সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে পিকেটার সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করে

  • প্রকাশ : রবিবার ১১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:০২ পিএম

রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।


এতে সাজেকে যাতায়াতকারী পর্যটকদের ভ্রমণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সাজেকে অবস্থানরত বেশ কিছু পর্যটক আটকা পড়েছেন বলে জানা গেছে।


স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকেই সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। এতে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালাগামী সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।


এর আগে শনিবার বিকেলে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) নাম ব্যবহারকারী একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকে ধারাবাহিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে।


পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষার দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।


সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা বলেন, ‘জেএসএস নামধারী সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আমরা এই অবরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকার তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’


এদিকে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রের লাইনম্যান মো. ইয়াছিন আরাফাত জানান, শনিবার সরকারি নিরাপত্তা বহর বা স্কর্টের সঙ্গে ছোট-বড় গাড়ি ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে ৯০টি যানবাহন সাজেকে প্রবেশ করেছে। এসব যানবাহনে প্রায় ৯০০-এর বেশি পর্যটক সাজেকে পৌঁছেছেন।


সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা বলেন, অবরোধের কারণে আগের মতো দুই দফার পরিবর্তে দুপুর ২টায় একবার স্কর্ট চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। ওই স্কর্টে পর্যটকদের সাজেক থেকে নামানো এবং নতুন পর্যটকদের প্রবেশের ব্যবস্থা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


এ বিষয়ে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি।




  • প্রকাশ : রবিবার ১১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৪৫ পিএম

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন,সিলেটের অঞ্চলের মৌলিক সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো সাংবাদিকেরা তাদের লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকার যেসব সমস্যা যে মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত, সেগুলো সমাধানে তিনি কাজ করার আশ্বাস দেন।


সিলেটের দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার। এমনকি বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেও অর্থাভাবে যাতে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন থেমে না যায়, সে বিষয়েও সরকার উদ্যোগ নেবে।  শনিবার বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাব-নূর ফাউন্ডেশন আয়োজিত শিক্ষা সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


সিলেট প্রেসক্লাবের আমীনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূর। প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম এবং জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকার সহ-সভাপতি তোফায়েল খান।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, অর্থের অভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন পড়াশোনা থেকে ঝরে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। শুধু সিলেট নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছেলে-মেয়েরাও এ সহায়তার আওতায় আসবে। মেধার বিকাশে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


তিনি বলেন, দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট অঞ্চলে শ্রমিক কল্যান ফাউন্ডেশনের পক্ষ শনিবার প্রায় ৪৮ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের চিকিৎসার জন্যও দেশব্যাপী আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। রিকশাচালকসহ নিম্ন আয়ের মানুষও এ সহায়তার আওতায় রয়েছেন।


সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে তাঁদের সমস্যা চিহ্নিত করা এবং কার্যকর সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


সভাপতির বক্তব্যে নূর ফাউন্ডেশনের উদ্যোক্তা ও সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি মুকতাবিস উন নূর বলেন, শিক্ষার প্রসার ও মানুষের কল্যাণের চিন্তা থেকেই নূর ফাউন্ডেশনের শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শিক্ষক পরিবারের সন্তান হিসেবে শিক্ষার প্রতি তাঁর পরিবারের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তাঁর প্রবাসী ভাইয়ের সহযোগিতায় শুরু হওয়া এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।


তিনি জানান, পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মকেও এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে ফাউন্ডেশনের তহবিল এক কোটি টাকায় উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে তাঁদের। এ অর্থ ওয়াক্ফভিত্তিক স্থায়ী আমানত হিসেবে সংরক্ষণ করে এর আয় থেকে প্রতিবছর শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কাজে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।


সিলেট প্রেসক্লাবের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ইতিহাস তুলে ধরে মুকতাবিস উন নূর বলেন, ১৯৭৭ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৫০ হাজার টাকার অনুদানের মধ্য দিয়ে প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ভবনটির সম্প্রসারণ ঘটে। সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সিলেট প্রেসক্লাবকে সাততলা ভবনে রূপ দেওয়ার স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামসুল ইসলাম বলেন, নূর ফাউন্ডেশনের শিক্ষা সহায়তা উদ্যোগ সিলেট প্রেসক্লাবের সদস্য ও তাঁদের সন্তানদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজকে আলোকিত করার পাশাপাশি শিক্ষার প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


তিনি বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অসুস্থ শ্রমিকদের চিকিৎসা সহায়তা এবং তাঁদের সন্তানদের শিক্ষা ও শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। এসব কার্যক্রম সম্পর্কে আরও বেশি মানুষকে জানানো গেলে শ্রমজীবী পরিবারগুলো উপকৃত হবে। এ ধরনের উদ্যোগ উপজেলা পর্যায়েও ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


শামসুল ইসলাম আরও বলেন, অর্থের অভাবে কোনো শিশুর স্বপ্ন নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। শিক্ষা প্রসার, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং নৈতিকতাসম্পন্ন সমাজ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সিলেট প্রেসক্লাবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি সাংবাদিকদের কল্যাণে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকার সহ-সভাপতি তোফায়েল খান তাঁর বক্তব্যে সাংবাদিকদের সমাজের বিবেক ও দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করেন। 


তিনি বলেন, সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে অবহেলিত মানুষের দুর্দশা ও বঞ্চনার চিত্র উঠে আসে, যা সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সিলেট প্রেসক্লাবের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্মরণীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


অনুষ্ঠানে সিলেট প্রেসক্লাবের নেতারা সাংবাদিকদের চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর কল্যাণ তহবিল গঠনের দাবি জানান। তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে অনেক সাংবাদিককে আর্থিক সংকটে পড়তে হয়। তাঁদের চিকিৎসা ও দুর্দিনে পাশে দাঁড়াতে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জরুরি। বক্তারা সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীদের বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ট্রেনের আসন ও টিকিট সংকট, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনে জটিলতা এবং প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় সেবা সহজ করার বিষয়েও মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।


অনুষ্ঠানে সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ও সিলেটবাণীর নির্বাহী সম্পাদক এম এ হান্নান, সাবেক সহসভাপতি জিয়াউস শামস শাহীন, সহ-সভাপতি ফয়সল আলম, দৈনিক ইত্তেফাকের ব্যুরোপ্রধান হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, দৈনিক নয়াদিগন্তের ব্যুরোপ্রধান আব্দুল কাদের তাপাদার, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন, প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ফয়ছল আমিন ও প্রেসক্লাবের সহসাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ বক্তব্য দেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ক্লাব সদস্য এম এ মতিন। পরে অতিথিকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা। অনুষ্ঠানে মোট ১৮ জনের হাতে শিক্ষা সহায়তার অর্থ প্রদান করা হয়।

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৯ পিএম
  • আপডেট : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৯ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

চুয়াডাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

পুরুষ বিভাগে দামুড়হুদা এবং মহিলা বিভাগে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা চ্যাম্পিয়ন


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৯ পিএম

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের উদ্যোগে  জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।


শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে উৎসবমুখর পরিবেশে এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।




প্রতিযোগিতার জমজমাট ফাইনালে পুরুষ বিভাগে দামুড়হুদা থানা দল এবং নারী বিভাগে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।




মহিলা বিষয় চুয়াডাঙ্গা সদর থানা চ্যাম্পিয়ন এবং পুরুষ বিভাগে রানার আপ হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার নবাগত  ওসি মনিরুজ্জামান সকল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা বালক বালিকা উভয় টিমের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান। ফাইনাল খেলা শেষে জমকালো ও পরিপাটি আয়োজনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন এবং চ্যাম্পিয়ন -রানার আপ দলের মাঝে ট্রফি ও  পুরস্কার বিতরণ করেন। চুয়াডাঙ্গার  পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার। 


টুর্নামেন্টে চমৎকার খেলে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট ও ম্যান অফ  দি ফাইনাল নির্বাচিত হন দামুড়হুদা থানা পুরুষ  দলের খেলোয়াড় হাসান আলী। এছাড়া বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দল চুয়াডাঙ্গা সদর থানার জুলি খাতুন ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত হন । 


পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার বলেন, কমিউনিটি পুলিশের মূল লক্ষ্যই হলো পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা। খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক, মোবাইল,জোয়ার মতো অপরাধ এবং সব ধরনের সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখে। আমাদের জাতীয় খেলা কাবাডি কেবল শারীরিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য ও শৃঙ্খলার প্রতীক। আমি আশা করি, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গার যুবসমাজ আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং আমরা সবাই মিলে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সুন্দর চুয়াডাঙ্গা গড়ে তুলতে পারব।”


অনুষ্ঠানটি চমৎকারভাবে সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মিনহাজুল ইসলাম।


উক্ত ফাইনাল ম্যাচে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান,আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)রাকিবুল ইসলাম, জীবননগর থানার ওসি সোলাইমান হক,দর্শনা থানার ওসি নজরুল ইসলাম, এবং পুলিশ লাইন্সের আর আই আব্দুস সামাদ, ডিস্টোর ইনচার্জ সাব ইন্সপেক্টর রবীন্দ্রনাথ সরকার সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।


 তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপে সমাপনী দিনে  নারী-পুরুষ উভয় বিভাগের ফাইনালে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।


পুরুষ বিভাগের ফাইনালে দামুড়হুদা থানা দল একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ৫৯-২২ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা দলকে পরাজিত করে  চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।  অন্যদিকে, নারী বিভাগে তুমুল লড়াইয়ের পর চুয়াডাঙ্গা সদর থানা দল ৩৭-৩০ পয়েন্টে দামুড়হুদা থানা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে।


তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা গুলো পরিচালনা করেন রকিবুল ইসলাম (ইসলাম রকিব),ফিরোজ উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, আব্দুল হাই, বিলকিচ নাহার,আইরিন ইসলাম ও মনসুর আলী। 


উল্লেখ্য, ১ম পুলিশ কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী  নারী-পুরুষ সকল টিমের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার পুরস্কারের ব্যবস্থা করেন। যা ছিল চুয়াডাঙ্গা পুলিশ কাবাডির ইতিহাসের এক অনন্য সুন্দর অধ্যায়।


সে কারণে চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণকারী শতাধিক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের প্রশংসায় ভাসছেন চুয়াডাঙ্গার নবাগত পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার।


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৬ পিএম

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগরে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভাড়াটিয়া হেলমেট বাহিনী দিয়ে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি দখলের চেষ্টা ও হামলা চালিয়ে নারী শিশুসহ দুজনকে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। 


গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নের জগন্নাথ পট্টি গ্রামের তৈয়ব শরীফের বাড়িতে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। 


এলাকাবাসী জানায়, জগন্নাথ পট্টি গ্রামের তৈয়ব শরীফের সাথে ভাগ্যকুল মান্দ্রা গ্রামের রশিদ দেওনের মধ্যে জমি নিয়ে আদালতে মামলার চলে আসছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটার দিকে রশিদ দেওয়ানের নেতৃত্বে ১৪ টি মোটরসাইকেল যোগে ২৭/২৮ জন হেলমেট পরিহিত বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তৈয়ব শরীফের বাড়িতে হামলা চালালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় তৈয়ব শরিফের স্ত্রী হাফেজা সুলতানা (৩৫) ও তার ছেলে তানিম হোসেন (১৪) আহত হয়। 


ভুক্তভোগ ব্যবসায়ি তৈয়ব শরীফ বলেন, ভাগ্যকুর মান্দা গ্রামের রশিদ দেওনের সাথে জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। মুন্সিগঞ্জ আদালত ওই জমির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রশিদ দেওয়ান বহিরাগত হেলমেট বাহিনী ভাড়া করে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। সন্ত্রাসী হামলায় আমার স্ত্রী ও ১৪ বছরের ছেলে  আহত হয়। এ ঘটনা আমি শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি। শ্রীনগর থানার এস আই গণেশ বলেন অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটানস্থল পরিদর্শন করেছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিএনপি নেতা আবু তাহের আজাদ কারাগারে

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:১৩ পিএম

মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. আবু তাহের আজাদকে (৪৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে চাটখিল থানা পুলিশ তার নিজ এলাকা রেজ্জাকপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করে। পরদিন শনিবার (১০ অক্টোবর) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।


জিডি থেকে ওয়ারেন্ট চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. হোসেন তানভীর (৩৪) ঢাকার মিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। সেই জিডির প্রেক্ষিতে ওয়ারেন্ট জারি হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।


হোসেন তানভীর অভিযোগ করে বলেন, "চাটখিল উপজেলা বিএনপি নেতা মো. আবু তাহের আজাদ এবং চাটখিলের বাসিন্দা অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. কাজী পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে আমার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছে। প্রবাসে থাকা পারভেজের প্ররোচনায় আবু তাহের আজাদ আমাকে ও আমার পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, ফেসবুকে ও ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।"


তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত এমন হুমকির কারণে তিনি ও তার পরিবার মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন জানিয়ে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় চাটখিল থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।


দলীয় ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন গ্রেফতারের বিষয়ে ছাত্রদলের সাবেক আরেক নেতা আহসান হাবিব অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে রেজ্জাকপুর ওয়ার্ডে আবু তাহের আজাদ দলের সাংগঠনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে চলেছেন। তার ভাষ্য, চাঁদাবাজি, নলকূপ, বাথরুম ও পুকুরের গাইড ওয়াল-জাতীয় সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ এবং সালিশ বাণিজ্যের মাধ্যমে মানুষকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি।


আহসান হাবিব চাটখিল উপজেলা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "যার এসব অপকর্মের কারণে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।"


চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, "আসামির বিরুদ্ধে মোবাইল ফোনে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মিরপুর মডেল থানায় জিডি ছিল। ওয়ারেন্ট জারি হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সকল আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।"


তিনি আরও বলেন, এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বাত্মক সচেষ্ট রয়েছে।


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৭ পিএম

"হাজার কোটির রাজস্ব যোগান দলিল লেখকদের অবদান" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনায় ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দলিল লেখকদের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় খুলনা দলিল লেখক সমিতির আয়োজনে খুলনা শহীদ হাদীস পার্কে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে খুলনা বিভাগের সকল দলিল লেখকগণ উপস্থিত ছিলেন। এসময় খুলনা জেলা দলিল লেখক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং জেলা দলিল লেখক সমিতির নেতা বাহাউদ্দীন খন্দকার ও ফিরোজ হাসানের সঞ্চালনায় বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। 


প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান এম. এ রশিদ, বিশেষ বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির মহাসচিব কে. এম টমাস হোসেন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হক মিয়া। এছাড়া খুলনা বিভাগের সকল জেলা ও উপজেলা থেকে কয়েক শতাধিক দলিল লেখক উপস্থিত ছিলেন।


এসময় দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান এম এ রশিদ বলেন, আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না" এবং "দলিল লেখকদের পারিশ্রমিক হিসাবে দলিল প্রতি ন্যূনতম ৫০০০/= টাকা সম্মানী ভাতা" সহ ৭দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।


সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসন নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দলিল লেখকদের ৭ দফা যুক্তি সংগত। সরকারের উচিত দলিল লেখকদের দাবির প্রতি আন্তরিক হওয়া। আগামীতে প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর সাথে আমার যে মিটিং আছে সেখানে দলিল লেখকদের এই ৭ দফা দাবির বিষয়ে আন্তরিক ভাবে উপস্থাপন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৭ পিএম

দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্তবর্তী পৃথক দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৯৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের জব্দমূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা।


গত ৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার উত্তর রনসিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীন দানাজপুর বিওপির সদস্যরা। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৪০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, ১০ অক্টোবর রাত ১টার দিকে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বৈরাগীপাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেন একই ব্যাটালিয়নের অধীন রামচন্দ্রপুর বিওপির সদস্যরা।


সেখানেও মাদকদ্রব্যগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি এসব মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।