ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৪৬ পিএম

হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি. এম. সরফরাজ এ আদেশ জারি করেন।


অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মো. মঈনুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়।


আদেশে বলা হয়, বুধবার (২৯ জুলাই) হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ১৪৪ ধারার ক্ষমতাবলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।


তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে হবিগঞ্জ পৌর এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা না থাকায় পূর্বে জারি করা ১৪৪ ধারার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।


তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর এনসিপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ঘোষিত পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকে শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল। এর প্রেক্ষিতে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকাল ১০টার পর হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন জেলা প্রশাসক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদারে দায়িত্ব পালন করে তিন প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।




  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:১২ পিএম

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকসমূহের সেবার_ মান ও জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা, সহজলভ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


(১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার) দুপুরে ঠাকুরগাঁও পৌর কমিউনিটি সেন্টারে সিটিজেন ভয়েস এ্যান্ড এ্যাকশন (সিডিএ) ওয়ার্কিং গ্রুপের আয়োজনে ও দাতা সংস্থা গ্লোবাল এ্যাফেয়ার্স কানাডা'র অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, রিয়্যাক্টস-ইন প্রকল্পের সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আনিসুর রহমান সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খাইরুল ইসলাম।


সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার নাদিয়া আকতার, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ লুতফর রহমান মিঠু,জুলিয়াস আর্থার, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, রিয়্যাক্টস-ইন প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার সহ অন্যরা।


সভাটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান উন্নয়নে সামাজিক জবাবদিহিতা প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে আয়োজন করা হয়। 


সভায় কমিউনিটি ক্লিনিকের নির্ধারিত সেবার মানদণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি জনগণ বাস্তবে এসব সেবা কতটুকু পাচ্ছেন, সেবার প্রাপ্যতা, মান, সহজলভ্যতা, কমিউনিটি ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা এবং বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে সিভিএ দলের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন অংশীজন ও জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে সংগৃহীত মতামত উপস্থাপন করেন।



  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০৪ পিএম

‘আমি চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রীতে দিবো’, এমন ঘোষণা সংবলিত ভূতুড়ে পোস্টারে ছেয়ে গেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের শাহজাদপুর গ্রাম। পোস্টারে ছবি ও নাম রয়েছে সিরাজপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান খোকনের (৩৫)। 


তবে তিনি বলছেন, এ পোস্টার তিনি লাগাননি। এটি জামায়াতের ষড়যন্ত্র বলে দাবি তার। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে সিরাজপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাতপুর গ্রামের বিভিন্ন দেয়ালে এসব পোস্টার লাগানো হয়।


খোকন একই গ্রামের খলিল ভূঞা বাড়ির মো.আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি ২০১৫ সাল থেকে দুবার ৮নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি পুনরায় ৮নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি প্রার্থী।  


ওই পোস্টারে খোকনকে ‘গাঁজার ডিলার’ উল্লেখ করে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘বেকারের জন্য গাঁজা ভাতা’, ‘মাদকসেবীদের জন্য বিশেষ কার্ড’, ‘স্কুল-কলেজের সামনে ফ্রি সাপ্লাই’, ‘থানা-পুলিশ আমার ভাই’ এবং ‘উন্নয়ন হবে, আগে চাঁদা হবে’এমন বিভিন্ন স্লোগানও লেখা রয়েছে। পোস্টারগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।


পোস্টারে নিজের নাম ব্যবহারের বিষয়ে সিরাজপুর ৮নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি খোকন বলেন, কয়েক দিন আগে আমার ছেলেকে চাঁন মিয়াকে স্কুলে চড় মারে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমের ছেলে। তা নিয়ে আমি প্রতিবাদ করি। ওই থেকে তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। আমার মাদকের সাথে কোন সম্পৃক্ততা নেই। দল ক্ষমতায় এলেও আমি আগের মত গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করি। সমাজের মানুষ জানে। এমনকি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদেও প্রার্থী নই।      


সিরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল হাসেম অভিযোগ নাকচ করে বলেন, খোকনকে ঘিরে তার দলের মধ্যেই মাদকসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্কুলে খোকনের ছেলে তাদের বাড়ির এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় তার ছেলে ওই ছেলে-মেয়েকে চড় মেরে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। তবে পোস্টার লাগানোর সঙ্গে তিনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য জড়িত নন বলে দাবি করেন।    


এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হাকিম বলেন, পোস্টারের বিষয়টি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় থানায় ভুক্তভোগী কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০১ পিএম

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।


বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।


এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তখন শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।


হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে পাঠানো হয়। কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন কাজ করছে।


  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৭ পিএম

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় সিলেট কালিগঞ্জ সড়কের দুই পাশে অবৈধ ফুটপাত ও স্থাপনা উচ্ছেদে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে ১২ টায় সময় পরিচালিত এই অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর ও পচাবাশি খাবার বিক্রির দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। 


অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শিব্বির আহমেদ নেতৃত্বে স্টেশন রোড এলাকার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয় তদারকি করা হয়। এ সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পচাবাশি খাবার সংরক্ষণের দায়ে পালকি রেস্টুরেন্ট-কে ২০ হাজার টাকা এবং আল আমিন বেকারি-কে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


​এর আগে জনদুর্ভোগ লাঘব এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যে স্টেশন রোড এলাকার ফুটপাতের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।


​অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় সাধারণ মানুষের চলাফেরা নিশ্চিত করতে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর মহানগর বিএনপি নেতা সরকার শাহনুর ইসলাম রনি ও বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম খান কালা। বীর রহমান সহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন। ​স্থানীয় পথচারী ও সচেতন নাগরিকরা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, এ ধরনের নিয়মিত অভিযানের ফলে যেমন যানজট কমবে, তেমনি ভেজাল ও পচাবাশি খাবার বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা যাবে। 


সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


মতিউর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে ফরহাদ হোসেন আজাদ

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৪ পিএম

আটোয়ারী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা মো. মতিউর রহমান আকস্মিক ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


গত ৯ সেপ্টেম্বর আকস্মিকভাবে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন তিনি।


মতিউর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে হাসপাতালে যান পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি।


হাসপাতালে গিয়ে তিনি চিকিৎসাধীন মতিউর রহমানের পাশে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং তার চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মতিউর রহমানের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।


পরে আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি মো. মতিউর রহমানের দ্রুত সুস্থতা ও আশু রোগমুক্তি কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।


উল্লেখ্য, মো. মতিউর রহমান সাবেক স্পিকার জনাব জমির উদ্দিন সরকারের সাবেক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।


২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় আকৃতির ইলিশ

  • প্রকাশ : বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৩৪ পিএম

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলে সোহরাফ গাজীর জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় আকৃতির ইলিশ। মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিলামে প্রতি কেজি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে মোট ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মাছটি বিক্রির জন্য কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন জেলে সোহরাফ গাজী। 


পরে নিলামে মাছটি কিনে নেন কুয়াকাটা মা মনি ফিশের ম্যানেজার মিজান। এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বঙ্গোপসাগরের পায়রা বন্দর সংলগ্ন পাইপ বয়ার গভীর সমুদ্রে মাছটি জেলের জালে ধরা পড়ে।


জেলে সোহরাফ গাজী বলেন, প্রায় ১০ বছর ধরে বঙ্গোপসাগরের গভীরে গিয়ে ইলিশ মাছ শিকার করি। জাল তুলতেই অন্যান্য মাছের সঙ্গে এই বড় ইলিশটি উঠে আসে। নিলামে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা মণ দরে প্রতি কেজি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা হিসেবে মাছটি বিক্রি হয়েছে। সাধারণত এত বড় ইলিশ পাওয়া যায় না। প্রায় সাত বছর পর এত বড় একটি মাছ পেয়েছি।


মাছটি কিনে নেওয়া কুয়াকাটা মা মনি ফিশের ম্যানেজার মিজান বলেন, এত বড় ইলিশ এখন এই বাজারে খুব কমই দেখা যায়। তাই নিলামের মাধ্যমে মাছটি কিনেছি। মাছটি শরীয়তপুরের এক প্রবাসীর ভাইয়ের বাসায় পাঠানো হবে। এ ধরনের বড় মাছ পাওয়া গেলে আড়তদার ও জেলেসহ সবাই লাভবান হতে পারেন।


স্থানীয় বাসিন্দা জামাল ঘরামি বলেন, ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা কেজি দরে ইলিশ কেনা আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। আগে বছরে অন্তত একবার ঘরে ইলিশ উঠত। এখন সেটি স্বপ্ন হয়ে গেছে।


পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার বলেন, ছোট ইলিশের অযাচিত আহরণ, নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়া, বাঁধ ও স্লুইসগেটের কারণে মাছের অভিবাসনে বাধা, অবৈধ জালের ব্যবহার এবং সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির অভাবের কারণে বড় ইলিশের সংখ্যা কমছে। পাশাপাশি পানি দূষণ, প্ল্যাঙ্কটনের ঘাটতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার পরিবর্তন ইলিশের প্রজনন ও খাদ্য সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।


পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, এটি অত্যন্ত ভালো খবর। এটিকে নিষেধাজ্ঞার সুফলও বলা যায়। বড় ইলিশে ফ্যাট বেশি থাকায় এতে ওমেগা-৩ ও বিভিন্ন ভিটামিন থাকে, যা হৃদ্‌যন্ত্র, চোখ ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। জালের প্রশস্ততা বাড়ানো হলে এ ধরনের বড় সাইজের ইলিশ আরও বেশি ধরা পড়তে পারে।