টেক্সভার্স ২.০ আগামীকাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে বুটেক্সে

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৩ পিএম

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় প্রতিযোগিতা ‘টেক্সভার্স ২.০’। আগামীকাল শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম, সেমিনার কক্ষ, একাডেমিক ভবন ও কেন্দ্রীয় মাঠে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বুটেক্সের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইটিইটি'র সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন, মহাসচিব প্রকৌশলী এ. এস. এম. হাফিজুর রহমান নিক্সন এবং বুটেক্সের শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. মাহবুবুর রহমান। 


এছাড়া উপস্থিত থাকবেন ফিয়াট ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বাদশা, এমএমটেক্স সলিউশন বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ময়দুল ইসলাম, হিউ টেক বিডির পরিচালক প্রকৌশলী এ. এস. এম. আশিক ইশতিয়াক লিখন ও প্রকৌশলী মো. রফিকুজ্জামান রনি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন রেডক্স কেমিক্যালস লিমিটেডের পরিচালক চন্ডিমা পুন্যাওয়ার্দানা এবং সুইসক্রোমা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আজহার হোসেন।


দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং টেক্সটাইল খাতের বাস্তব সমস্যার টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে উৎসাহিত করাও এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।


প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে প্রজেক্ট প্রদর্শনী, গবেষণাভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা, কুইজ, টেক্সটাইল কেস প্রতিযোগিতা ও ট্রেজার হান্ট। পাশাপাশি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হবে গণিত অলিম্পিয়াড। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব বুটেক্স ক্যাম্পাসের নির্ধারিত ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।


আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টায় কলেজ সেগমেন্ট ও কুইজার্ডের প্রাথমিক পর্বের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হবে। সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে কুইজার্ডের চূড়ান্ত পর্ব। এরপর সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় মাঠে ট্রেজার হান্ট এবং বেলা সাড়ে ১১টায় শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে গণিত অলিম্পিয়াড। বিকেল ৩টায় কেস কম্পিটিশন ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রজেক্ট প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী প্রতিযোগিতার পর সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে সমাপনী অনুষ্ঠান।


এবারের আয়োজনে সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও টেক্সটাইল কলেজের ২৫টিরও বেশি ক্লাব ও সংগঠন। এসব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে কুয়েট টেক্সটাইল ক্লাব, বিইউপি ক্যারিয়ার ক্লাব, ডুয়েট টেক্সটাইল ক্যারিয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ক্লাব, ডিআইইউ গ্রিন আর্থ ক্লাব, নিটার সায়েন্স সোসাইটি, বিইউএফটি ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ক্লাব, ড্যাফোডিল এআই ক্লাব ও সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় টেক্সটাইল ক্লাব।


উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে টেক্সভার্স ২.০-এর কেস কম্পিটিশনের চূড়ান্ত পর্বের জন্য সাতটি দল, পোস্টার প্রেজেন্টেশনের জন্য আটটি দল এবং প্রজেক্ট প্রদর্শনীর জন্য আটটি দল নির্বাচিত হয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

কনসার্টে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করল জবি প্রশাসন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৫৪ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দিবসটির র‌্যালি, কনসার্টসহ সব আয়োজন শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়। 


সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির আহ্‌মাদসহ সহকারী প্রক্টররা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস ও রেঞ্জার ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের সভাপতি ও আহ্বায়ক এবং সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যসচিবরা অংশ নেন। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং পার্শ্ববর্তী কোতোয়ালি, বংশাল ও সূত্রাপুর থানার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।


সভায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের র‌্যালি, কনসার্ট ও অন্যান্য অনুষ্ঠান সর্বোচ্চ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে সফলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


এ সময় জকসু ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানগুলো শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজন সুশৃঙ্খল রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি, বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস এবং ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। বিশেষ করে কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সার্বিক আয়োজন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


আগামী ২ নভেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্‌যাপন করা হবে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।

সর্বশেষ সব খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৪৪ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জোবায়েদ হোসেন হত্যার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় তার আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জোবায়েদের সহপাঠী ও ছাত্রদল নেতারা।


গত বুধবার (১৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আছরের নামাজ এর পর দোয়া মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয়।


মো. জোবায়েদ হোসেন ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার নূর বক্স লেনের একটি ভবনে ছুরিকাঘাতে নিহত হন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করতেন। তার মৃত্যুতে পরিবার, সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের সৃষ্টি হয়।


জোবায়েদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় বক্তব্য দেন শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রুমি।


জাফর আহমেদ বলেন, “জোবায়েদকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একজন শিক্ষার্থীকে এভাবে হত্যা করা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এ হত্যাকাণ্ডের এক বছর পেরিয়ে গেলেও আমরা চাই না বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় আটকে থাকুক। জোবায়েদের পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায়, সেই লক্ষ্যে দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।”


তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাই, মামলাটির বিচার দ্রুত এগিয়ে নিয়ে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। জোবায়েদ আমাদের সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য ছিলেন। তার মৃত্যুতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। আমরা তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং তার হত্যার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে যাব।”


ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়ে রুমি বলেন, “আমরা জোবায়েদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”


রুমি বলেন, “জোবায়েদ হত্যাকাণ্ডের এক বছর পেরিয়ে গেলেও আমরা তার হত্যার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার দাবি করছি। যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই যেন বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় আটকে না থাকে। আমরা চাই, জোবায়েদের পরিবার ন্যায়বিচার পাক এবং অপরাধীরা যথাযথ শাস্তির মুখোমুখি হোক। জোবায়েদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের দাবি অব্যাহত থাকবে।”


জোবায়েদ হত্যা মামলায় তদন্ত শেষে ২০২৬ সালের ৩০ জুন তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি একাধিকবার পিছিয়েছে। 


সর্বশেষ ২৮ অক্টোবর ঢাকার ২০তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত শুনানির পরবর্তী তারিখ ৮ নভেম্বর নির্ধারণ করেন। মামলার তিন আসামিই কারাগারে রয়েছেন।


জোবায়েদের পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বিচার ও দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির প্রত্যাশা করছেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সহপাঠীদের দাবি, বিচারিক কার্যক্রমে আর দীর্ঘসূত্রতা না করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় মামলাটির নিষ্পত্তি করতে হবে।


জোবায়েদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন উপস্থিত শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:০১ পিএম

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৩১ অক্টোবর। তবে এই ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে।


আগে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠানটি আয়োজনের কথা থাকলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ হবে।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে এক সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।


নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে শুধু অনুষ্ঠানস্থল পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ফল প্রকাশের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া, মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও ফল সংগ্রহ করা যাবে।


অনলাইনে ‘eduboardresults.gov.bd’ এবং ‘educationboardresults.gov.bd’ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল দেখতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ‘HSC’ লিখে একটি স্পেস দিতে হবে। এরপর বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর এবং পরীক্ষার বছর লিখে বার্তাটি ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।


এদিকে, প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময়সূচিও জানানো হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।


উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এবার মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন। এর আগে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে ৩১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৩৩ পিএম

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) পুরোনো গবেষণা মাঠ ফেরত দেওয়ার দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সিগন্যাল অবরোধ করে প্রায় ৩০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ রাখেন তাঁরা। 


এর আগে মাঠ থেকে মেলা সরিয়ে নেওয়ার জন্য আলটিমেটাম দিয়েও সাড়া না পেয়ে বুধবার মেলার প্রবেশগেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। ওই ঘটনায় মেলা কর্তৃপক্ষের করা অজ্ঞাতনামা মামলার তদন্ত করছে পুলিশ।


এদিকে আজ বৃহস্পতিবার পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে জাতীয় যুবমেলাসহ সব ধরনের মেলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।


আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গেট দিয়ে বের হয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ ঘুরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সিগন্যালে গিয়ে অবস্থান নেন তাঁরা। সেখানে প্রায় ৩০ মিনিট সড়ক অবরোধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।




পরে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বিজয় সরণি-মিরপুর মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে গণপূর্ত কমপ্লেক্সের সামনে যান। সেখানে ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘গবেষণায় গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এবং ‘কথায় কথায় ঢাকা ছাড়, ঢাকা কি তোর বাপ-দাদার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা। পরে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর মাঠ পুনরুদ্ধারে প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতি জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফের সঙ্গে কথা বলতে যান তাঁরা।


আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আরাফাত বলেন, ‘আমরা কোনো সংঘাত চাই না, আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ ফেরত চাই। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মাঠে অন্য স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ কোনোভাবেই কাম্য নয়। বারবার দাবি জানানোর পরও সমাধান না পাওয়ায় আমরা আন্দোলনে নেমেছি। দ্রুত মাঠ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’


আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আগামী ১ নভেম্বর জাতীয় যুবদিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার সকালে ওই মাঠে সব ধরনের মেলা স্থগিতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় যুবমেলাসহ সেখানে অনুষ্ঠেয় সব মেলা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তবে জাতীয় যুবদিবস উপলক্ষে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় স্থানীয়ভাবে যুবমেলা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষেও ওই মাঠে মেলা আয়োজন করা হবে না বলে জানান তিনি।


এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পুরোনো গবেষণা মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন মাঠ থেকে মেলা সরিয়ে নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে সময় বেঁধে দেন তাঁরা। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মেলা বন্ধ না হওয়ায় বুধবার বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মাঠে গিয়ে মেলার প্রবেশগেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।


শিক্ষার্থীদের দাবি, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি। এরশাদ সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে মাঠটি ব্যবহার করা হয়। ২০২২ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা পূর্বাচলে স্থানান্তরিত হওয়ার পর থেকে মাঠটি ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন তাঁরা। সম্প্রতি সেখানে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে এর প্রতিবাদেও আন্দোলনে নামেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।


শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, ৮৭ একরের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের ব্যবহারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এ অবস্থায় পুরোনো গবেষণা মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে সেখানে মেলার আয়োজন বন্ধেরও দাবি জানিয়ে আসছেন তাঁরা।


গতকাল বুধবারের ভাঙচুরের ঘটনায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার মালামাল নষ্ট ও নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে মেলা কর্তৃপক্ষ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি অজ্ঞাতনামা মামলা করেছে। 


বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাশে আছে। তবে কোনো ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ডে না জড়াতে তাঁদের আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে শিক্ষার্থীদের বিরত রাখার চেষ্টা করছে প্রশাসন।


এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে প্রশাসনিকভাবে মাঠ পুনরুদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে গঠিত কমিটি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৩১ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সংঘের (বাউডিএস) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মো. রাকিব হাসান মুবিন।


মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পশুপালন অনুষদের গ্যালারিতে সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।


নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিকুল ইসলাম। সহ-সাধারণ সম্পাদক (প্রশাসন) হয়েছেন মো. মাসরুল আহাসান এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (বিতর্ক) আশিকুর রহমান কৌশিক। সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জুবাইর বিন ফারুক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৌরভ হোসেন। দপ্তর সম্পাদক মো. শোয়েব আখতার এবং অর্থ সম্পাদক আসিফ ইকবাল।


বিতর্কবিষয়ক সম্পাদক (বাংলা) হয়েছেন মাহিমা চৌধুরী সানজা। এ বিভাগে সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাদ্বীনা খাতুন মুগ্ধ ও ই কে এম আহসান হাবীব সরকার। ইংরেজি বিতর্কবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মো. গোলাম সাকলায়েন আনাস এবং সহ-সম্পাদক হয়েছেন মো. গোলাম সোলায়মান অপি ও শিফা রহমান।


এ ছাড়া মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক সাদ আল নাহিয়ান, পাঠাগার সম্পাদক সামিয়ান খান সাজিন, সাহিত্য সম্পাদক সাদিয়া আফরিন রিয়া, আর্কাইভ সম্পাদক মো. মশিউল আজম সাগর এবং পৃষ্ঠপোষকতা ও সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন এ টি এম তাহমিদ।


অনুষদ সমন্বয় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোস্তফা আবদুল্লাহ কামাল ও এস. এম. জামিল হোসেন। হল সমন্বয় সম্পাদক সিদরাতুল মুনতাহা ও মুশফিকুর ইবনে জাহিদ। কর্মশালাবিষয়ক সম্পাদক চৌধুরী শারিকা ত্ব-সীন, ফটো ও গ্রাফিক্সবিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মুকিত, প্রচার সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান, পরিবেশ সম্পাদক আফিফ হুসাইন এবং শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক ফারহান তানভীর লাবীব।


কমিটির অন্যান্য পদে তথ্য ও যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মো. রাকিবুল হাসান, অনুষ্ঠান সম্পাদক আফসানা খান, গবেষণা ও উন্নয়ন সম্পাদক নাহিয়ান আবরার অমিও, প্রকাশনা ও সাময়িকী সম্পাদক সোহানা আফরোজ বৃষ্টি, সংস্কৃতি সম্পাদক মোছা. ঈশিতা আক্তার, প্রেস ও মিডিয়া সম্পাদক হোছাইন মো. মুহতারিম ছোয়াদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক এস. এম. নাঈম, লজিস্টিক সম্পাদক শাফায়াত হোসেন নিহন, আপ্যায়ন সম্পাদক সাবিদুর রহমান সেজান এবং গণসংযোগ সম্পাদক হয়েছেন সুমাইয়া আক্তার শিমু।


কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন কৃষিতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আহমদ খায়রুল হাসান, ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ড. মুরাদ আহমেদ ফারুখসহ ১০ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া হল প্রতিনিধি হিসেবে ১৪ জন, অনুষদ প্রতিনিধি হিসেবে কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের তিনজনসহ মোট ১০ জন এবং সাধারণ সদস্য হিসেবে ১৩ জন শিক্ষার্থী কমিটিতে রয়েছেন।


নতুন কমিটির লক্ষ্য সম্পর্কে সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিব হাসান মুবিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কচর্চাকে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকে তাঁরা অগ্রাধিকার দেবেন। শিগগিরই ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে বাকৃবিতে একটি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি নবীনদের মধ্যে যুক্তিবাদী চিন্তার প্রসার এবং পরিশীলিত বিতার্কিক গড়ে তুলতে সংগঠনটি কাজ করবে।

সর্বশেষ সব খবর

জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা জেমস।

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৯ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তথা ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে থাকছে জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা জেমসের পরিবেশনা। আগামী ২ নভেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্‌যাপন করা হবে।


বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রকাশিত অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করা হবে।


সকালে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে।


এ ছাড়া চারুকলা অনুষদের আয়োজনে চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, আলোচনা সভা এবং বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন রাখা হয়েছে।


দিনের দ্বিতীয় পর্বে বিজ্ঞান ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নাট্যকলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, রক্তধুনী ও ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পরিবেশনা থাকবে। সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবে নগরবাউল জেমস।


বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। প্রিয় শিল্পী জেমসের গান উপভোগ করতে মুখিয়ে রয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী।


এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আগামী ২ ও ৩ নভেম্বর সব ইনস্টিটিউট ও বিভাগে পরীক্ষা না রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর