সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও নলছিটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জলিলুর রহমান আকন্দসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে বিদ্যালয়ের ভেতরের বাসা থেকে জলিলুর রহমানকে আটক করা হয়। একই দিন দুপুরে দপদপিয়া ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক মোল্লাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ১৫ আগস্ট নাশকতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার পরিকল্পনা করার অভিযোগে নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক জলিলুর রহমান আকন্দকে আটক করা হয়। তিনি নলছিটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। একই অভিযোগে দপদপিয়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক মোল্লাকে বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় আদালতে পাঠানো হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ সার্কেলে দায়িত্ব পালনরত সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রবিউল ইসলামসহ এএসপি পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী ‘জনস্বার্থে’ তাদের অবসর দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত সাত কর্মকর্তা হলেন—র্যাব সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার (পেট্রোল) মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সৈয়দুজ্জামান, র্যাব-২-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম কিবরীয়া, ঢাকার আরআরএফের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলার সহকারী পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই সংশ্লিষ্ট সাত কর্মকর্তা সরকারি চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য হবেন। তবে তাদের অবসরজনিত প্রাপ্য সুবিধা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী বহাল থাকবে।
কুমিল্লায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ময়নামতি রেজিমেন্টের তত্ত্বাবধানে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ময়নামতি রেজিমেন্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিপুলসংখ্যক বিএনসিসি ক্যাডেট অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিটি কুমিল্লার আলেখারচর বিশ্বরোড থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরেন।
বিএনসিসি ময়নামতি রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃহত্তর কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ১০টি জেলার ১১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকা বিএনসিসি প্লাটুনের সদস্যরা একই সময়ে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক র্যালিতে অংশ নেন।
একযোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হয়।
১৫ আগস্টকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চেষ্টাকে প্রতিহত করার লক্ষে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়ন বিএনপি ও উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে রাজনগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সুজন বেপারীর নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিল করে তারা। মিছিলটি বটতলা থেকে জামতলা বাজার পর্যন্ত গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
সমাবেশে সুজন বেপারী বলেন, আওয়ামী লীগের যারা লুটপাট ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এলাকায় থাকা কেউ নাশকতা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। নড়িয়া-সখিপুরের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরণ কোনো ধরনের নাশকতা সহ্য করবেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ঘরে থাকার আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে রাজনগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সাদেক আলী সরদার, নেছার উদ্দিন মেলকার, শাহ আলম ফরাজী, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামরুল মীর বহর, জাকির মুসল্লী, আনোয়ার রাড়িসহ বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির সম্মেলন কক্ষে রংপুর রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম।
সভায় গত জুলাই/২০২৬ খ্রিঃ মাসে রংপুর রেঞ্জ দপ্তরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড এবং এ সংক্রান্তে মোট আটটি জেলার পুলিশের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ পর্যালোচনান্তে অত্র রেঞ্জের শ্রেষ্ট জেলা হিসাবে নির্বাচিত হয় পঞ্চগড় জেলা। শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির নিকট থেকে ক্রেস্ট গ্রহণ করেন পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মোঃ আবু সাইম।
এদিকে, রেঞ্জের মধ্যে পঞ্চগড় জেলা শ্রেষ্ঠ জেলা নির্বাচিত হওয়ার খবরটি প্রচারিত হওয়ার পর বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন পুলিশ সুপারকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
পুলিশ সুপার মো. আবু সাইম বলেন, এ অর্জন আমার একার না পুরো পুলিশ বাহিনী ও জেলাবাসীর অর্জন। আমারা সকলে জেলার আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করবো।
বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি (বিসিডিএস) গাজীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে বার্ষিক মিলনমেলা-২০২৬ বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) গাজীপুরের নাটা এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এ আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি (বিসিডিএস) গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি হাজী মো. শামসুল হক। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল-আমিন হোসেন (অপু), সহ-সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম এবং সাবেক সভাপতি এম এ লতিফ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী সালাউদ্দিন, গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের সভাপতি আতাউর রহমান আতা, বিসিডিএস টঙ্গী পশ্চিম থানা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রাফিজুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য আরাফাত রহমান লিটু, কাউসার মাহমুদ, মো. খোরশেদ আলম, মো. নাসির উদ্দিন মাস্টার, মো. এনামুল হক, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. কানন, মো. সেলিম এবং ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেনসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ওষুধ ব্যবসায়ী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
বক্তারা বলেন, ওষুধ ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য এবং পেশাগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতেই এ ধরনের মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতেও সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কমন গিফট বিতরণ এবং র্যাফেল ড্র-এর আয়োজন করা হয়। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সিলেটের ওসমানীনগরে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোঃ আফজাল হোসেন (৩০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দুর্ঘটনা কবলিত ইউনিক বাসের হেলপার মোঃ আফজাল হোসেন (৩০)। নিহতের মোঃ আফজাল হোসেন কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার শরীফপুর গ্রামের মোঃ সামছু মিয়ার চেলে।
এ নিয়ে ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ জনে।
এর আগে গত ৭ আগস্ট শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার মারা গেলেন দুর্ঘটনায় আহত বাসের হেলপার।এদিকে, দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনা কবলিত ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল স্লিপারের রেজিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে বাতিল করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। একই সঙ্গে দুই বাসের মালিক ও চালককে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিআরটিএ কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে দুর্ঘটনার বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেন সিলেট বিআরটিএর সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুর রশীদ।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
গত ১১ আগস্ট তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন। তদন্ত শেষে শিগগিরই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সদস্যসচিব।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় নিহত সাদমান জাহাঙ্গীর সৌরভের বড় ভাই মো. মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৮ আগস্ট রাতে দুই বাসের চালককে অভিযুক্ত করে ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলা দায়েরের ৬ দিন পরও এখনও কোনো গ্রেফতার নেই।
দুর্ঘটনার ছয় দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত মারা গেলেন বাসের হেলপার। তার মৃত্যুতে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ জনে। এ ছাড়া দুই বাসের আরও কয়েকজন যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় একসঙ্গে এত প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
শেরপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।