ছবি : সংগৃহীত
সকালের সূর্য যেমন দিনের ছন্দ নির্ধারণ করে, তেমনি দিনের শুরুতে সঠিক খাবার ও পানীয় গ্রহণ সুস্থ থাকতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। কিছু পানীয় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সামান্য সহায়ক হতে পারে। তবে কোনো পানীয়ই উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের বিকল্প নয়।
এমনই পাঁচটি পানীয়ের সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে আজকের এ স্বাস্থ্যকথা।
লেবু মিশ্রিত পানি
সকালে এক গ্লাস লেবু মিশ্রিত পানি পান করলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা পাওয়া যায়। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ভিটামিন সি গ্রহণ রক্তচাপ সামান্য কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে শুধু লেবু মিশ্রিত পানি পান করলে উচ্চ রক্তচাপ কমে যায়, এমন শক্ত প্রমাণ নেই। বাড়তি চিনি বা লবণ না মিশিয়ে এ পানীয় পান করাই ভালো।
বিটরুটের রস
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সম্ভাবনাময় পানীয়গুলোর মধ্যে বিটরুটের রস অন্যতম। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক নাইট্রেট, যা শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরিতে সহায়তা করে। নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালিকে শিথিল করতে এবং রক্তপ্রবাহ উন্নত করতে ভূমিকা রাখে।
কিছু গবেষণায় বিটরুটের রস পান করার পর রক্তচাপ কমার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে এর প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। সকালে পরিমিত পরিমাণে তাজা বিটরুটের রস পান করা যেতে পারে। এতে অতিরিক্ত লবণ বা চিনি মেশানো উচিত নয়।
নারকেল পানি
নারকেল পানিতে পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের প্রভাবের ভারসাম্য রক্ষা এবং স্বাভাবিক রক্তচাপ বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি নারকেল পানি শরীরের তরল ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সহায়তা করে।
তবে নারকেল পানি খেলেই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। প্যাকেটজাত নারকেল পানি কেনার আগে উপাদান তালিকায় বাড়তি চিনি ও সোডিয়ামের পরিমাণ দেখে নেওয়া উচিত। যাঁদের কিডনির সমস্যা রয়েছে কিংবা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত বেশি পরিমাণে নারকেল পানি পান করা উচিত নয়।
গ্রিন টি
গ্রিন টিতে পলিফেনলসহ বিভিন্ন উপকারী উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে। এসব উপাদান রক্তনালির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। কিছু গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদে গ্রিন টি পান করার সঙ্গে রক্তচাপ সামান্য কমার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
তবে গ্রিন টিতে ক্যাফেইনও থাকে। ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি সাময়িকভাবে রক্তচাপ বাড়াতে পারে। তাই গ্রিন টি পান করার পর অস্বস্তি বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হলে পরিমাণ কমানো উচিত। বাড়তি চিনি ছাড়া গ্রিন টি পান করাই ভালো।
আমলকি মিশ্রিত পানি
আমলকিতে রয়েছে ভিটামিন সি, পলিফেনল ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এসব উপাদান শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে আমলকি মিশ্রিত পানি পান করলে শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায় কিংবা সরাসরি উচ্চ রক্তচাপ কমে-এমন দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
সকালে এক গ্লাস পানিতে পরিমিত পরিমাণে আমলকির রস মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত চিনি বা লবণ যোগ করা এড়িয়ে চলা উচিত। আমলকি খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফলমূল ও শাকসবজি রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
পানীয়ের পাশাপাশি যা জরুরি
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে শুধু সকালে একটি নির্দিষ্ট পানীয় পান করার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। এ জন্য প্রয়োজন সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কমানো। পাশাপাশি নিয়মিত রক্তচাপ মাপা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা জরুরি।
মনে রাখতে হবে, কোনো ঘরোয়া পানীয়ই উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসার বিকল্প নয়। রক্তচাপ দীর্ঘদিন বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে এসব পানীয় বেছে নেওয়া যেতে পারে, তবে সবার ক্ষেত্রে এগুলোর প্রভাব এক রকম নাও হতে পারে।
ছবি : সংগৃহীত
কিডনি আমাদের শরীরের বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু কিডনির সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় স্পষ্ট কোনো লক্ষণ ছাড়াই থাকতে পারে। তাই শরীরের কিছু পরিবর্তন অবহেলা করা উচিত নয়।
১. প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন
প্রস্রাবের পরিমাণ, রং বা ঘনত্বে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া
কিডনি শরীরের অতিরিক্ত তরল ঠিকমতো বের করতে না পারলে পা, গোড়ালি বা শরীরের অন্যান্য অংশ ফুলে যেতে পারে।
৩. চোখের চারপাশ ফুলে থাকা
বিশেষ করে সকালে চোখের চারপাশে ফোলাভাব দেখা দিলে এবং তা বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৪. অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা
কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে রক্তশূন্যতা বা শরীরে বর্জ্য পদার্থ জমার কারণে ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।
৫. প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা হওয়া
বারবার প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা দেখা গেলে প্রস্রাবে প্রোটিন যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। তবে ফেনা হলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়।
৬. রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া
রাতে ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রয়োজন কিডনি রোগের একটি সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, প্রোস্টেটের সমস্যা ও অন্যান্য কারণেও এটি হতে পারে।
কখন সতর্ক হবেন?
