প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৬ পিএম

দেশে নিশ্চিত হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে দুজন। এ নিয়ে হাম-সংক্রান্ত রোগে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬৭ জনে। শনিবার (৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।


এতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে নিশ্চিত হামে দুজন এবং সন্দেহজনক হামে দুজন মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৮ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে ৭৬৯ জনের প্রাণ গেছে।


এছাড়া, নতুন করে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৯ জনের। একই সঙ্গে নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৬৭৭ জন।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক লাখ ১৭ হাজার ৪৪৪ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছে এক লাখ ১৩ হাজার ২০০ জন।




প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাতারবাড়ি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ছবি: পিএমও

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১৬ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাতারবাড়ি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। 


কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ১২শ’ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন।


তিনি আজ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে এসে পৌঁছান। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান।


প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক এ কথা জানান।


প্রধানমন্ত্রী সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন।




এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, প্ল্যান্টের পরিচালন দক্ষতা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন।


একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তাঁর সামনে তুলে ধরা হয়।


ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়া তারেক রহমান দেশীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রশংসা করে তাঁদের উৎসাহ প্রদান করেন। এসময় প্রকল্প এলাকায় প্রধানমন্ত্রী একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন ।


মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিটের সমন্বয়ে মোট ১,২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন। বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে আধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের জন্য বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোড এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি ঋণ সহায়তা দিয়েছে।


ব্রিফিং শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে বের হন।


দুপুর সাড়ে ১২টায়  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রস্তাবিত ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শনের উদ্দেশে রওনা হন এবং ১২টা ২৯ মিনিটে সেখানে পৌঁছান। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁকে প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত করেন।


একই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানও দেখানো হয়।


পরে প্রধানমন্ত্রী এলপিজি, এলএনজি ও কয়লা টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এসব প্রকল্পের পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ ব্যবহার সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি বিস্তারিত তথ্য নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মতামত ও দিক-নির্দেশনা দেন।


প্রধানমন্ত্রী পরে কয়লা জেটি পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তিনি মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। কয়লা পরিবহন ও খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় বন্দর অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে এর সমন্বিত কার্যক্রম সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়।


এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত অস্থায়ী এলপিজি জেটি এবং ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত বিষয় তাঁর সামনে তুলে ধরেন।


পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার, প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।


প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। এসব অবকাঠামোর পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


মাতারবাড়ি প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য দেশের স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা। বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের বন্দর, সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এই বৃহৎ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


মাতারবাড়ি প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষ করে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে বাঁশখালীর উদ্দেশে রওনা হোন।


এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামছুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা প্রমুখ।


ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫৯ পিএম

ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। 


সম্প্রতি ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।  


সমঝোতা স্মারকে ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক উলফাত জাহান মুন এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের পক্ষে ফাইনান্স ডিরেক্টর এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও কারেন্ট ইনচার্জ মিজানুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষর করেন। 


এই চুক্তির আওতায় ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের রুম, রেস্টুরেন্ট, সোশ্যাল ইভেন্ট, হেলথ ও ওয়েলনেসসহ বিভিন্ন সেবায় বিশেষ ছাড় ও আকর্ষণীয় সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।


সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এক ফটোসেশনের মাধ্যমে শেষ হয়।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০৯ এএম

কক্সবাজারের মহেশখালীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৯ আগস্ট) সকাল সোয়া ৯টায় তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান।


প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যাবেন। সেখানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর দেওয়ার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টায় মহেশখালীর মাতারবাড়ীর গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন তিনি।


সাড়ে ১২টায় মহেশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।


দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদরাসায় শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।


এরপর সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী। পৌনে ৪ টায় হাটহাজারী ডাকবাংলোয় যাত্রা বিরতি করবেন।


বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সহায়তা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় চট্টগ্রামের ‘রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ’ হোটেল মিলনায়তনে সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।


অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে মহেশখালী যাচ্ছেন হেলিকপ্টারে। তবে ফটিকছড়ি থেকে চট্টগ্রাম যাবেন সড়কপথে।


কর্মসূচি শেষে রাত সাড়ে ৯টায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ফেরার কথা রয়েছে।


বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর আগে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে গেলেও মহেশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে এবারই প্রথম সফর করছেন।


ইতালির রোমের ফিউমিচিনো বিমানবন্দরে ভোগান্তিতে পড়েছেন আটকে পড়া যাত্রীরা

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৩৯ পিএম

ইতালির রোমের ফিউমিচিনো বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টরন্টো-রোম-ঢাকা রুটের যে ফ্লাইট আসছিলেন সেটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে শুক্রবার থেকে আটকে আছে। নিরাপত্তার স্বার্থে উড়োজাহাজটির প্রয়োজনীয় কারিগরি পরীক্ষা ও ত্রুটি নিরসনের কাজ চলছে। একই উড়োজাহাজে পরিচালিত ঢাকা-রোম-টরন্টো রুটের পরবর্তী ফ্লাইটটিও বিলম্বিত হবে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।


বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানায়, রোমে অবতরণের পর উড়োজাহাজটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি শনাক্ত হয়। প্রাথমিক পরিদর্শনের পর সেটিকে গ্রাউন্ডেড ঘোষণা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি পরীক্ষা শুরু হয়।


রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিমান জানায়, ফ্লাইট বিজি-৩০৬ (টরন্টো–রোম–ঢাকা) পরিচালনাকালে রোম ফিউমিচিনো বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটিতে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। যাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে উড়োজাহাজটির প্রয়োজনীয় কারিগরি পরীক্ষা ও ত্রুটি নিরসনের কাজ চলছে। আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য হোটেলে আবাসন, খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানায় কর্তৃপক্ষ।


তবে যাত্রীদের অভিযোগ, খাবারের ব্যবস্থা করা হলেও তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়নি। জানা গেছে, ইতালির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এসব যাত্রীকে ট্রানজিট ভিসা না দেওয়ায় বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের বিমানবন্দরের বাইরে নেওয়া সম্ভব হয়নি।


কানাডার পাসপোর্ট থাকায় কয়েকজন যাত্রী বিমানবন্দর থেকে বের হতে পারলেও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীদের বেশিরভাগই বিমানবন্দরের ভেতরে অপেক্ষা করছেন।


ফ্লাইটটিতে ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার সৈয়দ হালিম শাহ ও তার ছেলে জাতীয় দলের ফুটবলার সৈয়দ কাজেম শাহসহ পুরো পরিবার। দীর্ঘ সময় রোম বিমানবন্দরে আটকে পড়ায় তারাও ভোগান্তিতে পড়েছেন। রোম থেকে সৈয়দ হালিম শাহ বলেন, ফ্লাইটটি রোমে অবতরণের পর দীর্ঘ সময় যাত্রীদের উড়োজাহাজের ভেতরেই অপেক্ষা করতে হয়। প্রায় আট ঘণ্টা তাদের বিমানের ভেতরে থাকতে হয়েছে। একপর্যায়ে গরমও অনুভূত হয়। তিনি বলেন, “রোমে তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি। বিমানের গেটও খোলা রাখতে হয়েছে। এসি অল্প কাজ করেছে। অনেকটাই দুর্বিষহ সময় কাটাতে হয়েছে। একপর্যায়ে কেউ কিছু ঠিকমতো জানাতে পারছিল না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হতে পারে, সেটাও জানানো হচ্ছিল না। সাধারণত এমন কিছু হলে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে জানানোর কথা।”


