• প্রকাশ : মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ৭:৪৬ এএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেটে সোমবার সারাদিন মনোনয়ন পত্র জমা পড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মিছিল সহকারে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রঙ্গনে এসে জড়ো হন। পরে তারা আলাদা আলাদাভাবে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। সিলেট বিভাগে ১৯ আসনে ১শ ৫৪ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছন। এরমধ্যে সিলেটে ৫৬, সুনামগঞ্জ ৩৮, মৌলভীবাজার ৩১ এবং হবিগঞ্জে ২৯ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

সিলেটঃসিলেটের ৬টি আসনে ৪৭ প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, সিলেট - ১ আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন ১০ জন প্রার্থী এবং তারা সবাই মনোনয়ন দাখিল করেছেন। মনোনয়ন দাখিল কারীরা হলেন- বিএনপি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জামায়াতের মাওলানা হাবীবুর রহমান, এনসিপির এহতেশাম হক, সিপিবির আনোয়ার হোসেন সুমন, বাস (মার্কসবাদী) সঞ্জয় দাস, ইনসিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান ও খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম হাসান।

সিলেট-২ আসনে ১০ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও দাখিল করেছেন ৯ জন। তারা হলেন- জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল হান্নান, বিএনপির প্রার্থী তাহসীনা রুশদীর লুনা, তার ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবরার ইলিয়াস, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ মুনতাসীর আলী, গণফোরামের প্রার্থী মুজিবুল হক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, গণ অধিকার পরিষদের জামান আহমদ সিদ্দিকী, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আমীর উদ্দিন ও স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আব্দুস শহিদ।

সিলেট-৩ আসনে ১১ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও দাখিল করেছেন ৯ জন প্রার্থী। তারা হলেন বিএনপির এমএ মালিক, জামায়াতের মাওলানা লোকমান আহমদ, এনসিপির নুরুল হুদা জুনেদ, জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক, খেলাফত মজলিসের দেলওয়ার হোসাইন, ইসলামী আন্দোলনের রেদুয়ানুল হক চৌধুরী, স্বতন্ত্র মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোসলেহ উদ্দিন রাজু ও স্বতন্ত্র মইনুল বাকের।

সিলেট-৪ আসনে ৮ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ৭ জন। তারা হলেন বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী, জামায়াতের জয়নাল আবেদিন, এনসিপির রাশেদ উল আলম, গণ অধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম, খেলাফতের আলী হাসান, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা সাঈদ আহমদ ও জাতীয় পার্টি মুজিবুর রহমান।

সিলেট-৫ আসনে ৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও দাখিল করেছেন ৬ জন। তারা হলেন বিএনপি সমর্থিত জমিয়ত ইসলামের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, জামায়াত ইসলামের হাফিজ মো. আনওহার হোসাইন খান, স্বতন্ত্র মামুনুর রশীদ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. বিলাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মো. আবুল হাসান ও জাতীয় পার্টির সাইফুদ্দিন খালেদ।

সিলেট -৬ আসনে ৯ জন মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৬ জন প্রার্থী। তারা হলেন বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী ও ফয়সল আহমদ চৌধুরী, জাময়োতের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান, স্বতন্ত্র ফখরুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির মো. আব্দুন নুর।

সুনামগঞ্জঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরা হলেন সুনামগঞ্জ ১ আসনের বিএনপি মনোনীত আনিসুল হক, ও কামরুজ্জামান কামরুল, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী ডা রফিকুল ইসলাম চৌধুরী,খেলাফত মজলিস প্রার্থী মাওলানা মখলিসুর রহমান।

সুনামগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. নাছির চৌধুরী,বিএনপি মনোনীত অপর প্রার্থী তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেল, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ড. শোয়াইব আহমদ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস খোকন,স্বতন্ত্র প্রার্থী ঋতেশ রঞ্জন দেব।

সুনামগঞ্জ-৩ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কয়ছর এম আহমদ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন, খেলাফত মজলিস প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ, জামায়াতে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী ইয়াসীন খান, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এডভোকেট শাহিনুর পাশা চৌধুরী, আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি) মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমদ মিশেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী এডভোকেট মাহফুজুর রহমান খালেদ তুষার, এনসিপির দুই প্রার্থী মাসুদুর রহমান ও ইসহাক আমিনী, গনঅধিকার প্রার্থী পারভেজ আহমদ।

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম নুরুল, বিদ্রোহী (বিএনপি) প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শামসউদ্দিন, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট নাজমুল হুদা হিমেল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী মুফতি আজিজুল হক, খেলাফত মজলিস প্রার্থী শাখাওয়াত হোসেন মোহন।

