আবু সালেহ ও জাহাঙ্গীর আলম প্রধান

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৪:৫১ এএম

বিশিষ্ট ছড়াকার আবু সালেহকে চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা জাহাঙ্গীর আলম প্রধানকে মহাসচিব করে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের ২০৫ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনিবাহী কমিটি গঠন করা হয়।


চেয়ারম্যান: আবু সালেহ


ভাইস চেয়ারম্যান- শামসুদ্দিন হারুন, আসাদুজ্জাম্মান আসাদ, কামার ফরিদ, আনোয়ারুল কবির ভুলু, সাহাদাত হোসেন, বুলবুল আহমেদ, সৈয়দ শফি, নির্মল চক্রবর্তী, সাজ্জাদ আলী সন্তোষ (বগুড়া), আবদুস সবুর (রাজশাহী), সামছুল আলম স্বপন (চট্টগ্রাম),  ফকির শওকত, আবদুল গাফ্্ফার মাহমুদ, মো. লুৎফুর রহমান, ফরিদ আহমেদ রিপন, মোহাম্মদ শাহ আলম শফি (কুমিল্লা), মোস্তফা আকমল, শামিমা চৌধুরী, কামরুল হাসান দর্পণ, মতিউর রহমান টুকু, রাশেদুল ইসলাম (খুলনা), মঈন উদ্দিন কাদেরী শওকত (চট্টগ্রাম), সুকুমার সরকার, এ জেড এম খায়রুজ্জামান, জহিরুল হক রানা, মাহবুবুর রহমান (বরিশাল), খায়রুল ইসলাম (ময়মনসিংহ), আহসানুল হক টিটু (রংপুর), জিয়াউর রহমান মধু, সৈয়দ রনো, আখলাকুল আম্বিয়া (সিলেট), আহমেদ করিম, আনোয়ারুল কবীর নান্টু।


মহাসচিব: জাহাঙ্গীর আলম প্রধান


অতিরিক্ত মহাসচিব: মো. জাকির হোসেন, তারিক আল বান্না, মূর্তাজা সাঈদ টিসু, কাজী মিজান, শাহাবুদ্দিন চৌধুরী, আফজাল বারী, ইকবাল হাসান নান্টু, আজাহার আলী সরকার, সৈয়দ আফজাল বাকের, আবদুল বাছেত, গোলাম মাওলা, মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব, রবিউল্লাহ রবী, আবুল কালাম আজাদ, নজরুল ইসলাম মুকুল।


সাংগঠনিক সম্পাদক: লিটন এরশাদ, তরঙ্গ আনোয়ার, মশিউর রহমান রুবেল, মোহাম্মদ মাসুদ, মনিরুজ্জামান দেওয়ান মানিক।


চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: এ এইচ এম মাহবুবুর রহমান, খোরশেদ আলম শিকদার, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ হোবাইব, মোহাম্মদ মোরশেদ, কবির হোমেসন টিটু, মো. আলমগীর শিপন, মো. সিরাজুল ইসলাম।


ময়মনসিংহ বিভাগীয় সম্পাদক: গোলাম কিবরিয়া, গোলাম মাওলা।


গাজীপুর বিভাগীয় সম্পাদক: হিরন প্রধান, আবুল হোসেন চৌধুরী বাদল, জুম্নন ফারুক।


রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: আবদুস সবুর, ফজলে রাব্বি ডলার ।


বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: আবদুস সালাম বাচ্চু, গোলাম কিবরিয়া, মিজানুর রহমান সুমন, ফরিদ আহমেদ।


সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: ওমর ফারুক আল হাদী, ড. মানজুর আহমেদ, ওয়ালিদ তালুকদার।


আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক: আবু জুবায়ের মুহাম্মদ মেরাবিল্লাহ।


প্রকাশনা সম্পাদক: মো. জাকির হোসেন।


সহ-প্রকাশনা সম্পাদক: মো. গোলাম মোস্তফা কাজল, ইউনুস আলী আলাল, শাহীন গাজী।


প্রচার সম্পাদক: জেসমিন জুঁই।


সহ-প্রচার সম্পাদক: তালুকদার বেলাল, আলমগীর মতিন চৌধুরী ও মো. হুমায়ুন কবির।


অর্থ সম্পাদক: আবদুল হালিম।


সহ-অর্থ সম্পাদক: মিয়া আবদুল হান্নান, ইমরান হোসেন মজুমদার, জসিম মেহেদী, বদরুল আলম।


তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: মো. আশরাফুল ইসলাম, নাঈমুল করীম, শাহরিয়ার পলাশ, মো. মহসীন হোসেন, সেলিম উল্লাহ মেজবাহ, খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান।


ধর্মবিষয়ক সম্পাদক: মজিবুর রহমান সরকার।


সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক: গাজী মহিউদ্দিন ফিরোজ।


সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: এম সামাদ মতিন।


সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: ফরিদ উদ্দিন সিদ্দিকী, সৈয়দ সালেহ ইমরান, গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, মুঈদ হোসেন আরিফ, মতিউর রহমান সরদার, আজিজুল হক মিন্টু।


নারী বিষয়ক সম্পাদক: দেওয়ান মাসুদা সুলতানা।


সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক: শেখ শায়ন্ত শিলা।


ক্রীড়া সম্পাদক: মো. আমিনুল ইসলাম।


সহ-ক্রীড়া সম্পাদক: মাহমুদুল হাসান বিপ্লব শিকদার।


দফতর সম্পাদক: মো. ফারুক হোসেন (শাহরুখ)।


আইন সম্পাদক: নাসির উদ্দিন সিদ্দিকী, প্রদীপ কুমরি পাল, ফরিদ আহমেদ।


সংস্কৃতি সম্পাদক: মীর হোসেন মিরন।


সহ-সংস্কৃতি সম্পাদক: মহসীন আহমেদ স্বপন, শেখ আনোয়ার, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।


সদস্য 


শিকদার আলমগীর, মোমিন হোসেন, পাবেল আল মাজি, কাজী বোরহান উদ্দিন, মোরশেদ আলম, মাহবুব রশিদ, খন্দকার আসাদ-উজ জামান (সুমন), জহিরুল হক শামিম, সালাম ফারুক, শাহানুজ্জানমান টিটু, মো. শফিকুর রহমান শফিক, আশরাফ উদ দৌলা সুমন, মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, মোস্তফা মতিহার, মো. আলমগীর হোসাইন খান, রাজু আহমেদ, মো. রফিকুল ইসলাম সরকার, মিজানুর রহমান, জোনায়েদ রাশেদ,


টিপু সুলতান, মকবুল হোসেন মজুমদার, মেহেদী আজাদ মাসুম, সৈয়দ মাহমুদুল কবির আনিস, আখতার-উজ-জামান, হাবিবুর রহমান, মিজানুর রহমান, ইরান হোসেন, আবুল খায়ের তাপাদার, আকাশ মিয়াজি, আলী হোসেন, শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, এ এইচ কামরুল, আখতার হোসেন বাবু, ওয়াহিদুল ইসলাম নোমান, গোলাম মোরশেদ, শওগাতুল আলম, আল আমীন সেলিম, মো. জামাল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, রতন কুমার সাহা, অমর সাহা, নুরুল হোসেন কাইয়ুম, সিরাজ-উদ-দৌলা, মুফিকুর রহমান বাদল, ইকবাল আহমেদ, আবু ইসা, জাকিয়া সুলতানা, আবদুল মান্নান, শহিদুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া (বরিশাল), আবদুল মতিন. ফরিদ আহমেদ, 


ইস্রাফিল খান বাবু, বাদল হাওলাদার, মোস্তাক আহমেদ, মহি আল ফয়সাল, মো. মনিরুজ্জামান, মনোয়ার কানন,  আবু সাইদ, মো. তোফাজ্জল হোসেন, গাজী শফিকুল ইসলাম, মো. আল মামুন, ফারুক আহমেদ সুজন, মো. রফিকুল ইসলাম, গোলাম মাওলা, মোশাররফ হোসেন, কে আর মুরাদ, এ আর হানিফ, আবু জাফর আবদুল্লাহ, আবদুল আলী, এম জামান, এম এ গনি, নূরুন নবী, আবদুর রহিম রনো, নাছিম মাহমুদ, মশিউর রহমান সুমন, নাইমুল কবির, মোস্তাক আহমেদ, ইস্রাফিল খান বাবু, মো. মনিরুজ্জামান বাবু, তোফাজ্জল হোসেন  ফুয়াদ, মো. রেজাউল করিম। (আ্ংশিক)


