পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ, ২০২৬, সময় : ২:২৫ এএম

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী, ৮ জন শিশু ও ৬ জন পুরুষ রয়েছে ব‌লে জানান অতি‌রিক্ত পু‌লিশ সুপার তাপস কুমার পাল।


কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় ছিল। গতকাল বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে পন্টুন থেকে বাসটি নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়।


বাসটি দৌলতদিয়া ঘাট হয়ে ঢাকায় ফিরছিল। কুষ্টিয়া থেকে ছয়জন যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করা বাসটি পথে আরও যাত্রী তোলায় এতে ৪০ জনের বেশি লোকজন থাকার তথ্য পাওয়া যায়।


প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ভিডিওতে দেখা যায়, ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুনে ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় ছিল বাসটি। হঠাৎ এটি চলতে শুরু করে। চালক তখন আর নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। এটি পন্টুন পেরিয়ে উল্টে পদ্মায় পড়ে; সঙ্গে সঙ্গে তলিয়ে যায় নদীতে।


ডুবন্ত বাসটি থেকে কয়েকজন সাঁতরে বের হতে পারলেও বেশির ভাগ যাত্রী আটকা পড়ে যান। বাসটি নদীর ৭০ থেকে ৮০ ফুট গভীরে তলিয়ে গিয়েছিল জানান ফায়ার সার্ভিসের ফরিদপুর স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন।


উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র চেষ্টায় বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসটির সামনে অংশ নদীর উপরে উঠে আসে। নদীর গভীর থেকে বাসটি টেনে তুলতে শুরু করলে একে একে লাশের সংখ্যা বাড়তে থাকে।


এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে হাসপাতাল ও দুর্ঘটনাস্থল।


হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে ১৪ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আরও ৫টি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দুটি মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।


নিখোঁজদের খোঁজে এখনও অনেক পরিবার ছুটে বেড়াচ্ছে।


   দুর্ঘটনা কবলিত বাসটির সব আসনেই যাত্রী ছিল, বেঁচে ফেরা রাজিব




নোয়াখালী জেলা জজ আদালত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:১৭ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত সাইদুল ইসলাম শাহীন হত্যা মামলার রায়ে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।


আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ছয় আসামিই এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। হাজতি আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে জেল হাজত থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর পাঁচ আসামি নূরউদ্দিন ওরফে সমীর, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগম হাজিরা দাখিল করেন।


যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ আলমের ছেলে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূর উদ্দিন ওরফে শমীর একই ওয়ার্ডের নূর নবীর ছেলে।


রায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


অন্যদিকে, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগমের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩২৩/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সলিম উল্লাহর বসতবাড়ির সামনে সীমানার করই গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের বিষয়ে সালিশি বৈঠক চলাকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ছেলে সাইদুল ইসলাম শাহিনকে গলায় লোহার রড ঢুকিয়ে এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই সাইদুল ইসলাম শাহিনের মৃত্যু হয়।


আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিশেষ জজ আদালতের পিপি তাপসকর হোসেন মো.খায়রুল ওয়ালা। তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে সাজা ভোগের জন্য সাজা পরোয়ানামূলে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্ত আসামি ও তাদের জামিনদারদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


মানববন্ধন করেছে ঝালকাঠির নলছিটি পৌর এলাকাবাসী

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫৬ পিএম

সড়ক নির্মাণ ও চলাচলের উপযোগী করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে ঝালকাঠির নলছিটি পৌর এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মল্লিকপুর- সূর্যপাশা সড়কটির দুরবস্থার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অবহেলিত নলছিটি  পৌর এলাকার  বিভিন্ন   সড়ক দ্রুত নির্মাণ করে জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানান তারা।


নলছিটি- বরিশাল সড়কের মল্লিকপুর নামক স্থানে আজ সোমবার সকাল ১১টায় ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধনের আয়োজন করে ভুক্তভোগী জনগণ। 


এতে ব্যবসায়ী মোঃ মনির হোসন বক্তব্য কালে তিনি বলেন নলছিটি পৌর সভা কর্তৃপক্ষ  মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন রকমের করের টাকা ও ট্যাক্স  আদায় করে থাকে কিন্তু মানুষের কল্যাণে কোন কাজ হয় না, তাহলে এ পৌর সভা রেখে লাভ কি এটাকে বাতিল করে দেয়া উচিৎ।




মানববন্ধনে অংশ নেয়া আরো ভুক্তভোগীরা জানান, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।


বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কের দুরবস্থা আরও প্রকট হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন তারা। দ্রুত সড়ক নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান মানববন্ধনকারীরা।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৪২ পিএম

বিদ্যালয়ের পাশেই সহপাঠীর বাড়ি। গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে সহপাঠীকে খুঁজতে তাদের বাড়িতে যায় সাত বছরের শিশুটি। 


তবে সহপাঠীর বাবা জামিনুর ইসলাম (৩২) ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিল না। এ সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। পরে নিজের ঘরের মেঝেতে গর্ত করে চাপা দেওয়া হয় শিশুটির মরদেহ।


গতকাল রোববার রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।


শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। গত শনিবার রাতে জামিনুরের বসতঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই রাতেই জামিনুর ও তাঁর স্ত্রী সবুজাকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জামিনুরের মেয়ের সহপাঠী ছিল শিশুটি। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে এবং বিদ্যালয় থেকে জামিনুরের বাড়িতে গিয়ে তার মেয়ের সঙ্গে খেলাধুলা করত শিশুটি। গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে শিশুটি জামিনুরের বাড়িতে যায়। সেদিন জামিনুরের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে তাঁর বোনের বাড়িতে রান্না করতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে জামিনুর শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন।


শিশুটির মামা মুঠোফোনে বলেন, মানুষটি কীভাবে এত ছোট ও নিষ্পাপ একটি শিশুর ওপর এমন নিষ্ঠুরতা চালাতে পারলেন! পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না; তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।


সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০৮ পিএম

জমকালো আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর উদ্বোধন


"একটি সুস্থ সাবলীল জাতি গঠনে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলার বিকল্প নেই। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এরাই দেশ গঠনে নেতৃত্ব দিবেন। সে কারণেই কবি লিখেছেন ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে। আজকের এই তরুণরাই এক সময় বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে যাবে বিশ্ব ফুটবলের দরবারে। সেটি মাথায় রেখেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন"। 


গতকাল রবিবার বিকেল ৫টায় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়ামে (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠ) জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ-২০ ২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী । 


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত মহিলা আসন ০৫ এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মহিলা এমপি অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী বলেন, খেলাধুলা শুধুমাত্র বিনোদন নয়,খেলাধুলা প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তা কে গুরুত্ব দিয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে খেলাধুলা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, প্রাইমমিনিস্টার ফুটবল,জেলায় জেলায় সুইমিং পুল নির্মাণ, উপজেলায় উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরি, প্রতি জেলায় ক্রীড়াপল্লী তৈরি  সহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই উদ্যোগের ফলে এদেশের তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা মোবাইল ও মাদক ছেড়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাঠে ফিরবে সেটিই হবে আমাদের প্রত্যাশা। 


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর  খান, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ। 


এছাড়া বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা:হাদি জিয়া উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর আক্তার, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি,দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাভলী ইয়াসমিন, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী এএসএম আব্দুর রউফ শিপলু, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু সাইফ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রউফুন নাহার রিনা,সিনিয়র সহ-সভাপতি শেফালী খাতুন, সাধারণ সম্পাদক জাহানারা খাতুন,  কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সদস্য নীলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওহিন্দ্র কুমার মন্ডল ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজী। 


চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র'র প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি,সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ,  জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম,  চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপি'র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফুজ্জামান সিজার,সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশিদ ঝন্টু, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজিব খান, সদর থানা বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ,স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হামিদ উদ্দিন বাবু,   সদর উপজেলা  যুবদলের আহবায়ক মতিউর রহমান মিশর,  জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহজাহান খান, সাধারণ সম্পাদক মমিন মালিতা, সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এফএসসি ফুটবল ক্লাবের সভাপতি  জুয়েল মাহমুদ,পৌর বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক কাকন ,মিলন আলী লিমন, প্রমূখ।  


এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র প্রার্থী শাহরিন হক মালিক,সিনিয়র সহ-সভাপতি  রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা,সাবেক কৃতি ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন, সারোয়ার হোসেন জোয়ার্দ্দার মধু, শরিফুল ইসলাম, নাজমুল হক শান্তি, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল ইসলাম মল্লিক, সাবেক কৃতি ফুটবলার মিজানুর রহমান মানিক, আইয়ুব হোসেন, টিপু সুলতান, শহিদুল কদর জোয়ার্দ্দার,চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী মামুনউজ্জামান আদুন,চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ইমরান মহলদার রিন্টু,দামুড়হুদা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মাহবুব বাচ্চু, জীবননগর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার  সদস্য সচিব শাহজাহান কবীর,আলমডাঙ্গা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কোষাধক্ষ্য আশাবুল হক আশা, দপ্তর সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজন,রিমন মন্ডল,  সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ।   


প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগণ মূল মঞ্চে  আসন গ্রহণ করার পর ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে জাতীয় সংগীতের তালে তালে প্রধান অতিথি মাননীয় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।এরপর পুনরায় মঞ্চে আসন গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর  শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদ্বয়কে সম্মাননা স্মারক হিসেবে  ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের  সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের  আনুষ্ঠানিক সমাপনী বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানের বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে শাহ আলম সনি রচিত জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর থিম সং এর তালে তালে নিত্য পরিবেশন করা হয়। থিম সং-এ কন্ঠ দেন হাসিবুল ইসলাম শান্ত ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক  জান্নাতুল নাঈম রিপা। থিমসং নৃত্য পরিবেশন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমির এক ঝাঁক তরুণ  শিক্ষার্থী। 


এরপর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি সহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ শান্তির কপোত শ্বেত কবুতর অবমুক্তকরণ, বেলুন ও ফেস্টুন উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোকছটা  ছড়িয়ে দেন চুয়াডাঙ্গার আকাশে ।


উল্লেখ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে আরো নানারঙে রাঙিয়ে দিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমানের মাধ্যমে জেলা শহরের  প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের  ইউনিফর্ম পরিহিত শিক্ষার্থীরা গ্যালারিতে বসে ফুটবল খেলা উপভোগ  করেন।  যে কারণে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের গ্যালারি গুলো  লাল, নীল, সাদা সহ বিভিন্ন কালারের এক বর্ণিল রূপ ধারণ করে। সঙ্গে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা সহ শহরের বিভিন্ন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন  ও সহকারী শিক্ষকগণ। 


উদ্বোধনী  ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও দর্শনা পৌরসভা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের সাথে  পরিচিত হয়ে প্রধান অতিথি এবং  শেষ অতিথিগণ আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবলে কিক অফ করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ করেন।


ভিআইপি মঞ্চে ফিরে এসে অতিথিবৃন্দ কিছু সময়ের জন্য ফুটবল খেলাউপভোগ করে মাঠ ত্যাগ করেন। উদ্বোধনী ম্যাচে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ২-০ গোলে জয়লাভ করে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করে । চুয়াডাঙ্গার পক্ষে গোল করেন শাকিল ইসলাম উৎস ও মহিবুল ইসলাম। উদ্বোধনী ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার শাকিল ইসলাম। 


পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী উদ্বোধনী ম্যাচের প্রথম গোলকারী কে ফুটবল মাঠের বাদামওয়ালা ১০০ টাকা উপহার দেন শাকিল ইসলামকে। এছাড়া  ম্যান অফদি ম্যাচ নির্বাচিত হওয়ায় শাকিল ইসলামকে আলমডাঙ্গা  মন্ডল স্পোর্টসের   পক্ষ থেকে ২০০০ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়। একই সাথে এমকেএস ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউটরের স্বত্বাধিকারী  মনোয়ারুল হাসান সুমন উদ্বোধনী ম্যাচের দু গোলদাতাকে পাঁচশত  টাকা করে উপহার দেন। এ উপহারগুলো পুরস্কার প্রাপ্ত খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার  সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজি। উদ্বোধনী ম্যাচের ধারা বিবরণী প্রদান করেন ইসলাম রকিব ও শামীম আহমেদ খান। 


উদ্বোধনী ম্যাচটি পরিচালনা করেন মোহাম্মদ  সেন্টু, জুয়েল রানা, সিয়াম ও নিতা হোসেন। আজ একই মাঠেমুখোমুখি  হবে আলমডাঙ্গা উপজেলা দল জীবননগর উপজেলা দল।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৯ পিএম

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় বাড়ির আঙিনায় আদার আড়ালে গাঁজা চাষের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বাড়ির আঙিনা থেকে দুটি গাঁজাগাছও জব্দ করা হয়েছে। 


পুলিশ বলছে, গাছ দুটির ওজন প্রায় ২০ কেজি।


গ্রেপ্তার যুবকের নাম আবু তালেব (২৭)। তিনি উপজেলার শ্রী হরিবিহরি গ্রামের বাসিন্দা। 


গতকাল রোববার রাত একটার দিকে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রী হরিবিহরি গ্রামের একটি বাড়ির আঙিনায় গোপনে গাঁজা চাষ হচ্ছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে অভিযান চালায় ঘোড়াঘাট থানার পুলিশ। এ সময় আবু তালেবের বাড়ির আঙিনায় আদার বাগান থেকে দুটি গাঁজাগাছ জব্দ করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


আজ সোমবার সকালে গ্রেপ্তার আবু তালেবকে দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম। 


তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।


পানি বৃদ্ধিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও সবজি ক্ষেত

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৫ পিএম

​নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীতে গত কয়েকদিনের টানা পানি বৃদ্ধিতে উপজেলার চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে নদীতে বিলীন হয়েছে অর্ধশত ঘরবাড়ি, তলিয়ে গেছে প্রায় ৫০২ হেক্টর জমির ফসল ও সবজি। এছাড়া অনেক বসতবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়েছে, ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রিফাত করিম জানান আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত ঈশ্বরদী হার্ডিং ব্রিজ পয়েন্টে পানির লেভেল ১৩ দশমিক ০৬ মিটার সে অনুযায়ী বর্তমানে লালপুরে পদ্মার পানি বিপদ সীমার ৭৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান নতুন করে পানি বৃদ্ধির সম্ভবনা নেই।


​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে উজানের ঢল ও টানা বর্ষণে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে উপজেলার ঈশ্বরদী, লালপুর ও বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি চর এবং নদী তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলো দ্রুত প্লাবিত হচ্ছে। নদীর পানি বিপদসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ও সাপের উপদ্রব বেড়ে গেছে। ফলে চরাঞ্চলের মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।এছাড়াও গো খাদ্য সংকটে চরম বিপাকে পড়েছে গরু মহিষের খামারিরা।


​উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক এই পানি বৃদ্ধিতে চরাঞ্চলের প্রায় ৫০২ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত। এর মধ্যে রয়েছে, আখ ৪৩৫ হেক্টর, সবজি ৭ হেক্টর, ফল ৬০ হেক্টর। এতে প্রায় ১৪০০ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


গতকাল শনিবার সরজমিনে উপজেলার পদ্মার চর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ফসলি জমিগুলো পুরোপুরি পানিতে ডুবে আছে। বাঁশের মাচা বা খুঁটি দিয়ে আগলে রাখা সবজি ক্ষেতগুলোর শুধু উপরের অংশ পানির উপরে জেগে আছে। অনেক জায়গায় নতুন রোপণ করা মুলা, বেগুন গাছও পানির নিচে তলিয়ে গেছে কৃষকরা নৌকা বা ভেলায় করে তাদের ডুবে যাওয়া ফসল রক্ষার চেষ্টা করছেন, কিন্তু পানির তীব্রতায় তা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ফলানো ফসল চোখের সামনে তলিয়ে যেতে দেখে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।


​দিয়ারশংকরপুর চরের কৃষক নাসিরুল বলেন, "হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধিতে আমার ২ বিঘা জমির মুলা ও বেগুন পুরোপুরি পানির নিচে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আমার আরো ৪ বিঘা মুলা ও বেগুন ক্ষেত তলিয়ে যাবে।"


২নং ঈশ্বরদী ইউনিয়নের কুলচরা লক্ষীপুর চরের মহিষের খামারি খায়রুল ইসলাম বলেন, আমরা গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপদে আছি বন্যার পানিতে চারাঞ্চল ডুবে গেছে, কোথাও ঘাস নেই মহিষকে এখন শুধু ধানের শুকনো পোয়াল আর পানি খাওয়াচ্ছি।


এদিকে, পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে উপজেলার বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নওসারা সুলতানপুর পদ্মার চরে চরাঞ্চলের প্রায় ৫০টি বসতঘর এবং বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান হঠাৎ এ ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। রসুলপুর, দিয়াড়শংকরপুর, নওসারা সুলতানপুর, আরাজি বাকনার প্রায় সাড়ে ৪শপরিবার পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।


বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিদ্দিক আলী মিষ্টু জানান, ইতিমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।


​লালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় বলেন, আমরা চর এলাকা পরিদর্শন করেছি, পদ্মার পানি বৃদ্ধি হওয়ায় চর এলাকার বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পানি কমে গেলে প্রকৃত ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে।


এবিষয়ে ​লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবীর হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদ্মার পানি বৃদ্ধি এবং চরাঞ্চলের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে, ইতিমধ্যে বিলমাড়িয়ার নওসারা সুলতানপুর চরে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারের মধ্যে ৩০কেজি করে জিআর চাউন বিতরণ করা হয়েছে।