• প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৫:৫৭ এএম
  • আপডেট : শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৫:৫৭ এএম

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৫:৫৭ এএম

শরীয়তপুর-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু অভিযোগ করেছেন, সম্ভাব্য পরাজয় নিশ্চিত জেনে একটি নির্দিষ্ট দল ও গোষ্ঠী নির্বাচন বানচালের গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকায় আয়োজিত এক উঠান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


নুরুদ্দিন অপু বলেন, জনগণের ব্যাপক সাড়া ও সমর্থন দেখে একটি মহল দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তারা অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ও ভয়-ভীতি ছড়িয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু জনগণ এখন পরিবর্তন চায় এবং তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।


তিনি বলেন, বিএনপি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। জনগণ যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব।


প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, দেশে বসবাসরত সব ধরনের প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিতে চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।


তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শুধু সহানুভূতির চোখে নয়, বরং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মানবসম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। উন্নত চিকিৎসা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে লক্ষ্যভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।


অপু বলেন, তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব-যেখানে কেউ পিছিয়ে থাকবে না।


এর আগে সকালে তার নিজ বাসভবনে একটি রাজনৈতিক যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ডামুড্যা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বোরহান মাতবর (ভিপি বোরহান)-এর নেতৃত্বে শিধলকুড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুই শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপি প্রার্থী অপুর প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন ঘোষণা করেন।


নবাগত নেতাকর্মীরা জানান, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষার প্রত্যাশা থেকেই তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অপু নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, রাজনীতিতে বিভাজন নয়, এখন সময় ঐক্যের। জনগণের কল্যাণ ও এলাকার টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


পরে দুপুর ১২টায় নলমুরি ইউনিয়নের হাটুরীয়া বাজারে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ, প্রচার জোরদার, ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়।


সভায় নুরুদ্দিন অপু বলেন, ভোট জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। আমরা চাই মানুষ নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারুক। তিনি প্রত্যেক ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার আহ্বান জানান।


মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক টি আই এম. মহিতুল গনী মিন্টু সর্দার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কে এম সিদ্দিকসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীরা।




শিক্ষককে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে রাজকীয় বিদায়

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২১ পিএম

যশোরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুসলিম একাডেমীর ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মোল্যাকে এক ব্যতিক্রমী ও রাজকীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিদায় জানানো হয়েছে। দীর্ঘ ২৬ বছরের শিক্ষকতা জীবনের অবসান উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাঁর সম্মানে এক বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


অবসর গ্রহণকালে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং পরিচালনা পর্ষদের সংশ্লিষ্টরা প্রিয় শিক্ষককে সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে বসিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দেন। এ সময় বিদ্যালয়ে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং অশ্রুসিক্ত নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাঁকে বিদায় জানান।


অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, জাহাঙ্গীর আলম মোল্যা ২০০০ সালের ১১ মে মুসলিম একাডেমীতে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে গত ৩০ জুলাই ২০২৬ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর নেন। তাঁর আদর্শ, জ্ঞান ও নিবেদন শিক্ষার্থীদের মাঝে দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণা জোগাবে।


মুসলিম একাডেমীর প্রধান শিক্ষক পল্লব কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী শিক্ষকের দীর্ঘ কর্মজীবনের অবদানের কথা স্মরণ করেন। সভাপতির বক্তব্যে পল্লব কান্তি ঘোষ তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সুখী অবসর জীবন কামনা করেন।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৫৪ এএম

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার জালালাবাদ আবাসিক এলাকার একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে ৭০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মুঠোফোনসহ ১৭০টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। 


পুলিশ বলছে, আটক ব্যক্তিরা অনলাইন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সদস্য হতে পারেন।


গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে জালালাবাদ আবাসিক এলাকার একটি ভবনের আটতলায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চীন, পাকিস্তান, লাওস, নেপাল ও ভিয়েতনামের নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।


খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম রাত সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটিইউ) একটি দল ও থানা-পুলিশ ওই ভবনের আটতলায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে ৭০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ১৭০টি ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।


ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা অনলাইন প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের অভিযানও চলমান রয়েছে।


এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণার অভিযোগে ছয় বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন চীনের ও একজন তাইওয়ানের নাগরিক। তাঁদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন, ৪০টি ল্যাপটপ এবং যোগাযোগ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।


পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রামু থানায় করা একটি অভিযোগের সূত্র ধরে ঢাকার পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই হোটেলে অভিযান চালানো হয়। পরে ছয়জনের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়। আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


পুলিশ জানায়, চীন ও তাইওয়ানের কয়েক শ নাগরিক কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের দুটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। 


তবে এ অভিযোগের সঙ্গে কারা কীভাবে যুক্ত এবং বিপুলসংখ্যক আইফোন কী কাজে ব্যবহার করা হতো, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেনি।


১০৪ বছর বয়সে আসামির আত্মসমর্পণ, পেলেন না জামিন।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:০০ এএম

দুই যুগ আগে কিশোরগঞ্জে একটি দোকানে ডাকাতির সময় দুইজনকে হত্যার মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া নুর মোহাম্মদ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তার আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে তার বয়স ১০৪ বছর। আত্মসমর্পণের পর আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।


মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন নুর মোহাম্মদ। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।


আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নুর মোহাম্মদ অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে নিজ খরচে পরিবহনের মাধ্যমে কারাগারে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। তবে আদালত সেই আবেদনও নাকচ করেন। তার আইনজীবী আদালতে জানান, তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না, নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করতে হয় এবং জটিল রোগে ভুগছেন।


মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জের বড় বাজার এলাকায় দোকান মালিক মো. ফেরদৌসের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতির সময় মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবির নামে দুইজনকে হত্যা করা হয়। পরে দোকানের সিন্দুক থেকে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা এবং ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতেরা। এ ঘটনায় দোকান মালিক ফেরদৌস কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।


তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচারপ্রক্রিয়ায় ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।


২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। রায়ে নুর মোহাম্মদসহ আটজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অন্য পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। বিচার চলাকালে হারিছ মিয়া নামে এক আসামি মারা যান। পরে ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে উচ্চ আদালত বিভিন্ন আসামির সাজা বহাল ও পরিবর্তন করেন। নুর মোহাম্মদের ক্ষেত্রে ১০ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারিত হয়।


দীর্ঘ সময় পর এবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের সুযোগ চেয়েছেন। তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফয়সাল আহমেদ আদালতে বলেন, নুর মোহাম্মদের বয়স ১০৪ বছর এবং তিনি শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ। স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন জানিয়ে আপিলের শর্তে তার জামিন প্রার্থনা করেন তিনি। তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেননি।


ফলে দীর্ঘদিনের পুরোনো একটি হত্যা-ডাকাতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত নুর মোহাম্মদকে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে তার আইনজীবী জানিয়েছেন, আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আপিলের আইনি সুযোগ গ্রহণ করবেন।


  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২৮ এএম

চেক প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পিরোজপুর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মামুন হোসাইন বাবলু জমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বুধবার রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে র‍্যাবের সহযোগিতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চেক প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই বাবলু জমাদ্দার দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য কাউখালী থানা-পুলিশ তাঁর অবস্থান শনাক্তে প্রযুক্তির সহায়তা নেয়। একপর্যায়ে তাঁর অবস্থান ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরে র‍্যাবের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।এদিকে, ২০২৪ সালের ১৩ অক্টোবর কাউখালী থানায় দায়ের করা একটি নাশকতা মামলাতেও মামুন হোসাইন বাবলু জমাদ্দার এজাহারভুক্ত আসামি। ওই মামলায় তাঁকে ৮ নম্বর আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা তাঁকে ওই মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন।

পুলিশের তথ্যমতে, চেক প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন পলাতক থাকা বাবলু জমাদ্দারের অবস্থান প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। এরপর র‍্যাবের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামুন হোসাইন বাবলু জমাদ্দার কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি পিরোজপুর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ছিলেন।


কাউখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন মামুন হোসাইন বাবলু জমাদ্দারের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:০৪ এএম
  • আপডেট : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২৯ এএম


ফিলিপনগর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সবুর সাদ্দামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:০৪ এএম

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ৩ নম্বর ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন চেয়ারম্যান নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সবুর সাদ্দাম।


বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারণায় নামেন তিনি। এ সময় দফাদারপাড়া,সাদিপুর বাজার, বাহিরমাদি, সদরঘাট থেকে গোয়ালবাড়ি,চরসাদীপুর,ইসলামপুর,কেরানীপাড়া,


সিরাজনগর টোলপাড়া,কামারপাড়া,দারোগার মোড়,আবেদের ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন এবং ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ভোট প্রার্থনা ও লিফলেট বিতরণ করেন।


প্রচারণাকালে আব্দুস সবুর সাদ্দাম বলেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে প্রথম কাজ,ফিলিপ নগর ইউনিয়নের জনগনের জননিরাপত্তা প্রদান করা,ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবেন।একই সঙ্গে সরকারি বরাদ্দ ও জনগণের জন্য নির্ধারিত সব সুযোগ-সুবিধা স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।


গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুই বিসিআইসি সার ডিলারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:২৪ পিএম

ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি এবং সারের পরিমাণের সঙ্গে বিক্রিত সারের অসঙ্গতির অভিযোগে গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুই বিসিআইসি সার ডিলারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


গতকাল বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সার বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম না মানার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দুই ডিলারের কাছ থেকে মোট ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।


জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো- মেসার্স আতাউর রহমান, যাকে ৩০ হাজার টাকা, এবং মেসার্স সাইদার রহমান ট্রেডার্স, যাকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের কাছে সার বিক্রির সময় যথাযথভাবে ক্যাশমেমো প্রদান না করা এবং ক্যাশমেমোতে উল্লেখিত সারের পরিমাণের সঙ্গে প্রকৃত বিক্রয়কৃত সারের পরিমাণের অসঙ্গতি পাওয়া যায়। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, সার বিক্রিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং কৃত্রিম সংকট বা অনিয়ম প্রতিরোধে সার ব্যবসায়ীদের সরকারি বিধিবিধান মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।


এক বিশেষ বিবৃতিতে গাইবান্ধা সদর উপজেলার কৃষি অফিসার রাকিবুল আলম জানান, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। দিনের একটি সময় উপজেলার প্রায় সব খানেই সার মনিটরিং করছি। কৃষকরা যাতে হয়রানি না হয় এবং সময়মতো সার পায় সেই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি।