ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১:২৩ এএম

উদ্বোধনী ম্যাচের টিকিটের দাম প্রায় ৯০০ ডলার থেকে শুরু করে ফাইনালের জন্য ৮,০০০ ডলারেরও বেশি- উত্তর আমেরিকায় ১০০ দিন পর শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের ম্যাচ টিকেট মোটেও সস্তা নয়।


বার্তা সংস্থা এএফপি বিশ্বকাপে খেলা দেখতে যাওয়ার খরচ বিশ্লেষণ করেছে:


কত টিকেট, কত চাহিদা?


বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার মতে, মোট প্রায় ৭০ লাখ টিকেট বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। একজন ব্যক্তি প্রতি ম্যাচে সর্বোচ্চ চারটি এবং পুরো টুর্নামেন্টে মোট ৪০টি টিকেট কিনতে পারবেন।


অক্টোবরে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক লটারিতে প্রায় ২০ লাখ টিকেট বিক্রি হয়। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার লটারিতেও রেকর্ড ৫০ কোটি ৮০ লাখ আবেদন পড়ে বলে জানিয়েছে ফিফা।


তবে ঠিক কতটি টিকেট বরাদ্দ হয়েছে, তা ফিফা জানায়নি। সবচেয়ে বেশি চাহিদা ছিল ২৭ জুন ময়ামিতে গ্রুপ কে-এর শেষ ম্যাচ কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল, ১৮ জুন গুয়াডালাজারায় সহ-আয়োজক মেক্সিকোর বিপক্ষে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচের জন্য।


দামের উর্ধ্বগতি


৪৮ দল নিয়ে আয়োজিত বর্ধিত কলেবরের এই বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচ হবে, যা ইতিহাসে প্রথম।


সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ম্যাচগুলোর টিকিটের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। সমর্থক সংগঠন ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ জানায়, উত্তর আমেরিকার দরপত্রে শুরুতে প্রতিশ্রুতি ছিল মাত্র ২১ ডলার থেকে টিকেট পাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে সবচেয়ে সস্ত যে টিকেট বিক্রি হয়েছে, তার দাম ৬০ ডলার। ক্যালিফোর্নিয়ার লেভাইস স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়া বনাম জর্ডানের গ্রুপ-জে উদ্বোধনী ম্যাচের টিকেট এই মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে।


শীর্ষ দলগুলোর ম্যাচে অধিকাংশ টিকিটের দাম কমপক্ষে ২০০ ডলার। ফাইনালের সবচেয়ে সস্তা টিকিটের দাম ২,০০০ ডলার এবং সেরা আসনের দাম ৮,৬৮০ ডলার। তাও ফিফার অফিসিয়াল রিসেল সাইটের কথা ধরলে নয়, যেখানে ১৯ জুলাই মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের একটি ‘ক্যাটাগরি থ্রি’ আসন বিজ্ঞাপিত হয়েছে অবিশ্বাস্য ১,৪৩,৭৫০ ডলারে, যা এর মূল মূল্য ৩,৪৫০ ডলারের ৪১ গুণেরও বেশি।


ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জোর দিয়ে বলেছেন, টিকিটের দাম মূলত বিপুল চাহিদার ফল। তিনি বলেন, “বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ‘ডাইনামিক প্রাইসিং’ নামে একটি ব্যবস্থা আছে, অর্থাৎ ম্যাচভেদে দাম বাড়তেও পারে, কমতেও পারে”।


দাম নিয়ে দীর্ঘদিনের সমালোচনার মুখে ফিফা তুলনামূলক সস্তা একটি টিকেট ক্যাটাগরি চালু করে। তবে ৬০ ডলারের এই টিকেটগুলো কেবল যোগ্যতা অর্জনকারী দলের সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ ছিল এবং প্রতিটি জাতীয় ফেডারেশনের মোট কোটা’র মাত্র ১০ শতাংশ জুড়ে ছিল।


ফিফা ম্যাচ টিকিটের সঙ্গে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধাসহ প্যাকেজও বিক্রি করছে। ১৬ জুন নিউ জার্সিতে ফ্রান্স বনাম সেনেগালের ম্যাচের জন্য এসব প্যাকেজের দাম ছিল ২,৯০০ থেকে ৪,৫০০ ডলারের মধ্যে।


দাম আরও বাড়ছে


ফিফা নির্দিষ্টসংখ্যক টিকেট আলাদা করে রাখছে, যা এপ্রিল থেকে টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত “আগে আসলে আগে পাবেন” ভিত্তিতে বিক্রি করা হবে।