উড়োজাহাজটিকে গ্রাউন্ডেড ঘোষণা করা হলে আড়াইশর বেশি যাত্রীর সঙ্গে বিপাকে পড়েন হালিম শাহর পরিবারও। পরে তিনি বলেন, “আমাদের কানাডার নাগরিকত্ব থাকায় রোমের হোটেলে উঠতে পেরেছি। যাদের নেই, তারা এয়ারপোর্টেই আছে বলে শুনেছি। তবে পরবর্তী ফ্লাইট কখন, তা এখনও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে জানতে পারিনি। এ নিয়ে টেনশনে আছি।” “চেয়ারে বসে অনিশ্চয়তার মধ্যে আমরা ৩০-৪০ ঘণ্টা পার করেছি। একেবারে উদ্বাস্তুদের মতো জীবন হয়ে গেছে আমাদের। কারও পক্ষ থেকে কোনও আশ্বাস নেই। কখন দেশে ফিরব, তার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারছে না। আমরা উদ্বিগ্ন—এভাবে নির্ঘুম আরও কত ঘণ্টা বসে থাকতে হবে।” এভাবেই নিজের ভোগান্তির কথা বলছিলেন কানাডা থেকে ছেড়ে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রী সাইম রানা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সহযোগী অধ্যাপক কানাডায় একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরছিলেন।


বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, কারিগরি ত্রুটি নিরসন সাপেক্ষে ফ্লাইটটি শনিবার দিবাগত রাত ৩টায় বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে। এরপর ৯ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৫টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। ফ্লাইটটি সচল করতে বিমানের প্রকৌশল বিভাগের একটি দল ইতোমধ্যে রোমের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ১৭ মিনিটে দলটির রোমে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে, ভিসা জটিলতার কারণে বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের স্থানীয় ইমিগ্রেশন আইন মেনে টার্মিনালের ভেতরেই প্রয়োজনীয় খাবার, পানি ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য হোটেলে আবাসন, খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। শনিবার বিকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র ও মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতা হলেও যাত্রীদের নিরাপত্তাই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, “টরন্টো থেকে ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩০৬ ফ্লাইটটি রোম বিমানবন্দরে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হয়। শতভাগ আকাশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করানো হয়।’


বিমানের পক্ষ থেকে সব যাত্রীর জন্য হোটেলের ব্যবস্থা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। আইনি বাধা না থাকায় কানাডিয়ান ও ইউরোপীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীদের দ্রুত হোটেলে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।


তবে শনিবার রাতে সাইম রানা বলেন, “আমাদের দুর্ভাবনার মূল কারণ হলো, যেই বিমানে আমরা এসেছি, সেই বিমানটি এখনো বিকল অবস্থায় পড়ে আছে। এখনো পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ার আসেননি। তিনি আসার পর বিমানটি সারাবেন। মেরামতের কাজ সঠিকভাবে শেষ হলে তখনই আমরা অগ্রগতি দেখতে পাব।” তিনি বলেন, “এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে যেতে পারব—এমন একটি আশ্বাস তারা দিয়েছে। কিন্তু তার আগে কোনও ধরনের অগ্রগতি সম্পর্কে তারা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছে না।”


খাবারের ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি জানিয়ে সাইম রানা বলেন, “আমাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেটা ঠিকই আছে। কিন্তু আমরা প্রায় ৩০-৪০ ঘণ্টা ঘুমহীনভাবে কাটাচ্ছি। কোনো বিছানা নেই। বসার জায়গা বলতে শুধু বিভিন্ন জোনের চেয়ার। সবাই চেয়ারে বসে বা সেখানেই ঘুমিয়ে এতটা সময় পার করছি।” তিনি আরও বলেন, “এটা অনেকটা উদ্বাস্তু জীবনের মতো হয়ে গেছে। বিষয়টি একপর্যায়ে হাস্যকর বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। বিমান কর্তৃপক্ষ, এমনকি এখানে থাকা দূতাবাস বা সরকারি প্রতিষ্ঠান—কেউই আমাদের এমন কোনো আশ্বাস দিতে পারেনি যে আমরা কখন এবং কীভাবে বাংলাদেশে ফিরতে পারব। 


শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ডা. জুবাইদা রহমান । ছবি: পিএমও

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:১২ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ঐতিহ্য, পেশাগত সক্ষমতা ও মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) ভবিষ্যতে চিকিৎসকদের কল্যাণ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ্বাস করি।


ড্যাব দেশের চিকিৎসক সমাজের মানবিকতা ও পেশাগত উৎকর্ষের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলেও মন্তব্য করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।


আজ শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


বক্তব্যের শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ডা. জুবাইদা রহমান। একই সঙ্গে ড্যাবের সব সদস্য ও দেশের চিকিৎসক সমাজকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান তিনি।


ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ দেশের চিকিৎসক সমাজের মানবিকতা ও পেশাগত উৎকর্ষতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’


তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি ঐতিহ্য, পেশাগত সক্ষমতা ও মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও চিকিৎসকদের কল্যাণ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ড্যাবের ৩৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য সংগঠনের সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিভিন্ন কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।


এর আগে সকালে এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন।


পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।


ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।


ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:২৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে মশা দমনে নতুন একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি চালু হয়েছে। এ উদ্যোগের আওতায় প্রায় ৬ লাখ পুরুষ এশিয়ান টাইগার মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব মশার শরীরে থাকে ‘ওলবাকিয়া’ নামের একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া। পুরুষ মশাগুলো মানুষকে কামড়ায় না। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।


এসব পুরুষ মশা যখন এই ব্যাকটেরিয়াবিহীন স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হয়, তখন স্ত্রী মশার ডিম আর ফুটে না। ফলে নতুন মশার জন্ম বন্ধ হয়ে যায়। এভাবে ধীরে ধীরে মশার সংখ্যা কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। মশা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ‘বি সেফ মসকুইটো কন্ট্রোল’-এর প্রতিষ্ঠাতা টড মন্টগোমারি এ উদ্যোগ নিয়েছেন। গ্রীষ্মের শেষ নাগাদ ওয়াশিংটনের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় প্রায় ৬ লাখ মশা ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ২৫ জন গ্রাহক এই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন। প্রত্যেকে ১৬ সপ্তাহ ধরে প্রতি সপ্তাহে ১ হাজার ৫০০টি করে পুরুষ মশা পাচ্ছেন।


মন্টগোমারি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক এলাকায় উষ্ণ ও আর্দ্র দিনের সংখ্যা বাড়ছে। ফলে রোগ ছড়ানো মশার বংশবিস্তার ও সক্রিয় থাকার সময়ও বাড়ছে। তাই মশা নিয়ন্ত্রণে রাসায়নিক কীটনাশকের বিকল্প খুঁজে বের করা প্রয়োজন।


এই পদ্ধতি মূলত এশিয়ান টাইগার মশার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। মশাটি যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় প্রজাতি নয়। তবে এটি ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের জীবাণু ছড়াতে পারে। উত্তর ভার্জিনিয়ায় স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর মশাবাহিত রোগ নিয়ে উদ্বেগও বেড়েছে।


মন্টগোমারি জানান, কীটনাশকের ব্যবহার কমানোই তার উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। তার কয়েকজন গ্রাহকও পরিবার ও পোষা প্রাণীর ওপর রাসায়নিকের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই তারা মশা নিয়ন্ত্রণে এই বিকল্প পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন।


ওলবাকিয়া পদ্ধতি অবশ্য নতুন নয়। সিঙ্গাপুরে ২০১৬ সাল থেকে ‘প্রজেক্ট ওলবাকিয়া’ নামে বড় পরিসরে এ ধরনের কর্মসূচি চলছে। সেখানে প্রতি সপ্তাহে এক কোটিরও বেশি পুরুষ মশা ছাড়ার কথা জানা গেছে।


গবেষণায় দেখা গেছে, ওলবাকিয়াযুক্ত মশা ব্যবহারের মাধ্যমে এডিস ইজিপ্টাই মশার সংখ্যা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মশা নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে।