পৌর প্রশাসক মো. সাইদুল ইসলাম
দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নানা সমস্যায় জর্জরিত নীলফামারী পৌরসভা এক বছরের ব্যবধানে দৃশ্যমান পরিবর্তনে আলোর মুখ দেখছে। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মো. সাইদুল ইসলাম মাত্র ১ বছর ২ মাসেই নানা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে পৌর এলাকার চিত্র পাল্টে দিয়েছেন।
পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। বিশেষ করে শহরের বড় মাঠ এখন নতুন রূপে সেজেছে। মাঠের চারপাশে আধুনিক বসার ব্যবস্থা, সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য গাছপালা রোপণ এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যায়ামাগার নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সেখানে শতাধিক মানুষ হাঁটা ও ব্যায়াম করেন। এছাড়া মাঠে মোটরসাইকেল প্রবেশ বন্ধ করায় পরিবেশ ফিরে পেয়েছে স্বাভাবিকতা। আগে যেখানে কোনো টয়লেট ব্যবস্থা ছিল না, সেখানে এখন নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক শৌচাগার।
শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থায় আনা হয়েছে পরিবর্তন। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এড়াতে নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে অলিগলিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পাশাপাশি মশার উপদ্রব কমাতে চালানো হচ্ছে মশকনিধন কার্যক্রম।
শিশুদের বিনোদনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে পৌর শিশু পার্ক, যা স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও এ জেলায় গড়ে ওঠেনি। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নির্মিত হয়েছে টেরাকোটায় সাজানো আকর্ষণীয় উন্মুক্ত মঞ্চ, যেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। এছাড়া স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আধুনিক কসাইখানাও নির্মাণ করা হয়েছে।
পৌরসভার বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ছয়তলা বিশিষ্ট আধুনিক শপিংমল নির্মাণ। পৌরভবনের পাশে নির্মিতব্য এ শপিংমলে থাকবে লিফট, শিশুদের বিনোদন ব্যবস্থা ও অন্যান্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে।
শহরের আনন্দ বাবুর পুল এলাকার বাসিন্দা সিজানুর রহমান বলেন, “মাত্র এক বছরেই অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ইচ্ছা থাকলে যে পরিবর্তন সম্ভব, সেটিই এখন দেখা যাচ্ছে।”
আরেক বাসিন্দা আইনুল হক বলেন, “আগে পৌরসভার অনেক সমস্যা ছিল। এখন ধীরে ধীরে সেগুলো সমাধান হচ্ছে। শহরটা বসবাসের জন্য আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে।”
রাহাত হোসেন বলেন, “বড় মাঠের উন্নয়ন সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো। পরিবার নিয়ে এখন এখানে সময় কাটানো যায়, যা আগে সম্ভব ছিল না।”
পৌর প্রশাসক মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের আরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। সুযোগ পেলে সেগুলো বাস্তবায়ন করব। একটি মানসম্মত স্কুল ও কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে এখানকার শিক্ষার্থীদের বাইরে যেতে না হয়। এছাড়া শহর সম্প্রসারণ এবং চৌরঙ্গী মোড় থেকে গাছবাড়ি পর্যন্ত চার লেন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও আছে।”
তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় নীলফামারীর সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “নীলফামারীর উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতেও বড় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে তালা ভাঙার কাটার ও কয়েকটি গামছা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বহনকারী একটি প্রোবক্স গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে পাঠানো হবে। এর আগে, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের চরকলমী বাজারের চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার সোনাইছড়ি এলাকার রফিকুল ইসলাম (৫৭), কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার রাজগঞ্জ এলাকার মইনুল ইসলাম (২৮), সীতাকুণ্ডের জাহানাবাদ এলাকার মিজানুর রহমান (২৫), কোম্পানীগঞ্জের চর এলাহী ইউনিয়নের চরকলমী এলাকার নুর নবী (৩৯), একই এলাকার নুর মোহাম্মদ (৩২) এবং গাড়িচালক সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকার আজিজুল মোস্তফা (৩৫)।
পুলিশ জানায়, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর কলমী বাজার চৌরাস্তা এলাকায় রাত্রিকালীন টহল দিচ্ছিল পুলিশ। এ সময় এসআই সুমন চন্দ্র দাসের সন্দেহ হলে একটি সিলভার রঙের প্রোবক্স গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়িটিতে চালকসহ ছয়জন ছিলেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে তালা ভাঙার কাটার ও কয়েকটি গামছা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে রফিকুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ ও আজিজুল মোস্তফার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুরুল হাকিম বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা হয়েছে। জব্দ করা সিলভার রঙের প্রোবক্স গাড়িটি থানায় রাখা হয়েছে। ওই মামলায় আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আসাদুজ্জামানের মরদেহ বিজিবির কাছে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। গতকাল রোববার রাত ৯টার সময় পীরগঞ্জ উপজেলার দানাজপুর বিওপির আওতাধীন এলাকায় মরদেহটি হস্তাস্তর করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ও ভারতের রায়গঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন।
এর আগে শনিবার ভোরে পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ৩৩৩ নম্বর মেইন পিলারের কাছে বিএসএফের গুলিতে আসাদুজ্জামান নিহত হন। তিনি উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের আব্দুল ওয়াজেদ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় মোস্তাকিম ও শ্রী উদা রায় নামে আরও দুই বাংলাদেশি যুবক বিএসএফের হাতে আটক রয়েছেন। মোস্তাকিম একই গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে এবং শ্রী উদা রায় মুনষা নারায়ণের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের ৩৩৩ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় ৬৩ চকশিবানন্দ বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদল গুলি চালায়। এতে তিন বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন। পরে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসাদুল হকের মৃত্যু হয়।
প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর রোববার রাতে তার মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ। পরে মরদেহটি দেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি ও পুলিশ। তবে এখনো মোস্তাকিম ও শ্রী উদা রায় ভারতে আটক আছেন।
নোয়াখালী জেলা জজ আদালত
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত সাইদুল ইসলাম শাহীন হত্যা মামলার রায়ে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ছয় আসামিই এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। হাজতি আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে জেল হাজত থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর পাঁচ আসামি নূরউদ্দিন ওরফে সমীর, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগম হাজিরা দাখিল করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ আলমের ছেলে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূর উদ্দিন ওরফে শমীর একই ওয়ার্ডের নূর নবীর ছেলে।
রায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগমের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩২৩/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সলিম উল্লাহর বসতবাড়ির সামনে সীমানার করই গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের বিষয়ে সালিশি বৈঠক চলাকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ছেলে সাইদুল ইসলাম শাহিনকে গলায় লোহার রড ঢুকিয়ে এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই সাইদুল ইসলাম শাহিনের মৃত্যু হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিশেষ জজ আদালতের পিপি তাপসকর হোসেন মো.খায়রুল ওয়ালা। তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে সাজা ভোগের জন্য সাজা পরোয়ানামূলে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্ত আসামি ও তাদের জামিনদারদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মানববন্ধন করেছে ঝালকাঠির নলছিটি পৌর এলাকাবাসী
সড়ক নির্মাণ ও চলাচলের উপযোগী করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে ঝালকাঠির নলছিটি পৌর এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মল্লিকপুর- সূর্যপাশা সড়কটির দুরবস্থার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অবহেলিত নলছিটি পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক দ্রুত নির্মাণ করে জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানান তারা।
নলছিটি- বরিশাল সড়কের মল্লিকপুর নামক স্থানে আজ সোমবার সকাল ১১টায় ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধনের আয়োজন করে ভুক্তভোগী জনগণ।
এতে ব্যবসায়ী মোঃ মনির হোসন বক্তব্য কালে তিনি বলেন নলছিটি পৌর সভা কর্তৃপক্ষ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন রকমের করের টাকা ও ট্যাক্স আদায় করে থাকে কিন্তু মানুষের কল্যাণে কোন কাজ হয় না, তাহলে এ পৌর সভা রেখে লাভ কি এটাকে বাতিল করে দেয়া উচিৎ।
মানববন্ধনে অংশ নেয়া আরো ভুক্তভোগীরা জানান, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কের দুরবস্থা আরও প্রকট হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন তারা। দ্রুত সড়ক নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান মানববন্ধনকারীরা।
ছবি : সংগৃহীত
