টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসাখানপুর বাজারে অনুমোদনহীন মিনি পেট্রোল পাম্পের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

  • প্রকাশ : রবিবার ০৮ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১:৩৩ পিএম

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসাখানপুর বাজারের অনুমোদনহীন মিনি পেট্রোল পাম্পের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ রোববার (৮ মার্চ) বিকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ওই পাম্পটি বন্ধ করে দেন এবং পাম্পের মালিককে নগদ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। 

 

জানা যায়, কয়েক মাস যাবত টাঙ্গাইল শহর সংলগ্ন বাসাখানপুর বাজারে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি এআর ট্রেডার্স নামক মিনি পেট্রোল পাম্প পরিচালনা করছেন। এই মিনি পেট্রোল পাম্পটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কোন প্রকার বৈধ কাগজপত্র নাই। চলমান সংকটকালে ওই পাম্পে পেট্রোল বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। প্রতিটি মোটরসাইকেলে ওই পাম্প থেকে ৫০০-১০০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে।

 



জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে বাজার তদরকি করা হচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অতিরিক্ত মূল্য ও ভেজাল রোধে তারা কাজ করছেন। এর প্রেক্ষিতে সদর উপজেলার বাসাখানপুর বাজারে একটি দোকানে অনুমোদন ছাড়া এআর ট্রেডার্স নামে মিনি পেট্রোল পাম্প গড়ে তুলে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রি করছে। ফলে এআর ট্রেডার্সের মালিক আব্দুর রাজ্জাককেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং পেট্রোল বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ  করে দেওয়া হয়েছে।

  

অভিযানে টাঙ্গাইলের সেনেটারী ইন্সপেক্টর সাহিদা আক্তার ও কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাবের) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩১ এএম

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার কলেজ বাজার এলাকায় কাভার্ডভ্যান ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নারীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন।


আহতদের মধ্যে মাইক্রোবাসের চালকসহ দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কর্ণফুলী উপজেলার কলেজ বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহ আমানত সেতু পার হয়ে আসা একটি কাভার্ডভ্যান কলেজ বাজার এলাকায় দ্রুতগতিতে ইউটার্ন নেওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।


মাইক্রোবাসটি উখিয়া থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসছিল। সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়।


খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত আটজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠায়। আহতদের মধ্যে মাইক্রোবাসের চালকসহ দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।


নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সর্বশেষ সব খবর

মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ডঃ মো তাজুল ইসলাম।

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২৩ এএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন অনুষদের অধীনে সফলভাবে পিএইচডি (ডক্টর অব ফিলোসফি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবার বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. তাজুল ইসলাম। 


গত ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এই ডিগ্রি প্রদান করা হয়।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ডঃ মো. তাজুল ইসলামের গবেষণার বিষয় ছিল "বাংলাদেশে মান্ধাতা আমলের ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থা: বিকল্পের সন্ধানে " এবং ইংরেজিতে: "[Archaic Quandary of Criminal Justice System in Bangladesh: Quest for the Alternative"। 


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন খ্যাতনামা অধ্যাপক এর তত্ত্বাবধানে এই গবেষণা কর্মটি তিনি সম্পন্ন করেন। ডঃ তাজুল ইসলামের এই গবেষণায় "বাংলাদেশে ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় অতি পুরাতন ফৌজদারী আইন তথা ২০০ বছরের পুরনো ব্রিটিশদের তৈরি আইনকে আরও সময়োপযোগী করে দ্রুত মামলা বিচার নিষ্পত্তি করা যায় সে বিষয় কিছু পরিবর্তন ও বিকল্পের সন্ধান করার প্রয়াস চালানো হয়েছে। তাতে করে বিদ্যমান পুরাতন ফৌজদারী আইনসমূহ আন্তর্জাতিক বেস্ট প্রাকটিসের সঙ্গে সমন্বয় করে সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করে দেশের ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় আমুল সংস্কার আনা যায় তা সূচারুরুপে আলোকপাত করা হয়েছে। 


