নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় পুকুরে পড়ে আরাফাত হোসেন (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ৩ নম্বর ডমুরুয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আরাফাত হোসেন ওই গ্রামের ফরহাদ হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় আরাফাত। পরিবারের সদস্যরা তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে ভেসে উঠতে দেখে পরিবারের লোকজন তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে দ্রুত সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো.রসুল আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে যুবদলের সাবেক এক নেতাকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. সোহাগ ওরফে সোহেল (৩৫) নামে ওই যুবদল নেতা আহত হয়েছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ সোহেল গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ওই গ্রামের চৌকিদার বাড়ির মাহফুজ মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই চার বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন সোহেল। গত বুধবার দুপুরে পাশের আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় রসুলপুর গ্রামের যুবদল কর্মী সুমনকে পথরোধ করে মারধর করেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় সোহেলের সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে রোববার সন্ধ্যায় জামায়াত-শিবিরের নেতা ছেনি আলম, নাছির, জহির ও চশমা জাবেদের নেতৃত্বে সোহেলকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে। তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব অভিযোগ করেন, গোপালপুর ইউনিয়নে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি না করলে বসবাস করা কঠিন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা যুবদল নেতা সোহেলকে বাড়িতে গুলি করে পালিয়ে যায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাস্টার আবু তাহের। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন।
বেগমগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শ (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, এলজির ছররা গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। আঘাত তেমন গুরুতর নয়। রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কেন্দুরবাগ এলাকায় পানির নিচে থাকা গ্যাস পাইপলাইনে লিকেজ দেখা দিয়েছে। এ কারণে লক্ষ্মীপুর জেলার পুরো এলাকা এবং নোয়াখালীর দুটি সিএনজি স্টেশন ও বেগমগঞ্জ শিল্প এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে প্রায় ৭ হাজার ১৫০জন গ্রাহক ও চারটি সিএনজি স্টেশন গ্যাস সংকটে পড়েছে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা দ্রুত মেরামতকাজ শেষ করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে বেগমগঞ্জের কেন্দুরবাগ এলাকায় লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়কের পাশের একটি সেতুর নিচে পানির তলদেশে থাকা পাইপলাইনে লিকেজ শনাক্ত হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে শনিবার রাত থেকে ওই লাইনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় লক্ষ্মীপুর জেলার বাসাবাড়িতে রান্নাবান্না নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। পাশাপাশি গ্যাসনির্ভর সিএনজি স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় পরিবহন চালক ও যাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বাখরাবাদ নোয়াখালী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার ৯ আগস্ট সকাল থেকে লিকেজ মেরামতের কাজ শুরু করেছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার মধ্যরাতের মধ্যে মেরামত শেষ করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে। এজন্য দ্রুত কাজ চলছে।
যোগাযোগ করা হলে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, কেন্দুরবাগ এলাকায় পানির নিচে থাকা গ্যাস পাইপলাইনে লিকেজ দেখা দিয়েছে। পাইপলাইনটি ১০ ফুট পানির নিচে থাকায় মেরামতকাজ কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছে। এজন্য মেরামত না করে নতুন পাইপ দিয়ে বাইপাস লাইন তৈরী করে গ্যাস সরবরাহ চালু করা হবে।