এরপর রয়েছে রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলো, যার মধ্যে ফিফার নিজস্ব অফিসিয়াল সাইটও আছে। তবে এই বিতর্কিত সমর্থকদেও মধ্যকার বাজারে পুনর্বিক্রেতারা নিজেরাই দাম নির্ধারণ করতে পারেন, ফলে ফাইনালের টিকিটে এমন বিশাল অঙ্ক দেখা যাচ্ছে।


যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় রিসেল বাজার নিয়ন্ত্রণহীন। মেক্সিকোতে মূল মূল্যের চেয়ে বেশি দামে টিকেট পুন:বিক্রি নিষিদ্ধ, তবে কেবল তখনই এটা প্রযোজ্য হবে যখন টিকেটটি মেক্সিকোতে স্থানীয় মুদ্রায় কেনা হয়।


১১ জুন মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য ‘ক্যাটাগরি থ্রি’- স্ট্যান্ডের ওপরের অংশের একটি আসন সম্প্রতি তালিকাভুক্ত ছিল ৫,৩২৪ ডলারে, যেখানে এর মূল দাম ছিল ৮৯৫ ডলার। সিটগিক ও স্টাবহাবের মতো অন্যান্য সাইটে তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম দামে টিকেট বিক্রি হচ্ছিল।


অতিরিক্ত খরচ


ভ্রমণকারী সমর্থকদের জন্য শুধু টিকিটের দামই ভাবনার বিষয় নয়। অনেক বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম শহরের কেন্দ্র থেকে দূরে হওয়ায় পার্কিংয়ের দামও আকাশচুম্বী। আটলান্টায় একটি গ্রুপ ম্যাচের জন্য পার্কিং স্পেসের দাম ১০০ ডলার, আর লস অ্যাঞ্জেলেসে তা ৩০০ ডলার।


যেসব ভক্তের ম্যাচের টিকেট নেই, তাদের জন্য বিকল্প হিসেবে রয়েছে ১৬টি আয়োজক শহরের আশপাশে আয়োজিত ফ্যান ফেস্টিভাল। কানসাস সিটির ফ্যান ফেস্টে একসঙ্গে ২৫,০০০ মানুষ প্রবেশ করতে পারবে। নিউইয়র্কে ইউএস ওপেন টেনিস ভেন্যু ফ্ল্যাশিং মিডোতে ফ্যান জোনে রূপান্তর করা হবে, যেখানে সর্বোচ্চ ১০,০০০ জন অর্থপ্রদানকারী দর্শক প্রবেশ করতে পারবেন। যদিও তা কেবল ১৭ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত।




  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৪৫ পিএম

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের কোচ লিওনেল স্কালোনির মা ইউলালিয়া মারজেত্তি মারা গেছেন। বুধবার দেশটির পুজাতো শহরে নিজের বাড়িতে ৭৪ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন ইউলালিয়া। আর্জেন্টিনার ক্রীড়ামাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস এ খবর জানিয়েছে।


রোজারিওর রেডিও টু জানিয়েছে, পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। স্বামী অ্যাঙ্গেলের সঙ্গে পুজাতোতেই বসবাস করতেন ইউলালিয়া। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।


তিন সন্তানের জননী ইউলালিয়াদ। তার তিন সন্তান লিওনেল, মাউরো ও কোরিনা। তাদের মধ্যে লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনাকে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন করান। আর কোরিনা রোজারিওর কাছের ফুনেস এলাকায় ‘স্কালা বেকারি’ নামে একটি ব্যবসা পরিচালনা করেন।মায়ের সঙ্গে স্কালোনির সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি থেকে সময় পেলেই মাকে দেখতে পুজাতোতে ছুটে যেতেন তিনি। মায়ের অসুস্থতা নিয়েও একসময় প্রকাশ্যে কথা বলেছিলেন আর্জেন্টিনার এই কোচ।


২০২১ সালের ১৫ অক্টোবর পেরুর বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ১-০ গোলে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে নিজের ব্যক্তিগত পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন স্কালোনি। সেদিন তিনি জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত কারণে বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবার মতো মানসিক অবস্থায় ছিলেন না। তার সেই বক্তব্যে মায়ের অসুস্থতার বিষয়টিও সামনে এসেছিল।