উপদেষ্টামন্ডলী


গোলাম তাহাবুর, এম আবদুল্লাহ, নূরুল আমিন রোকন, মাহমুদ শফিক, সামছুল হক দুররানী, সৈয়দ তোসারফ আলী, গোলাম মহিউদ্দিন খান, আব্দুল আউয়াল ঠাকুর, কাজিম রেজা।




ভূমিমন্ত্রীর হাতে নিমের বীজ তুলে দেন বৃক্ষপ্রেমী তাল বেলাল

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:২৪ পিএম

নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহাসড়কের ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের দুপাশে লক্ষাধিক তালের বীজ বপণ করে “বৃক্ষপ্রেমী তাল বেলাল” নামে পরিচিতি পাওয়া নওগাঁর সাংবাদিক মাহমুদুন নবী বেলাল এবার ভূমি মন্ত্রীর হাতে ২৫ কেজি দেশি নিম গাছের বীজ তুলে দিয়েছেন। 


আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজশাহীতে চলমান ১৫ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা প্রাঙ্গনে আয়েজিত অনুষ্ঠানে বেলাল বীজগুলো ভূমি মন্ত্রী আলহাজ মিজানুর রহমান মিনু এমপির মাধ্যমে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে দেন।


এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, সামাজিক বন বিভাগ রাজশাহীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. জাহাঙ্গীর আলম, সামাজিক বন অঞ্চল বগুড়ার বন সংরক্ষক মুহাম্মদ সুবেদার ইসলাম, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন।


বীজ হস্তান্তরকালে ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি নাগরিকের গাছ লাগানো উচিত। আমাদের প্রিয় নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে ‘বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান নিয়ে যে সবুজায়নের ডাক দিয়েছেন, নওগাঁর তাল বেলালের এই উদ্যোগ সেই কর্মসূচিকে আরও গতিশীল করবে। নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কসহ বিভিন্ন স্থানে তাঁর গাছ রোপণের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও শ্রম সত্যিই প্রশংসনীয়। পরিবেশ রক্ষায় এমন প্রতিটি নাগরিক উদ্যোগকে আমাদের সরকার সবসময় স্বাগত জানায়।” 


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারি বনায়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি এমন সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের উদ্যোগে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা আরও বাড়বে।” 


বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল বলেন, ‍“দেশি নিম গাছ আমাদের পরিবেশ, প্রকৃতি ও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষকে গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করছেন। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে একজন সাধারণ গাছপ্রেমী হিসেবে আমি এই ক্ষুদ্র অবদান রেখেছি। মাননীয় ভূমি মন্ত্রী ও বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের সরাসরি অংশগ্রহণে আজ বন বিভাগের কাছে এই বীজ পৌঁছাতে পেরে আমি আনন্দিত।”


বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর এমন সবুজ কর্মসূচি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই বীজগুলো নার্সারিতে চারা তৈরিতে ব্যবহার করা হবে, যা পরবর্তীতে দেশের সবুজায়নে অনন্য ভূমিকা রাখবে। 


অনুষ্ঠানে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি, নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার সদস্যবৃন্দ, বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ্য, বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের প্রায় ৭৫ কিলোমিটার রাস্তার পাশে সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে ২০১৭ সাল থেকে তাল বীজ রোপণ করে আসছেন। এর পাশাপাশি তিনি জেলার বিভিন্ন রাস্তার পাশে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ফলজ, বনজ, ওষুধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা রোপণ করে সারা দেশের মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পরিবেশ রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। 


বাণিজ্যমন্ত্রী

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:১০ পিএম

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট শহরের যানজট নিরসনে আম্বরখানা থেকে লাক্কাতুরা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা সিলেটবাসীর জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ হবে। তিনি আজ (শনিবার) সিলেট সার্কিট হাউসে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 