তিনি আরও বলেন, লিকেজের কারণে লক্ষ্মীপুর জেলার প্রায় ৭ হাজার আবাসিক গ্রাহক, বাণিজ্যিক ১৫০জন গ্রাহক ও বেগমগঞ্জের দুটি সিএনজি স্টেশন ও লক্ষীপুরের দুটি সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে প্রায় ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ প্রকল্প বাস্তবায়নের এক মাস না যেতেই মারা গেছে প্রায় তিন শতাধিক গাছ। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয়ে করা এ প্রকল্পের কার্যকারিতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খাল খননের পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় খালের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। কিন্তু রোপণের পর সঠিকভাবে পরিচর্যা না করার কারণে অধিকাংশ চারা মারা গেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার পুটিমারি ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত দেড় কিলোমিটার অংশে খাল খনন কাজ করা হয়। সেখানে খালের দুইপাশে ৭০০ তাল ও ১২০০ ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয়। সেখানে তালগাছের চারা রোপণ ও গাছের চারা ঘিরে রাখার জন্য চারা প্রতি ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০১ টাকা। ফলজ গাছের চারা প্রতি ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ টাকা।
তবে বর্তমান বাজার মূল্য অনুযায়ী রোপণ করা তাল গাছের চারা ৭০ টাকা এবং প্লাস্টিক নেট গার্ড যার বর্তমান বাজার মূল্য ২০০ টাকা । রোপণ করা ফলজ গাছের চারার বর্তমান বাজার মূল্য ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা। এতে তাল গাছের চারায় প্রায় ২০০ টাকা এবং ফলজ গাছে ১০ থেকে ২০ টাকা উদ্বৃত্ত দেখানো হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২০১৮ - ২০১৯ অর্থ বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ধাইজান নদীটি খনন করা হয়। খনন হওয়া নদীকে খাল দেখিয়ে ফের নামমাত্র খনন করা হয়েছে। এক মাস না যেতেই খালের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। খালের পাড়জুড়ে রোপণ করা দুপাশে সারি সারি প্রায় তিন শতাধিক তালের গাছের চারা মারা গেছে। কোথাও গাছের পাতা ঝরে গেছে, আবার কোথাও শুধু শুকনো ডালপালা পড়ে আছে। কয়েকটি স্থানে গাছের চারার গোড়ায় মাটি শক্ত হয়ে থাকলেও নিয়মিত পানি দেওয়ার কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও এর কোন সুফল মিলবে না বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের উদ্যোগটি শুরুতে ভালো মনে হয়েছিল। কিন্তু গাছের চারা লাগানোর পর সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করা হয়নি। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক গাছের চারা মারা গেছে। এতে একদিকে যেমন সরকারের অর্থের অপচয় হয়েছে, অন্যদিকে পরিবেশের জন্য নেওয়া উদ্যোগও ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন বলেন, শুরুতে খাল খননের কথা শুনে ভাবছিলাম এটি হলে এলাকার কৃষকদের সুবিধা হবে । কিন্তু সেখানে অনেক গাছ লাগানো হয়েছে সেগুলো মরে গেছে। তাছাড়া খাল খননের এক মাস না যেতেই ভাঙন দেখা দিয়েছে।
আরেক বাসিন্দা খালেক উদ্দিন বলেন, এখানে নদীকে খাল দেখিয়ে খনন করা হয়েছে । খালের দুই পাশে গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে তবে সেগুলো এক মাস না যেতে প্রায় ৩০০ গাছ মরে গেছে। ভালো মানের চারা না লাগানোর কারণে অল্প সময়ে এগুলো মারা গেল । এখানে শুধু ঘিরে রাখা দেখা যাচ্ছে, ভিতরে চারা মরা ।
বাসিন্দা সামছুল হক বলেন, চারা অল্প টাকায় কেনার কারণে রোপণের কয়েক দিনের মধ্যে মরে গেছে । শুনেছি এক গাছে ৫০১ টাকা ব্যয় করা হয়েছে তবে এ টাকা আসলেই ব্যয় করলে গাছ ভালো থাকত । বরাদ্দ সঠিক ব্যবহার না করার কারণে এমন হয়েছে ।
এবিষয়ে প্রকল্প সভাপতি ও পুটিমারি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্প আমার নামে আছে আমি সভাপতি । ইউনিয়ন পরিষদ , উপজেলার মুকুল ভাই সহযোগিতায় আছেন। এছাড়াও মুকুল ভাই ২০০ তাল গাছের চারা ম্যানেজ করে দিয়েছে। সেখানে পরিচর্যার গাফিলতি আছে , মরা গাছগুলো নতুন করে লাগানো হবে। কোনো তাল গাছ ৪০ টাকা ,আবার কোনোটা ৮০ টাকায় কেনা হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. লতিফুর রহমান বলেন, সেখানে তালের ৭০০ গাছ লাগার কথা থাকলেও আমরা এক হাজার লাগিয়েছি । সেখানে যে গাছগুলো মারা গেছে সেগুলো নতুন করে লাগানোর জন্য বলা হয়েছে ।
এবিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান বলেন , বিষয়টি জানালেন সেখানে কোনো রকম অনিয়ম থাকলে সেটি খতিয়ে দেখা হবে।
