• প্রকাশ : শনিবার ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৪:০২ এএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে "ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা"।শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মেলায় প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এমন উদ্যোগ নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। 


মেলায় প্রথম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প ও সৃজনশীল কাজ প্রদর্শন করা হয়।পরে শ্রেণিভিত্তিকভাবে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেরা প্রকল্পগুলো নির্বাচন করে পুরস্কৃত করা হবে বলে জানান আয়োজকরা।


স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: মাহমুদুল আলমের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, ইনফরমেশন ও মনিটরিং সেলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো: জহিরুল আলম। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং দর্শনার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ছোটদের এ কচি মনে বিজ্ঞান নিয়ে ভাবনা, মন মানসিকতা তৈরি হচ্ছে, এটা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তোমরা সময়, কায়িক শ্রম এবং মেধা দিয়ে সুন্দর কিছু করেছো এবং অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করতে পেরেছ।


শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, তোমরা বলেছ সবরকম পেশায় যেতে চাও, এটা অনেক ভাল। এমন বাংলাদেশ গঠন করা জরুরি যেখানে সবরকম পেশাজীবী থাকবে। এছাড়াও এ বিদ্যালয়ের জন্য আরেকটি গর্ব হল এবছর ৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জন বৃত্তি পেয়েছে। এটা অত্যন্ত প্রশংসার দাবি রাখে।


অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: মাহমুদুল আলম বলেন, বাচ্চাদেরদের মেধা বিকাশের জন্য যে উদ্ভাবনী বিষয়টি সেখানে সবার সহযোগিতা না থাকলে এটা সম্ভব ছিল না। বাচ্চারা তোমরা অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে , চিন্তাভাবনা করেই এই প্রজেক্টগুলো এখানে নিয়ে এসেছ। আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আগামী দিনে তোমরা অনেক বড় হও।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৪৬ পিএম

অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাহ আজিজুর রহমান হল প্রভোস্ট বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে শাহ আজিজুর রহমান হল শাখা ছাত্রশিবির।


শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা দুইটার দিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. এটিএম মিজানুর রহমানের অনুপস্থিতিতে     স্মারকলিপি গ্রহণ করেন হাউজ টিউটর সহযোগী অধ্যাপক মো. আনারুল ওহাব শাহিন।


স্মারকলিপিতে শাহ আজিজুর রহমান হলে দীর্ঘদিন পর সিট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রদানের পরও কার্যক্রম বিলম্বিতের অভিযোগ উল্লেখ করে পাঁচটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলে—অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ ও মেধার ভিত্তিতে সিট নিশ্চিতকরণ, স্থায়ী সিট বন্টন নীতিমালা প্রণয়ন, প্রশাসন কর্তৃক নিয়মিত সিট বরাদ্দ, হলের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডাইনিংয়ের খাবারের মান নিশ্চিতকরণ।


হল শাখা শিবির সভাপতি শাহ মো. মারুফ হাসান বলেন, "২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে হলে কোনো অ্যালোটমেন্ট দেওয়া হয়নি; বর্তমানে চলমান অ্যালোটমেন্টের সময়সীমাও ২০ আগস্ট থেকে বাড়িয়ে ২০ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে—তাহলে সিট বণ্টনে এত দীর্ঘসূত্রতা কেন? অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুত অপসারণ করে মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ন্যায্য আবাসন অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।"


হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. এটিএম মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে  পাওয়া যায় নি।


হাউজ টিউটর সহযোগী অধ্যাপক মো. আনারুল ওহাব বলেন,"প্রভোস্ট ছুটিতে আছেন। আমি স্মারকলিপি রিসিভ করেছি। প্রভোস্ট আসলে আমরা বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিব।"

সর্বশেষ সব খবর

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৩ পিএম

শিক্ষা ছুটিতে বিদেশে গিয়ে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে না ফেরায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ছয় শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৯তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।


বহিষ্কৃত শিক্ষকরা হলেন কৃষি রসায়ন বিভাগের মো. মেফতাউল ইসলাম সৈকত, কৃষিতত্ত্ব বিভাগের মারজানা ইয়াসমিন, মৃত্তিকা বিজ্ঞান অনুষদের সাইফুল্লাহ শাহরিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মো. জাভেদ আজাদ, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মোছা. মাহমুদা পারভীন এবং মেডিসিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের কে.বি.এম. সাইফুল ইসলাম।


বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে না ফেরায় ওই শিক্ষকদের একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও তাঁরা সন্তোষজনক জবাব দেননি। পরে বিষয়টি সিন্ডিকেট সভায় উত্থাপন করা হলে তাঁদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।


এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হলে তাঁরা মন্তব্য করতে রাজি হননি।




সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:০০ পিএম

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা জিবরাইল শরীফকে মারধর এবং তার আবাসিক হলের কক্ষ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলের সামনে এসব ঘটনা ঘটে।


আহত শিক্ষার্থীরা হলেন ২৩ ব্যাচের মো. রাতুল হাসান রুম্মান ও ২১ ব্যাচের হোসাইন শরীফ। এ ঘটনায় রাতুল হাসান রুম্মান শেরেবাংলা নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে কক্ষ ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত ও লুট হওয়া মালামালের বিষয়ে পৃথক মামলা করার কথা জানিয়েছেন ছাত্রদল নেতা জিবরাইল শরীফ।


‘ভাই’ না বলে ‘ব্রো’ সম্বোধনকে কেন্দ্র করে সূত্রপাত


সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে বিজয়-২৪ হলের লিফটে ওঠার সময় ২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাতুল হাসান রুম্মান ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী হোসাইন শরীফকে ‘হেই ব্রো, লিফটটি ধরেন’ বলে ডাকেন। তাঁকে ‘ভাই’ না বলে ‘ব্রো’ সম্বোধন করায় দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।


রাতুলের ভাষ্য, ক্লাস শেষে ক্লান্ত থাকায় তিনি হোসাইন শরীফকে ‘ভাই’ না বলে ‘ব্রো’ বলে লিফটটি ধরতে বলেছিলেন। এতে শরীফ তাঁর পরিচয় জানতে চান এবং তাঁকে লিফটে উঠতে বাধা দেন। পরে রাতে শেরেবাংলা হলের ডাইনিংয়ের সামনে দুপুরের ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়।


রাতুল অভিযোগ করেন, ২১ ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী মারুফের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে হোসাইন শরীফ তাঁকে বকাঝকা ও মারধর করেন। এতে তাঁর কপাল কেটে রক্তপাত শুরু হলে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।


তবে হোসাইন শরীফের দাবি, দুপুরের ঘটনার পর রাতে রাতুলসহ কয়েকজন তাঁর পথরোধ করেন। তাঁরা তাঁর পরিচয় জানতে চান এবং একপর্যায়ে তাঁকে আঘাত করেন। নিজেকে রক্ষা করতে গেলে তাঁর হাত লেগে রাতুলের কপাল কেটে যায় বলে দাবি করেন তিনি।


ঘটনাস্থলে ছাত্রদল নেতার উপস্থিতি, পরে উত্তেজনা


রাতুল হাসান রুম্মান ১৭ ব্যাচের ছাত্রদল নেতা জিবরাইল শরীফের অনুসারী বলে জানা গেছে। রাতের ঘটনার একপর্যায়ে জিবরাইল শরীফ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


জিবরাইল শরীফ বলেন, ‘আমি শেরেবাংলা হলের সামনে ছিলাম। হলের ভেতর হইচই শুনে সেখানে গিয়ে দেখি, আমার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর সিনিয়রের কোনো একটি বিষয় নিয়ে সমস্যা হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী শরীফ ও তাঁর ব্যাচের অন্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে হলের গেস্টরুমে বসতে চেয়েছিলাম।’


ঘটনার এপর্যায়ে ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির একপর্যায়ে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।


অন্যদিকে, হোসাইন শরীফের অভিযোগ, জিবরাইল শরীফ অন্তত ১৫ জনকে নিয়ে এসে তাঁর কলার ধরে তাঁকে হলের বাইরে নিয়ে যান। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয় এবং ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া, পুলিশে দেওয়া ও মামলা করার হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।


নেতার কক্ষ ভাঙচুরের অভিযোগ


জিবরাইল শরীফ ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর একদল শিক্ষার্থী তাঁকে না পেয়ে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা হলে গিয়ে তাঁর কক্ষে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় কক্ষের আসবাব ও ব্যবহারের বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুর করে তছনছ করা হয় বলে জানা গেছে।


অন্যদিকে, উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বিজয়-২৪ হলে গিয়ে রাতুল হাসান রুম্মানের কক্ষে প্রবেশ করে তাঁর বিছানা ও ব্যবহার্য সামগ্রী বাইরে ফেলে দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।


নিজের কক্ষ ভাঙচুরের বিষয়ে জিবরাইল শরীফ বলেন, ‘কিছু ছেলে কারও উসকানিতে হলে এসে রুম ভাঙচুর করেছে। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। ক্যাম্পাসকে স্থিতিশীল রাখতে ও শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’


তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত এসব মববাজ ও ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’


প্রশাসন যা বলছে


ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আরফান আলী বলেন, ‘আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে বসব। ইতোমধ্যে সকালে এক পক্ষের সঙ্গে বসেছি। দুপুরে আরেক পক্ষের সঙ্গে বসব।’


