে পারি, সেজন্য আমি সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া, সহযোগিতা ও শুভকামনা প্রত্যাশা করছি।

‎উল্লেখ্য, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। বর্তমানে দেশের ২৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের লেখালেখিতে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৮ পিএম

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরিবর্তে ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা প্রদানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।


আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে একটি মিছিল বের হয়ে ডায়না চত্বর ও প্রশাসন ভবন প্রদক্ষিণ শেষে প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা। 


এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে শাখা ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়ন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রশক্তি, তালাবায়ে আরাবিয়া সহ ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


এসময় বিক্ষোভ মিছিলে ‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে; জুলাই থেকে শিক্ষা নে, নইলে গদি ছেড়ে দে; কমিটি না মেধা, মেধা মেধা; মামা না চাকরি, চাকরি চাকরি; চাচা না চাকরি, চাকরি চাকরি; বাণিজ্য না শিক্ষা, শিক্ষা শিক্ষা; লাল জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। এছাড়া মানববন্ধনে বিভিন্ন প্রতিবাদী লেখা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।


মানববন্ধনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, “এনটিআরসিএ -এর নিয়োগ প্রক্রিয়া  কমিটির হাতে দেওয়ার যে পাঁয়তারা করছেন যদি সেটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার না করেন তাহলে ইবির সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুর্বার আন্দোলন করা হবে। আমরা স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ম্যানেজিং কমিটির হাতে হোক সেটা আমরা চাই না। এনটিআরসিএ এর আগে যেভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছিল আমরা পুনরায় সেই পদ্ধতিই চাই। দুর্নীতিমুক্ত স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করতে হবে।”


তারা আরও বলেন, “পুনরায় সুদ, ঘুষ ও দুর্নীতি যেন ম্যানেজিং কমিটি করে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারে সেই আগের পদ্ধতি পুনরায় চালু করতে চাচ্ছে সেটা শিক্ষার্থীরা মেনে নিবে না। গতকাল শিক্ষামন্ত্রী তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে যে বিবৃতি দিয়েছে সেটা আরও স্পষ্ট করতে হবে। সুস্পষ্ট প্রজ্ঞাপন জারি করে পূর্বের ন্যায় স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা চালু করতে হবে।”


শিক্ষার্থীরা বলেন, ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া দেওয়ার পর, শিক্ষামন্ত্রী এডমিন প্যানেল দিয়ে পোস্ট করে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে। আপনারা দলীয় ফিনান্সিয়াল পলিসি নির্ধারণ করার জন্য এসব করছেন। মুর্খদের হতে অনার্স শেষ করা ছাত্রদের নিয়োগের প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করার মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়ার পাঁয়তারা করছেন। আত্মঘাতী কোনো প্রকার সিদ্ধান্ত নেওয়া চেষ্টা করলে ছাত্রসমাজ তা মেনে নেবে না।


এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. জালাল উদ্দীন বলেন, কমিটির চিঠি পেয়েছি। কাল থেকে আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করে দিব। এতে ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়া যাবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:১৭ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্তৃক এনটিআরসিএ (NTRCA) এর নিয়োগ বেসরকারি স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটির উপর ন্যস্ত করায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে নয়টায় নোবিপ্রবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।


বিক্ষোভ মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে নোবিপ্রবির সালাম হল, মালেক হল, শান্তিনিকেতন, গ্যারেজ হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। তার মধ্যে, "টাকা না মেধা, মেধা মেধা","নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন","কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে","চাচা না চাকরি? চাকরি চাকরি","মামা না চাকরি? চাকরি চাকরি","২৪ এর হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার","জালোরে জালো, আগুন জালো","ইনকিলাব ইনলিলাব জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ টাকা না মেধা, মেধা মেধা","আবু সাইদ মুদ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ","নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন", ইত্যাদি।


বিক্ষোভের এক পর্যায়ে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন, আমরা আমাদের মামা-খালুদের সময় দেখেছি টাকা বা কমিটির মাধ্যমে স্কুল-কলেজ গুলোতে নিয়োগ দিতে। যা পরবর্তীতে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ হতো। তবে এখন আবার কথা উঠেছে যে নিয়োগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটি দিবে। সারা বাংলাদেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এগুলো মেনে নিবেনা। এনটিআরসিএ এর মাধ্যমেই নিয়োগ দিতে হবে।


নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ও এসিসিই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, শিক্ষক বিষয়টি কোন ছিনিমিনি খেলা নয়, তাই নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ শিক্ষকরা যাতে কারো কাছে ধর্না না দেয়। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে মেধাবি শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ধর্না দিবে, চাকরির জন্য মেধাবী শিক্ষার্থীরা কারো কাছে ধর্না দেওয়াটা জাতির জন্য লজ্জাজনক।সরকারকে বলবো এগুলো থেকে বের হয়ে আসুন। আমরা জানিনা আপনাদের এ বুদ্ধি কে দেয়। যদি এ থেকে সরে না আসেন, তাহলে আমরা যেভাবে ২৪ এ জেগে উঠেছিলাম সেভাবে আবার জাগ্রত হবো। 


উল্লেখ্য, আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএ (NTRCA)-র থেকে সরিয়ে গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এমন সিদ্ধান্তের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ মিছিল করে।

সর্বশেষ সব খবর

হলের মতবিনিময় সভায় কুবি উপাচার্য

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৩০ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শুনতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। সভায় শিক্ষার্থীরা ডাইনিংয়ের খাবারের মান, বাথরুম ও পরিচ্ছন্নতা, বিদ্যুৎ, সিট বণ্টন, রিডিং রুমসহ হলের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।


সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ১০টায় বিজয়-২৪ হলের টিভি রুমে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।


সভায় বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হলে বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। 


মতবিনিময় সভায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলের ডাইনিং, খাবারের মান, বাথরুম, বিদ্যুৎ, সিট বণ্টন, রিডিং রুমসহ বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা হলের গণরুম, র‍্যাগিং ও মাদকসংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা করেন। সভায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা তুলে ধরার পাশাপাশি হলের পরিবেশ ও আবাসিক সুযোগ-সুবিধার উন্নয়নে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।


শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “যে সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো সব একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে আমরা ডাইনিং, বাথরুম ও হলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো নিয়ে আগে কাজ করব। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি কাজগুলো করা হবে। আর গণরুম, হলের সিট বণ্টন, র‍্যাগিং ও মাদকসংক্রান্ত বিষয়গুলো হল প্রশাসনের ওপরই থাকবে।”


ডাইনিংয়ের খাবারের বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান বলেন, “আমাদের এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ডাইনিং। একসময় প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী একই ডাইনিংয়ে খাবার খেত। অল্প কিছুদিন আগেও প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী খাবার খেত। কিন্তু এখন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো খাবার খায়। হঠাৎ করে এত কমে যাওয়ার কারণটিও একটি বিষয়।”


তিনি আরও বলেন, ডাইনিং ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাজার করা, রান্না, ফ্রিজে সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে সমন্বিতভাবে পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।


সর্বশেষ সব খবর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:২১ এএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থীর খাবারের প্রধান ভরসাস্থল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অনেক সময় পর্যটক ও বহিরাগতরাও খাবার খেতে আসে এখানে। তবে খাবারের মান, পরিচ্ছন্নতা, অবকাঠামোগত সংকট এবং শিক্ষার্থীবান্ধব সেবার অভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। গত বছর সংস্কারকাজ হলেও এক বছরের মধ্যেই আবারও বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে ক্যাফেটেরিয়াটি।


সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাফেটেরিয়ার ওয়াশরুমের একাধিক কল ও পানির ট্যাপ নষ্ট হয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে অচল রয়েছে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় রান্নাঘর ও খাবার পরিবেশনের স্থান অনেকটাই অন্ধকারাচ্ছন্ন। এছাড়া রয়েছে ছেলে ও মেয়েদের জন্য পর্যাপ্ত ও ব্যবহারযোগ্য ওয়াশরুমেরও সংকট।




অন্যদিকে, খাবারের মান ও বৈচিত্র্য নিয়েও অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা। টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত প্যাকেজ খাবার দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি খাবারে তেলাপোকা পাওয়ার ঘটনাও ক্যাফেটেরিয়ার স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।


এনিয়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী ইসমাইল কাজী বলেন, "মাঝেমধ্যে ক্যাফেটেরিয়ায় খেতে যাই। পরিবেশ খুব একটা ভালো না। আগে খাবারের বৈচিত্র্য ছিল, এখন এক-দুই ধরনের খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। প্যাকেজ খাবারও বন্ধ হয়ে গেছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। খাবারের মান ও দাম কোনোটিই শিক্ষার্থীবান্ধব নয়। অনেক সময় খাবার নেওয়ার সময় পাশেই মশা-মাছি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখা যায়। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন।"


গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুল নাঈমা সম্পা বলেন, “অনেক সময় দুপুরে ক্যাফেতে খাবার খেতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। কোনোদিন খাবারের মধ্যে মাকড়সার বাচ্চা, আবার কোনোদিন মাছের আঁশ পেয়েছি। এসব ঘটনার পর থেকেই ক্যাফের খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।”


ক্যাফেটেরিয়ার ম্যানেজার ফরিদ উদ্দিন বলেন, "কল, বিদ্যুৎ, ওয়াশরুম ও অন্যান্য অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়ে একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কর্মকর্তারাও পরিদর্শনে এসেছেন, তবে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।"


ক্যাফেটেরিয়ার আহ্বায়ক ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ হারুন, "দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি। বিদ্যুতের সুইচ, লাইট ও পানির ফিল্টারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিছু কাজ চলমান রয়েছে, বাকিগুলোও দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য আবারও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।"


প্যাকেজ খাবার বন্ধ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, "পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময় শর্তসাপেক্ষে প্যাকেজ চালু ছিল। তবে স্টাফদের বেতন বিশ্ববিদ্যালয় বহন না করায় পরিচালনাকারীদের লোকসান হচ্ছে। এ কারণেই তারা প্যাকেজ খাবার চালু রাখতে আগ্রহী নয়।"


খাবারের পরিচ্ছন্নতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "ম্যানেজারকে বারবার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে এবং কমিটির সদস্যদের বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই আবার বৈঠক করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জনবল সংকট থাকলেও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"


বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক জুলহাস উদ্দিন বলেন, "ক্যাফেটেরিয়ার সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে একটি কমিটি কাজ করছে। ইতোমধ্যে আলো, পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের মান উন্নয়ন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। কিছু লাইট স্থাপন করা হয়েছে এবং বাকি সমস্যাগুলোও দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।"

সর্বশেষ সব খবর