শরীয়তপুরে জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও অসহায় মানুষের মাঝে চাল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে শরীয়তপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শরীয়তপুর জেলা মহিলা দলের সভাপতি আল আসমাউল হুসনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও জেলা কৃষক দলের সভাপতি হাজী বিএম হারুন অর রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ডামুড্যা পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোশারেফ তালুকদার।
কর্মসূচিতে এসময় উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি নুরজাহান বেগম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা হক মনি, নড়িয়া উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ বেগম, সহ-সভাপতি আছিয়া বেগম, নড়িয়া পৌরসভা মহিলা দলের আহবায়ক শাহনাজ বেগম, জাজিরা পৌরসভা মহিলা দলের যুগ্ম আহবায়ক রেখা ইসলাম, শরীয়তপুর পৌরসভা মহিলা দলের সদস্য সালমা বেগম, গোসাইরহাট উপজেলা মহিলা দল নেত্রী রানী সহ জেলা, বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভা মহিলা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আল আসমাউল হুসনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ৫ বছরে দেশব্যাপী মোট ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করার এক বিশাল জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। পরিবেশ রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছের চারা লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী আমরা এই কর্মসূচী হাতে নিয়েছি। এটা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মহিলা দলের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী বিএম হারুন অর রশিদ বলেন, “বৃক্ষ আমাদের জীবন ও পরিবেশ রক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান। তাই সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে এবং গাছের পরিচর্যা করতে হবে। পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব। মানুষের কল্যাণে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো কাজ করে যাচ্ছে।”
পরে অতিথিরা শহীদ মিনার চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন এবং অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে চাল বিতরণ করেন। কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘ শিক্ষার্থীদের মাঝে ১ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
রবিবার (৯ আগস্ট) নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া ডিগ্রি পাস ও অনার্স কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, নাটোর ১ , ( লালপুর - বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন।
মোহরকয়া ডিগ্রি পাস ও অনার্স কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোঃ ইসমত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মতবিনিময় ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন: লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিদ্দিক আলী মিষ্টু। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ হারুন-অর রশিদ (পাপ্পু), গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক নজরুল ইসলাম মোলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবু, লালপুর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সহ - সভাপতি ও সাপ্তাহিক লালপুর বার্তার সম্পাদক আব্দুল মোতালেব রায়হান, যুগ্ম সম্পাদক ফজলুর রহমান, যুগ্ম সজিবুল ইসলাম হৃদয় দপ্তর সম্পাদক মিঠু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শিমুল আলী প্রমুখ।
ঝালকাঠির নলছিটিতে গাছের সঙ্গে গলায় কোমড়ের বেল্ট দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় বুলবুল হাওলাদার (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার ৬ নম্বর কুশংগল ইউনিয়নের ৫ নং পশ্চিম কুশাঙ্গল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম কুশাঙ্গল এলাকার নূর আলম হাওলাদারের বাড়ির দক্ষিণ পাশে কাঁচা রাস্তার পাশে একটি কাফুলা গাছের সঙ্গে গলায় কোমড়ের বেল্ট (দড়ি) দেওয়া অবস্থায় বুলবুলের গলায় অপর প্রান্তে কাফুলা গাছের ডালের সাথে বাঁধা অবস্থায় নিচে কাঁচা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আজ সকালে নূর আলম হাওলাদারের মেয়ে ইতি (১৮) প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় মরদেহটি দেখতে পান। পরে তিনি চিৎকার দিলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
নিহত বুলবুল হাওলাদার একই এলাকার তৈয়ব আলী হাওলাদার ও পারুল বেগমের ছেলে।
এ বিষয়ে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার ও ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।