এই লক্ষণগুলো নিয়মিত দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রয়োজনে রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও eGFR পরীক্ষা এবং প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করে কিডনির অবস্থা মূল্যায়ন করা যায়।
মনে রাখবেন: কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের কোনো লক্ষণই থাকে না। তাই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগের ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।
ছবি : সংগৃহীত
রোদ থেকে ত্বক বাঁচাতে অনেকেই সানস্ক্রিনের ওপর ভরসা করেন। সানস্ক্রিন না মেখে বেরোলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিতে ত্বকের ক্ষতি হয়। খুব তাড়াতাড়ি ত্বক পুড়ে কালচে দাগ যায়। এ কারণে ‘সানবার্ন’বা রোদে পোড়া থেকে বাঁচতেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হয়। তবে সানস্ক্রিনে থাকা রাসায়নিক ত্বকের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। বিশেষ করে যাদের ত্বক সংবেদনশীল তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
‘আনন্দবাজারের’ এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সানস্ক্রিনে থাকা 'অক্সিবেনজ়োন' ত্বকের অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। অনেক সময়ে সানস্ক্রিন মাখলেই মুখে বা চোখে জ্বালা করে অনেকের। রোদ থেকে বাঁচাতে সানস্ক্রিনে এমন এক রাসায়নিক মেশানো হয়, যা দীর্ঘ সময় ত্বকের সংস্পর্শে এলে নানারকম চর্মরোগের কারণ হতে পারে। এ কারণে বাজারচলতি সানস্ক্রিন নয়, ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন রোদ থেকে বাঁচার ক্রিম।
শিয়া বাটার ও কোকো বাটার
উপকরণ:২ চামচ শিয়া বাটার, ১ চামচ কোকো বাটার, ১ চামচ ভিটামিন-ই তেল,১ চামচ রাস্পবেরি বীজের তেল
প্রণালী:
শিয়া বাটার ও কোকো বাটার একসঙ্গে মিশিয়ে হালকা আঁচে গলিয়ে নিন। একটু ঠান্ডা হলে এই মিশ্রণে ভিটামিন-ই তেল মিশিয়ে দিন। এর পরে মেশান রাস্পবেরি বীজের তেল। মিশ্রণটি ফ্রিজে রেখে জমাট বাঁধতে দিন। এটি খুব ভাল ময়েশ্চারাইজ়িং সানস্ক্রিনের কাজ করে।
তিলের তেল ও গ্লিসারিনের সানস্ক্রিন
উপকরণ: ৩ চামচ তিলের তেল, ১ চামচ গ্লিসারিন, আধ কাপ পানি
প্রণালী:
সব কয়টি উপাদান একটি স্প্রে বোতলে মিশিয়ে ভালভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। রোদে বেরোনোর আগে শিশুর মুখে, হাত-পায়ে স্প্রে করে হালকা হাতে মালিশ করে দিন। এটি মাখা থাকলে রোদে পুড়ে ত্বকে কালচে দাগ হবে না।
চোখের জন্য উপকারী পানীয়
চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চোখের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কয়েক ধরনের পানীয় রাখতে পারেন। যেমন-
গাজরের রস
গাজরের রসে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন এ থাকে। এই উপাদানগুলো চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ভালো কাজ করে।
পালং শাকের রস
নিয়মিত পালং শাকের জুস খেলে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি কমার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
সাইট্রাস ফলের রস
লেবু বা কমলালেবুর মতো সাইট্রাস ফলের রসে ভিটামিন সি থাকে। এটি চোখের রক্তনালী সুস্থ রাখে। সেই সঙ্গে ছানি পড়ার ঝুঁকি কমায়।
বিটরুটের রস
বিটরুটের রসে থাকা নাইট্রেট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের অপটিক নার্ভে রক্ত ও অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে।
গ্রিন টি
গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাটেচিন উপাদান চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে খুবই উপকারী।
ডাবের পানি
ডাবের পানিতে শরীরের প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট ও পানির ভারসাম্য বজায় থাকে। নিয়মিত এই পানি খেলে চোখে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি থাকে। সেই সঙ্গে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যাও কমে যায়। সূত্র: এশিয়ানেটনিউজ
ছবি : সংগৃহীত