ব্যক্তিগত কঠিন সময়ের মধ্যেও দায়িত্ব চালিয়ে যান স্কালোনি। পরের বছর তার অধীনেই কাতার বিশ্বকাপ জিতে দীর্ঘ ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটায় আর্জেন্টিনা। এর আগে ২০২১ সালে ব্রাজিলের মারাকানায় কোপা আমেরিকা জয়ের পরও মাকে স্মরণ করেছিলেন তিনি।সেই সময় আবেগাপ্লুত স্কালোনি বলেছিলেন, কোপা আমেরিকার শিরোপা তিনি মাকে উৎসর্গ করতে চান। কয়েক দিন আগে মায়ের গুরুতর শারীরিক সমস্যা হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, তার মা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।


বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলন ও সাক্ষাৎকারে মায়ের প্রতি ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছেন স্কালোনি। এবার সেই মাকে হারানোর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার পরিবার ও জন্মশহর পুজাতোতে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫


নকআউটেও জয় পেল বাংলাদেশের কিশোররা

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:০৭ পিএম

বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে জয়ের পর এবার নকআউটেও জয় পেল বাংলাদেশের কিশোররা। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে সিশেলসকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের প্লেট-পর্বের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।


আজারবাইজানের বাকুতে আজ বুধবার শেষ বত্রিশের ম্যাচে সিশেলসের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৪০ মিনিটের খেলায় ২৮তম মিনিটে রাতুলের গোলে এগিয়ে যায় দল। 


তবে ম্যাচের শেষ দিকে গোল করে সমতায় ফেরে সিশেলস। ফলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য আশ্রয় নিতে হয় টাইব্রেকারের। সেখানে ৪-২ ব্যবধানে জিতে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশের যুবারা।


এই জয়ে প্রতিযোগিতায় ছয় ম্যাচে দ্বিতীয় জয় পেল বাংলাদেশ। গ্রুপপর্বে ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র দিয়ে অভিযান শুরু করেছিল দলটি। পরের ম্যাচে পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হারের পর ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে বাংলাদেশ। এরপর বুরুন্ডির কাছে ২-০ গোলে হারলেও শেষ ম্যাচে ফিজিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় দল।


বাছাইপর্বের সেই জয়ের ধারাবাহিকতা নকআউটেও ধরে রাখল বায়েজিদ-রাতুলরা। সিশেলসকে হারানোর পর এবার শেষ ষোলোতে নতুন প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় বাংলাদেশ।


লিওনেল মেসি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৪১ পিএম

আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী লিওনেল মেসিকে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম বড় এই আয়োজনে আর্জেন্টাইন মহাতারকার অনুপস্থিতি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হলেও এর পেছনে বড় কোনো বিতর্কের খবর নেই। 


বরং সাম্প্রতিক ব্যস্ত সফরসূচি ও বিশ্রামের প্রয়োজনেই লন্ডনের অনুষ্ঠানে যাননি ইন্টার মায়ামির এই ফরোয়ার্ড।


ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর আয়োজনে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে বসেছিল ব্যালন ডি’অরের এবারের আসর। তবে পুরস্কারটির ৭০তম বার্ষিকীর এই আয়োজনেও দেখা যায়নি মেসিকে। 


সম্প্রতি স্পেনে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ডসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। সেখান থেকে যান যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। ২৪ অক্টোবর নিউইয়র্ক রেড বুলসের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ২-০ গোলের হারেও মাঠে নেমেছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা।


পরপর ভ্রমণের ধকলের পর আবার ইংল্যান্ডে যাওয়ার বদলে বিশ্রাম ও দলের ব্যস্ত সূচিকে গুরুত্ব দিয়েছেন মেসি। তাই এবারের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি ছিল না।


ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল খেলোয়াড় মেসি। ক্যারিয়ারে ১৭ বার মনোনয়ন পেয়ে আটবার জিতেছেন এই পুরস্কার। ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৫, ২০১৯, ২০২১ ও ২০২৩ সালে তার হাতে উঠেছে সোনালি বল। এই পুরস্কার জয়ের সংখ্যায় তার ধারেকাছে নেই আর কেউ।

২৫ বছর পর ইংলিশ তারকার হাতে ব্যালন ডি’অর

পারফরমেন্সের স্বীকৃতি পেলেন কেইন


হ্যারি কেইন

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৩২ এএম

ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন। স্পেনের লামিন ইয়ামাল ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জিতেছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার। 


অন্যদিকে, মেয়েদের বিভাগে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের তারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস।


সোমবার রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে কেইনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ প্রতিবছর এই পুরস্কার দিয়ে থাকে। ৩৩ বছর বয়সী এই ইংলিশ ফরোয়ার্ডের হাতে এবার ব্যালন ডি’অর তুলে দেন দুইবারের এই পুরস্কারজয়ী ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো।


কেইনের এই অর্জনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর পর বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পেলেন কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়। এর আগে সর্বশেষ ২০০১ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়েন।


সব মিলিয়ে কেইন হলেন ব্যালন ডি’অরজয়ী পঞ্চম ইংলিশ ফুটবলার। এর আগে ১৯৫৬ সালে পুরস্কারটির প্রথম আসরে বিজয়ী হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউস। এরপর ১৯৬৬ সালে স্যার ববি চার্লটন এবং ১৯৭৮ সালে কেভিন কিগান এই সম্মান অর্জন করেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো হ্যারি কেইনের নাম।


মেয়েদের ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের তারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। অনুষ্ঠানে তার নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেন ২০০১ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মাইকেল ওয়েন। পুতেয়াসের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে অনুষ্ঠানস্থল।


বার্সেলোনার সাবেক এই মিডফিল্ডার এর আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে মেয়েদের ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। এবার তৃতীয়বারের মতো পুরস্কারটি জিতে নারী ফুটবলে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন তিনি।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৩ এএম

এক রাতে ফুটবল তারকাদের মিলনমেলা, আর পুরস্কারের মঞ্চে একের পর এক চমক। পুরুষদের ব্যালন ডি’অরে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালকে পেছনে ফেলে সেরার মুকুট জিতেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন। নারীদের বিভাগে তৃতীয়বারের মতো পুরস্কার জিতে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন স্পেনের আলেক্সিয়া পুতেয়াস। তবে মূল পুরস্কারের বাইরেও ছিল একাধিক তারকার সাফল্যের গল্প। কে জিতলেন কোন পুরস্কার, জেনে নেওয়া যাক একনজরে।


স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে লন্ডনে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ঘোষণা করা হয় ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের নাম। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতলেন কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকারের হাতে উঠেছে পুরুষদের গার্ড মুলার ট্রফিও।


২০২৫-২৬ মৌসুমে গোলের সামনে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতাই কেইনকে এনে দিয়েছে এই স্বীকৃতি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মৌসুমে ৬১ গোল করেন তিনি। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে তার গোল ১৯টি বেশি। এক মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে কোনো খেলোয়াড়ের ৬১ গোলের কীর্তি এর আগে দেখা গিয়েছিল ২০১৪-১৫ মৌসুমে, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কাছ থেকে।


ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে গত মৌসুমে কেইনের গোলসংখ্যা ছিল ৭৩। জাতীয় দলের হয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। তার গোল করার অসাধারণ দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে পুরুষদের গার্ড মুলার ট্রফিও উঠেছে তার হাতে।


পুরস্কার ঘোষণার আগে ব্যালন ডি’অরের ওয়েবসাইটে কেইন, এমবাপ্পে ও ইয়ামালকে বিজয়ী হিসেবে উল্লেখ করে আলাদা নিবন্ধ প্রকাশ করা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। পরে সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক আয়োজনে পুরুষদের মূল পুরস্কার জেতেন কেইন।


পুরুষদের ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে। তৃতীয় স্থানে জায়গা পেয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। চতুর্থ হয়েছেন রদ্রি, আর পঞ্চম স্থানে ছিলেন লিওনেল মেসি।


মূল পুরস্কার না জিতলেও ইয়ামালের হাতে উঠেছে কোপা ট্রফি। টানা তৃতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-২১ বয়সী সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পেলেন স্পেনের এই তরুণ। ২০২৫-২৬ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৪ গোল করার পাশাপাশি ১৭টি গোলে সহায়তা করেন তিনি। বার্সেলোনার লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের পথেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার।


পুরস্কার গ্রহণের পর ইয়ামাল সতীর্থ পাউ কুবারসির প্রশংসা করেন। তার মতে, এই পুরস্কারটি কুবারসিরও প্রাপ্য ছিল। বিশ্বকাপে সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন স্পেনের এই ডিফেন্ডার।


পুরুষদের বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তার অধীনেই বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে স্পেন। জাতীয় দলের সাফল্যে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।


বিশ্বকাপে স্পেনের রক্ষণভাগের সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন গোলরক্ষক উনাই সিমন। পুরুষদের ইয়াশিন ট্রফি জিতেছেন তিনি। টুর্নামেন্টে স্পেনের আট ম্যাচে মাত্র এক গোল হজম করেন এই গোলরক্ষক।