সড়ক নির্মাণকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হয়ে মন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রধান সড়কগুলোর নির্মাণকাজ এবং চলমান প্রকল্পসমূহ পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।


মন্ত্রী বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতায় ৪২টি ওয়ার্ড রয়েছে। এসব ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একাধিক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট শহর আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল নগরীতে পরিণত হবে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সড়ক অবকাঠামোসংক্রান্ত প্রধান সমস্যাগুলোরও সমাধান হবে। 


তিনি আরও বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শহরের ছড়াগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে এবং বর্ষাকালে বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। পানির উৎস থেকে নদী পর্যন্ত প্রাকৃতিক প্রবাহের সুষ্ঠু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। 


সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরের জামান চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেটের সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ চলমান রয়েছে। সিলেট থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ হয়ে মৌলভী বাজার গামী সড়কটি আরও প্রশস্ত করা হবে। একইভাবে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লাক্কাতুরা এবং লাক্কাতুরা থেকে টিবি গেট পর্যন্ত একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।


ডা. শফিকুর রহমান

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:৫৩ পিএম

জুলাই গণহত্যার বিচার, সংবিধান সংস্কার এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সিলেটে বিশাল বিভাগীয় সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। 


আজ শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন বিভাগে ধারাবাহিক কর্মসূচির পর সিলেটের এই আয়োজনের মধ্য দিয়েই জোটের বর্তমান দফার কর্মসূচি শেষ হলো। 


সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “এখন যারা সরকার গঠন করেছেন তারাও মজলুম ছিলেন। কিন্তু তারা ভুলে গেছেন সেই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথ ধরেই তারা হাঁটা শুরু করেছেন। সমাজের সবক্ষেত্রে তারা বেপরোয়া, নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ করতে চাচ্ছেন। আমরা মানব না, হাসিনা তাড়িয়েছি, যদি ফ্যাসিবাদ আপনারা কায়েম করেন তবে জনগণ আপনাদেরকেও তাড়াবে।” 


সিলেটের আঞ্চলিক বঞ্চনা ও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের মানুষ জেনারেল ওসমানীর নেতৃত্বে লড়েছিলেন। সেই সিলেটের কিছু ন্যায্য দাবি যুগ যুগ ধরে ঝুলে আছে, বাস্তবায়ন হচ্ছে না। প্রবাসীবহুল এলাকা হিসেবে নামমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে, এখনো তা পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। আজকের এই সমাবেশ থেকে দাবি করছি অবিলম্বে সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করুন।” 


ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেহাল অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, “সমুদ্রের ঢেউ উপলব্ধি করার জন্য বঙ্গোপসাগরে যাওয়ার দরকার নেই, ঢাকা থেকে সিলেট আসলেই তা বোঝা যাবে। আমরা চাই অবিলম্বে এই রাস্তা সম্পন্ন করে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া হোক।” 


সিলেটের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় হবে। কলেজটি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কেন? এটাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করে প্রাণ দেওয়া হোক। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো দৃশ্যমান কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে না। অবিলম্বে এটাকে পূর্ণাঙ্গতায় রূপ দেওয়া হোক।”


বর্তমান প্রশাসনের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “আরও অনেক দাবি সিলেটবাসীর আছে। আমরা জানি না আমরা কার কাছে এসব দাবি করছি, এবং আদৌ তারা এসব দাবি বাস্তবায়ন করবে কি না আমরা জানি না।”


আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ ও গণভোটের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আজকের এই বিভাগীয় সমাবেশ আমাদের শেষ সমাবেশ। সারা বাংলাদেশ আমরা ঘুরেছি। মানুষের একই দাবি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। সত্তরভাগ মানুষ হ্যাঁ বলেছে। এখন আমাদের হ্যাঁ ভোটের বাস্তবায়ন দেখতে চাই।"


লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। সমাবেশকে কেন্দ্র করে সিলেটের চার জেলা থেকে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটে। এর আগে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া অঙ্গীকার এবং সংবিধান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে বর্তমান সরকার সরে আসার প্রবণতা দেখাচ্ছে, যার প্রতিবাদেই এই রাজপথের কর্মসূচি।


নিহত শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ ইমন

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:৪৩ পিএম

নওগাঁয় ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছিল শাহরিয়ার আহমেদ ইমন (২৫) নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ। তিনি জেলার মান্দা উপজেলার মাগুরা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। আজ শনিবার সকালে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশ শহরের বাঙ্গাবাড়িয়া মধ্যপাড়া মহল্লার জননী ছাত্রাবাসের ওই কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।


সংশ্লিষ্টরা জানান, ইমন নওগাঁ সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। জননী ছাত্রাবাসের ১০৯ নম্বর কক্ষের ডবল রুমে একাই ভাড়া থাকতেন তিনি। তার পরিবারের সদস্যরা শুক্রবার রাতে মোবাইলফোনে কল করেও তার কোন সাড়া না পেয়ে শনিবার সকাল ৭ টার দিকে তার মামা ওই ছাত্রাবাসে আসেন। এ সময় ইমনকে বার বার ডাকাডাকি করেও কোন সাড়া না পাওয়ায় ছাত্রাবাসের অন্যদের সহযোগিতায় বন্ধ দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে সিলিং ফ্যানের সাথে তার মরদেহ ঝুলতে দেখতে পান। পরে থানা পুলিশে খবর দেয়া হয়।


নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধ্যানে তদন্ত চলছে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৩৩ পিএম

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে জলাবদ্ধতার ঘটনার জেরে সাত শিক্ষককে ওএসডির পর সংযুক্ত কলেজে বদলি ঠেকাতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। 


এসময় বদলি হওয়া এক শিক্ষক আন্দোলন বন্ধ করতে অশ্রুসিক্ত শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করেন।


এসময় তারা ক্যাম্পাসে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সমাধান, শিক্ষাকদের বদলি স্থগিতসহ বিভিন ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দেন।




শিক্ষার্থীরা ‘শিক্ষকদের বদলি নয়, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান চাই’, ‘৭ শিক্ষকের অপরাধ কী, জবাব চাই’, ‘শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা করুন’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের দাবি, কলেজের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান না করে শিক্ষকদের বদলির সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।


শিক্ষার্থীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। হঠাৎ করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করা উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমাদের কোনো কোনো বিভাগে ২-৩ জন শিক্ষক রয়েছে। এদের মধ্যে থেকে হঠাৎ করে বিনা কারণে শিক্ষকদের বদলি করা হলে ওই বিভাগে শিক্ষার মান তলানিতে নেমে যাবে।


তারা আরও বলেন, শুধু মহিলা কলেজ নয়, পুরো কুমিল্লা নগরীতেই জলবদ্ধাতার সমস্যা রয়েছে। তাছাড়া এইচএসসি পরীক্ষার দিন ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতায় শিক্ষকদের কোনো হাত নেই। তাহলে কেন তাদের বদলি করা হবে। আমরা এই বদলি মানি না। অবিলম্বে এটি প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় শুধু মহিলা কলেজ নয়, আন্দোলন কুমিল্লাসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে।


ক্যাম্পাসে আন্দোলনের এক পর্যায়ে বরগুনা সরকারি কলেজে বদলির আদেশ পাওয়া ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করতে বলেন। 


এসময় তাকে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘আমি সরকারি চাকরি করি, তোমার আমার চাকরিটা খাইও না, আমি তোমাদের কাছে মাফ চাই। বদলি আমার চাকরির অংশ। তোমাদের কাছে অনুরোধ।’


এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা কর্মসূচির ব্যানারটি হাতে নিয়ে দুমড়ে মুচড়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে কান্না করতে করতে শিক্ষার্থীদের হাত ধরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।


এবিষয়ে কুমিল্লা মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীন বলেন, শিক্ষার্থীরা নিজ ইচ্ছায় আন্দোলন করছে। বিষয়টি আমার নজরে আসার পর আমি আন্দোলন বন্ধ করতে চেয়েছি। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না।


৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:০৬ পিএম

দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির বাধায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। 


আজ শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে খেয়ার মাহমুদপুর সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের প্রতিহত করে বিজিবি। পরে বিএসএফ ওই ৯ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।


এদিকে, পুশ-ইনের চেষ্টা ঠেকাতে সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে বিজিবির নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।