হজ ও ওমরাহ পালন করতে প্রতি বছর সৌদি আরবের পবিত্র নগর মক্কা ও মদিনায় যান বিশ্বের ধর্মপ্রাণ বিপুলসংখ্যক মুসলমান। এর বাইরেও সৌদিতে রয়েছে দর্শনীয় অনেক স্থান। সৌদি ভ্রমণে দীর্ঘদিন বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকলেও পর্যটকদের জন্য এখন সেটি অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। ভ্রমণকারীদের জন্য দেশটি দুয়ার খুলে দিয়েছে, যাতে করে পর্যটকরা সেখানকার সব আকর্ষণীয় ও ধর্মীয় স্থান ঘুরে আসতে পারেন।
অবকাশযাপন, বোমাঞ্চ বা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উপভোগ করতে দূরদুরান্তের মানুষ এখন সৌদিতে ভিড় জমাচ্ছেন। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশি পর্যটকরাও, তবে আপনি যদি প্রথমবারের মতো সৌদি আরব বেড়াতে যেতে চান, তাহলে কিছু বিষয় জানা জরুরি।
সহজ ভিসা প্রক্রিয়া
বাংলাদেশিদের জন্য এখন সৌদিতে ওমরাহ, ট্যুরিজম বা স্টপওভার ভিসার আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে সৌদি ভ্রমণ হয়ে উঠেছে আগের তুলনায় অনেক সহজ। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও শেনজেন ভিজিট ভিসা আছে এমন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা অন অ্যারাইভাল ভিসার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তা ছাড়া সম্প্রতি চালু হওয়া ৯৬ ঘণ্টার স্টপওভার ভিসা ব্যবহার করে গন্তব্যে যাওয়ার আগে সৌদিতে ৯৬ ঘণ্টা সময় কাটানোর সুযোগ পাওয়া যায়। ফলে দেশটি স্টপওভার হিসেবে বাংলাদেশিদের জন্য চমৎকার গন্তব্য।
বাংলাদেশ থেকে সহজলভ্য ফ্লাইট
সৌদির বিমান চলাচল খাত বিশ্বে অন্যতম প্রধান স্থান অধিকার করে আছে। সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে এই খাত কাজ করে। নতুন নতুন এয়ারলাইনস সৌদির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
সম্প্রতি দ্বিতীয় রুট হিসেবে চট্টগ্রামের সাথে যুক্ত হয়েছে সৌদিয়া। এর আওতায় সপ্তাহে চারবার ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। জেদ্দা, মদিনা ও রিয়াদ থেকে ঢাকার বিদ্যমান রুটের সাথে এটি যুক্ত হবে।
সৌদিয়ার এ নতুন ফ্লাইটের পাশাপাশি বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে জেদ্দা পর্যন্ত সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ঘটাচ্ছে ফ্লাইনাসও। ফলে বাংলাদেশ-সৌদির মধ্যে সংযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।
পর্যটকদের কাছে সৌদির জনপ্রিয়তা
সৌদি ২০২৩ সালে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি পর্যটককে স্বাগত জানিয়েছে, যা ২০১৯ সালের চেয়ে ১৫৬ শতাংশ বেশি। এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের সাত বছর আগেই ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন পর্যটক নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে।
ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম অর্গানাইজেশনের (ইউএনটিডব্লিউও) ২০২৪ সালের ব্যারোমিটার রিপোর্ট অনুযায়ী, পৃথিবীর অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল পর্যটন গন্তব্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে সৌদি।
নারীদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা
আন্তর্জাতিক সূচক অনুসারে, জি২০ দেশগুলোর মধ্যে সৌদি সবচেয়ে নিরাপদ। এ ছাড়া টানা তৃতীয়বারের মতো মদিনা সারা পৃথিবীর মাঝে একা ভ্রমণকারী নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ দেশের রেটিং দিয়েছে ইনশিওরমাইট্রিপ।
ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্থান
১০ হাজারের বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান এবং ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সাতটি স্থান আছে সৌদিতে। স্থানগুলো হলো উরুক বানি মা’রিদ, হিমা সাংস্কৃতিক অঞ্চল, আল-আহসা মরুদ্যান, হাইল অঞ্চলের পাথর শিল্প, ঐতিহাসিক জেদ্দা, মক্কার প্রবেশদ্বার, আদ-দিরিয়াহ্র আত-তুরাইফ জেলা ও হেগরা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
ডাইভারদের জন্য স্বপ্নের জায়গা
