স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৩৯ এএম

প্রতিবেশী কোনো দেশের সঙ্গে সমঝোতা করে তাদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জেএম সেন হলের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।


সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জেএম সেন হলে তারা সব সময় এসেছেন। তবে অতীতে এখানে আসা কেউ কেউ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, একটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং সেই দেশের সমর্থনে তারা ক্ষমতায় থাকবেন। কিন্তু এ ধরনের রাজনীতিতে তারা বিশ্বাস করেন না।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রত্যাশা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধারাও ধর্মীয় সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তবে আমরা সচেতনভাবেই ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দটি ব্যবহার এড়িয়ে চলি। কারণ, আইনগতভাবে দেশে কোনো সম্প্রদায়কে আলাদা পরিচয়ে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি আমরা সামনে আনতে চাই না. তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধর্মের মানুষের বসবাস রয়েছে এবং কোথাও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষও থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে কাউকে সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত করতে চান না তারা। এ দেশের সব মানুষের পরিচয় বাংলাদেশি নাগরিক। এই পরিচয় নতুন করে উপলব্ধি করার যে সংস্কৃতি ২০২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে চালু হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এ দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেতে গণ-অভ্যুত্থানেও সব ধর্মের মানুষ রক্ত দিয়েছেন।


ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন কিংবা রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন চাই না। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো রাজনীতি করি না। ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতি বিশ্বাস করি না। সুতরাং যারা আপনাদেরকে ভোট ব্যাংক হিসেবে সব সময় মনে করেছিল, তাদের ভ্রম ভেঙে দিয়েছিলেন গতবার। আপনারা আস্থা প্রকাশ করেছেন, আমরা বিশ্বাস রেখেছি। আস্থা এবং বিশ্বাসের প্রতীক আমাদের নেতা তারেক রহমান।




  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৫৮ পিএম

আগামী ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। এর আওতায় রাস্তার পাশের অস্থায়ী বা ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান, রেস্তোরাঁ, বেকারি থেকে শুরু করে খাদ্য উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে নিতে হবে নিবন্ধন বা লাইসেন্স।


গত ১৬ জুলাই ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময় থেকে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রচলিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হবে। তবে বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে লাইসেন্স নিতে হবে এবং প্রযোজ্য ফি দিতে হবে।


নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে উল্লেখ করতে হবে বিএফএসএ নিবন্ধন নম্বর। নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।


প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে আবেদন করা যাবে। পরে কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন গ্রহণের কার্যক্রম গ্রহণ করবে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:২০ পিএম

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।


সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস) মো. জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি জানান, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততা পাওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৪২ এএম

মণ্ডপে মণ্ডপে বিষাদের ছায়া। ঢাক-কাঁসরের বাদ্যি-বাজনা, রাত্রি উজ্জ্বল করা আরতি ও পূজারি-ভক্তদের পূজা-অর্চনায় শুধু মা দুর্গার বিদায়ের আয়োজন। আজ বুধবার শুভ বিজয়া দশমী। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। মর্ত্যলোক ছেড়ে বিদায় নেবেন মা। অশ্রুসজল চোখে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিসর্জন দেবেন প্রতিমা। এর মাধ্যমে ভাঙবে ছয় দিনের সার্বজনীন মিলনমেলা।


উৎসবের পঞ্চম দিনে গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় মহানবমী পূজা। এদিন সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবীর মহানবমী কল্পারম্ভ ও মহানবমীবিহিত পূজার আয়োজন করা হয়। পূজা শেষে হোম ছাড়াও যথারীতি পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও সন্ধ্যায় ভোগ-আরতি ছিল।


দিনটির প্রধান আকর্ষণ ছিল মণ্ডপে মণ্ডপে আরতি প্রতিযোগিতা। সন্ধ্যা ও রাতকে উজ্জ্বল করে ভক্তরা মেতে উঠেছিলেন নানা ঢঙে, আরতি নিবেদনে। সেই সঙ্গে ছিল দিনভর পুরোহিতদের চণ্ডীপাঠ। মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের কীর্তন-বন্দনা। এ উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনের পূজামণ্ডপে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় আরতি প্রতিযোগিতা। 


আজ বিজয়া দশমীতে সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দশমীবিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জন দেওয়া হবে। এরপর সারাদেশে স্থানীয় আয়োজন ও সুবিধামতো সময়ে বিজয়ার শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। সর্বত্র বিসর্জন শেষে ভক্তরা শান্তিজল গ্রহণ করবেন। 


বিসর্জনের উদ্দেশ্যে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গন থেকে কেন্দ্রীয় বিজয়া শোভাযাত্রা বের হবে বেলা ৩টায়। এর আগে রাজধানীর ২৫৮টি পূজামণ্ডপের অধিকাংশই এসে জমা হবে পলাশীর মোড়ে। সেখান থেকে সম্মিলিত বাদ্যি-বাজনা, মন্ত্রোচ্চারণ ও পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিজয়ার শোভাযাত্রা। এরপর সদরঘাটের ওয়াইজঘাটের বুড়িগঙ্গা নদীর জলে একে একে বিসর্জন দেওয়া হবে প্রতিমা। নিরাপত্তার কারণে সরকারের পক্ষ থেকে সন্ধ্যার আগেই প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশনা রয়েছে। 


বিজয়া দশমী উপলক্ষে আজও সরকারি ছুটি। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ স্যাটেলাইট টেলিভিশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করবে বিশেষ সংখ্যা ও নিবন্ধ। 


শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকালে বঙ্গভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।


নবমীর আনন্দ


ঢাকের শব্দে মুখর চারদিক। কোথাও মণ্ডপজুড়ে আলোর ঝলকানি, কোথাও প্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনায় মগ্ন ভক্ত। দুর্গোৎসবের মহানবমীতে পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার মণ্ডপে আনন্দের পাশাপাশি অনুভূত হচ্ছে বিষাদের আবহ। 


গতকাল নবমীর দিনে পুরান ঢাকার অলিগলিতে উৎসবের এমনই এক পরিচিত ছবি দেখা যায়। পুরোনো বাড়িঘর, পাশাপাশি দোকানপাট আর সরু রাস্তার ফাঁকে ফাঁকে সাজানো পূজামণ্ডপ। কোথাও ভক্তদের প্রার্থনা, কোথাও ঢাকের বাদ্যি। শাঁখারীবাজারের পথে এগোলে একের পর এক মণ্ডপে চোখে পড়ে প্রতিমার সাজসজ্জা। দেবীর মুখের দিকে তাকিয়ে প্রণাম করছেন ভক্তরা। অনেকে পরিবারের ছোটদের নিয়ে ঘুরছেন, কেউ আবার ছিলেন বন্ধুদের সঙ্গে প্রতিমা দর্শনে ব্যস্ত।


নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১৬ এএম

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি 'গোপনীয়' চিঠি দিয়েছে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যালয়। রোববার দেওয়া ওই চিঠির একটি কপির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশি পৃথক অভিযোগে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে আটক ছিলেন।


জেদ্দা কনস্যুলেটের শ্রম উইংয়ের পাঠানো ওই চিঠিতে মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনকে নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর কনস্যুলেটের পাওয়া বন্দিদের তালিকা অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ আগস্ট সৌদি আরবের সাইবার অপরাধ আইনে নজরুলকে আটক করা হয়। পরদিন ব্যভিচারের অভিযোগে আটক করা হয় সুইটিকে।


চিঠি অনুযায়ী, নজরুল জেদ্দা সংশোধনাগারে এবং সুইটি জেদ্দা মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। তারা দুজনই ‘আল মাজাল কোম্পানিতে’ পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে ওই বন্দি তালিকায় তাদের কারও মৃত্যুদণ্ডের সাজার কথা উল্লেখ ছিল না।


এতে বলা হয়, বন্দি তালিকায় ৭ নম্বর কলামে রায় ঘোষিত কয়েদিদের সাজার সংক্ষিপ্ত বিবরণ উল্লেখ থাকলেও ওই ২ জনের সাজার তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। সৌদি আরবে সাইবার আইন এবং ব্যভিচারের অপরাধে আগে কোনো বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির নেই বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


জেদ্দা কনস্যুলেটের আওতাধীন সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের কারাগারে বিভিন্ন ধরনের চারিত্রিক মামলায় ৩০৬ বাংলাদেশি আটক আছেন বলে তালিকায় জানানো হয়। এর মধ্যে ১৪৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষিত হয়েছে। তাদের সর্বনিম্ন ১ মাস এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, সাইবার বা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অপরাধে মক্কায় অপর ৩টি পৃথক মামলায় সর্বনিম্ন ৬ মাস এবং সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবের ক্রিমিনাল কোর্টসহ অন্যান্য কোর্টে বর্তমানে অনুবাদক নিয়োগের ক্ষেত্রে 'মারকাযুত তারজামাহ আল মুওয়াহহাদ' প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুনানি চলাকালে অনুবাদের সহায়তা নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে এসব কোর্টে মিশনের পক্ষ থেকে বিচারিক কর্মকাণ্ডে আসামির পক্ষে অনুবাদক হিসেবে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে না।


তবে, বিচার চলাকালে এই ২ বাংলাদেশির পক্ষে দোভাষী বা আইনি প্রতিনিধিত্ব ছিল কি না, তা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি। চিঠি অনুযায়ী, দুই বন্দির পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা চেয়ে কনস্যুলেটে কোনো আবেদন বা যোগাযোগ করা হয়নি।


এতে আরও বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড বা তা কার্যকরের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বা অনানুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেট জেনারেলকে কিছুই জানায়নি।


কনস্যুলেট ইতোমধ্যে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা শাখায় একটি ‘নোট ভার্বাল’ পাঠিয়ে রায়ের কপি এবং মামলার বিস্তারিত জানতে চেয়েছে। রায়ের কপি হাতে পেলে পরবর্তী প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলে তারা জানিয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৩৭ পিএম

পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘রাজশাহীতে পদ্মা নদী আছে। আমরা দেখেছি কীভাবে পদ্মা নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। নদীর পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেই জন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বাংলাদেশের দুটি বড় নদীর একটি হচ্ছে তিস্তা, আরেকটি হচ্ছে রাজশাহীতে পদ্মা নদী। এই দুটি নদীতে আমরা ব্যারাজ তৈরি করব। যাতে করে আমাদের পানির সমস্যা আমরা দূর করতে পারি।’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পানির সমস্যা যারা তৈরি করেছে তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলব। দরকার হলে বাংলাদেশের মানুষের পানির হিস্যা আদায় করার জন্য যতদূর আমাদের যেতে হয় আমরা চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের পানির হিস্যা আমরা নিয়ে আসার চেষ্টা করব। আমরা এই পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা ব্যারাজের কাজ শুরু করব এবং শেষও করব ইনশাআল্লাহ।’


তারেক রহমান বলেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ৪ হাজারের কাছাকাছি আখচাষি ভাইদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছি। যাতে করে আগামী সিজনে আখ চাষিদের কিছুটা হলেও কষ্ট কম হয়। বিএনপি বিশ্বাস করে এই দেশের কৃষক বাঁচলে এই দেশের কৃষি বাঁচবে।’


তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হয়েছে। বিএনপির অনেকগুলোর পরিকল্পনা বা অনেকগুলো প্রতিশ্রুতির মধ্যে একটি ছিল কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানো।’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষক ভাইদের যাদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ আছে সেই কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করবে বলেছিল। সরকার গঠনের সাত দিনের মাথায় আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রেখেছিলাম। সমগ্র বাংলাদেশের ১৩ লাখ কৃষক ভাইদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আমরা মওকুফ করে দিয়েছিলাম সুদসহ।’


তারেক রহমান বলেন, ‘সমগ্র দেশে আমরা আবার খাল খনন এবং নদী সংস্কার বা নদী খনন কর্মসূচি শুরু করব। আল্লাহর রহমতে আমরা সেই কাজও শুরু করেছি। আগামী ৫ বছর আমরা ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করব। এর মধ্যে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার খাল গত আট মাসে আমরা খনন কার্য সম্পন্ন করেছি।’


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:২৮ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ৩৫৭ জন ছাড়ালো। একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩৬৬ জন। 


আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১৯ দিনে মারা গেছে ১১২ জন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে হয়, সোমবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৩৬৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬১৭ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৪১৫ জন। এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৯ হাজার ৩১৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।


গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ৬৩৮ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১০৫ জন, খুলনায় ১৪১ জন, বরিশালে ১৯১ জন, রাজশাহীতে ১২৮ জন, ময়মনসিংহে ৮০ জন এবং রংপুরে ৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।