ছবি: সংগৃহীত।

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৯:৪৮ পিএম

৩০ বছর বয়স মানেই জীবন শেষ নয়, বরং নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যের দিকে আরও সচেতন হওয়ার সঠিক সময়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ভেতরে নানা পরিবর্তন ঘটে। জিনগত বিষয় বা পরিবেশ আমাদের হাতে না থাকলেও খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন, ঘুম ও মানসিক চাপ আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।


এসব অভ্যাসই ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যানসারের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতে বড় ভূমিকা রাখে।


৩০-এর পর শরীর আর বাড়ে না, কিন্তু সঠিক পুষ্টি পেলে তা সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকে অনেক বছর। ইটিং ওয়েল-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় ভালো অভ্যাস গড়ে তুললে ৫০ বা ৬০ বছর বয়সেও নিজেকে ফিট ও প্রাণবন্ত রাখা সম্ভব।


নিচে ৩০ বছরে পা দিলে খাদ্যাভ্যাসে যে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, তা সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো।


বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খান


আঁশ বা ফাইবার হজম ভালো রাখে এবং হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন পর্যাপ্ত আঁশ খেলে শরীরের কোষ সুস্থ থাকে এবং বয়সের ছাপ ধীরে আসে। ফল, শাকসবজি, ডাল, শিম, লাল চাল, আটার রুটি, ওটস এসব খাবারে প্রচুর আঁশ থাকে। প্রতিদিন তিন বেলা খাবারে এসব রাখার চেষ্টা করুন।


ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত করুন


ওমেগা থ্রি মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এটি প্রদাহ কমায় এবং বয়সজনিত সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সামুদ্রিক মাছ, আখরোট, চিয়া বীজ, তিসি বীজ এসব খাবারে ওমেগা থ্রি পাওয়া যায়। সপ্তাহে অন্তত এক থেকে দুই দিন মাছ রাখার চেষ্টা করুন।


ফ্যাট ডায়েট বাদ দিন


দ্রুত ওজন কমানোর ডায়েট বেশিরভাগ সময়ই ক্ষতিকর। এতে ওজন সাময়িক কমলেও পরে আবার বেড়ে যায়, যা হৃদযন্ত্র ও বিপাকক্রিয়ার জন্য ভালো নয়। এর বদলে এমন একটি খাদ্যাভ্যাস বেছে নিন যা সারা বছর মেনে চলা যায় এবং শরীরকে পুষ্টি দেয়।


অ্যালকোহল বা মদ্যপান কমান


অতিরিক্ত অ্যালকোহল শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে লিভার, হৃদযন্ত্র ও রক্তচাপের সমস্যা বাড়ে এবং ঘুমের মানও খারাপ হয়। যারা পান করেন, তাদের পরিমাণ কমানোই ভালো সিদ্ধান্ত।


প্রক্রিয়াজাত মাংস এড়িয়ে চলুন


সসেজ, বেকন, হটডগ, সালামির মতো প্রক্রিয়াজাত মাংস অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বর্তমানে তরুণ বয়সেই এ ধরনের ক্যানসারের হার বাড়ছে। এর বদলে ডাল, মাছ, ডিম ও শাকসবজি থেকে প্রোটিন নিন।


ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খান


৩০-এর পর হাড়ের ঘনত্ব ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। তাই ক্যালসিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুধ, দই, পনির, শাক, বাদাম, তিল, সয়াবিন এসব খাবারে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এগুলো রাখুন।


সকালের নাশতা বাদ দেবেন না


সকালের নাশতা না করলে সারাদিন দুর্বল লাগতে পারে এবং অতিরিক্ত মিষ্টি বা অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি ঝোঁক বাড়ে। নাশতায় প্রোটিন, আঁশ ও ভালো চর্বি থাকলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়। যেমন ডিম, রুটি, ফল, দই।


শাকসবজিকে খাবারের মূল অংশ করুন


খাবারের বেশিরভাগ জায়গাজুড়ে রাখুন শাকসবজি। এগুলোতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরকে রোগ থেকে রক্ষা করে। সপ্তাহে কয়েক দিন মাংসের বদলে ডাল বা সবজি দিয়ে রান্না করা খাবার খান।


হরমোনের সঙ্গে মিল রেখে খান


৩০-এর পর কিছু হরমোনের মাত্রা কমতে শুরু করে, যা মানসিক চাপ ও ক্লান্তি বাড়াতে পারে। ওমেগা থ্রি, ভিটামিন বি৬ ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার হরমোনের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। বাদাম, বীজ, শাক, ডাল এসব খাবার এ ক্ষেত্রে উপকারী।


ব্যায়াম ও প্রোটিনের দিকে নজর দিন


বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশি কমতে থাকে, ফলে বিপাকক্রিয়া ধীর হয়। তাই নিয়মিত হালকা ওজন বা শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম করা জরুরি। পাশাপাশি পর্যাপ্ত প্রোটিন যেমন ডিম, মাছ, ডাল, দুধ খেলে পেশি সুস্থ থাকে।


মাখন, ডালডা, মার্জারিন


মাখন সুস্বাদু। বাটার চিকেনের মতো সুস্বাদু পদ তৈরিতেও মাখন ব্যবহার করা হয়। তবে মনে রাখতে হবে, যেসব স্নেহজাতীয় পদার্থ কক্ষ তাপমাত্রায় জমাট বেঁধে থাকে, সেসব সুস্বাদু হলেও আদতে স্বাস্থ্যকর নয়। এসব খাবার খেলে রক্তে খারাপ চর্বির পরিমাণ বাড়ে। চর্বির কারণে একসময় দেহের কোনো ক্ষুদ্র রক্তনালিতে রক্তের প্রবাহ বন্ধও হয়ে যেতে পারে। মস্তিষ্কের কোনো রক্তনালির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে স্ট্রোক হয়। তাই এসব স্নেহজাতীয় পদার্থ বাদ দিন খাদ্যতালিকা থেকে। ডালডা বা মার্জারিনও স্বাস্থ্যকর নয়।


ডুবো তেলে ভাজা খাবার


ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা ফ্রায়েড চিকেনের মতো ডিপ ফ্রায়েড বা ডুবো তেলে ভাজা খাবারও বাদ দিন। ডুবো তেলে ভাজা খাবারের কারণে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। আর প্রদাহের কারণেও মস্তিষ্কের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল হতে পারে ব্যাহত।


রেড মিট


রেড মিট বা লাল মাংস খেলে রক্তে খারাপ চর্বি বাড়তে পারে। মস্তিষ্কের রক্তনালির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তাই লাল মাংস এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। কালেভদ্রে খেতে চাইলেও চর্বি ফেলে দেওয়া, ছোট আকারের কিছু মাংসের টুকরা বেছে নিন; অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে।


চিনিযুক্ত পানীয়


প্রাকৃতিক নিয়মেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের আকার ছোট হয়ে আসতে থাকে। তবে গবেষণা বলছে, চিনিযুক্ত পানীয় বেশি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকি অনেক বেশি বাড়ে। বুঝতেই পারছেন, কোমল পানীয়, প্যাকেটজাত জুস ও চিনিমেশানো অন্যান্য পানীয় ভীষণ অস্বাস্থ্যকর। চা-কফিও তাই খেতে হবে চিনি বাদ দিয়ে।


কৃত্রিম চিনি মেশানো পানীয়


চিনিযুক্ত পানীয় বাদ দেবেন মানে যে কৃত্রিম চিনি বেছে নেবেন, তা কিন্তু নয়। কৃত্রিম চিনির কারণেও স্ট্রোক ও স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ডায়েট সোডা বা ডায়েট কোলাজাতীয় পানীয়তে কৃত্রিম চিনি থাকে।


বয়স বাড়া থামানো যায় না, তবে সুস্থভাবে বয়স বাড়ানো সম্ভব। ৩০ বছরে পা দেওয়ার পর খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন এনে ভবিষ্যতের বড় রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। বেশি শাকসবজি ও ফল খাওয়া, আঁশ ও প্রোটিনের দিকে নজর দেওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অভ্যাস কমানো এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে দীর্ঘদিন সুস্থ থাকা সম্ভব।


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখনই শুরু করা। বয়স যাই হোক, ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে কখনোই দেরি হয়ে যায় না।




সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৩৭ পিএম

আজকাল দেখা যাচ্ছে একই বাড়িতে থাকেন, প্রতিদিন দেখা হয়, সংসারের সব দায়িত্বও একসঙ্গে সামলান -তারপরও দম্পতিদের মধ্যে বাড়ছে মানসিক দূরত্ব। বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক দেখালেও ভিতরে ভিতরে তারা অনুভব করছেন একাকীত্ব। 


মনোবিদদের ভাষায়, একে বলা হয় ‘ইমোশনাল লোনলিনেস’-যেখানে একসঙ্গে থেকেও মানুষ নিজেকে একা অনুভব করেন।


বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ব্যস্ত জীবন, প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং যোগাযোগের অভাবের কারণে এই সমস্যা আগের তুলনায় অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠিক কী কী কারণে স্বামী-স্ত্রীদের মধ্যে বাড়ছে দূরত্ব। 


কথোপকথন কমে যাওয়া


সম্পর্কে মানসিক দূরত্বের অন্যতম বড় কারণ হলো যোগাযোগের অভাব।দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় অফিস, সংসার, সন্তান কিংবা আর্থিক দায়িত্ব সামলাতে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে ধীরে ধীরে সম্পর্কের আবেগও কমতে থাকে।


অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া


অনেক সময় দেখা যায় একজন হয়তো নিজের মনের কথা বলতে চান, কিন্তু অন্যজন তা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন না। বারবার এমন হলে মানুষ ধীরে ধীরে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার আর আগ্রহ পায় না। বরং ভিতরে জমতে থাকে অভিমান ও অপূর্ণতার অনুভূতি।


কথোপকথন কমে যাওয়া


সম্পর্কে মানসিক দূরত্বের অন্যতম বড় কারণ হলো যোগাযোগের অভাব।দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় অফিস, সংসার, সন্তান কিংবা আর্থিক দায়িত্ব সামলাতে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে ধীরে ধীরে সম্পর্কের আবেগও কমতে থাকে।


অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া


অনেক সময় দেখা যায় একজন হয়তো নিজের মনের কথা বলতে চান, কিন্তু অন্যজন তা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন না। বারবার এমন হলে মানুষ ধীরে ধীরে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার আর আগ্রহ পায় না। বরং ভিতরে জমতে থাকে অভিমান ও অপূর্ণতার অনুভূতি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ পিএম

ভাত বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মধ্যে একটি ধারণা বেশ প্রচলিত যে, ভাত মানেই কার্বোহাইড্রেট, আর কার্বোহাইড্রেট মানেই ওজন বৃদ্ধি ও রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া। তাই অনেকে সাদা ভাত ছেড়ে ব্রাউন রাইস বা অন্য চালের দিকে ঝুঁকেন। কিন্তু সত্যি হলো, সব ধরনের চালের পুষ্টিগুণ এক নয়। চালের ধরন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পলিশ করার মাত্রার ওপরই নির্ভর করে কোন ভাত কতটা স্বাস্থ্যকর হবে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাতে শুধু কার্বোহাইড্রেটই থাকে না। এতে ফাইবার, বি-ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজও থাকতে পারে। তবে চাল যত বেশি পলিশ করা হয়, ততই এর বাইরের আবরণ বা ব্র্যান স্তর নষ্ট হয়ে যায়। আর এই স্তরেই থাকে অধিকাংশ পুষ্টি উপাদান। তাই সঠিক চাল বেছে নেওয়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি পরিমিত পরিমাণে খাওয়াও সমান জরুরি।


পুষ্টির শীর্ষে ব্ল্যাক রাইস

পুষ্টিগুণের দিক থেকে ব্ল্যাক রাইসকে সবচেয়ে সমৃদ্ধ চালগুলোর একটি ধরা হয়। এটি সাধারণত আনপলিশড অবস্থায় বাজারে আসে, ফলে এর প্রাকৃতিক পুষ্টি অক্ষুণ্ন থাকে।


গাঢ় কালো বা বেগুনি রঙের এই চালে রয়েছে অ্যান্থোসায়ানিন, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এতে পর্যাপ্ত ফাইবার, আয়রন, ভিটামিন ই এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ব্ল্যাক রাইস খেলে শরীরের প্রদাহ কমাতে, কোষের ক্ষয় রোধ করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।


ফাইবার ও মিনারেলে ভরপুর লাল চাল

লাল চালও তুলনামূলকভাবে কম প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এতে রয়েছে ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন।


যারা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে চান বা ধীরে ধীরে শক্তি পেতে চান, তাদের জন্য লাল চাল একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। এটি হজম প্রক্রিয়াকেও তুলনামূলক ধীর করে, ফলে রক্তে শর্করার ওঠানামাও কিছুটা নিয়ন্ত্রিত থাকে।


স্বাস্থ্যসচেতনদের জনপ্রিয় পছন্দ ব্রাউন রাইস

ব্রাউন রাইসের জনপ্রিয়তা গত কয়েক বছরে অনেক বেড়েছে। কারণ এটি পলিশ করা হয় না এবং চালের বাইরের ব্র্যান স্তর অক্ষত থাকে।


এতে ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং বিভিন্ন ভিটামিন পাওয়া যায়। ব্রাউন রাইস ধীরে হজম হয় বলে দীর্ঘ সময় ক্ষুধা কম লাগে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে কিংবা সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে চাইলে এটি ভালো বিকল্প হতে পারে।


সুগন্ধের সঙ্গে পুষ্টিতে সমৃদ্ধ বাসমতি চাল

বাসমতি চাল শুধু সুগন্ধের জন্যই নয়, তুলনামূলক কম গ্লাইসেমিক সূচকের কারণেও অনেকের কাছে জনপ্রিয়।

বাসমতির দুটি ধরন রয়েছে-সাদা ও বাদামি। বাদামি বাসমতি রাইসে ফাইবার ও খনিজ উপাদান বেশি থাকে, কারণ এটি কম প্রক্রিয়াজাত। অন্যদিকে সাদা বাসমতি চাল পলিশ করা হলেও এতে অ্যামাইলোজ তুলনামূলক বেশি থাকে, যা সাধারণ সাদা চালের তুলনায় কিছুটা ধীরে হজম হয়।


বিরিয়ানি, পোলাও কিংবা ফ্রায়েড রাইসের জন্য বাসমতি চালের ব্যবহার বেশি হলেও প্রতিদিনের খাবার হিসেবেও এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।


বেশি খাওয়া হয় সাদা চাল

আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় সাদা চালের ভাত। তবে এটি সবচেয়ে বেশি পলিশ করা হয় বলে এর বাইরের পুষ্টিকর স্তর প্রায় পুরোপুরি অপসারণ করা হয়। ফলে ফাইবার, ভিটামিন এবং অনেক খনিজ উপাদান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তবে এর একটি সুবিধা হলো এটি দ্রুত রান্না হয় এবং সহজে হজম হয়।


তাই সাদা চাল সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে পরিমিত পরিমাণে সাদা ভাতের সঙ্গে ডাল, শাকসবজি, মাছ, ডিম বা মাংস যোগ করলে সেটিও একটি সুষম খাবারে পরিণত হতে পারে।


কোন চাল খাবেন?

যদি সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ চান, তাহলে ব্ল্যাক রাইস বা লাল চাল খেতে পারেন। প্রতিদিনের জন্য ব্রাউন রাইসও উপকারী। বাসমতি চাল স্বাদ ও তুলনামূলক কম গ্লাইসেমিক সূচকের কারণে ভালো পছন্দ হতে পারে। আর সাদা চাল খেতে চাইলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অবশ্যই প্রোটিন ও শাকসবজির সঙ্গে খাওয়ার চেষ্টা করুন।


স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শুধু চালের ধরন দিয়ে নির্ধারিত হয় না। আপনি কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন, কী দিয়ে খাচ্ছেন এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন এসব বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৩৯ এএম

স্টমাক ওয়াশ বা গ্যাস্ট্রিক ল্যাভাজ হলো বিশেষ নল দিয়ে পাকস্থলীর ভেতরের বিষাক্ত পদার্থ বের করার চেষ্টা। উদ্দেশ্য হলো, বিষ শরীরে আরও শোষিত হওয়ার আগেই পাকস্থলী থেকে তা যতটা সম্ভব সরিয়ে ফেলা।


তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিষ পাকস্থলী থেকে অন্ত্রে চলে যায় এবং শরীরে শোষিত হতে শুরু করে। তাই সময় এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


সময়


সাধারণত বিষ গ্রহণের এক ঘণ্টার মধ্যে রোগী হাসপাতালে এলে এবং বিষের পরিমাণ সম্ভাব্যভাবে প্রাণঘাতী হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক স্টমাক ওয়াশ বিবেচনা করতে পারেন।


তবে এটিকে কোনো ‘নির্দিষ্ট নিয়ম’ হিসেবে মনে করা যাবে না। রোগীর অবস্থা, কী বিষ খেয়েছেন, কতটা খেয়েছেন এবং কতক্ষণ আগে খেয়েছেন—সবকিছু বিবেচনা করা হয়।