নারীদের ব্যালন ডি’অর জিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন আলেক্সিয়া পুতেয়াস। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জিতলেন স্পেনের এই তারকা। এর আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে টানা দুইবার ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন তিনি। পরে আইতানা বোনমাতিও তিনবার এই পুরস্কার জেতেন।


বার্সেলোনার সাবেক অধিনায়ক পুতেয়াস বর্তমানে ইংলিশ ক্লাব লন্ডন সিটি লায়নেসের হয়ে খেলছেন। দীর্ঘদিনের সাফল্য ও ব্যক্তিগত অর্জনের ধারাবাহিকতায় তৃতীয়বারের মতো নারী ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই স্বীকৃতি পেলেন তিনি।


নারীদের বর্ষসেরা কোচ হয়েছেন বার্সেলোনার পেরে রোমেউ। তার অধীনে লিগে ৩০ ম্যাচের মধ্যে ২৯টিতে জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। দলটির গোল ব্যবধান ছিল ১২১। নারী গোলরক্ষকদের মধ্যে সেরা হয়েছেন বার্সেলোনার কাতা কোল। লিগে ১৭ ম্যাচে মাত্র ছয় গোল হজম করার পাশাপাশি ১১টি ম্যাচে ক্লিনশিট রেখেছেন তিনি।


নারী বিভাগে বর্ষসেরা ক্লাবের পুরস্কারও জিতেছে বার্সেলোনা। পুরুষ বিভাগে এই স্বীকৃতি পেয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের পর ফরাসি ক্লাবটির হাতে উঠেছে পুরস্কারটি।


পুরুষদের গার্ড মুলার ট্রফি জিতে কেইন নিজের সাফল্যের ঝুলিতে যোগ করেছেন আরও একটি পুরস্কার। নারীদের বিভাগে এই ট্রফি জিতে ইতিহাস গড়েছেন মেক্সিকো ও পাচুকার স্ট্রাইকার চার্লিন কোরাল। ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে নারীদের গার্ড মুলার ট্রফি জেতা প্রথম মেক্সিকান খেলোয়াড় তিনি।


২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের বিজয়ীদের তালিকা


পুরুষদের ব্যালন ডি’অর: হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ/ইংল্যান্ড)


নারীদের ব্যালন ডি’অর: আলেক্সিয়া পুতেয়াস (বার্সেলোনা/স্পেন)


পুরুষদের জোহান ক্রুইফ ট্রফি: লুইস দে লা ফুয়েন্তে (স্পেন)


নারীদের জোহান ক্রুইফ ট্রফি: পেরে রোমেউ (বার্সেলোনা)


পুরুষদের কোপা ট্রফি: লামিন ইয়ামাল (বার্সেলোনা/স্পেন)


নারীদের কোপা ট্রফি: ভিকি লোপেজ (বার্সেলোনা/স্পেন)


পুরুষদের ইয়াশিন ট্রফি: উনাই সিমন (অ্যাথলেটিক ক্লাব/স্পেন)


পুরুষদের গার্ড মুলার ট্রফি: হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ/ইংল্যান্ড)


নারীদের গার্ড মুলার ট্রফি: চার্লিন কোরাল (পাচুকা/মেক্সিকো)


ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৬ এএম

১৮ তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স আজ শেষ হয়েছে। তিন দিন ব্যাপী প্রতিযোগিতায় ২১ স্বর্ণ, ২০ রৌপ্য ও ১৯ ব্রোঞ্জ সহ মোট ৬০টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন সেনাবাহিনী। ১৮ স্বর্ণ, ১৭ রৌপ্য ও ১০ ব্রোঞ্জে ৪৫ পদকে দ্বিতীয় বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং ১ স্বর্ণ ও ৩ ব্রোঞ্জসহ মোট ৪টি পদক জিতে ৩য় স্থানে থেকে আসর শেষ করেছে বিকেএসপি।