বিদ্যালয়ের পাশেই সহপাঠীর বাড়ি। গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে সহপাঠীকে খুঁজতে তাদের বাড়িতে যায় সাত বছরের শিশুটি।
তবে সহপাঠীর বাবা জামিনুর ইসলাম (৩২) ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিল না। এ সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। পরে নিজের ঘরের মেঝেতে গর্ত করে চাপা দেওয়া হয় শিশুটির মরদেহ।
গতকাল রোববার রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। গত শনিবার রাতে জামিনুরের বসতঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই রাতেই জামিনুর ও তাঁর স্ত্রী সবুজাকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জামিনুরের মেয়ের সহপাঠী ছিল শিশুটি। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে এবং বিদ্যালয় থেকে জামিনুরের বাড়িতে গিয়ে তার মেয়ের সঙ্গে খেলাধুলা করত শিশুটি। গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে শিশুটি জামিনুরের বাড়িতে যায়। সেদিন জামিনুরের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে তাঁর বোনের বাড়িতে রান্না করতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে জামিনুর শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন।
শিশুটির মামা মুঠোফোনে বলেন, মানুষটি কীভাবে এত ছোট ও নিষ্পাপ একটি শিশুর ওপর এমন নিষ্ঠুরতা চালাতে পারলেন! পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না; তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী
জমকালো আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর উদ্বোধন
"একটি সুস্থ সাবলীল জাতি গঠনে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলার বিকল্প নেই। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এরাই দেশ গঠনে নেতৃত্ব দিবেন। সে কারণেই কবি লিখেছেন ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে। আজকের এই তরুণরাই এক সময় বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে যাবে বিশ্ব ফুটবলের দরবারে। সেটি মাথায় রেখেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন"।
গতকাল রবিবার বিকেল ৫টায় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়ামে (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠ) জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ-২০ ২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত মহিলা আসন ০৫ এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মহিলা এমপি অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী বলেন, খেলাধুলা শুধুমাত্র বিনোদন নয়,খেলাধুলা প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তা কে গুরুত্ব দিয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে খেলাধুলা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, প্রাইমমিনিস্টার ফুটবল,জেলায় জেলায় সুইমিং পুল নির্মাণ, উপজেলায় উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরি, প্রতি জেলায় ক্রীড়াপল্লী তৈরি সহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই উদ্যোগের ফলে এদেশের তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা মোবাইল ও মাদক ছেড়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাঠে ফিরবে সেটিই হবে আমাদের প্রত্যাশা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা:হাদি জিয়া উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর আক্তার, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি,দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাভলী ইয়াসমিন, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী এএসএম আব্দুর রউফ শিপলু, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু সাইফ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রউফুন নাহার রিনা,সিনিয়র সহ-সভাপতি শেফালী খাতুন, সাধারণ সম্পাদক জাহানারা খাতুন, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সদস্য নীলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওহিন্দ্র কুমার মন্ডল ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজী।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র'র প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি,সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপি'র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফুজ্জামান সিজার,সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশিদ ঝন্টু, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজিব খান, সদর থানা বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ,স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হামিদ উদ্দিন বাবু, সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মতিউর রহমান মিশর, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহজাহান খান, সাধারণ সম্পাদক মমিন মালিতা, সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এফএসসি ফুটবল ক্লাবের সভাপতি জুয়েল মাহমুদ,পৌর বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক কাকন ,মিলন আলী লিমন, প্রমূখ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র প্রার্থী শাহরিন হক মালিক,সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা,সাবেক কৃতি ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন, সারোয়ার হোসেন জোয়ার্দ্দার মধু, শরিফুল ইসলাম, নাজমুল হক শান্তি, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল ইসলাম মল্লিক, সাবেক কৃতি ফুটবলার মিজানুর রহমান মানিক, আইয়ুব হোসেন, টিপু সুলতান, শহিদুল কদর জোয়ার্দ্দার,চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী মামুনউজ্জামান আদুন,চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ইমরান মহলদার রিন্টু,দামুড়হুদা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মাহবুব বাচ্চু, জীবননগর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব শাহজাহান কবীর,আলমডাঙ্গা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কোষাধক্ষ্য আশাবুল হক আশা, দপ্তর সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজন,রিমন মন্ডল, সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ।
প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগণ মূল মঞ্চে আসন গ্রহণ করার পর ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে জাতীয় সংগীতের তালে তালে প্রধান অতিথি মাননীয় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।এরপর পুনরায় মঞ্চে আসন গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদ্বয়কে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের আনুষ্ঠানিক সমাপনী বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানের বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে শাহ আলম সনি রচিত জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর থিম সং এর তালে তালে নিত্য পরিবেশন করা হয়। থিম সং-এ কন্ঠ দেন হাসিবুল ইসলাম শান্ত ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক জান্নাতুল নাঈম রিপা। থিমসং নৃত্য পরিবেশন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমির এক ঝাঁক তরুণ শিক্ষার্থী।
এরপর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি সহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ শান্তির কপোত শ্বেত কবুতর অবমুক্তকরণ, বেলুন ও ফেস্টুন উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোকছটা ছড়িয়ে দেন চুয়াডাঙ্গার আকাশে ।
উল্লেখ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে আরো নানারঙে রাঙিয়ে দিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আনিসুর রহমানের মাধ্যমে জেলা শহরের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ইউনিফর্ম পরিহিত শিক্ষার্থীরা গ্যালারিতে বসে ফুটবল খেলা উপভোগ করেন। যে কারণে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের গ্যালারি গুলো লাল, নীল, সাদা সহ বিভিন্ন কালারের এক বর্ণিল রূপ ধারণ করে। সঙ্গে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা সহ শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন ও সহকারী শিক্ষকগণ।
উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও দর্শনা পৌরসভা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের সাথে পরিচিত হয়ে প্রধান অতিথি এবং শেষ অতিথিগণ আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবলে কিক অফ করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ করেন।
ভিআইপি মঞ্চে ফিরে এসে অতিথিবৃন্দ কিছু সময়ের জন্য ফুটবল খেলাউপভোগ করে মাঠ ত্যাগ করেন। উদ্বোধনী ম্যাচে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ২-০ গোলে জয়লাভ করে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করে । চুয়াডাঙ্গার পক্ষে গোল করেন শাকিল ইসলাম উৎস ও মহিবুল ইসলাম। উদ্বোধনী ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার শাকিল ইসলাম।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী উদ্বোধনী ম্যাচের প্রথম গোলকারী কে ফুটবল মাঠের বাদামওয়ালা ১০০ টাকা উপহার দেন শাকিল ইসলামকে। এছাড়া ম্যান অফদি ম্যাচ নির্বাচিত হওয়ায় শাকিল ইসলামকে আলমডাঙ্গা মন্ডল স্পোর্টসের পক্ষ থেকে ২০০০ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়। একই সাথে এমকেএস ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউটরের স্বত্বাধিকারী মনোয়ারুল হাসান সুমন উদ্বোধনী ম্যাচের দু গোলদাতাকে পাঁচশত টাকা করে উপহার দেন। এ উপহারগুলো পুরস্কার প্রাপ্ত খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান, এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজি। উদ্বোধনী ম্যাচের ধারা বিবরণী প্রদান করেন ইসলাম রকিব ও শামীম আহমেদ খান।
উদ্বোধনী ম্যাচটি পরিচালনা করেন মোহাম্মদ সেন্টু, জুয়েল রানা, সিয়াম ও নিতা হোসেন। আজ একই মাঠেমুখোমুখি হবে আলমডাঙ্গা উপজেলা দল জীবননগর উপজেলা দল।