কেন সব সময় করা হয় না


 স্টমাক ওয়াশের কিছু গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে। এতে—


> খাবার বা পাকস্থলীর তরল ফুসফুসে ঢুকে যেতে পারে।


> শ্বাসনালিতে খিঁচুনি


> অক্সিজেন কমে যাওয়া


> হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দের সমস্যা


> এমনকি গলা বা খাদ্যনালির আঘাতও হতে পারে


তাই রোগীর জ্ঞান কমে গেলে বা নিজের শ্বাসনালি সুরক্ষিত রাখার ক্ষমতা না থাকলে, বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া স্টমাক ওয়াশ করা বিপজ্জনক।


কোন ক্ষেত্রে করা যাবে না?


অ্যাসিড বা ক্ষারজাতীয় ক্ষয়কারী পদার্থ পান করলে স্টমাক ওয়াশ করা উচিত নয়। এতে ক্ষত আরও বাড়তে পারে। একইভাবে কেরোসিন বা উচ্চমাত্রায় ফুসফুসে ঢুকে যাওয়ার ঝুঁকিযুক্ত হাইড্রোকার্বন পান করলেও সাধারণত এটি এড়ানো হয়।


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, বাড়িতে কখনো নিজে থেকে বমি করানো বা নল ঢুকিয়ে স্টমাক ওয়াশ করার চেষ্টা করবেন না।


এমন রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান এবং কী বিষ, কতটা এবং কখন খাওয়া হয়েছে—এই তথ্য চিকিৎসককে জানান। সময়মতো সঠিক চিকিৎসাই জীবন বাঁচাতে পারে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:১৫ পিএম

বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথিবীর বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে  আগামী ৩০,  ৩১ ও ১ লা আগস্ট ৩ দিনব্যাপী এবং ২ রাত ৩ দিনের এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমন্ত্রিত অতিথি, অংশীদারবৃন্দ,  শুভানুধ্যায়ী, উদ্যোক্তা ও সম্মানিত সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।


অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে কক্সবাজারের হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে থাকবে কেক কাটা, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিভিন্ন আনন্দঘন আয়োজন।



বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা ও সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিষ্ঠার এক বছরে প্রতিষ্ঠানটি কৃষিভিত্তিক পর্যটন, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছে। আগামী দিনগুলোতে আরও বৃহৎ পরিসরে কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।




বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্ট পরিবারের পক্ষ থেকে সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, সদস্য ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:২৩ এএম

বর্ষাকালে অনেকেই নানারকম পেটের সমস্যায় ভোগেন। এ সময় পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস খুবই জরুরি। এমন কিছু পানীয় আছে যা এ সময়ে অন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। যেমন-


ঘোল : ঘোলে প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া থাকায় অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে হজমে সাহায্য করে। 


বিটের রস : বিটে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার থাকায় এটি হজমশক্তি বাড়াতে এবং পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। 


ধনে ভেজানো পানি :প্রতিদিন ধনে ভেজানো পানি পান করলে হজমশক্তি উন্নত হয়। এই পানি পানে পেট ফাঁপার সমস্যা কমে। সেই সঙ্গে অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত হয়। 


আদা চা : প্রতিদিন আদা চা খেলে হজমশক্তি বাড়ে। নিয়মিত এই চা খেলে পেট ফাঁপার মতো সমস্যা কমে। এই চা অন্ত্র সুস্থ রাখে। 


হলুদ মেশানো দুধ : হলুদে থাকা কারকিউমিনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ খেলে হজমশক্তি বাড়ে। সেই সঙ্গে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। 

সর্বশেষ সব খবর

লাল মাংস চুলায় কেন সবুজ হলো

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা


খুলনায় গরুর মাংস রান্নার সময় হঠাৎ রঙ লাল থেকে সবুজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড়।

  • প্রকাশ : রবিবার ২৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৩৫ পিএম

খুলনার পাইকগাছা পৌরসভায় গরুর মাংস রান্নার সময় হঠাৎ রঙ লাল থেকে সবুজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। 


বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে পৌরসভার মডার্ন বেকারির কয়েকজন কর্মী পিকনিকের জন্য কেনা মাংস রান্না করতে গিয়ে এই অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখতে পান। হতবাক ও শঙ্কিত হয়ে তারা রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে সরাসরি থানায় গিয়ে হাজির হন। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।


এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ও খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ড. এম এস মিনারা খাতুন বলেন, ‘মাংস আগের দিনের হওয়াই সবুজ রঙ ধারণ করেছে- এটি কারণ হিসেবে যথেষ্ট নয়।’


তার মতে, সামাজিক মাধ্যমে ছবি দেখে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি বিষয়টিকে অবহেলাও করা উচিত নয়। কারণ খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নে একমাত্র বৈজ্ঞানিক প্রমাণই নির্ভরযোগ্য। মাংসে অস্বাভাবিক সবুজ রঙ, দুর্গন্ধ বা পিচ্ছিল ভাব দেখা দিলে তা না খেয়ে পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠানোর পরামর্শ দেন তিনি।



বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আগেও মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানান অধ্যাপক মিনারা খাতুন। তার মতে, এর নেপথ্যে বেশ কয়েকটি বৈজ্ঞানিক কারণ থাকতে পারে- মাংসের রঞ্জক পদার্থ মায়োগ্লোবিনের রাসায়নিক পরিবর্তন, অনুপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ, হাইড্রোজেন সালফাইড উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে সালফমায়োগ্লোবিন তৈরি হওয়া, কপার বা অন্য ধাতব যৌগের সংস্পর্শ যা তুলনামূলকভাবে বিরল, সিউডোমোনাসের মতো পিগমেন্ট উৎপাদনকারী জীবাণুর বংশবৃদ্ধি ও জবাই-পরবর্তী সংরক্ষণ-পরিবহনে ত্রুটি, এমনকি মাংসের পেশিতন্তুর গঠন ও আলোর প্রতিফলনের কারণেও কখনও কখনও সবুজ, নীল বা রংধনুর মতো আভা দেখা দিতে পারে।


শুধু একদিন ফ্রিজে সংরক্ষণের কারণে মাংস সবুজ হওয়ার কথা নয় বলে জানান অধ্যাপক মিনারা খাতুন। তার ভাষ্যে, শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে মাংসের রঙ কিছুটা গাঢ় বা বাদামি হতে পারে, কিন্তু স্পষ্ট সবুজ আভা স্বাভাবিক ঘটনা নয়। রান্না করা মাংস সবুজ হলেও ঝোলের রঙ লাল থাকার বিষয়টিকে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বলে উল্লেখ করেন।



তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সবুজ পরিবর্তন যদি মাংসের নির্দিষ্ট অংশে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে ঝোলের রঙ স্বাভাবিক থাকতে পারে। কারণ ঝোলের রঙ মূলত নির্ধারিত হয় মাংসের রক্তরঞ্জক পদার্থ, মসলা ও রান্নার সময় ঘটা রাসায়নিক বিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে। তাই ঝোল লাল থাকা মানেই মাংস নিরাপদ ছিল, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বিজ্ঞানসম্মত নয়।


মাংস বিক্রেতার দাবি, একই গরুর মাংস কিনে অন্যরা কোনও সমস্যায় পড়েননি। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক মিনারা খাতুন বলেন, ‘একই পশুর বিভিন্ন অংশের সংরক্ষণ পরিবেশ, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও দূষণের মাত্রা ভিন্ন হতে পারে, ফলে সব অংশে একই রকম পরিবর্তন নাও ঘটতে পারে। তাই অন্যদের কিছু হয়নি এই যুক্তি খাদ্য নিরাপত্তার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে বেকারির কোনও রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার যে জল্পনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে, তারও এখন পর্যন্ত কোনও সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কেননা খাদ্যশিল্পে ব্যবহৃত বেশির ভাগ রাসায়নিক সাধারণত তাপের সংস্পর্শে এসে মাংসকে সবুজ করে না।’


জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে জবাই থেকে শুরু করে ভোক্তার রান্নাঘর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে নিরাপদ তাপমাত্রা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন অধ্যাপক মিনারা খাতুন। এ ছাড়া পরিচ্ছন্ন পরিবেশে স্বাস্থ্যসম্মত জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ, নিরাপদ পানি ও প্রশিক্ষিত কর্মী নিশ্চিত করা, ফ্রিজ বা ডিপ ফ্রিজের তাপমাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং মাংসের উৎস, জবাইয়ের তারিখ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেন তিনি।



খাদ্যের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যে কোনও পরিবর্তন দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ছাড়া কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।’

সর্বশেষ সব খবর