সৌদি পৃথিবীর অন্যতম সেরা ডাইভিং স্পট। লোহিত সাগর উপকূল আর আরব সাগরের আদিম পানি, সাদা বালির সৈকত, সমৃদ্ধ প্রবাল প্রাচীর ও চমৎকার কিছু জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখার মতো আছে অনেক কিছুই। সুন্দর ও দুর্লভ কিছু সামুদ্রিক প্রাণীর দেখাও পেতে পারেন ডাইভার।
পর্যটকদের হঠাৎ চোখে পড়ে যেতে পারে মিনিটে ১০৯ কিলোমিটার গতিতে চলা পৃথিবীর দ্রুততম মাছ ব্ল্যাক মার্টিন কিংবা বিপন্ন প্রজাতির নেপোলিয়ন ফিশ, যেটি কুইন অফ দ্য কোরাল রিফ নামেও পরিচিত।
লোহিত সাগর এলাকার আবহাওয়া রৌদ্রোজ্জ্বল এবং তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকে। ফলে সাঁতারু ও ডাইভাররা বছরজুড়েই পাবেন উষ্ণ পানি।
আতিথেয়তা
আতিথেয়তাকে সৌদিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। এটি এ দেশের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিশেষত পর্যটকদের সঙ্গে উদার ও সদয় আচরণের জন্য সৌদির মানুষ পরিচিত। তাই ভ্রমণকারীরা স্থানীয়দের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ার আশা করতেই পারেন। এ ছাড়া দেশটিতে সুনির্দিষ্ট পোশাক পরার বিধান অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। আর নারীরা চাইলেই গলায় রঙিন স্কার্ফ কিংবা দেশটির ঐতিহ্যবাহী ঢিলেঢালা লম্বা পোশাক আবায়াও পরতে পারেন।
ঐতিহ্যবাহী বাজার
নামকরা ফ্যাশন ও ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ব্র্যান্ড সংবলিত আধুনিক ও বিলাসবহুল অনেক শপিং মল সৌদিতে আছে। সেই সঙ্গে আছে সুন্দরভাবে সংরক্ষিত ঐতিহ্যবাহী বাজার বা সুউক। গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় আল বালাদের রাস্তাগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে।
ঐতিহাসিক নাইটস রুফটপ ক্যাফে থেকে উপভোগ করুন জেদ্দার আকাশ আর প্রদর্শিত শত শত প্রাচীন জিনিসপত্র। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ‘ঐতিহাসিক জেদ্দা’ কিংবা পুরোনো শহর নামে পরিচিত জেদ্দার আল বালাদ জেলা।
সপ্তম শতকের প্রাচীন ভবনের দেখা মিলবে এ জায়গায়। এর অসাধারণ স্থাপত্য দেখে দর্শনার্থীদের মনে হতে পারে যে, তারা অনেকটা সময় পিছিয়ে গিয়েছেন। এ ছাড়া আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য এর রাস্তায় রাস্তায় আছে অনেক পণ্য।
আল বালাদের ভিড়ে ভরা বাজারগুলোতে মিলতে পারে অনেক গুপ্তধনের দেখা। পুরোনো শহরেই আছে সাতটি সুউক। সুউক আল আলাউয়ি নামক জেদ্দার সবচেয়ে পুরোনো সুউকটিও এখানেই অবস্থিত। চামড়ার জিনিস, আরবীয় সুগন্ধি, গহনা, পোশাকসহ আরও অনেক পণ্যসম্ভারের কারণে স্যুভেনির কেনাকাটার জন্য স্থানটি দারুণ।
সবার কাছেই ডিম খুবই পরিচিত একটি খাবার। এটি খুবই সহজলভ্য ও সুস্বাদু হওয়ায় প্রায়ই বাসা-বাড়িতে রকমারি পদের সঙ্গে রান্না করা হয়। কেউ ডিম সেদ্ধ খেতে পছন্দ করেন, কেউ ভাজি বা অমলেট, কেউ আবার ডিম ভুনা বা ডিমের কুরমা খেতে ভালোবাসেন। সাধারণত, পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় সবাই খাদ্যতালিকায় রাখেন ডিম। এমনকি, এ কারণে কেউ কেউ নিয়ম করে প্রতিদিন খেয়ে থাকেন।
স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম ইটিং ওয়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিম কারও কাছে উপকারী খাবার হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কেও জড়িয়েছে। যে কারণে এর পুষ্টিগুণ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। যখন কম-ফ্যাটযুক্ত ডায়েটের প্রচলন ছিল, তখন ডিমকে অবহেলা করা হতো। আবার এখন চর্বি বা ফ্যাট নিয়ে বেশ আলোচনা হয়, এ কারণে ডিম নিয়ে বিতর্ক কিছুটা কমেছে।
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনও মানসম্মত প্রোটিনের উৎস হিসেবে দিনে ১-২টি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেয়। এটি ফ্রিজে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত রাখা যায়। এ কারণে মাছ-মাংস বা মুরগির মতো অন্যান্য প্রোটিনের মতো দ্রুত নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, ডিম কি শরীরের জন্য ভালো? আর এটি প্রতিদিন খেলে কী ঘটে?
দীর্ঘক্ষণ তৃপ্ত ও শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে:
ডিম আকারে ছোট হলেও এর পুষ্টিগুণ বেশ অসাধারণ। বিশেষ করে ডিমের কুসুম ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি এবং কোলিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। যা শরীরকে খাবার থেকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বির সমন্বয় ডিমকে দীর্ঘক্ষণ পেটে থাকার শক্তি দেয়। ফলে ক্ষুধা কম লাগে।
চুল ও ত্বককে অধিকতর স্বাস্থ্যকর করে তুলে:
ডিম হচ্ছে ভিটামিন বি২, বি৫ এবং বি১২-সহ কয়েকটি বি ভিটামিনের দারুণ উৎস। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরে কিছু কাজ করে। এর মধ্যে স্বাস্থ্যকর ত্বক ও চুল বজায় রাখা অন্যতম। এসব পানিতে দ্রবণীয়, অর্থাৎ―এগুলা শরীরে বেশি সময় থাকে না এবং সহজে জমাও থাকে না। এ কারণে প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণে নিয়মিত ডিম খাওয়া যেতে পারে। ডিমে মেথিওনিনের মতো অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা ত্বকের লাবণ্য ও নমনীয়তা এবং চুল ও নখের শক্তি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
চিন্তাশক্তি তীক্ষ্ম করে:
ডিমে কোলিন নামক অণু-পুষ্টি উপাদান (মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট) থাকে প্রচুর পরিমাণ। যা কোষের ঝিল্লি (সেল মেমব্রেন) এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে কাজে লাগে। কোলিন স্মৃতিশক্তি, মেজাজ, পেশি নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য স্বাভাবিকভাবে উপাদানটি পর্যাপ্ত পরিমাণ না পেলে বিভ্রান্তি বোধ বা মস্তিস্কে অসচ্ছলতা (ব্রেইন ফগ) অনুভব করতে পারেন। এছাড়া একটি ডিম দৈনিক কোলিনের চাহিদার প্রায় ৬ শতাংশ যোগান দেয়; অর্থাৎ ডিম খাওয়া হলে মস্তিস্কের সুস্থতায় সহায়ক হয়।
দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে:
ডিমের কুসুমে দুটি ক্যারোটিনয়েড থাকে- লুটিন ও জিয়াজ্যানথিন। যা আপনার চোখের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। ক্যারোটিনয়েডগুলো চোখের বিকাশ ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে অবদান রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত চোখ বা দৃষ্টিশক্তির সাধারণ রোগগুলোর ঝুঁকি কমাতেও সহায়তা করতে পারে।
হাড় মজবুত করে:
ভিটামিন ডি শরীরের অসংখ্য প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বেশ জরুরি। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায় এবং মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ডি’র অন্যতম কাজ হচ্ছে হাড় সুস্থ রাখা। যা অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ বৃদ্ধি করে এবং ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা এমন পর্যায়ে রাখে, যা হাড়ের সুস্থ বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনে সহায়তা করে। প্রতিদিন যদি একটি করে ডিম খাওয়া হয়, তাহলে একটি ডিম ভিটামিন ডি-এর চাহিদার ৬ শতাংশ পূরণ করে।
হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো করে:
যদিও ডিমে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, খনিজ ও পুষ্টি উপাদান; এরপরও অনেকে ডিমের কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। অথচ, একটি ডিমে প্রায় ২০৭ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। এদিকে আগে খাদ্যাভ্যাস নির্দেশিকায় প্রতিদিন খাদ্যতালিকার কোলেস্টেরল ৩০০ মিলিগ্রাম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।
তবে বর্তমান নির্দেশিকায় এই নির্দিষ্ট সংখ্যা থেকে সরে আসতে বলা হয়েছে। কারণ, খাবার থেকে কোলেস্টেরল গ্রহণ করলে তা সরাসরি রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় না। প্রকৃতপক্ষে খাবারের কোলেস্টেরলের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রার ওপর কিছুটা প্রভাব রয়েছে। এছাড়া উচ্চ-কোলেস্টেরলযুক্ত কিছু খাবার তাদের স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বির জন্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। কিন্তু ডিম ও চিংড়ি তাদের উচ্চ পুষ্টিগুণের কারণে এর ব্যতিক্রম।
ছবি : সংগৃহীত
সবচেয়ে জটিল ক্যানসারগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রোস্টেট ক্যানসার। পুরুষরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। পুরুষের প্রজনন ক্ষমতার গ্রন্থি প্রোস্টেটে ক্যানসার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি প্রোস্টেট গ্রন্থির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। পরবর্তীতে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে।
প্রোস্টেট ক্যানসারের ধরন
প্রোস্টেট ক্যানসার কয়েক ধরনের হয়। যেমন—
১. অ্যাসিনার অ্যাডেনোকার্সিনোমা: প্রোস্টেট গ্রন্থির ভেতরের আস্তরণের গ্রন্থিকোষগুলোতে বিকশিত হয়। প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত প্রায় সবার এই ধরনের ক্যানসার থাকে;
২. ট্রানজিশনাল সেল বা ইউরোথেলিয়াল ক্যানসার: এ ধরনের ক্যানসার সাধারণত মূত্রাশয়ে শুরু হয়ে প্রোস্টেটে ছড়িয়ে পড়ে;
৩. স্কোয়ামাস সেল ক্যানসার: এ ধরনের ক্যানসার প্রোস্টেট গ্রন্থিকে আবৃত করে থাকা চ্যাপ্টা কোষ থেকে বিকশিত হয়। এটি প্রেস্টেটের অ্যাডেনোকার্সিনোমার চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ছড়িয়ে পড়ে।
প্রোস্টেট ক্যানসার কাদের হয় ও কেন হয়
প্রোস্টেট ক্যানসার বেশ কয়েকটি মিউটেশন কোষের ক্ষতি করে এবং দ্রুত হারে ছড়িয়ে পড়ে। প্রোস্টেটে ক্যানসার কোষগুলো বৃদ্ধি করতে পারে এমন কয়েকটি কারণ হলো-
* যদি কোনো ব্যক্তির প্রোস্টেট ক্যানসারের ইতিহাস থাকে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের এই ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে;
* যৌনরোগ প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়;
* পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি;
* ক্যাডমিয়ামের মতো কার্সিনোজনিক রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকা পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসারের উচ্চঝুঁকি আছে;
* আফ্রিকান ও আমেরিকান পুরুষদের অন্য জাতির তুলনায় প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
প্রোস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ
* ঘন মূত্রত্যাগ;
* প্রসাবে রক্ত;
* বেদনাদায়ক বীর্যপাত;
* ওজন কমা;
* হাড়ে ব্যাথা;
* পেলভিক অঞ্চলে অস্বস্তি;
* ইরেক্টাইল ডিসফাংশন।
প্রোস্টেট ক্যানসারের চিকিৎসা
প্রোস্টেট ক্যানসার চিকিৎসায় বিভিন্ন বিকল্প রয়েছে। চিকিৎসাগুলো নির্ভর করে ক্যানসার কত দ্রুত বাড়ছে, কতটা ছড়িয়েছে বা সামগ্রিক স্বাস্থ্য।
* বিকিরণ থেরাপি;
* হরমোন থেরাপি;
* জৈবিক থেরাপি;
* কেমোথেরাপি;
* প্রোস্টেট অপসারণের জন্য অস্ত্রপচার।
প্রোস্টেট ক্যানসারের বয়স ৫ বছর হলে আক্রান্ত ব্যক্তির বেঁচে থাকার হার প্রায় ১০০%। যেখানে ১০-১৫ বছর পরে প্রোস্টেট ক্যানসারে হলে বেঁচে থাকার হার ৯৮%-৯৬% শতাংশ।