ছবি : সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি এবং বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরে দেশজুড়ে তেল মজুতের হিড়িক পড়েছে।
দেশে তেলের দাম বাড়তে পারে—এমন আতঙ্কে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় করছেন গ্রাহকরা। তবে চাহিদামতো তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে। জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—
লালমনিরহাট
সরেজমিনে লালমনিরহাট সদর ও আদিতমারী উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও ট্রাক্টরের দীর্ঘ সারি। অনেকে ড্রাম ভরে তেল সংগ্রহ করছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও মজুতদার তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ক্রেতারা।
শহরের বিনিময় ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা ক্রেতা মো. লিয়ন বলেন, ‘ইরান, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনার কারণে বিভিন্ন তেল শোধনাগারে হামলা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধের খবর শুনেছি। এর ফলে তেলের দাম বাড়তে পারে জেনেই পাম্পে এসে তেল মজুত করছি। কয়েকদিনতো ভালোভাবে চালানো যাবে। পরিস্থিতি ঠিক হলে পরে আবার নেওয়া যাবে। এখন না নিলে দাম বাড়লে আমাদেরই লোকসান হবে।’
পাবনা
পাবনা শহরের মেরিল বাইপাস এলাকার ইয়াকুব ফিলিং স্টেশন, অনন্ত বাজার এলাকার মেসার্স হাইওয়ে ফিলিং স্টেশন, রাধানগরের এসএম ফরিদ ফিলিং স্টেশন ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকাসহ বেশিরভাগ পাম্পে গ্রাহকদের ভিড় দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে এসব পাম্পে দীর্ঘ সারি পড়ে যায়। পরে আজকের মজুত অনুযায়ী ২০০-৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া বন্ধ করে দেন পাম্প মালিকরা। কয়েক ঘণ্টায় তেল ফুরিয়ে গেছে দাবি করে দু-একটি বড় পাম্প ছাড়া বেশিরভাগই বন্ধ করে দেয়।
রাধানগরের এসএম ফরিদ ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল নিতে আসা সাইমন ও রনি জানান, হঠাৎ শুনেছেন কাল থেকে তেল নাও পাওয়া যেতে পারে। তাই তাড়াহুড়ো করে বাইক নিয়ে এসেছেন। এমনি সময়ে সাধারণত ট্যাংক ফুল লোড না দিলেও পরে পাওয়া যাবে না আশঙ্কায় আজ ফুল লোড দিতে চেয়েছেন তারা। কিন্তু ২০০-৫০০ টাকার বেশি দিচ্ছে না।
সাতক্ষীরা
খুলনা ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না হওয়ায় সাতক্ষীরার পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার বেশিরভাগ পাম্পে মোটরসাইকেলপ্রতি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার তেল দেওয়ার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা শহরের একটি পাম্পে তেল নিতে আসা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মাত্র ৩০০ টাকার তেল পাওয়া যাচ্ছে। এতে দূরপাল্লায় যাতায়াত করা তাদের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরার এবি খান পেট্রোল পাম্পের মালিক তাছিন কবীর খান বলেন, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ অনেক কম। তাই যাতে সবাই কিছুটা হলেও তেল পায়, সে কারণে আপাতত মোটরসাইকেলপ্রতি ৩০০ টাকার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এ ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হবে।
রাজশাহী
নগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ সারি। তবে বেশিরভাগ পাম্পেই একজন গ্রাহককে ৩০০ টাকার বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে অনেক গ্রাহকের মধ্যেই ক্ষোভ দেখা গেছে।
নগরীর লতা ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল কিনতে আসা মোটরসাইকেলচালক রবিউল ইসলাম খোকন বলেন, আমি মোটরসাইকেল নিয়ে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে যাতায়াত করবো। কিন্তু আমাকে তেল দিল মাত্র ৩০০ টাকার। তেলের সংকট নেই, কিন্তু যুদ্ধের আতঙ্কে সবাই হুড়োহুড়ি করে তেল কিনছে।
কাশিয়াডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা আরেক মোটরসাইকেলচালক সোহেল রানা বলেন, সকালে এসে প্রায় আধা ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। তবুও ৩০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। এতে দূরের পথে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে।
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহন চালকরা চাহিদা অনুযায়ী পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন সরবরাহ পাচ্ছেন না। পাম্প মালিকদের দাবি, পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় চাহিদা মতো তেল দেওয়া যাচ্ছে না।
শুক্রবার সকাল থেকে শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘুরে গেলে দেখা যায়, বাস, পিকআপ ও মোটরসাইকেল চালকরা জ্বালানি তেল নিতে স্টেশনে ভিড় করছেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ তারা চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না।
উত্তরা থেকে যাত্রী নিয়ে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে যাচ্ছিলেন প্রাইভেটকারচালক মো. রাজু। তিনি বলেন, ‘পাম্পে জ্বালানির জন্য এসেছি। আমার গাড়ির জন্য প্রয়োজন ২০ লিটার কিন্তু পাম্প থেকে আমাকে দিচ্ছে ৪ লিটার। এখন বাকি পথ কীভাবে যাবো সেই চিন্তায় আছি।’
চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে ক্রেতারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছেন। অনেকেই বেশি পরিমাণ তেল নিতে এলেও কম তেল নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন। অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্প মালিকরা।
চুয়াডাঙ্গা শহরের একাডেমি মোড়ের মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্পের সহকারী ম্যানেজার আশাবুল হক বলেন, ‘আমরা খুলনার নোয়াপাড়া ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ করি। বর্তমানে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোটা সিস্টেম চালু হয়েছে। আগে দৈনিক তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার তেল বিক্রি হতো। এখন চাহিদা বেড়ে ১০-১২ হাজার লিটার বিক্রি হচ্ছে।’
রাজবাড়ী
রাজবাড়ীতে হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে তৈরি হচ্ছে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি। দীর্ঘ সময় সিরিয়ালে থেকে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত জ্বালানি না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে। একজন মোটরসাইকেলচালককে ২০০ এবং প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাসকে ৫০০ টাকার বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। শুক্রবার দুপুরে রাজবাড়ীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পেট্রোল পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় হয়তো গ্রাহকরা তেল মজুত করতে পাম্পে ভিড় করছেন। তবে ডিপো থেকে তেল না পাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী গ্রাহকদের জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে পারছেন না পাম্প মালিকরা। ফলে মোটরসাইকেল চালকদের ১০০ থেকে ২০০ এবং প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস চালকদের ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
গাইবান্ধা
গাইবান্ধায় হঠাৎ জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জেলার কিছু ফিলিং স্টেশনে এরইমধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। আর কিছু ফিলিং স্টেশনে শেষ পর্যায়ের দিকে। ফিলিং স্টেশনে কর্মচারীদের দাবি, তেল না আসায় ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ ।
বিকেলে গাইবান্ধা শহরে বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, মোটরসাইকেলচালকদের দীর্ঘ সারি। তেল পাওয়ার আশায় অনেকেই এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ঘুরছেন। যেসব ফিলিং স্টেশনে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোতে উপচেপড়া ভিড়।
গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনালে মেমার্স রহমান ফিলিং স্টেশনে তেল না থাকায় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ টানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা থেকে সাখাওয়াত হোসেন নামের বেসরকারি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা মোটরসাইকেলের তেল নিতে এসেছেন। দুটি স্টেশনে ঘুরে তিনি তেল পাননি। তিনি বলেন, ‘তেল না পেলে যে সমস্যায় পড়বো, তার কোনো সমাধান নেই। যদি তেল না পাই, তাহলে কীভাবে বাড়িতে যাবো, সেটাইতো বুঝতে পারছি না।’
ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে। কোনো পাম্পে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ লাইন, আবার কোনো পাম্পের সামনে রশি টানিয়ে জানান দেওয়া হচ্ছে জ্বালানি নেই। এ অবস্থায় বিড়ম্বনায় পড়েছেন জ্বালানি নিতে আসা লোকজন। বিকেলে মহানগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পেও একই অবস্থা।
নগরীর চায়নামোড় এলাকায় অবস্থিত মেসার্স হাইওয়ে ফিলিং স্টেশন। এই পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, পাম্পের সামনে রশি টানিয়ে রাখা হয়েছে। রশি দেখে যানবাহন নিয়ে চালকরা ফিরে যাচ্ছেন।
দিঘারকান্দা ও বাইপাস এলাকায় অবস্থিত পাম্পেও তেল নেই। ফলে অন্য পাম্পে তেলের সন্ধানে যাচ্ছেন চালকরা। অনেকে সড়কের পাশে বিভিন্ন দোকান থেকে খোলা তেল কিনছেন।
খায়রুল ইসলাম নামের একজন মোটরসাইকেলচালক বলেন, ‘কয়েকটি পাম্প ঘুরে তেল না পেয়ে অবশেষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সড়কের একটি দোকান থেকে তেল নিয়েছি। এখানে লিটার প্রতি ১০ টাকা বেশি নিয়েছে দোকানি। তবে কিছুদিনের মধ্যে তেলের দাম বাড়ার এবং সংকট বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আমার বন্ধু ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একটি পাম্প থেকে তেলের ট্যাঙ্কি ফুল করেছে।’
৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ
দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির বাধায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে খেয়ার মাহমুদপুর সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের প্রতিহত করে বিজিবি। পরে বিএসএফ ওই ৯ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
এদিকে, পুশ-ইনের চেষ্টা ঠেকাতে সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে বিজিবির নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
নওগাঁয় মানববন্ধন
ভারতে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে মানববন্ধন করেছেন নওগাঁর শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১টায় নওগাঁ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের গেটে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ‘উই স্ট্যান্ড উইথ ইন্ডিয়ান স্টুডেন্টস’, ‘পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ভারতের আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি’ প্রভৃতি লেখা সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন এবং ‘শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি, মানতে হবে, মানতে হবে’, ‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, নিশ্চিত করো, করতে হবে’, ‘শিক্ষার্থীর ওপর সহিংসতা, বন্ধ করো, করতে হবে’, ‘জাস্টিস ফর ইন্ডিয়ান স্টুডেন্টস’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ও নওগাঁ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী রাহাদ হাসান আকাশ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হায়ালিল, হাসিন আলমাস সমিত, মোঃ রাফিউল, মোঃ সোলেমান, সাগর হোসেন, তৌফিজুজ্জামান প্রমুখ।
রাহাদ হাসান আকাশ বলেন, ‘আমরা কোনো দেশের বিরুদ্ধে নই; শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার, স্বচ্ছ শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশের অধিকারের প্রতি সংহতি জানাতেই আজ একত্রিত হয়েছি। ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে বলপ্রয়োগের আমরা নিন্দা জানাই এবং আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তি ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করে বলতে চাই, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদ্যমান দুর্নীতি ও অনিয়ম দ্রুত সংস্কার করতে হবে। আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেখানে মেধা, পরিশ্রম ও সততার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপমহাদেশে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বসন্ত শুরু হয়েছে। চলমান আন্দোলন তারই একটি ধারাবাহিকতা। আমরা আমাদের ভারতীয় শিক্ষার্থী বন্ধুদের যৌক্তিক আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করছি।’
শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য আনা বাইসাইকেল মানসম্মত কিনা তা চালিয়ে পরীক্ষা করেন এমপি ফজলে হুদা বাবুল
নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য দেশের বিশিষ্ট টকশো ব্যক্তিত্ব ফজলে হুদা বাবুল বলেছেন, ফ্যাসিস্ট সরকার ১৭ বছরে দেশের শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে শিক্ষা ক্ষেত্রে বহুমুখী সংস্কার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। নারী শিক্ষার অগ্রগতির জন্য স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের লেখাপড়া সম্পূর্ণ অবৈতনিক করা এবং উচ্চশিক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারী ছাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধে ও মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই প্রথম দেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ তৈরির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বেলা ১১টায় এবং বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় এমপি তার নির্বাচনী এলাকা নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস, ব্যাগ ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের বাইসাইকেল আর দু:স্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত পৃথক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দানকালে এসব কথা বলেন।
শুক্রবার সকালে এমপি “ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতিত)” শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৮২ শিক্ষার্থীর মাঝে বাইসাইকেল ও ৫৫ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন এবং বৃহস্পতিবার বিকেলে এডিপির অর্থায়নে বকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৪ শিশুশিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ উদ্বোধন করেন। এমপি বিতরণের জন্য আনা বাইসাইকেল চালিয়ে সেগুলো মানসম্মত কিনা তা পরীক্ষা করে দেখেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমপির সাইকেল চালানোর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানজুরা মুশাররফ এসব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে সহকারি কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুন নাঈম বিনতে আজিজ, মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী, এমপির প্রতিনিধি সভাপতি সুলতান মামুনুর রশিদ মামুন, মহাদেবপুরে এমপির রাজনৈতিক সচিব মতিউর রহমান মতি, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইতি আরা, সাবেক ছাত্রনেতা অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, সফাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম বাচ্চু, বকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্ত লায়লা নাজনিন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এস এম হান্নান, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস সাজু, সাংবাদিক লিয়াকত আলী বাবলু, সাংবাদিক বরুণ মজুমদার, সাংবাদিক আমিনুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।#
আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে জাবেদ
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনা, মাদকদ্রব্য বেচাকেনা, অবৈধ অনুপ্রবেশ, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে জাবেদকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম চরজুবলি গ্রামের পঞ্চায়েত বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জাবেদ ওই বাড়ির আবুল মিয়া ও ছালেয়া খাতুন দম্পতির ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ২৪ জুলাই জাবেদের মা ছালেয়া খাতুন (৬৮) স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহানের কাছে ছেলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি বলেন, জাবেদ ও তার সহযোগী পিচ্চি মাসুদ (৩৭) ও সুমন (৩৪) তাদের বসতবাড়িকে কেন্দ্র করে মাদকদ্রব্য বেচাকেনা ও আইনবিরোধী রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৭ মে রাত ৮টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে দরজা-জানালা ও অন্যান্য মালামাল ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ সময় প্রতিবাদ করলে ছালেয়া খাতুন ও তার স্বামীকে মারধর করে আহত এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একই সঙ্গে তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, জাবেদের বিরুদ্ধে তার মায়ের একটি অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিস্ফোরক ও মারামারির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা রয়েছে। শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।
