ব্যারিষ্টার নওশাদ জমির।
ব্যরিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। উচ্চ শিক্ষিত, আধুনিকমনষ্ক ও শালীন রাজনীতির ধারক একজন রাজনীতিবিদ। তার বাবা ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ জমিরউদ্দীন সরকার ছিলেন সরকারের তিন বারের সাবেক মন্ত্রী। স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে বিএনপির একজন অন্যতম নীতিনির্ধারকও। এলাকাতেও তিনি সমান জনপ্রিয় ও সর্বজন শ্রদ্বেয় ব্যক্তি। পঞ্চগড়ের অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনসহ এলাকার অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানে জমিরউদ্দীন সরকারের অবদান এখনো এলাকাবাসী শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে এসে ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও সুসংবদ্ধ চিন্তার মাধ্যমে মানুষের আস্থা তৈরি করেছেন বিএনপির আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও পঞ্চগড়-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। পরিবর্তনের লক্ষ্যে ঘরে ঘরে জনে জনে কর্মসূচি নিয়ে তিনি জনগণের দোড়গড়ায় যাচ্ছেন।
অভিজাত পরিবারে জন্ম নেওয়া সত্ত্বেও সৌম্য-শান্ত স্বভাব, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে অনন্য ও অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত গভীর বিশ্লেষনধর্মী মানসিকতার এ নেতা রাজনীতিতে এক ভিন্ন ধারা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ক্লিন ইমেজের অধিকারী নওশাদ জমির বর্তমানে বিএনপির রাজনীতিতে করেছেন আরও সমৃদ্ধ।
নওশাদ জমিরের রাজনৈতিক আচরণে আক্রমনাত্মক ভাষা কিংবা প্রতিপক্ষকে হেয় করার কোন প্রবণতা নেই। কোনো সংকট বা সমস্যা এলে তিনি ধীরস্থির মনে বিষয়টির গভীরে গিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা করেন। তার বক্তব্যে আবেগের চেয়ে যুক্তি ও বাস্তবতার উপস্থিতিই বেশি লক্ষ্য করা যায়। ২০২৪ পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমন পরিণত ও সংযত নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা ছিল বলেই অনেকেই মনে করছেন।
৩রা ফ্রেবুয়ারি ১৯৭০ সালে ঢাকার ধানমন্ডিতে জন্ম গ্রহণ করেন ব্যারিষ্টার নওশাদ জমির। তার শিক্ষা জীবনের শুরু ধানমন্ডি গর্ভমেন্ট বয়েজ স্কুলে। যেখানে তিন মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। শৈশব থেকে শৃঙ্খলা, সংযম ও চিন্তাশীলতার যে ভিত্তি তৈরি হয়, তার প্রতিফলন আজ তার রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনেও স্পষ্ট। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি একজন শিক্ষিত, আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন ও আধুনিক চিন্তা ধারার নেতা হিসেবে পরিচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভাড ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলএম, যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ট্যাক্সেশনে এমএসসি এবং লিংকনস ইন থেকে বার এট ল ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনীতিতে ব্যারিষ্টার নওশাদ জমিরের পথচলা শুধু ব্যক্তিগত যোগ্যতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বহন করে। পঞ্চগড়-১ আসনে সংসদ সদস্য নির্বচিত হলে বাস্তবভিত্তিক ও সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছেন ব্যারিষ্টার নওশাদ জমির। আর তাইতো ব্যারিষ্টার নওশাদ জমির এখন পঞ্চগড়ে একটি গ্রহনযোগ্য ও ভরসা যোগ্য নেতৃত্বের প্রতিফলক হিসেবে জনগনের মনে ঠাই করে নিয়েছেন।
এদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিত্বে পঞ্চগড়ে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং একটি বিশ্ববিদ্যায় প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছেন।
এছাড়া পঞ্চগড়কে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলাসহ পঞ্চগড় পৌরসভায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কাঁচা রাস্তা পাকা করন, আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, উপজেলা পর্যায়ে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা, কৃষি পন্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কৃষক বান্ধব ঋন ব্যবস্থা, হস্ত ও কুটির শিল্পের প্রসার এবং যুবকদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা, নারীদের স্বনির্ভর করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহজ ঋন, পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পঞ্চগড়ের ঐতিহাসিক স্থানগুলোর উন্নয়ন এবং পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণসহ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে আর্ন্তজাতিক বানিজ্য সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও কথা রয়েছে তার নির্বাচনী ঘোষনায়। আর এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই পঞ্চগড়কে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। সর্বশেষ পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি দেশের উন্নয়নে সকলকে সঙ্গে নিয়ে এক সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ধানের শীষে ভোট চেয়ে তিনি সবার দোয়া কামনা করেছেন।
