নোয়াখালীর হাতিয়ায় অভিযান চালিয়ে ৮০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার বাংলাবাজার খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলিথিন গুলো জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়। তবে পলিথিনের প্রকৃত মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া না যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে জব্দ করা পলিথিন পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো.সালমান বিন শওকত বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন,পরিবেশ রক্ষায় নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফলে ইংরেজিতে অকৃতকার্য হওয়ায় বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন এক শিক্ষার্থী।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ফলাফল প্রকাশের পর আত্নহত্যা করে ওই শিক্ষার্থী। নিহত ছাত্রী শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের পুরাতন উনিশবিঘী গ্রামের তরিকুল ইসলামের মেয়ে হালিমা খাতুন তরিকা (১৬) সে চাকপাড়া আদর্শ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো।
নিহত শিক্ষার্থীর স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার এসএসসির ফলাফল প্রকাশ হলে হতাশ হয়ে পড়েন হালিমা খাতুন। সবগুলো বিষয়ে পাশ করলেও অকৃতকার্য হন ইংরেজিতে। আক্ষেপ থেকেই বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে পরিবারের লোকজন খবর পেলে গুরুতর আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. শাহরিনা ইসলাম বলেন, ২টা ৪০ মিনিটের দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় ওই মেয়েটিকে। তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল বলে জানান ডা. শাহরিনা খাতুন।
শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, এসএসসির ফলাফলে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় বিষ পানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা শেষে পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
নোয়াখালীর হাতিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে পাঁচটি দোকান ও একটি বসতঘর পুড়ে গেছে। এতে অন্তত ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
সোমবার (১০ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরিকা বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে উপজেলার সাগরিকা বাজারের রাকিবের বিরিয়ানি হাউজ হোটেলের সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়। তখন ভয়ে সেখান থেকে হোটেলের লোকজন বের হয়ে যায়। এরপর আগুন ধরে যাওয়া সিলিন্ডারটি বিস্ফোরণ হয়। পরবর্তীতে হোটেলে থাকা আরও দুটি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ১টি হোটেল, ১টি লাইব্রেরী দোকান, ১টি কাপড় দোকান, একটি জুতা দোকান, ১টি কসমেটিক দোকান ও একটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
হাতিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবরে হাতিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দেড় ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর মধ্যেই ৫টি দোকান ও ১টি বসতঘর পুড়ে যায়। গ্রাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে অন্তত ৮০ লাখ টাকার।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মাত্র ৮ শতক জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সহিদুল ইসলাম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, ঘটনার পর আরও দুই থেকে তিনজন পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের রায়গঞ্জ ব্রিজসংলগ্ন খামার আন্ধারীঝাড় কানিপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল শেখ ও শুক্কুর আলীর মধ্যে ৮ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধ মীমাংসায় একাধিকবার সালিশ ও গ্রাম আদালতে শুনানি হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
সোমবার বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে হালচাষকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় মাছ ধরার সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহৃত কোঁচ দিয়ে সহিদুল ইসলামকে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার।
গুরুতর আহত অবস্থায় সহিদুলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত আরও দুই থেকে তিনজন পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
কুমিল্লায় পরকীয়া ও পারিবারিক কলহের জেরে হাসি বেগম (৩৫) নামে এক স্ত্রীকে পিটিয়ে ও নির্যাতন করে হত্যা করেছে স্বামী মোসলেহ উদ্দিন। এ ঘটনায় মোসলেহ উদ্দিনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) রাতে জেলার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসি বেগম ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোপালনগর গ্রামের মৃত আবদুল খালেক ভূঁইয়ার মেয়ে।
এ ঘটনায় পুলিশ মোসলেহ উদ্দিন (৪৫)কে আটক করেছে। সে ওই গ্রামের মৃত রেনু মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘ ৩৩ বছর কুয়েতে ছিলেন। ছয় মাস আগে দেশে ফিরেছেন। এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। তারা হলেন সাইমন হোসেন (১৯) ও খাদিজা আক্তার (১৬)।
নিহতের সন্তানদের দাবি, পরকীয়ার জেরে ও পারিবারিক কলহের কারণে মোসলেহ উদ্দিন প্রায়ই হাসি বেগমের ওপর নির্যাতন করতেন। ছেলে-মেয়ে ও প্রতিবেশীরা বাধা দিলেও তিনি তা শুনতেন না। মারধর ও নির্যাতনের ঘটনায় কয়েক দফা বিচার-সালিশও হয়েছে।
ঘটনার দিন দুপুরে পরকীয়ার জেরে হাসি বেগমকে মারধর করেন মোসলেহ উদ্দিন বলে অভিযোগ। মেয়ে খাদিজা আক্তার স্কুল থেকে ফিরে তার মাকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা হাসি বেগমকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের কন্যা খাদিজা আক্তার বলেন, বাবা-মা প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ করতেন। এতে বাবা মাকে মারধর করতেন। আমরা বাধা দিলেও তিনি শুনতেন না। আজ স্কুল থেকে এসে দেখি মা লাশ হয়ে ঘরে পড়ে আছে। মায়ের ঠোঁট ও মুখে রক্তের দাগ ছিল।
নিহতের পুত্র সাইমন হোসেন বলেন, প্রতিবেশী কুলসুম বেগমের সঙ্গে বাবার পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে ঘরে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। কুলসুম বেগম যা বলেন, বাবা ঘরে এসে তাই করেন। তার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের কারণে মা বাধা দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে মোসলেহ উদ্দিন বলেন, দুপুরে আমার গায়ের গেঞ্জি টেনে ছিঁড়ে ফেলায় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই-একটি চর-থাপ্পড় দিয়েছি। এটা সত্য। কিন্তু এই চর-থাপ্পড়ে তো আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার কথা নয়। আমার মারধরে যদি আমার স্ত্রী মারা গিয়ে থাকেন এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে যদি এমন তথ্য আসে, তাহলে আমার যে শাস্তি হয়, আমি মাথা পেতে নেব।
পরকীয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, পুরো গ্রামে খবর নেন, আমার কারও সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক আছে কিনা। আমি ছয় মাস আগে কুয়েত থেকে এসেছি। আমি ৩৩ বছর কুয়েতে ছিলাম। পরকীয়ার অভিযোগ মিথ্যা।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন,প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহত হাসি বেগমের চোখের কোণায় ও শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামী মোসলেহ উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল সভা আজ সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের রুপকার ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন। সভায় ২০১৫ সাল থেকে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড তুলে ধরে ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান বলেন, চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম নগরবাসীর অধিকার প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক সমস্যা সমাধানে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রামবাসীর কাছে এই সংগঠনের বিশেষ গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে ফোরামকে আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ফোরামের মহাসচিব হিসেবে বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব আবু তাহের চৌধুরী এবং যুগ্ম-মহাসচিব হিসেবে বিশিষ্ট লেখক-সংগঠক কামরুল ইসলামকে সর্বসম্মতিক্রমে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য পদে কোনো পরিবর্তন আপাতত নেই । নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ চেয়ারম্যান ও সংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্বের সাথে আলোচনা করে অতি শীঘ্রই কমিটি পুনর্গঠনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বিস্তারিত কার্যকর কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। সভায় চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন, কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণ কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করা, যানজট নিরসন, বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মিডিয়া সন্ত্রাস বন্ধ করা এবং বিভিন্ন ইস্যুতে জনগণকে সচেতন করে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা, এবং সিডিএর মাস্টার প্ল্যান সংশোধন বা নতুন মাস্টার প্ল্যান গ্রহণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মতামত গ্রহণ করে চূড়ান্ত প্রস্তাব তৈরি করা হবে, যা পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
এই সভায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন যথাক্রমে—চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পী শাহরিয়ার খালেদ, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম, বিশিষ্ট রাজনীতিক মিতুল দাশগুপ্ত, ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর আলম, এবং সর্বজনাব কে এম শহীদুল্লাহ, আব্দুল কাদের, রেজাউল করিম, ইমাম হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ ইসহাক, মোহাম্মদ নূর, আক্তার হোসেন, শহীদুল ইসলাম, ইলিয়াস রিপন,, মোহাম্মদ শাহরিয়ার, আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, মনজুর আহমেদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ফারুক আহমদ ও আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
আব্দুল হক
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার চতুর ঋণ খেলাপী আব্দুল হক কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার সদর মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট এলাকা থেকে নবীনগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল হক সদর উপজেলার হাবলাউচ্চ গ্রামের শেখ বাড়ির মৃত তালেব আলী ছেলে।
আব্দুল হক ২০২৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা থেকে ঋণ গ্রহণ করেন। ঋণ গ্রহণ করার পর থেকে তিনি ব্যাংকের সাথে কোনো যোগাযোগ না করে পালিয়ে বেড়াতেন বিভিন্ন জায়গায়। ২০২৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে ঋণ খেলাপীর দায়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আব্দুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
আদালত একমাত্র আসামী মোঃ আব্দুল হকের নামে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে। তিনি দীর্ঘ সময় পলাতক থাকায় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট থেকে নবীনগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। একটি সুত্র জানান আগামীকাল মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃত আসামী আব্দুলকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে।