ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রিমান্ডে
সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওসমান গনিকে (৩২) দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক মো. মাহবুব উল ইসলাম শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তকরণ এবং অর্থদাতা ও পরামর্শদাতাদের বিষয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান। আদালত শুনানি শেষে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর থানাধীন ১২ নম্বর সালন্দর ইউনিয়নের তেলিপাড়াস্থ’ গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের সামনে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২৫ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সমবেত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় সাক্ষীদের তথ্যের ভিত্তিতে মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামি ওসমান গনিসহ অপরাপর সহযোগীরা রাষ্ট্রীয় সংহতি, অখন্ডতা ও নিরাপত্তা বিনষ্টের উদ্দেশ্যে মহাসড়কে গোপনে সমবেত হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার চক্রান্ত করছিলেন। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনায় ইন্ধনদাতা ও অর্থ জোগানদাতাদের শনাক্ত করতে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন ছিল।
পুলিশের পিসিপিআর (পূর্ববর্তী অপরাধের রেকর্ড) যাচাই করে দেখা গেছে, আসামি ওসমান গনির বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী ২০১৩)-এর ধারা অনুযায়ী একাধিক মামলা (মামলা নং-০৮ ও ০৯, তারিখ: ০৮/০৯/২০২৬) বিচারাধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ওসমান গনি পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী থানার মির্জাপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঠাকুরগাঁও সদর থানার সরকারপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন।
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওসমান গনিকে (৩২) দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক মো. মাহবুব উল ইসলাম শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তকরণ এবং অর্থদাতা ও পরামর্শদাতাদের বিষয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান। আদালত শুনানি শেষে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর থানাধীন ১২ নম্বর সালন্দর ইউনিয়নের তেলিপাড়াস্থ’ গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের সামনে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২৫ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সমবেত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় সাক্ষীদের তথ্যের ভিত্তিতে মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামি ওসমান গনিসহ অপরাপর সহযোগীরা রাষ্ট্রীয় সংহতি, অখন্ডতা ও নিরাপত্তা বিনষ্টের উদ্দেশ্যে মহাসড়কে গোপনে সমবেত হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার চক্রান্ত করছিলেন। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনায় ইন্ধনদাতা ও অর্থ জোগানদাতাদের শনাক্ত করতে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন ছিল।
পুলিশের পিসিপিআর (পূর্ববর্তী অপরাধের রেকর্ড) যাচাই করে দেখা গেছে, আসামি ওসমান গনির বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী ২০১৩)-এর ধারা অনুযায়ী একাধিক মামলা (মামলা নং-০৮ ও ০৯, তারিখ: ০৮/০৯/২০২৬) বিচারাধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ওসমান গনি পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী থানার মির্জাপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঠাকুরগাঁও সদর থানার সরকারপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন।
চোর দলের সক্রিয় সদস্য ১৩ জন আটক। ছবি: সংগৃহীত
লালমনিরহাটে ড্রামট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে ড্রামট্রাকের চাপায় বিপ্লব মিয়া (২২) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার আরও অন্তত ৩জন যাত্রী গুরুত্বর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহাসড়কের দক্ষিণ গোপাল রায় এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত বিপ্লবসহ কয়েকজন যুবক নামুড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা শেষে অটোরিকশায় করে কাকিনা বাজারের দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী বালুভর্তি ড্রামট্রাক অটোরিকশাটিকে সজোরে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বিপ্লব মিয়ার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মঞ্জুরে মাওলা জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িটি জব্দ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কয়লা উত্তোলনের দাবিতে মানববন্ধন। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সোনাইমুড়ীতে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
আদাবর থানা। ছবি : সংগৃহীত
বর-কনের প্রতীকী। ছবি: সংগৃহীত
সাতক্ষীরার তালায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে দুটি বাল্যবিয়ে পণ্ড করা হয়েছে। আকস্মিক এ অভিযানে অপ্রাপ্তবয়সী মেয়েদের বিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের আগামী সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ দুটি পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়। পুরো অভিযানটি সমন্বয় করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার উপপরিচালক নাজমুন নাহার।
প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রথম অভিযান হয় উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের হাজরাপাড়া এলাকায় শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানতে পারেন, তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাজেরপাড়া এলাকায় ধুমধাম করে একটি বাল্যবিয়ে চলছে। কনে ওই এলাকার বাসিন্দা এবং বর পার্শ্ববর্তী খলিশখালী এলাকার অপ্রাপ্তবয়সী ওসমান গাজী।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার নির্দেশে তালা উপজেলা কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটার রিংকু আইচ, কুমিরা ইউনিয়ন কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সংগীত শিক্ষক শম্পা ভট্টাচার্য এবং ক্লাবের দপ্তরি মিনা দে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এছাড়া পাটকেলঘাটা থানার ওসির সহযোগিতায় এসআই আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিমও ঘটনাস্থলে যায়। তবে অভিযানের টের পেয়ে বর দ্রুত কনেকে গাড়িতে তুলে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মেয়ের বাবা মুচলেকা দিয়েছেন এবং আগামী সোমবার সকাল ১০টায় মেয়েসহ অভিভাবকদের ইউএনও মহোদয়ের অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে কুমিরা মধ্যপাড়া এলাকা প্রথম ঘটনাটি প্রতিরোধ করে ফেরার সময় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, কুমিরা মধ্যপাড়া এলাকায় দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়সী এক মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে উপস্থিত হয়ে ওই বিয়েটিও সফলভাবে প্রতিরোধ করেন।
এ ক্ষেত্রেও মেয়ের পরিবার থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মেয়েসহ অভিভাবকদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তালা উপজেলার পৃথক এলাকায় বাল্যবিয়ে বন্ধে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে বিয়ের দুটি বন্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া অভিভাবকদের আগামী সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।