গবেষণার মৌখিক পরীক্ষায় (Viva-voce) দেশী-বিদেশী খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় এই অর্জনের জন্য পরম করুণাময়, তাঁর শিক্ষক, গবেষক দল এবং পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে তিনি এই গবেষণালব্ধ জ্ঞান দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে চান।উল্লেখ্য, বর্তমানে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) হিসেবে কর্মরত আছেন। ১৯৮৪ সালের ৩১ জানুয়ারি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০০ সালে এসএসসি ও ২০০২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ২০০৬ সালে এলএলবি (অনার্স) ও ২০০৭ সালে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি ও ক্রিমিনাল জাস্টিস বিভাগ থেকে মাস্টার্স এবং উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ থেকে বিশেষ ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে প্রথমবারেই ৩য় বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে ‘সহকারী জজ হিসেবে খুলনা জেলা জজশীপে যোগদান করেন। অতঃপর পদোন্নতি পেয়ে ‘সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ঢাকায় এবং যুগ্ম জেলা জজ হিসেবে ঠাঁকুরগাঁও, মেহেরপুর এবং ঝিনাইদহ জেলা জজশীপে কর্মরত ছিলেন। 


এছাড়া তিনি ‘অতি: জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা জজশীপেও কাজ করেছেন। ইতোপূর্বে এ বিচারক যে আদালতেই দায়িত্বে ছিলেন সেখানেই তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিজেকে পরিচয় দেন। মামলাজট কমাতেও বেশ সক্ষম হয়েছেন। যশোরে বদলির আগে তাজুল ইসলাম ছিলেন কুষ্টিয়ার অতি: জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি ২০২২ সালে ৫৫টি হত্যা মামলা নিষ্পত্তি করে তিনি রেকর্ড গড়েন। 


তিনি ২০০৮ সালে সহকারি জজ হিসেবে বিচারকের কর্মজীবন শুরু করা ডঃ মো. তাজুল ইসলাম স্বপ্ন দেখেন মামলাজট মুক্ত বিচার বিভাগ। স্বপ্ন দেখেন কীভাবে বিচারপ্রার্থী জনগণকে অতিদ্রুত ন্যায়বিচার দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। তাঁর স্বপ্ন একদিন মামলাজট মুক্ত বিচার বিভাগ হবেই। তাঁর বিচারিক কাজ দেখেছেন এমন ব্যক্তিদের ভাষ্য, স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে নিজের দায়িত্ব অত্যন্ত সুচারুরূপে আইনানুযায়ী পালনে সদাসচেষ্ট বিচারক। 


তিনি তাঁর লেখনির মাধ্যমে মামলাজট ও ন্যায়বিচার প্রদানের স্বপ্নের বীজ বুনে দেন হাজারো আইন শিক্ষার্থীর মনোজগতে। মানুষকে আইন বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। উদার, মানবিক ও অত্যন্ত সরল জীবন-যাপনকারী ডঃ মো. তাজুল ইসলাম তারুণ্য এবং বিজ্ঞতার মিশেলে একজন চমৎকার গুণী মানুষও। তাঁর সততা, দেশপ্রেম, পরিশ্রম ও দ্রুত মামলা নিস্পত্তিতে তার উচ্চ মানসিকতা দেশের ৪৪ লাখ মামলাজটের মধ্যে কিছুটা আশার আলো হিসেবে প্রতিভাত হয়। মা-বাবার ৭ ছেলে ও ১ মেয়ের সংসারে তার অবস্থান অষ্টম। বাবা আবুল হোসেন (রাহেমাহুল্লাহ), অধ্যাপক (অব.) আর মা জামিলা বেগম (রাহেমাহাল্লাহ), গৃহিনী। 


ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। স্ত্রী জনাবা ফেরদৌসী আক্তার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া’র ইংরেজি বিভাগে ‘সহকারী অধ্যাপিকা’ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি ২ কন্যা এবং ১ পুত্র সন্তানের জনক। কর্মব্যস্ততার ফাঁকে তিনি বই পড়া, গবেষণা, লেখালেখি আর পরিবারকে নিয়ে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। ইতোপূর্বে তার লিখিত ‘সাংবিধানিক আইনের সহজপাঠ’, শিশু আইনের উপরে Juvenile Delinquency in Bangladesh: Identifying the causes with prevention and Rehabilitation এবং ‘বাংলাদেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থা: স্বাধীনতার ৫০ বছর’ শিরোনামে ৩টি বই প্রকাশিত হয়েছে। শিশু আইনের উপরে লিখিত বইটি বিশ্বের মোট ৯টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।তাছাড়াও তিনি আইন গবেষক ও কলামিস্ট হিসেবে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সমসাময়িক বিষয় ও আইন নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করে থাকেন।