আসরে সেরা অ্যাথলেটের পুরষ্কার ১০০ সিসি ইলেট্রনিক্স মোটরসাইকেল জেতেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্প্রিন্টার ইমরানুর রহমান। তিনি ১০০মিটার, ২০০মিটার ও ৪*১০০মিটার রিলেতে স্বর্ণপদক জিতে সেরা অ্যাথলেট নির্বাচিত হন। নারী অ্যাথলেটদের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার হিসেবে নগদ ৮০ হাজার টাকা পান নৌবাহিনী প্রিয়া আক্তার। তিনি ৮০০, ১৫০০ ও ৩০০০ হাজার মিটার দৌড়ে সোনা জেতেন। এর মধ্যে ১৫০০ ও ৩০০০ হাজার মিটারে নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়েন প্রিয়া। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কোচ আনসার আলীর ৫ অ্যাথলেট জাতীয় রেকর্ড গড়ায় তিনি সেরা কোচের পুরস্কার পান।



আজ শেষ দিনে রবিবার ১০টি ইভেন্টের খেলা সম্পন্ন হয়। পুরুষদের ১০হাজার মিটার দৌড়ে সেনাবহিনীর সোহানুর রহমান (৩৩ মিনিট ১২.৪০ সেকেন্ড) স্বর্ণপদক জয় করেন। বিকেলে দিনের আকর্ষণীয় ইভেন্ট পুরুষ ২০০ মিটার ইভেন্টে ২১.১৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে দৌড় শেষ করে স্বর্ণ পদক জেতেন নৌবাহিনীর ইমরানুর রহমান। ২১.৬৩ সেকেন্ড সময়ে সেনাবহিনীর শান্ত কর্মকর রৌপ্য এবং ২১.৭৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জেতেন নৌবাহিনীর রাকিবুল হাসান। ইমরান মূলত ১০০ মিটার ও ইনডোরে ৬০ মিটারে বেশি লড়েন। ২০০ মিটারে সেভাবে তার মনোযোগ থাকে না।



সেই ইভেন্টে জিতে তার প্রতিক্রিয়া, ‘আমি আসলে এই ইভেন্টে আনন্দের ছলে খেলে সেরা হয়েছি।’ রেকর্ড গড়ে মহিলাদের ২০০মিটার স্প্রিন্টে সোনা জেতেন নৌবাহিনীর শিরিন আক্তার। তিনি সময় নেন ২৪.৩৪ সেকেন্ড। এর আগে ২০২৪ সালে ২৪.৬৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন শিরিন নিজেই। এই ইভেন্টে ২৫.১১ সেকেন্ড সময়ে রৌপ্য জেতেন সেনাবাহিনীর শরিফা খাতুন এবং ২৫.৩৩ সেকেন্ডে ব্রোঞ্জ জিতে নেন একই সংস্থার বর্ষা খাতুন। রেকর্ড গড়ে শিরিন আক্তার বলেন, ‘এবারের প্রতিযোগিতা বেশ উৎসবমুখর হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিদিন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এসেছেন। সাজসজ্জাও ছিল বেশ, যা আগে কখনো ছিল না। প্রতিদ্বন্দ্বিতার মান ভালোই ছিল এবং রেকর্ডও হয়েছে অনেক।’



পুরুষদের ৮০০মিটার দৌড়ে ১ মিনিট ৫৩.৫৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জেতেন সেনাবাহিনীর মোশারফ হোসেন। ১ মিনিট ৫৪.৯৫ সেকেন্ড সময়ে একই সংস্থার রাকিবুল ইসলাম রৌপ্য ও ১ মিনিট ৫৬.৭৪ সেকেন্ডে ব্রোঞ্জ জয় করেন বিকেএসপির মোঃ সামি ইসলাম সানি। ৮০০মিটার মহিলা ইভেন্টে ২ মিনিট ১৭.৮৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জেতেন নৌবাহিনীর পাপিয়া আক্তার। ২ মিনিট ১৯.৩৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেনাবহিনীর মুন্নি কর্মকর রৌপ্য ও ২ মিনিট ২০.৮৩ সেকেন্ড সময়ে ব্রোঞ্জ জিতেন নৌবাহিনীর মোছাঃ সুমাইয়া আক্তার।



দিনের শেষ ইভেন্টে মহিলাদের ৪*৪০০মিটার রিলেতে ৩ মিনিট ৪৮.৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে রেকর্ড গড়ে স্বর্ণ জেতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী (শিরিন আক্তার, সুমাইয়া আক্তার, নুসরাত জাহান রুনা ও সুমাইয়া দেওয়ান)। এই ইভেন্টে ৩ মিনিট ৫২.৮৮ সেকেন্ড সময়ে সেনাবাহিনী রৌপ্য পদক এবং ৪ মিনিট ৯ দশমিক তিন সেকেন্ড সময়ে ব্রোঞ্জ জেতে বিকেএসপি।