কক্ষ ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্ত করার দিকে আমরা এগোচ্ছি।’


থানায় যোগাযোগের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘আমরা থানায় যোগাযোগ করেছিলাম। আমরা যদি ঘটনাটি মীমাংসা করে ফেলতে পারি, তাহলে বাইরের হস্তক্ষেপের আর প্রয়োজন হবে না।’

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:০৭ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ ও মেধার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দসহ পাঁচ দফা দাবিতে হল প্রভোস্টের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে হল শাখা ছাত্রশিবির।


আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজার কাছে স্মারকলিপিটি জমা দেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।


স্মারকলিপিতে তাদের দাবিগুলো হলো- অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ করে মেধার ভিত্তিতে আসন নিশ্চিত করা; সুষ্ঠু ও স্থায়ী আসন বণ্টন নীতিমালা প্রণয়ন এবং নিয়মিত সিট অ্যালটমেন্ট; হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি স্থাপন; নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং ডাইনিংয়ের খাবারের মান নিশ্চিত করা।


এ বিষয়ে হল শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আতিয়ার রহমান বলেন, “আমরা প্রভোস্ট স্যারের কাছে পাঁচটি বিষয় নিয়ে গিয়েছিলাম। স্যার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।”


হলের আসন বরাদ্দের বিষয়ে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, “আমি প্রভোস্ট হিসেবে যোগদানের আগেই হলে কিছু সমস্যা ছিল। বিগত প্রভোস্টের সময়ে অতিরিক্ত প্রায় ৩৩ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সিট খালি না থাকায় তাদের সিটে উঠানো সম্ভব হয়নি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের মধ্যে ৮-৯ জন ছাড়া প্রায় সবাইকে সিট দিতে পেরেছি।”


তিনি আরও বলেন, “২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এখন ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করেছে। আশা করছি, খুব দ্রুত কিছু সিট খালি হবে। ওই ৮-৯ জনকে সিট দেওয়ার পর নতুন করে যখন সিট বরাদ্দ শুরু করব, তখন সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই সিট দেওয়া হবে।”


হল পরিচালনা প্রসঙ্গে প্রভোস্ট বলেন, “আমি খুব সুন্দরভাবে হলটি পরিচালনা করতে চাই। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম, মেধার বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা বহিরাগতদের কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না।”

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪০ এএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অধ্যয়নরত রাজবাড়ী জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘রাজবাড়ী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র ২০২৬-২৭ মেয়াদের নতুন আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 


শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের উপদেষ্টামণ্ডলীর যৌথ স্বাক্ষরে আগামী ১ (এক) বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। 


নবগঠিত এই আংশিক কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইনজাম উল হাসান সিহাব এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলা বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইসরাফিল। 


কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলী আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই আংশিক কমিটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর কমিটি গঠন করে তা প্রকাশের জন্য বিশেষ নির্দেশ প্রদান করেছেন। রাজবাড়ী জেলা থেকে আগত সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং ক্যাম্পাসে তাঁদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে বলে উপদেষ্টারা জানিয়েছেন। 


নতুন কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়ার পর নবনির্বাচিত সভাপতি ইনজাম উল হাসান সিহাব তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “রাজবাড়ী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতিকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও কার্যকর প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করতে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ক্যাম্পাসে আমাদের জেলার সকল শিক্ষার্থীর সার্বিক কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় আমি সবাইকে সাথে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। এই কল্যাণমুখী উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমি সংগঠনের সম্মানিত উপদেষ্টামণ্ডলী, জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করছি।” 


অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর মোহাম্মদ ইসরাফিল সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। ঢাকার বুকে রাজবাড়ী জেলা থেকে আগত জবিয়ান ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের যেকোনো প্রয়োজনে সহযোগিতা করার এই এক বিরাট সুযোগ আমার সামনে তৈরি হয়েছে। আমি আশা করি, রাজবাড়ী জেলার সকল জবিয়ানকে এক সুতোয় গেঁথে একটি সুন্দর ও কল্যাণমুখী আদর্শ সংগঠন আমরা উপহার দিতে পারব। এই লক্ষ্য পূরণে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া, পরামর্শ এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করি।” 


ঘোষিত এই আংশিক কমিটিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বপ্রাপ্তদের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো. হাবিবুর রহমান, শ্রেয়া বিশ্বাস ও শরিফুল ইসলাম শিপন। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আবু সায়েম, নাদিয়া নোভা ও মুহাইমিন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মুহাম্মাদ নাঈমুল, নাজমুন্নাহার নাদিয়া ও মেহেদী হাসান।

সর্বশেষ সব খবর

নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার এক যুগ

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪১ পিএম

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হয় একটি নতুন নাম, রোভার স্কাউট গ্রুপ। একই বছরের ২১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ তা এক যুগের গৌরবময় পথচলায় পরিণত হয়েছে। গত ১২ বছরে সংগঠনটি শুধু একটি স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য শিক্ষাঙ্গনে পরিণত হয়েছে।


রোভার স্কাউটিং এমন একটি আন্দোলন, যেখানে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব জীবনের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়। দলগত কাজ, আত্মনির্ভরশীলতা, সময়ানুবর্তিতা, সংকট মোকাবিলা এবং সমাজসেবার মতো মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে তারা নিজেদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।আজ আমরা জানবো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউটের সেবা, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার ইতিহাস, ঐতিহ্যের দীর্ঘ পথচলার গল্প। 



বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি হিসেবে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম। গ্রুপ সম্পাদক ও রোভার স্কাউট লিডার (আরএসএল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লোক-প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়া উদ্দিন। গার্ল-ইন-রোভার স্কাউট লিডার হিসেবে রয়েছেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস।


শিক্ষার্থীদের মধ্যে সিনিয়র রোভারমেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাঈদ হাসান কানন এবং গার্ল-ইন সিনিয়র রোভারমেট হিসেবে রয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাবিহা সুলতানা বেলী।


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী রোভার স্কাউট সদস্য হতে হলে প্রথমে মৌলিক প্রশিক্ষণ ও দীক্ষা গ্রহণ করতে হয়। এরপর ধাপে ধাপে ডে ক্যাম্প, সার্ভিস ক্যাম্প, হাইকিং, নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একজন সদস্য দক্ষ রোভারে পরিণত হন।এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে তারা শুধু স্কাউটিংয়ের নীতি নয়, বরং বাস্তব জীবনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, দায়িত্ব পালন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাও অর্জন করেন।



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভারদের কাজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও মানবিক দুর্যোগে তারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার সহায়তা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নেয়। পাশাপাশি রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও সংগঠনটির সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে।


জাতীয় থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউটের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্কাউটিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছেন। উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের মধ্যে রয়েছে সুবর্ণ জয়ন্তী রোভার মুট-২০২৪, দ্বিতীয় ইন্দো-বাংলা স্কাউট ফ্রেন্ডশিপ ক্যাম্প, ৩২তম এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল জাম্বুরি এবং ১১তম জাতীয় স্কাউট জাম্বুরি। এছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটসের হজ ক্যাম্পে প্রতিবছর স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সেবা প্রদানও তাদের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের একটি অংশ।


একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও বিভাগীয় প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারে অংশ নিয়ে সদস্যরা নিজেদের দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করছেন।


রোভার সদস্যদের জন্য সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ অর্জনগুলোর একটি হলো প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট (পিআরএস) অ্যাওয়ার্ড। নির্ধারিত প্রশিক্ষণ, সেবা ও দক্ষতার শর্ত পূরণকারী সদস্যরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির হাত থেকে এ সম্মাননা গ্রহণের সুযোগ পান। এটি একজন রোভারের নেতৃত্ব ও সেবার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট সাঈদ হাসান কানন বলেন, “রোভার স্কাউটিং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে তারা দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংকট মোকাবিলার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বন্যা ও অন্যান্য মানবিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের লক্ষ্য দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।”


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট সাঈদ হাসান কানন বলেন, “রোভার স্কাউটিং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে তারা দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংকট মোকাবিলার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বন্যা ও অন্যান্য মানবিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের লক্ষ্য দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।”


গ্রুপ সম্পাদক ও রোভার স্কাউট লিডার (আরএসএল) লোক-প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের এক যুগপূর্তি আমাদের জন্য গর্বের একটি মাইলফলক। ২০১৪ সাল থেকে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে আমি দেখেছি, কীভাবে এটি শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গড়ে তোলার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।


রোভার স্কাউটিংয়ের মূল দর্শন ‘সেবা’। দুর্যোগে সহায়তা, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম ও জনসচেতনতামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের রোভাররা বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছে। আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনেও তারা স্কাউটিংয়ের আদর্শ ধারণ করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে আরও কার্যকর অবদান রাখবে।”


১২ বছরের পথচলায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ অসংখ্য শিক্ষার্থীকে নেতৃত্বের শিক্ষা দিয়েছে, মানবিক কাজে যুক্ত করেছে, ক্যাম্পাসে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মুহূর্তে সংগঠনটির প্রত্যাশা, আগামী দিনেও আরও বেশি শিক্ষার্থীকে স্কাউটিংয়ের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে সেবা, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।




সর্বশেষ সব খবর