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন,বিএনপি (বিদ্রোহী) প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান ,জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম আল মাদানি, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাফেজ আব্দুল কাদির, স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকী,ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী আজিজুল হক,জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

হবিগঞ্জঃ হবিগঞ্জের ৪টি সংসদীয় ৪টি আসনে মোট ২৯ জন এমপি প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী মোঃ শাহ জাহান আলী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ বদরুর রেজা, জাতীয় সমাজ তান্ত্রিকদল বাসদ এর প্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমেদ।

হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) মোট ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডাঃ আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল বাছিত আজাদ, স্বতস্ত্র প্রার্থী সাংবাদিক আফছার আহমেদ, জাতীয় সমাজ তান্ত্রিকদল বাসদ এর প্রার্থী লুকমান আহমদে তালুকদার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নোমান আহমদ সাদিক।

হবিগঞ্জ-৩ (সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই) আসনে মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ, জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমেদ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল, গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী চৌধুরী আশরাফুল বারি নোমান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল মুমিন চৌধুরী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী শাহিনুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী এসএম সরওয়ার।

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফয়সল, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমদ সাজন, বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী মোঃ গিয়াস উদ্দিন, এবি পার্টির প্রার্থী মোকাম্মেল হোসেন, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী শাহ মোঃ আল আমিন, জাতীয় সমাজ তান্ত্রিকদল বাসদ এর প্রার্থী মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম খোকন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী রেজাউল মোস্তাফা।

মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজার জেলার ৪ টি নির্বাচনী আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ছিলেন। তারমধ্যে ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) সংসদীয় আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিস ও ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী মৌলভী লুকমান আহমদ, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বেলাল আহমদ ও মো. শরিফুল ইসলাম।

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ৮জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শওকতুল ইসলাম শকু, জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, ১০ দলীয় জোটের ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল কুদ্দুছ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল মালিক, স্বতন্ত্র নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, এম জিমিউর রহমান চৌধুরী, মো. ফজলুল হক খান।

মৌলভীবাজার-৩ (সদর ও রাজনগর) আসনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এম নাসের রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজিনা নাসের,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান কামালী, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি জহর লাল দত্ত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আহমদ বিলাল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াস।

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) আসনে ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য, সাবেক মেয়র মো. মহসিন মিয়া মধু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে শেখ নূরে আলম হামিদী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী প্রীতম দাশ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল হাসান এবং বিএনপি নেতা লন্ডন প্রবাসী জালাল আহমেদ জিপু, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর ছেলে মুঈদ আশিক চিশতী।

মৌলভীবাজার জেলায় মোট ভোটার ১৬ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ২৪ হাজার ৪৫৪ জন। নারী ভোটার ৭ লাখ ৯০ হাজার ৪৭৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন ভোটার।

বিষয় : সিলেট




  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৩৫ পিএম

নোয়াখালীর সেনবাগে বোনকে দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর আবুল কাশেম (৬০) নামে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।


সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেনবাগ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিন্নাগুনি গ্রামের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।


নিহত আবুল কাশেম উপজেলার ৪ নম্বর কাদরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদপুর গ্রামের রমিজ উদ্দিন ভূঁইয়া বাড়ির মৃত নুর মিয়ার ছেলে।


পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ২৩ জুলাই অসুস্থ অবস্থায় আবুল কাশেম সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। পরে হাতে ক্যানোলা লাগানো অবস্থায় তিনি বিন্নাগুনি গ্রামে তার বোনের বাড়িতে বোনকে দেখতে যান। সেখান থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা ডোবার পাশ থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে গিয়ে একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।


সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার বলেন, বোনের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই আবুল কাশেম নিখোঁজ ছিলেন। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৪৬ পিএম

কিশোরগঞ্জ জেলার হাটে হাটে বিক্রি হচ্ছে নতুন পাট। দামও মিলছে ভালো। এতে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন চাষিরা। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, মণপ্রতি পাটের দাম মিলছে গড়ে চার হাজার টাকা। জেলার হাওরাঞ্চলের নিচু জমিতে পাটের আবাদ হয় না। সাধারণত জেলার দুই ফসলি ও তিন ফসলি উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে পাটের চাষ করেন কৃষকরা। বোরো ধানের মৌসুমেই তারা পাটের আবাদ করেন। গত বৃহস্পতিবার কটিয়াদী উপজেলার সহস্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের সুতি এলাকায় দেখা গেছে, সেতুর দুই পাশের রেলিংয়ে কাঁচা পাট শুকানো হচ্ছে। জেলার কৃষিপ্রধান এলাকার প্রায় সব সেতুই এখন কাঁচা পাটে ঢাকা।


কয়েক দিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন অগভীর জলাশয়ের ধারে পচা পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর কাজ করছেন শ্রমিকরা। অন্যদিকে সেগুলো রোদে শুকিয়ে বাড়িতে নিয়ে পরিমাপ করে আলাদা আলাদা বান্ডেল করে বেঁধে রাখা হচ্ছে। হাটের দিন আশপাশের এলাকার কৃষকরা পাট নিয়ে আসছেন বিক্রির জন্য।


কটিয়াদীর গাগলাইল গ্রামের কৃষক নূরুল হকের সঙ্গে কথা হয় গত বৃহস্পতিবার। চলতি মৌসুমে তিনি এক একর জমিতে পাটের চাষ করেন। এতে ৩০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। তাঁর জমিতে পাট হয়েছে অন্তত ১৫ মণ। নূরুল হক বলেন, এখন বাজারে প্রতিমণ পাট চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে চার হাজার টাকা মণ হলেও পাট যত পুরোনো হবে, দাম ততই বাড়তে থাকবে। তিনি অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয়ের আশা করছেন।


করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের মুড়িকান্দি গ্রামের কৃষক মাজহারুল ইসলাম। তিনি এবার পাটের আবাদ করেছেন দেড় একর জমিতে। গত শনিবার তিনি বলেন, তাঁর এলাকার কয়েক দিন আগে চার হাজার টাকা মণ দরে পাট বিক্রি হয়েছে। তবে এখন বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৮০০ টাকা দরে। কিছু দিনের মধ্যে দাম আবারও বাড়তে পারে। 


কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জে এবার প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ বেল।


জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। কৃষক দামও ভালো পাচ্ছেন। এবার পাটের জাগ দেওয়ার পানির সংকট ছিল না। কিছু অসচেতন কৃষক আছেন, ছোট ডোবায় অগভীর পানিতে পাট জাগ দেন। এর ফলে তাদের পাটের মান কিছুটা খারাপ হয়। চাষিদের বেশি পানিতে ও স্বচ্ছ পানিতে পাট জাগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এতে পাটের মান ভালো হবে। 

বিষয় : পাট


  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৩৭ পিএম

আসন্ন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র হওয়ার দৌড়ে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন পটুয়াখালী পৌর বিএনপি ও দি-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন।


মোঃ কামাল হোসেন ১৯৮০ সালে পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক হওয়ার মধ্যে দিয়ে তার রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৮৪-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।এরপর ১৯৯০ এবং ১৯৯৩ সালে তিনি পর পর দুই বার কাউন্সিলের মাধ্যমে পটুয়াখালী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর তিনি (২০২১-২০২২) সাল সততার সাথে পটুয়াখালী পৌর বিএনপির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে ২০২২ সালে তিনি পটুয়াখালী পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।এছাড়াও তিনি একোয়ারস্টেট নূরানী মাদ্রাসার সভাপতি,চরপাড়া জামে মসজিদ এর সাধারণ সম্পাদক ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি।


তার পিতা আলহাজ্ব মোঃ আবদুর রশিদ চুন্নু মিয়া যিনি পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক ২ বারের আহবায়ক।তার বড় ভাই মুহাম্মদ মুনির হোসেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক।


২০০৬-২০২৪ এর ৫ আগস্ট এর আগ পর্যন্ত তিনি ও তার পরিবার দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। দীর্ঘ সতেরো বছর আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি অসংখ্য বার আওয়ামীলীগ এর সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন।তাকে একাধিক মিথ্যা মামলার আসামী হতে হয়েছে এবং এই মিথ্যা মামলায় তাকে অনেক হয়রানি হতে হয়েছে। একাধিকবার তার বাসা, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়েছে।২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনে তিনি উত্তরার আজমপুরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।


মোঃ কামাল হোসেন খুবই সৎ এবং দয়াবান ও একজন মানুষ। তিনি সবসময়ই গরিব-দুঃখী মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন।দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীর রাজনীতিতে তিনি নিজের এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন।


জেলা ও পৌর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মতে, দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং কর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে মোঃ কামাল হোসেন নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।তারা মনে করেন আসন্ন পৌর নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে দলটির সবচেয়ে যোগ্য ও শক্তিশালী প্রার্থী।


স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক ঐতিহ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও গভীর জনসম্পৃক্ততার কারণে মোঃ কামাল হোসেন আসন্ন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।


আসন্ন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ কামাল হোসেন দৈনিক নওরোজকে জানান, তিনি পটুয়াখালীকে একটি মাদকমুক্ত,সন্ত্রাসমুক্ত,আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পৌরসভা হিসেবে গড়তে চান।


  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৩৩ পিএম

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ প্রকৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবারের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২৬ জুলাই রবিবার  অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে সংগঠনের সদস্য ও উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।


আয়োজকরা জানান, টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবার শুধু উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সমাজ ও পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিবেশ সুরক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, একটি গাছ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং নির্মল বাতাস, পরিবেশের ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি করে গাছ লাগানো এবং গাছের পরিচর্যা করা।


টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক, সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তারা সবাইকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবার—উদ্যোক্তা উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতায়ও অঙ্গীকারবদ্ধ।


এসময় উপস্থিত ছিলেন,মোঃ আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের,মোঃ রফিকুল ইসলাম,রোখসানা পারভীন,উর্মি আক্তার পরী,খাইরুন্নেসা সেতু,সামসুন্নাহার সালমা,লাকি খান,মাজেদা আক্তার,আরো অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।


  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:১২ পিএম

ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নুর নবী হোসেন (৩০) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে অভিযুক্ত মো. শাহ পরান ওরফে ফয়সাল ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারাল চাকুটিও উদ্ধার করা হয়েছে।



পুলিশ জানায়, নিহত নুর নবী হোসেনের বাবার নাম আব্দুর রব এবং মায়ের নাম আঞ্জু বেগম। তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মনসাদ বাড়ী এলাকায়। নদীভাঙনের পর পরিবারটি ঢাকায় বসবাস শুরু করলেও নুর নবী পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতেন। পরে দাগনভূঞা উপজেলার মৃত বেলাল হোসেনের মেয়ে বিবি ফাতেমার সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে তিনি বিয়ে করেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বোতল কুড়িয়ে বিক্রি এবং বিভিন্ন ধরনের দিনমজুরির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রাতে তারা মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচেই ঘুমাতেন।



পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (২৬ জুলাই) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে নুর নবী ও তার স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় একই স্থানে বসবাসকারী শাহ পরান ওরফে ফয়সাল ওরফে সাদ্দাম হোসেন বিবি ফাতেমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। এতে নুর নবীর ঘুম ভেঙে গেলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও পরে মারামারি শুরু হয়।


একপর্যায়ে নুর নবী অভিযুক্তকে ঘুষি মারলে শাহ পরান তার সঙ্গে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে নুর নবীর পেটের দুই পাশে ছুরিকাঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।


স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে ফেনী পৌরসভার হাজারী রোড এলাকায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে ২৬ জুলাই সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বিবি ফাতেমা বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি সোমবার (২৭ জুলাই) ফেনী মডেল থানার মামলা নম্বর-৫৫ হিসেবে পেনাল কোডের ৩০২ ধারায় রুজু করা হয়।


মামলা দায়েরের পর পুলিশ সুপার ফেনীর সার্বিক নির্দেশনায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) এবং দাগনভূঞা থানা পুলিশের সহায়তায় ফেনী মডেল থানার একটি দল অভিযান চালায়। পরে সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দাগনভূঞা থানা এলাকা থেকে পলাতক শাহ পরান ওরফে ফয়সাল ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে একটি পরিত্যক্ত গর্ত থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারাল চাকু উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।


পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে।


স্ত্রী হত্যার দায়ে ঘাতক স্বামী ফরহাদ হোসেনকে আটক করা হয়

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:৫৪ পিএম

নওগাঁর ধামইরহাটে পারিবারিক কলহের জের ধরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যা করলো পাষন্ড স্বামী। স্থানীয়রা ঘাতক স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। নিহত স্ত্রী মনিরা বেগম (২৬) উপজেলার উমার ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামের মাসুদ হোসেনের মেয়ে, আর ঘাতক স্বামী জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আটুল গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে ফরহাদ হোসেন। সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এ হত্যাকান্ড ঘটে।


নিহতের বোন মহসিনা বেগম বলেন, তার বোন মনিরা ও দুলাভাই ফরহাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। ফরহাদ ঢাকায় গিয়ে রিক্সা চালান, আর মনিরা বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সোমবার ভোরে ফরহাদ মনিরার বাবার বাড়িতে আসেন। সকালে মনিরা ও মহসিনা দুই বোন চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে ফরহাদ গিয়ে মনিরার সাথে কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে ফরহাদ ধারালো ছুরি দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটের বাম পাশে এলাপাথারি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করেন। এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করেন। স্থানীয়রা মারাত্মক আহত মনিরাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।


ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিন্টু রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।