জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেতা আহাদ রাজা মীর শিগগিরই বাংলাদেশে আসছেন। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি নোট শেয়ার করে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা একটি ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন এই তারকা।
ভিডিওতে আহাদ রাজা মীর বলেন ‘হাই বাংলাদেশ, আমি আহাদ। তোমাদের সবার সঙ্গে দেখা করার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’ তার এই সংক্ষিপ্ত বার্তাই দুই দেশের অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, একটি বিশেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন দক্ষিণ এশিয়ার এই জনপ্রিয় অভিনেতা। তবে তিনি কবে বাংলাদেশে আসবেন, সেই তারিখটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
টেলিভিশন ও আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য আহাদ রাজা মীর বেশ পরিচিত। বিশেষ করে ‘ইয়েকিন কা সফর’ ও ‘এহদ-এ-ওয়াফা’ নাটকে তার সাবলীল অভিনয় তাকে এনে দিয়েছে বিপুল জনপ্রিয়তা। শুধু দক্ষিণ এশিয়াতেই নয়, নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ ‘রেসিডেন্ট ইভিল’-এ অভিনয় করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিতি লাভ করেন এই অভিনেতা। বর্তমানে আহাদ অভিনীত মীম সে মোহাব্বত নামে একটি ধারাবাহিক প্রচারিত হচ্ছে।
আহাদ রাজা মীরের ঢাকা সফরের খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তরা প্রিয় তারকাকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ও কৌতূহল প্রকাশ করছেন।
নাজনীন নিহা। ছবি: সংগৃহীত
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে রাজধানীর মগবাজার এলাকার বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আসিফ আকবরের ছবি ও গুলিবিদ্ধ গাড়ির ছবি দিয়ে একটি পোস্ট করেন তিনি।
পোস্টে ওমর সানী লেখেন, ‘গায়ক আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি করা একটা অশনি সংকেত। এটা হওয়া উচিত না, আসিফ তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করছি। আল্লাহ ভালো রাখুন তোমাকে।’
এ বিষয়ে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গুলি চালানোর সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে তিনি অক্ষত রয়েছেন।
তবে কারা এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত বা পেশাগত কোনো বিরোধের সঙ্গে এ ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওসি জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে।
আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় শোবিজ অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাঁর ভক্তদের মধ্যেও এ ঘটনা নিয়ে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
বলিউড অভিনেতা সালমান খানের প্রশংসা করায় অভিনেতা টাইগার শ্রফকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি করেছেন এক অভিযুক্ত। অভিনেতার ওপর হামলার ঘটনায় তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালে একটি সিনেমার প্রচার অনুষ্ঠানে সালমান খানকে ‘ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র টাইগার’ বলে প্রশংসা করেছিলেন টাইগার শ্রফ। এই মন্তব্য লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের তাঁকে লক্ষ্যবস্তু করার অন্যতম কারণ হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন ওই অভিযুক্ত।
গত ১৮ অক্টোবর মুম্বাইয়ের জুহুতে একটি মাঠে ফুটবল খেলা শেষে ফেরার সময় টাইগার শ্রফের বিএমডব্লিউ গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুই বন্দুকধারী। তারা সাত রাউন্ড গুলি ছুড়ে সহযোগীদের নিয়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় অভিনেতার গাড়িচালক ও এক পথচারী আহত হন।
