• প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৭ মে, ২০২৬, সময় : ৯:৪৪ এএম

ঝালকাঠির আলোচিত ব্যবসায়ী শামীম আহমেদ ওরফে জর্দা শামীম ও তার সঙ্গে তার থাকা অপর আসামি আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (০৭ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক।

 

এর আগে, বুধবার রাতে রংপুর সদর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃত শামীম আহমেদ (৫৫) ও আরিফ হোসেন (৪৫) ঝালকাঠি পৌর শহরের পূর্বকাঠপট্টি এলাকার মৃত শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তারা ঝালকাঠি জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও ব্যবসা ও রাজনৈতিক কারণে রাজধানী ঢাকার উত্তরা এবং কলাবাগানে বসবাস করতেন।

 

শামীম আহমেদ উত্তর ঢাকা মহানগর শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি। ২০২৩ সালে তিনি ঝালকাঠি জেলার সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা হয়েছিলেন।

 

রংপুর জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার (০৬ মে) রাতে সদর উপজেলার

 

হরিদেবপুর ইউনিয়নের গোকুলপুর চওড়াপাড়ার জলঢাকা সড়ক সংলগ্ন শাহী জর্দা কোম্পানি লিমিটেডের অফিসে অভিযান পরিচালনা করা করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় অফিসে সংলগ্ন শয়নকক্ষ থেকে ছয় বোতল বিদেশি মদসহ শামীম আহমেদ ওরুফে জর্দা শামীম ও আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

জেলা পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও শামীম আহমেদের বিরুদ্ধে  ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানা ও রামপুরা থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে। তিনি একজন এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি। অভিযুক্ত অপর আসামি আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা রয়েছে।

 

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝালকাঠির শামীম আহমেদ এলাকায় ‘জর্দা শামীম’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। মূলত তিনি একজন ব্যবসায়ী হলেও তার কর্মকাণ্ড এবং জীবনযাপন নিয়ে অনেক আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং তাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় নিজের প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার ইন্ধন ছিল। বিশেষ করে ঝালকাঠির প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার সখ্যতাকে পুঁজি করে তিনি নানা কাজ হাসিল করতেন বলে অভিযোগ আছে।

 

এলাকায় জমি দখল, টর্চার সেলে নারী-পুরুষদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়সহ সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

নিজেকে গরিবের সুলতান দাবি করা শামীম আহমেদ সাবেক সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।সেই সুবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেও আইনের আওতার বাইরে থেকে গেছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতা, অবৈধ সম্পদ অর্জনের মতো অভিযোগ রয়েছে।

 

শামীম আহমেদ ও তার সহযোগীরা এক অসহায় কর্মচারীকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করে। সেই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তাকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এছাড়া চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে নিজ ভাইদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গাড়ি ও অফিসে হামলা এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালানোর মতো ঘটনার জন্ম দিয়ে বিতর্কিত হয়েছেন শামীম আহমেদ।

 

এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি প্রশাসন।



সর্বশেষ সব খবর

চোর দলের সক্রিয় সদস্য ১৩ জন আটক। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৪৬ এএম

বিরলে আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোর দলের সক্রিয় সদস্য ১৩ জন আটক এবং গোডাউন হতে চুরি হওয়া ভূট্টা উদ্ধারসহ একইরাতে অপর একজনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। 


বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল এমরান আটককৃতদের পরিচয়ে জানান বৃহস্পতিবার রাতে আটককৃতরা হলেন- রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার রহমতচোর গ্রামের খলিল মিঞা এর ছেলে দিনাজপুরের বিরল পৌরশহরের চকভবানী বলদিয়া মোড়ের ভাঙ্গারী মালামাল ক্রয়- বিক্রয়ের দোকানদার ও পিকআপ চালক মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৬), পীরগাছা উপজেলার রহমতচোর গ্রামের মৃত আইজদ্দীন এর ছেলে বিরল উপজেলার ফেরীওয়ালা খইবুর আলী (৫০), একই গ্রামের বাসিন্দা আলেবদ্দীন শেখ এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা আফাজ আলী (৩২), একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন (২৮), একই গ্রামের খলিল এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা আজিজুল ইসলাম (৩৮) ও একই গ্রামের আলেক উদ্দীন এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা ছাপড় আলী (৩০), একই জেলার পীরগাছা উপজেলার চরছাওলা কামলাহাটের হযরত আলী এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা জাহাঙ্গীর আলম (২৮), একই উপজেলার কিষামত ছাওলা গ্রামের মৃত আবু সাঈদ এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা রফিকুল ইসলাম (৩০), একই উপজেলার চর ভুট্টার (বাজার) গ্রামের ইউছব আলী এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা জিয়াউল ইসলাম (২৮), একই গ্রামের মজিবর এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা আব্দুল কুদ্দুস (২৪), একই জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার যাদুনগর সর্দারপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেক এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা মাহিদুর রহমান (২৩), একই এলাকার দুলাল প্রামাণিক এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা মোঃ সাপেল (২১), গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লাটশালা গ্রামের মোকছেদ আলী এর ছেলে এই উপজেলার ফেরীওয়ালা সাইফুল ইসলাম (২০)।


অপরদিকে, বিরল পৌরশহরের কইদিঘী ঈদগাহ মাঠের গেট সংলগ্ন বীরমুক্তিযোদ্ধা আইবুর রহমান এর গোডাউন হতে ভাড়াটিয়া নর্থ বেঙ্গল এগ্রো এর আমদানীকৃত হাইব্রীড ৬ বস্তা ভূট্টা বীজ চুরির ঘটনায় কালিয়াগঞ্জ বাজার হতে বীজগুলো উদ্ধার এবং একজনকে আটক করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই শাকিল আহমেদ।


গোডাউন হতে বীজ চুরির ঘটনায় আটককৃত উপজেলার রাণীপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ জগতপুর গ্রামের সমশদ্দীন এর ছেলে আলফাজ হোসেন (৪৯)সহ অপর ১৩ জন আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোরদলের সক্রিয় সদস্যকে শুক্রবার বিকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন থানার ওসি (তদন্ত) আনিছুর রহমান সরকার।

সর্বশেষ সব খবর

লালমনিরহাটে ড্রামট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১০ পিএম

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে ড্রামট্রাকের চাপায় বিপ্লব মিয়া (২২) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার আরও অন্তত ৩জন যাত্রী গুরুত্বর আহত হয়েছেন।


শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহাসড়কের দক্ষিণ গোপাল রায় এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

​

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত বিপ্লবসহ কয়েকজন যুবক নামুড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা শেষে অটোরিকশায় করে কাকিনা বাজারের দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী বালুভর্তি ড্রামট্রাক অটোরিকশাটিকে সজোরে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বিপ্লব মিয়ার মৃত্যু হয়।


​দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন।


​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মঞ্জুরে মাওলা জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িটি জব্দ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

কয়লা উত্তোলনের দাবিতে মানববন্ধন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৫৫ পিএম

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া ও ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের আলোকে কয়লা উত্তোলনের উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।


গতকাল শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টায় দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া খনি এলাকা সংলগ্ন ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম চার রাস্তার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ‘ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. জাকারিয়া নয়ন।



তিনি বলেন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইতিপূর্বে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফুলবাড়ী কয়লাখনি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেন একই পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে আগে থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেকের অধিকার ও জীবিকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।


জাকারিয়া নয়ন বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম এলাকায় ফুলবাড়ী কয়লাখনির মুখ রয়েছে। এখান থেকেও কয়লা উত্তোলনের দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে ফুলবাড়ী কয়লাখনির কয়লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য দ্রুত খনি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি। এ সময় বড়পুকুরিয়া ও ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলনের পক্ষে আরও বক্তব্য দেন মো. আব্দুল কাদের, মো. আব্দুল আজিজ ও মো. বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

সর্বশেষ সব খবর

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সোনাইমুড়ীতে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৫ পিএম

বর্তমান সরকারের আট মাসের দেশ পরিচালনায় সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চৌরাস্তা থেকে সোনাইমুড়ী পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সোহেল উদ্দিন সজীব ও পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাইনুল হাসান মায়েনের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সোনাইমুড়ী বাইপাসে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সোনাইমুড়ী পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সোহেল উদ্দিন সজীব, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাইনুল হাসান মায়েন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রায়হান ভূঁইয়া ও শাহজাহান সাজু প্রমূখ।

এ সময় সোহেল উদ্দিন সজীব বলেন, বর্তমান সরকারের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি গোষ্ঠী দেশের বাইরে থেকে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। পাশাপাশি দেশের ভেতরে থাকা একটি গুপ্ত সংগঠনও বিদেশে অবস্থানরত গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজশ করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এসব ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে ছাত্রদল প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নিজ দলের সাংগঠনিক বিষয় তুলে ধরে সজীব বলেন, সোনাইমুড়ী উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে তিনি নিজেও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তার মতো শত শত নেতাকর্মী দলের জন্য জীবন বাজি রেখে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। অথচ নতুন কমিটিতে তাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে দলের স্বার্থে ভবিষ্যতেও সব নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সজীব। একই সঙ্গে দল থেকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আশাবাদ জানান তিনি।
শোভাযাত্রায় সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ছাত্রদলের শত শত নেতাকর্মী অংশ নেন।

সর্বশেষ সব খবর

আদাবর থানা। ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৩ পিএম

রাজধানীর আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে এ বিস্ফোরণ হয়।

রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ককটেল দুটি নিক্ষেপ করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। কারা কী উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ সব খবর

বর-কনের প্রতীকী। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫১ পিএম

সাতক্ষীরার তালায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে দুটি বাল্যবিয়ে পণ্ড করা হয়েছে। আকস্মিক এ অভিযানে অপ্রাপ্তবয়সী মেয়েদের বিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের আগামী সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ দুটি পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়। পুরো অভিযানটি সমন্বয় করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার উপপরিচালক নাজমুন নাহার।


প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রথম অভিযান হয় উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের হাজরাপাড়া এলাকায় শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানতে পারেন, তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাজেরপাড়া এলাকায় ধুমধাম করে একটি বাল্যবিয়ে চলছে। কনে ওই এলাকার বাসিন্দা এবং বর পার্শ্ববর্তী খলিশখালী এলাকার অপ্রাপ্তবয়সী ওসমান গাজী।


খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার নির্দেশে তালা উপজেলা কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটার রিংকু আইচ, কুমিরা ইউনিয়ন কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সংগীত শিক্ষক শম্পা ভট্টাচার্য এবং ক্লাবের দপ্তরি মিনা দে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এছাড়া পাটকেলঘাটা থানার ওসির সহযোগিতায় এসআই আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিমও ঘটনাস্থলে যায়। তবে অভিযানের টের পেয়ে বর দ্রুত কনেকে গাড়িতে তুলে পালিয়ে যায়।


এ ঘটনায় মেয়ের বাবা মুচলেকা দিয়েছেন এবং আগামী সোমবার সকাল ১০টায় মেয়েসহ অভিভাবকদের ইউএনও মহোদয়ের অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে কুমিরা মধ্যপাড়া এলাকা প্রথম ঘটনাটি প্রতিরোধ করে ফেরার সময় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, কুমিরা মধ্যপাড়া এলাকায় দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়সী এক মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে উপস্থিত হয়ে ওই বিয়েটিও সফলভাবে প্রতিরোধ করেন।


এ ক্ষেত্রেও মেয়ের পরিবার থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মেয়েসহ অভিভাবকদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।


তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তালা উপজেলার পৃথক এলাকায় বাল্যবিয়ে বন্ধে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে বিয়ের দুটি বন্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া অভিভাবকদের আগামী সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

সর্বশেষ সব খবর