সর্বশেষ সব খবর

শনিবার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে এনে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন জার্মান প্রবাসী সুবর্ণা মুস্তারী।

  • প্রকাশ : শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২৫ পিএম

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বসতবাড়ির জমি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জার্মান প্রবাসী সুবর্ণা মুস্তারী। 


আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে এনে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। 


জার্মান  প্রবাসী প্রয়াত আখতারুজ্জামানের  পরিবারের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন সুবর্ণা মুস্তারি নামে এক নারী।তিনি প্রয়াত  আখতারুজ্জামানের স্ত্রী । লিখিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে  বলেন,  আমার ও আমার সন্তানদের জমিসহ বাড়ি ও বাড়ির নিচে থাকা দোকানপাট দখলের চেষ্টা করছে আলমডাঙ্গা হাফিজ মোড়ের জামান ওহিদুজ্জামান লেন্টু ও তার স্ত্রী  ডালিয়ারা পারভীন শিলা গংরা।


এ ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ  করতে ৫ দফা  দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মোছা. সুবর্ণা মুস্তারী।


শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে  আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুবর্ণা মুস্তারী বলেন, তিনি আলমডাঙ্গা কাচারীপাড়ার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে জার্মানিতে বসবাস করছিলেন। তার স্বামী আক্তারুজ্জামান বিশ্বাস অসুস্থতাজনিত কারণে ২০১৩ সালে মারা যান। তাদের দুই মেয়ে সানাইয়া বিশ্বাস ও সোনম বিশ্বাস রয়েছে।


স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি ও তার দুই মেয়ে স্বামীর জমাজমিসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অংশীদার হন বলে দাবি করেন সুবর্ণা মুস্তারী।


তিনি অভিযোগ করেন, তিনি ও তার দুই মেয়ে স্থায়ীভাবে জার্মানিতে বসবাসের সুযোগে তার দেবর অহিদুজ্জামান লেন্টু ও তার স্ত্রী ডালিয়ারা পারভীন শিলা দীর্ঘদিন ধরে তাদের আলমডাঙ্গা কাচারীপাড়ার জমিসহ বাড়ি এবং বাড়ির নিচে থাকা দোকানপাট নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এরই মধ্যে তাদের অংশের আনুমানিক ৭ ফুট জমি দখল করে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


সুবর্ণা মুস্তারী বলেন, বাড়ি নির্মাণে আইনগতভাবে বাধা দেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করা হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (৬১ /২০২৩) দেওয়ানি মামলা করা হয়। মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে। তার দাবি, মামলায়  নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে ওই জায়গায় হস্তক্ষেপ ও নির্মাণকাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে নিরাপত্তাহীনতার ফাঁকা বুলিয়া আওড়িয়ে বাড়ির ভিতরে কাউকে প্রবেশ করতে না দিয়ে  নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।


এতে তার নিজ বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তাটিও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে সুবর্ণা মুস্তারী আরও বলেন, গত ২ আগস্ট ২০২৬ তিনি ও তার দুই মেয়েসহ দেশে আসেন। তারা দেশে আসার পর নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে মেইন গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়। এর আগেও দেশে এসে ওই বাড়িতে গেলে তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলা ও হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।


পরে তারা আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের শরণাপন্ন হন। একটি সাধারণ ডায়েরি ও করা হয়। সাধারণ ডায়েরি মূলে  পুলিশের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা খুলে দেওয়ার কথা বললেও অভিযুক্তরা তালা না খুলে উল্টো হুমকি দেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।


সুবর্ণা মুস্তারী বলেন, তারা কোনো ধরনের সংঘাত বা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চান না। দেশের প্রচলিত আইন ও প্রশাসনের প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তাই বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকানা ও আইনগত অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে তার দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অবৈধভাবে জমি ও বাড়ি দখলের চেষ্টা বন্ধ করা, পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান বন্ধ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জমি ও বাড়ির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দখলের চেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।


এ ছাড়া ভবিষ্যতে তাদের বৈধ সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ বা দখলের চেষ্টা যাতে না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে সুবর্ণা মুস্তারী সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে ও সম্পূর্ণ আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের ন্যায্য অধিকার ও সম্পত্তির সুরক্ষা চান।


সংবাদ সম্মেলন শেষে সুবর্ণা মুস্তারি আরো জানান, আলমডাঙ্গা থানার পুলিশ কর্মকর্তা হোসেন আলী দু-পক্ষের কথা শুনে ও মালিকানা জমির কাগজপত্র দেখে লেন্টু পক্ষকে তালা খুলে দেওয়ার কথা বলেন। এ বিষয়ে শিলা ও লেন্টু গং কর্ণপাত না করলে পুলিশ ইন্সপেক্টর হোসেন আলী উত্তেজনা প্রশমনের জন্য আমাদেরকে ঘটনায়  স্থল ত্যাগ করতে বলেন। তিনি  কোন পক্ষকে  প্রতি অহেতুক গালাগালি বা শার্টের কলার ধরে টানাটানি,অবরুদ্ধ করে রাখা  কিংবা অনধিকার প্রবেশ  করেননি।


মূল ঘটনা আড়াল করার জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর সহ আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করে জমি ও বাড়ি দখলের পায়তারা করছে তারা।  এ বিষয়টি প্রতিবেশী সহ আলমডাঙ্গা এলাকায় সরেজমিনে গেলে ওই এলাকার মানুষই সত্য ঘটনা তুলে ধরবেন। সে কারণেই আলমডাঙ্গা তে সংবাদ সম্মেলন না করে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে গিয়ে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেছে লেন্টু ও শিলা পক্ষ। 


এদিকে এ পাল্টা-পাল্টি  অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ হোসেন আলী বলেন, জার্মান প্রবাসী সুবর্ণা  মুস্তারী নামে একজন মহিলা আলমডাঙ্গা থানায় তার জমি ও বসত বাড়ি  বেদখল বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করেন। সেই ডায়েরির সূত্র ধরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দু-পক্ষকে তাদের নিজ নিজ দাবির প্রমাণক হিসাবে তথ্যউপাত্ত জানতে চাওয়া হয়। জার্মান প্রবাসী সুবর্ণা মস্তারী  তাদের তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে প্রদান করলেও লেন্টু-শিলাপক্ষ কোন তথ্য প্রদান না করে বিভিন্নভাবে সেনা সদস্য ও সেনা কর্মকর্তাদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে আমার নাম ও পদবি লিখে রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি-ধাম কি  প্রদান করেন। এমতাবস্থায় সরকারি দায়িত্ব পালনে ব্যাঘাত ঘটায় লেন্টু ও শিলা পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু তারা শান্ত না হয়ে বরং সরকারি কাজে বাধা দেয়ার উদ্দেশ্যে আমার ব্যক্তিগত ও চাকুরীগত পদ-পদবী নিয়ে তাচ্ছিল্য করে। যা খুবই অপমানজনক। 


সে কারণে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে দু-পক্ষকেই সংঘর্ষ এড়িয়ে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানায়। আমি কাউকে গালাগালি বা শার্টের কলার ধরে টানা-হ্যাচড়া করেনি।

সর্বশেষ সব খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাসে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রথম স্থান করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিস


নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা

  • প্রকাশ : শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১৩ পিএম

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে অনুষ্ঠিত হল ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। আজ শনিবার বেলা ৫টায় তিতাস নদীর শিমরাইলকান্দি গাঁওগেরাম এলাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আবুসাঈদ। 




বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ১০টি নৌকা অংশ গ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার শাপলা বয়েজ ক্লাবের পক্ষে আবুল কালামের নৌকা। 




দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে একই উপজেলার দারমার হাবিবুর রহমানের নৌকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে নবীনগর উপজেলার পইল যুবসংঘের কাউছার মিয়া নৌকা। আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, প্রথম স্থান অর্জনকারী নৌকাকে নগদ ২লাখ টাকা প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় স্থান অধিকারী নৌকাকে এক লাখ ৫০হাজার এবং ৩য় স্থান এক লাখ টাকা প্রদান করা হয়। বিকেল সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের অর্থ তোলে দেন। নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় বিপুল সংখ্যক দর্শক নদীর দুই পাড়ে অবস্থান করে প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। 


প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কীয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসন মাহবুব শ্যামল এমপি বলেন, জাতীয়তাবাদী বিএনপির সরকার যুবক এবং তরুনদের মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য খেলাধূলা পেশা হিসেবে ঘোষনা করেছে। 


তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষনা দেন জেলায় জেলায় বিকেএসপি করা হবে। একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে নৌকা বাইচ বন্ধ করার জন্য পায়তারা করছিল। কিন্তু আজ জনগনের যে উপস্থিতি আমরা আগামীতে নৌকা বাইচ করবো ইনশাআল্লাহ। 


এসময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান, পুলিশ সুপার শাহ মোঃ আব্দুর রউফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন দেব, সদর উপজেলা নির্বাহী  অফিসার মাহমুদা জাহান, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জহিরুল হক জহির, সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা জামায়াতের আমির মোবারক হোসেন আকন্দ প্রমুখ। 

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৪৬ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে চলন্ত সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে সদ্য ভূমিষ্ঠ এক ছেলে নবজাতককে রাস্তায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরীর (১৮) বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয়রা এ ঘটনায় ওই কিশোরী ও সিএনজি চালককে আটক করে এবং নবজাতককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।


গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলন্ত সিএনজি থেকে নবজাতককে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন। পরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। নবজাতকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে তার মায়ের সঙ্গে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলাউদ্দিনের ছেলে মো. সালাউদ্দিন ওরফে আরমানের সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে তারা গোপনে আদালতে গিয়ে বিয়ে করেন। পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি সালাউদ্দিনকে জানান। তবে পরবর্তীতে সালাউদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যরা বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেন।


শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই কিশোরী। পরে সিএনজি চালক সামসুকে সঙ্গে নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেশে রওনা হন। পথে সিএনজির ভেতরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য জরুরি বিভাগে গেলে বিষয়টি নিয়ে কর্তব্যরত ডাক্তারদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে নবজাতককে হাসপাতালের সামনের সড়কের পাশে রেখে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সিএনজি চালকসহ ওই কিশোরীকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।


অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার অভিযুক্ত মো. সালাউদ্দিন ওরফে আরমানের মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।  


কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। নবজাতক ও তার মাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

আপেল সভাপতি ও মুকুল সম্পাদক

  • প্রকাশ : শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৭ পিএম

দীর্ঘ ২৩ বছর পর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে নোয়াখালী পৌর বণিক সমিতির নির্বাচন। তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচনে সভাপতি পদে আব্দুল মোতালেব আপেল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোনিরুল ইসলাম মুকুল নির্বাচিত হয়েছেন।


আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। 


নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত নিরাপত্তার মধ্যে ব্যবসায়ীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।


সভাপতি পদে আব্দুল মোতালেব আপেল ৮৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তাজুল ইসলাম পান ৭৩৩ ভোট।  সাধারণ সম্পাদক পদে মোনিরুল ইসলাম মুকুল ১ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম রায়হান পান ৪২০ ভোট।


এ ছাড়া সহ-সভাপতি পদে হারুন নূর রশিদ খান টিয়া পাখি প্রতীকে ৬৯১ ভোট এবং মোয়াজ্জেম হোসেন হেলিকপ্টার প্রতীকে ৬০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুর রহমান আপেল প্রতীকে ৮১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।


নির্বাচনে মোট ১৯টি পদের মধ্যে ১১টি পদে আব্দুল মোতালেব আপেল ও সিরাজুল ইসলাম রায়হান পরিষদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকি পদগুলোতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৮৯ ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৬২৪টি ভোট কাস্ট হয়। দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

সর্বশেষ সব খবর