পরে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের এক সদস্য হামলার দায় স্বীকার করে। ঘটনার পরদিন রাজস্থানের কোটা রেলস্টেশনে পুনে-জয়পুর সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সালমান খানের সঙ্গে টাইগার শ্রফের ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁর প্রতি সমর্থনের কারণে এ হামলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এর আগে সালমান খানের ঘনিষ্ঠ বলে বিবেচিত ব্যক্তিদেরও বিষ্ণোই গ্যাং হুমকি দিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের তদন্তসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য অনুসরণ করছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে রেহান নামে এক অভিযুক্তকে বারবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
পুলিশের সন্দেহ, ইন্টারনেটভিত্তিক কলের মাধ্যমে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য অভিযুক্তদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল। পালানোর জন্য ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি আন্ধেরিতে পাওয়া যায়। অভিযুক্তরা ট্রেনে যাত্রা করছেন—এমন তথ্যও বার্তার মাধ্যমে হামলাকারীদের জানানো হয়েছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ।
পুলিশকে এড়াতে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল, ট্রেন ও ক্যাব ব্যবহার করেন। তবে মুম্বাই পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থান পুলিশের সদস্যরা সুরাট থেকে জয়পুরগামী একটি ট্রেনে তাঁদের আটক করেন। ইন্টারনেট কলের উৎস শনাক্ত করা তদন্তকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তদন্তের তথ্য অভিযুক্তদের কাছে কে পৌঁছে দিচ্ছিল, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি চালানোর পর অভিযুক্তরা নিজেদের মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেন। পুরো পরিকল্পনায় হামলাকারী ও তাঁদের সহযোগীরা ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) কল ব্যবহার করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে নিয়মিত মোবাইল ফোনে করা একটি কল পুলিশের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে ওঠে। তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্তরা মুম্বাইয়ের বোরিভলি থেকে সুরাট যাওয়ার জন্য একটি ব্যক্তিগত ক্যাব ভাড়া করেছিলেন।
গুলি চালানোর পর তাঁরা আন্ধেরি থেকে লোকাল ট্রেনে বোরিভলি যান। সেখান থেকে ক্যাবে সুরাটে পৌঁছান। ক্যাবচালকের কাছে করা একটি ফোনকল পুলিশের নজরে আসার পর তাঁদের যাত্রাপথ শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
পরে মুম্বাই পুলিশের অ্যান্টি-এক্সটরশন সেলের একটি দল বোরিভলি থেকে সুরাটে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে ক্যাবচালক জানান, তিনি অভিযুক্তদের সুরাট রেলস্টেশনে নামিয়ে দিয়েছিলেন। স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ ও ট্রেনের সংরক্ষিত আসনের তালিকা পরীক্ষা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, অভিযুক্তরা জয়পুরগামী ট্রেনে উঠেছিলেন। পরে রাজস্থানের কোটায় তাঁদের আটক করা হয়।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশা
অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন জনপ্রিয় নির্মাতা ও সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। একই সঙ্গে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।
শনিবার এক প্রতিক্রিয়ায় ফারুকী জানান, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখেন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করে ডিঅ্যাক্টিভেট করে রাখা হয়েছে। দেশের একটি সাইবার অপরাধী গ্রুপ এটি করে বিভিন্ন গ্রুপে উদযাপন করছে বলে জানান তিনি। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান ফারুকী।
বিচ্ছেদের রটনা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, এসব ভিত্তিহীন গুজবে কান দেওয়ার মতো সময় বা আগ্রহ তার নেই।
ক্ষোভ প্রকাশ করে এই নির্মাতা বলেন, “ওইসব নিউজের ওপর কথা বলার কোনো টাইম নাই, হ্যাভ নো ইন্টারেস্ট। এসবের কোনো ভিত্তি নেই। এসব অপদার্থদের কথায় কান দেওয়ার মত সময় আমার নেই।”
অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে স্থাবর সম্পত্তি থাকা নিয়ে অনলাইনে চলমান আলোচনাকে কৌতুকপ্রদ আখ্যা দিয়ে এই নির্মাতা বলেন, এসব কথা চাইলেই সহজে যাচাই করা সম্ভব। অপপ্রচারের দিকে নজর না দিয়ে নিজের নির্মাণ কাজ নিয়েই কথা বলার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।
বর্তমানে ফারুকী দুটি বিজ্ঞাপনের কাজ শেষ করেছেন, যার শুটিং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও দক্ষিণ কোরিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই আরও একটি বিজ্ঞাপনের কাজ শুরু করবেন তিনি। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ফারুকী জানান, দুটি সিনেমার চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করছেন তিনি। এর মধ্যে একটি জেন-জি (Gen-Z) প্রজন্মের প্রেমের পটভূমিতে তৈরি, যার নাম রাখা হয়েছে ‘টু হেল, উইথ লাভ’। অন্যটি একটি রাজনৈতিক গল্পের সিনেমা।
উল্লেখ্য, ফারুকী ও তিশা ২০১০ সালের ১৬ জুলাই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০২২ সালে তাদের কন্যাসন্তান ইলহাম নুসরাত ফারুকীর জন্ম হয়। দীর্ঘদিন ধরে দেশের শোবিজ অঙ্গনে নিজেদের সফল কাজের মধ্য দিয়ে সুপরিচিত এই তারকা দম্পতি।
এশা দেওল
আবার সিনেমায় দেখা মিলতে যাচ্ছে নন্দিত বলিউড অভিনেত্রী এশা দেওলের। দীর্ঘ বিরতির পর এবার তাঁকে দেখা যাবে ‘প্রতাপ’ নামে অ্যাকশন-ড্রামা ঘরানার সিনেমায়। যেখানে তিনি অভিনয় করেছেন পুনম নামের এক নারী চরিত্রে। যে বলবে জীবনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে আত্ম-অনুসন্ধান, নীরবে লড়াই এবং নিজের অন্তর্নিহিত শক্তিকে চিনে নেওয়ার গল্প। এরই মধ্যে ছবিতে এশা অভিনীত ‘পুনম’ চরিত্রের চেহারা প্রকাশ করেছেন নির্মাতারা। এ তথ্যের পাশাপাশি আনন্দবাজারসহ ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আগামীকাল ২৬ অক্টোবর আসছে ‘প্রতাপ’ সিনেমার ঝলক; এরপর ট্রেলার।
সর্বশেষ আগামী ২০ নভেম্বর সিনেমাটি বলিউডসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইউভি ফিল্মস। প্রদীপ রঙ্গওয়ানী পরিচালিত ‘প্রতাপ’ সিনেমায় এশা দেওলের পাশাপাশি বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন অমিত সাধ, সীমা বিশ্বাস, মিলিন্দ গুনাজি, তিগমাংশু ধুলিয়া, দুষ্মন্ত ওয়াগ প্রমুখ।
‘প্রতাপ’ সিনেমাটি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অভিনেত্রী এশা দেওল নিজে। তাঁর কথায়, বিরতি ভেঙে অভিনয়ে ফেরার জন্য এমন একটি সিনেমার প্রতীক্ষায় ছিলেন তিনি। দেড়িতে হলেও কাঙ্ক্ষিত গল্প ও চরিত্র দিয়ে অভিনয়ে ফিরতে পারায় অন্য রকম এক ভালো লাগা কাজ করছে। এই সিনেমার বড় শক্তির জায়গা হলো এর গল্প। যেখানে দেখা যাবে, পুনম নামের এক নারীর কাছে তার পরিবারই সব। তার জীবন গড়ে উঠেছে এমন এক মানুষের প্রতি বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে, যাকে সে সবচেয়ে বেশি ভরসা করে। কিন্তু এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় পুনমকে, যা তার দীর্ঘদিনের ধারণা ও বিশ্বাসকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়।
তখন নিজের পথ নিজেকে খুঁজে নিতে হয়। ক্ষমতা, ন্যায়বিচার এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের পরিণতি জন্ম দেয় নানা নাটকীয়তার। আর এ সব কিছু মিলিয়ে এই সিনেমাটি হয়ে উঠেছে তাঁর অভিনয় ক্যারিয়ার ব্যতিক্রমী একটি কাজ। যা দর্শক মনে ছাপ ফেলবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।
প্রসঙ্গত, একুশ শতকের শুরুতে বলিউডে যে কজন সম্ভবনাময়ী অভিনেত্রীর দেখা মিলিছে এশা দেওল ছিলেন তাদের অন্যতম একজন। ‘কোই মেরে দিল ছে পুছে’ থেকে শুরু করে ‘না তুম জানো না হাম’, ‘ক্যায়া দিলনে কাহা’, ‘যুবা’, ‘ধুম’, ‘নো এন্ট্রি’, ‘দশ’, ‘সাদি নাম্বার ওয়ান’, ‘পেয়ারে মোহন’সহ আরও বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক হৃদয়ে আলাদা এক জায়গা করে নিয়েছিলেন।
এরপরও বলিউডে দীর্ঘ সময় রাজত্ব করার সুযোগ হয়নি তাঁর। বিয়ে, ঘর-সংসার আর পারিবারিক কারণে অভিনয় জগৎ থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অবশেষে সিনেমায় ফিরছেন আরও পরিণত অভিনয় তুলে ধরার প্রয়াসে।