সিলেটে তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার দুই ছাত্র । এর মধ্যে ভিডিও কলে এক ছাত্রকে মারধরের দৃশ্য দেখিয়ে এবং ভিডিও পাঠিয়ে তার বাবার কাছে টাকা দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দুজনের অভিভাবক নগরের শাহপরান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। নিখোঁজ হওয়া দুই ছাত্র হলো তামিম আহমেদ ও সাঈদ মাসুদ চৌধুরী (নাঈম)। ১৫ বছর বয়সী দুজনই সিলেটের খাদিম পাড়া এলাকার জাবালে নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায হিফজ বিভাগে পড়ে। তামিম দক্ষিণসুরমা বড়াইকান্দি এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে এবং সাঈদ জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের মউগ্রামের বেবুল আহমদের ছেলে।
ছাত্রদের অভিভাবক, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের ফাঁকে ওই দুজন মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। সাঈদের বাবার মুঠোফোনের ইমো অ্যাপে একটি নম্বরহীন অ্যাকাউন্ট থেকে নাঈমকে মারধরের দৃশ্য দেখিয়ে এবং ভিডিও পাঠিয়ে অর্থ দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করেছে দুই ছাত্রের অভিভাবক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে জাবালে নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসার পরিচালক তোফায়েল আহমেদ জানান, ‘গত মঙ্গলবার ফজরের নামাজের সময় ওই ছাত্র দুজন মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায়। এর আগে তামিম আরও দুবার মাদ্রাসা থেকে না বলেই বাসায় চলে গিয়েছিল। পরে তার বাবা এসে দিয়ে গিয়েছিলেন। এবার সাঈদ ও তামিম দুজনই একসঙ্গে ফজরের নামাজের ফাঁকে বের হয়ে যায় বলে জেনেছি। বিষয়টি তাদের মা-বাবাকে জানাই।
’সাঈদের বাবা বেবুল আহমদ জানান, ‘মাদ্রাসা থেকে বাসায় গেছে কি না, এ বিষয়ে জানতে মাদ্রাসার হুজুর কল দিয়েছিলেন। আমরা জানাই যে সে (নাঈম) আসেনি। সিলেটের বিভিন্ন জায়গায়ও খোঁজাখুজি করেছি। কিন্তু কোথাও পাওয়া যায়নি। পরে বৃহস্পতিবার সকালে আমার ইমোতে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ভয়েস পাঠিয়ে টাকা দাবি করা হয়। ইমোর অ্যাকাউন্টে কোনো নম্বর দেখা যাচ্ছিল না। তখন একের পর এক কল দিচ্ছিলাম, ওই অ্যাকাউন্ট থেকে রিসিভ করা হয়নি।’
বেবলু আহমদ জানান, ‘পরে সন্ধ্যার পর ভিডিও কলে আমার ছেলেকে হাত-পা বেঁধে রাখা অবস্থায় মারধর করার দৃশ্য দেখানো হয়; ভিডিও পাঠিয়েছে। পরে একটি বিকাশ নম্বর দিয়ে এক লাখ টাকা পাঠাতে বলে । নয়তো আমার ছেলেকে তারা মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়েছে। আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি। আমি আমার ছেলেকে ফিরে পেতে চাই।’ তবে কে বা কারা অর্থ দাবি করছে, তা তিনি জানেন না।
আরেক ছাত্র তামিমের বাবা আবদুস সাত্তার জানান, ‘আমার ছেলে মাদ্রাসা থেকে এর আগেও দুবার বের হয়ে বাসায় চলে গিয়েছিল। আবারও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। আল্লাহ জানেন, আমার ছেলে বেঁচে আছে কি না।’
শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ জানান, ‘ওই ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকেরা জিডি করেছে। আমরা সারা দেশে দুই ছাত্রের ছবি পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি।’
ইমোতে অর্থ দাবির বিষয়ে ওসি বলেন, ‘ইমোতে যে নম্বর দেওয়া হয়েছে, সেটা যাচাই করে দেখা হয়েছে, তা এক বছর ধরে বন্ধ। অনেক সময় নিখোঁজের ঘটনা ঘটলে কিছু প্রতারক চক্র এমন সুযোগ নেয়। আর ইমোতে কয়েক সেকেন্ডের যে ভিডিও পাঠানো হয়েছে, তা অস্পষ্ট। তবে আমরা খোঁজ করছি।’
সারা দেশে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক্যাল মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে টেক্সটাইল-রুবি গেট হয়ে দুই নম্বর গেইট প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পলিটেকনিক্যাল মোড়ে এসে শেষ হয়।
চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার কামরুল হাসান আকাশের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর ছাত্রদল নেতা রেজাউল, মোহাম্মদ রুবেল, মো.মাহমুদ, আইন কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো.রিয়াজ, পাহাড়তলী কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান রকি, মো.ইয়াছিন আফ্রিদি,পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ বকুল, মো.আহাদ, মো.সামি, মো.মহসিন,কলেজ ছাত্রদলের সংগঠক মো.তানভীরসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
অবৈধভাবে রাসায়নিক সার বিক্রি করার অপরাধে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মোতাহার হোসেন নামে এক সার ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সাথে আটক ২১ বস্তা সার সরকারি মুল্যে বিক্রি করে টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধায় সহকারি কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এনএম ইসফাকুল কবীর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এ আদেশ দেন।
পীরগঞ্জ থানার ওসি ইকবাল হোসেন প্রামানিক জানান, পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের ইয়াছিন আলীর ছেলে আব্দুল খালেক এর বাড়িতে ৭ বস্তা টিএসপি ও ১৪ বস্তা এমওপি সার সহ সার ব্যবসায়ী মোতাহার এবং গৃহকর্তা খালেককে বৃহস্পতিবার দুপুরে আটক করে স্থানীয়রা। পরে থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। পুলিশ সার সহ ঐ দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। সন্ধায় সহকারি কমিশনার (ভুমি) ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে সার ব্যবস্থাপনা আইনের ২০০৬ এর ১২(৩) ধারা মোতাবেক সার সাব-ডিলার মোতাহারকে ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং আটক করা ২১ বস্তা সার বাজেয়াপ্ত করে প্রকাশ্যে জাবরহাট ইউনিয়নের কৃষগনের মাঝে সরকারি দামে বিক্রি করে টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার আদেশ দেন।
আটক করা সার রবিবার প্রকাশ্যে বিক্রি করার ব্যবস্থা করবেন কৃষি বিভাগ।
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঝালকাঠির নলছিটিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।
১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় নলছিটি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ র্যালি ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতীক কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার(ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা:হাবিবুর রহমান,নলছিটি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বেলায়েত হোসেন,উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো:ওবায়দুল ইসলাম,উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা:আবু সালেহ মো:ইফাদ ইশতিয়াক,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান পলাশ,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আকতার সহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট,বিডি ক্লিন বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সেচ্ছাসেবীরা।
আলোচনা সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।ঝোপঝাড় পরিস্কার,ড্রেন,নালা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রেখে সকলে মিলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে শুরু করে বাস টার্মিনাল হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্তরে ফেরত আসে।
জলবায়ু ন্যায়বিচার, জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত ভবিষ্যৎ এবং দ্রুত ও ন্যায্য অর্থায়নকৃত জ্বালানি রূপান্তরের দাবিতে কলাপাড়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে । বৈশ্বিক কর্মসূচি গ্লোবাল উইক অফ অ্যাকশন এর অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল দশটায় কলাপাড়া প্রেসক্লাব চত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশবাদি সংগঠন ও নদী রক্ষা আন্দোলন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ ও আমরা কলাপাড়াবাসী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যৌথ আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে বক্তব্য রাখেন, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা ধরা'র কলাপাড়ার সমন্বয়কারী মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সদস্য রফিকুল ইসলাম মিরাজ, পরিবেশ সংগঠক সাইফুল্লাহ মাহমুদ, পরিবেশ সংগঠক আমরা কলাপাড়াবাসী সংগঠনের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন এবং কপ থার্টি ওয়ান (COP31)-এর প্রাক্কালে আয়োজিত এই বৈশ্বিক কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে আমরা দাবি জানাচ্ছি—জীবাশ্ম জ্বালানির অর্থায়ন বন্ধ করতে হবে, জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং জনগণের জন্য দ্রুত ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর বাস্তবায়ন করতে হবে।
এছাড়া বক্তারা কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন ১৩২০ মেগাওয়াট আশুগঞ্জ বিদুৎ কেন্দ্র কে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দাবি জানান। পাশাপাশি কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র দু'টির অভ্যন্তরের বিপুল পরিমাণ খালি জায়গা রয়েছে। যেখানে সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুসারে সৌরসিষ্টেম চালু করার দাবি জানান।
কয়লা দূষণ বন্ধে সমাজিক আন্দোলনে সকল শ্রেণির মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ দূষণ বন্ধে কয়লা দূষণ বন্ধের কোন বিকল্প নেই।
নাটোরের লালপুরে মোটরসাইকেল, ট্রাক ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে আব্দুল্লাহ (২০) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা আরও দুই আরোহী হৃদয় (২০) ও মনি (২২) আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ( ১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে লালপুর-গোপালপুর সড়কের শিমুলতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ট্রাককে অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ হয়। এ সময় ট্রাক, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মোটরসাইকেলের তিন আরোহী গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে লালপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আব্দুল্লাহ লালপুরের উত্তর লালপুর গ্রামের শহীদুজ্জামান লাকির ছেলে।
আহত হৃদয় ও মনির অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত হৃদয় চকদৈবকী গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে ও মনি একই গ্রামের নাজির উদ্দিনের ছেলে।
ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও প:প::কর্মকর্তা ডাক্তার মঞ্জুর রহমান।