সালাহউদ্দিন সরকার
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি মো. সালাহউদ্দিন সরকার বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-২) পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে গত ২৩ জুলাই জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য তার এ নিয়োগ কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে সালাহউদ্দিন সরকারকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে। এছাড়া চুক্তির অন্যান্য শর্ত সরকার নির্ধারিত বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে।
বর্তমানে সালাহউদ্দিন সরকার জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি গাজীপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এবং গাজীপুর জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক রাজনীতি ও বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে সুপরিচিত।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি দেশব্যাপী অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছিল। দলীয়ভাবে দাবি করা হয়েছিল, সালাহউদ্দিন সরকারও একই ধরনের অনিয়মের শিকার হন।
সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও গাজীপুর-২ আসনে তাকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা সৃষ্টি হয়। প্রথমে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন এবং বৈধ প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচনী মাঠে ছিলেন। তবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দলীয় প্রার্থী এম. মঞ্জুরুল করীম রনির বিজয় নিশ্চিত করা এবং দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য বজায় রাখার স্বার্থেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। তাদের মতে, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থানের চেয়ে দলের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এ সিদ্ধান্ত দলীয় শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের প্রতি তার আনুগত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন, কর্মসূচি ও রাজনৈতিক সংগ্রামে সালাহউদ্দিন সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। দলীয় সূত্রের দাবি, বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলার মুখোমুখি হওয়া, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং শ্রমিক সংগঠনকে সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রেও তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট দলীয় সূত্রের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সক্রিয়তা, শ্রমিক রাজনীতিতে নেতৃত্ব, দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এ নিয়োগকে শুধু একটি প্রশাসনিক পদায়ন হিসেবে নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার স্বীকৃতি হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
শিক্ষার্থী আরিফুল হক নাহিদ
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) স্থাপত্য বিভাগের তৃতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী আরিফুল হক নাহিদ বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয়েছে।
অপহরণকারীরা তার দুটি মোবাইল ফোন, যার মধ্যে একটি আইফোন, একটি ল্যাপটপ ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের কাছে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে।
সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে নাহিদ ডুয়েট ক্যাম্পাস থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয় পরে পথিমধ্যে নরসিংদী এলাকায় তিনি অপহরণের শিকার হন। এরপর অপহরণকারীরা তার সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয় এবং তার ওপর মারাত্মকভাবে শারীরিক নির্যাতন করে।
এব্যাপারে ২৩ জুলাই রাতে ডুয়েটের ছাত্র আরিফুল হক নাহিদের বড় ভাই বাদী হয়ে নরসিংদী জেলা শিবপুর থানায় অভিযাগ দায়ের করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে অপহরণকারীরা নাহিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে পরিবার এক ১লাখ ২০ হাজার মুক্তিপণের টাকা বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অপহরণকারীদের দেয়া বিকাশ ও নগদ নাম্বার প্রেরন করে ঐদিন রাত আনুমানিক সারে ৯টা তাকে নাহিদ তাদের হাত থেকে মুক্তি পায়।
বর্তমানে নাহিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে অবস্থান করছেন।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, শারীরিক নির্যাতনের কারণে তিনি সারা শরীরে ব্যথা অনুভব করছেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামে রয়েছেন।
ভুক্তভোগী আরিফুল হক নাহিদ ডুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের তৃতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।