মাইকেল জ্যাকসন
সমালোচকেরা পাত্তা না দিলেও মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’। গত ২৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রথম দিনেই প্রায় ৩৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে ছবিটি। এই মিউজিক্যাল বায়োপিক বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৭৮৮ মিলিয়ন ডলার। ফলে শিগগিরই সিনেমাটি ৮০০ মিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহান্তে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আরও ২ কোটি ৮৫ লাখ ডলার আয় করেছে ছবিটি।
বর্তমানে সিনেমাটির বিদেশি আয় ৪৬৮ মিলিয়ন ডলার এবং উত্তর আমেরিকায় আয় ৩১৯ মিলিয়ন ডলার। এখনো জাপানে মুক্তি পায়নি ছবিটি। ফলে বিশ্লেষকদের ধারণা, শেষ পর্যন্ত এটি ২০১৮ সালের আলোচিত বায়োপিক ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’র ৯১১ মিলিয়ন ডলারের রেকর্ডও ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাহলে এটিই হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি আয় করা মিউজিক্যাল বায়োপিক।
ছবিতে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁর ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। আন্তর্জাতিকভাবে ছবিটি পরিবেশন করছে ইউনিভার্সাল পিকচার্স এবং যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে লায়নসগেট।
অন্যদিকে ডিজনির কমেডি সিক্যুয়েল ‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা ২’ও বিশ্বব্যাপী ৬০০ মিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়েছে। মুক্তির চতুর্থ সপ্তাহে এসে ছবিটি বিদেশ থেকে আরও ২ কোটি ১০ লাখ ডলার আয় করেছে। উত্তর আমেরিকায় ছবিটির আয় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে এটি আরও বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিদেশে এর আয় ৪০৮ মিলিয়ন ডলার।
এদিকে চলতি সপ্তাহের বড় মুক্তি ছিল ডিজনির ‘স্টার ওয়ারস: দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান অ্যান্ড গ্রোগু’ ৫১টি আন্তর্জাতিক অঞ্চল থেকে আয় করেছে ৬৪ মিলিয়ন ডলার। সবচেয়ে বড় বাজার ছিল যুক্তরাজ্য, যেখানে ছবিটির আয় ৭ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার। এরপর জার্মানিতে ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন, চীনে ৫ দশমিক ৩ মিলিয়ন এবং জাপানে ৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে ছবিটি।
উত্তর আমেরিকায় সিনেমাটির ওপেনিং আরও শক্তিশালী ছিল। সপ্তাহান্তে সেখানে আয় করেছে ৮২ মিলিয়ন ডলার এবং মেমোরিয়াল ডে ছুটিসহ চার দিনে আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০২ মিলিয়ন ডলারে। ফলে বিশ্বব্যাপী ৩ দিনে ছবিটির আয় ১৪৫ মিলিয়ন ডলার এবং ৪ দিনে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৬৫ মিলিয়ন ডলারে। এই আয় প্রায় সমান ২০১৮ সালের ‘সলো: আ স্টার ওয়ারস স্টোরি’র শুরুর সঙ্গে। তবে সেই সিনেমা শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছিল। প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বাজেটের বিপরীতে ছবিটি বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল মাত্র ৩৯২ মিলিয়ন ডলার এবং সেটিই ছিল প্রথম ‘স্টার ওয়ার্স’ সিনেমা, যা প্রেক্ষাগৃহে লোকসান গুনেছিল।
তবে ‘স্টার ওয়ারস: দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান অ্যান্ড গ্রোগু’ নিয়ে পরিস্থিতি আপাতত ভিন্ন। সমালোচক ও দর্শকের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে ছবিটি। এ ছাড়া এর নির্মাণ ব্যয়ও তুলনামূলক কম—প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন ডলার। ফলে দ্বিতীয় সপ্তাহের আয়ই ঠিক করে দেবে, এটি শুধু সিরিজ–ভক্তদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি দীর্ঘ সময় প্রেক্ষাগৃহে টিকে যাবে।
ছবিটি পরিচালনা করেছেন জন ফাভরো। তারকাবহুল সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন পেড্রো প্যাসকল, জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট, সিগুর্নি ওয়েভার। ডিন ডিজারিন ও তার ছোট শিষ্য গ্রোগু নতুন মিশনে বের হয়; কিন্তু কাজটা সহজ নয়, পদে পদে তাদের জন্য অপেক্ষা করে আছে নতুন বিপদ। তবে এসব চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে মোকাবিলা করতে গিয়ে ডিন ও গ্রোগুর সম্পর্ক আরও মজবুত হয়।
ডিজনির জন্য ছবিটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০১৯ সালের ‘স্টার ওয়ারস: দ্য রাইজ অব স্কাইওয়াকার’ -এর পর এটিই প্রথম ‘স্টার ওয়ার্স’ চলচ্চিত্র।
আগামী বছর বড় পর্দায় ফিরছে ‘স্টার ওয়ার্স’-এর আরেক নতুন অধ্যায়, ‘স্টার ওয়ারস: স্টারফাইটার’ নামের সেই সিনেমা পরিচালনা করবেন শন লেভি, এতে অভিনয় করবেন রায়ান গসলিং।
বিয়ের আগে বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে নাকি প্রায় ১০০ বার প্রস্তাব দিতে হয়েছিল রাশমিকা মান্দানাকে। সম্প্রতি এই মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। বিজয়ের বক্তব্যকে ঘিরে কেউ কেউ তার আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এবার বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন রাশমিকা। অভিনেত্রীর ভাষ্য, তাদের কথোপকথনের প্রকৃত অর্থ না বুঝেই অনেকে মন্তব্যের একটি অংশ নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন।সম্প্রতি করণ জোহরের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম মৌসুমে অতিথি হিসেবে হাজির হন বিজয় ও রাশমিকা। সেখানে তাদের বিয়ের প্রস্তাবের প্রসঙ্গ ওঠে। রাশমিকা জানান, একসময় তিনি বিজয়কে বিয়ের কথা বলেছিলেন। তখন বিজয় মজা করে বলেছিলেন, একই কথা নাকি তাকে ১০০ বার বলতে হবে। বিয়ে নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রায় এক বছর ধরে আলোচনা চলেছিল বলেও জানান অভিনেত্রী।
বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে ইনস্টাগ্রামে দীর্ঘ বক্তব্য প্রকাশ করেন রাশমিকা। তিনি বলেন, তাদের বিয়ের সিদ্ধান্তের পেছনের ভাবনা বাদ দিয়ে মানুষ শুধু ১০০ বার বলা কিংবা এক বছর সময় নেওয়ার বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করছে।রাশমিকার কথায়, ‘প্রথমেই বলে রাখি, বিষয়টি কখনোই কতবার বলা হয়েছিল কিংবা পুরো এক বছর সময় নেওয়া নিয়ে ছিল না। আপনারা সেখানেই আটকে গেছেন। হ্যাঁ, এমন কথোপকথন হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কেউই জাঁকজমকপূর্ণ কোনো প্রস্তাবের অপেক্ষায় ছিলাম না।’
বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একে অপরকে বোঝার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, জীবনের আনন্দ, চাপ ও নানা উত্থান-পতনের মধ্যে দুজন মানুষ একে অপরকে বুঝতে যথেষ্ট সময় নিচ্ছেন কি না, সেটিই ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
রাশমিকা লেখেন, ‘বিষয়টি ছিল, জীবনের সব উত্থান-পতন, আনন্দ ও চাপের মধ্যেও আমরা দুজন একে অপরকে বুঝতে যথেষ্ট সময় ও সুযোগ নিই। আমরা সত্যিই বিয়ে করতে চাই কি না এবং সেটি করার উপযুক্ত সময় কি না, তা নিশ্চিত হওয়াই ছিল মূল কথা।’
শেষ পর্যন্ত দুজনের সম্মতিতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে রাশমিকা বলেন, তারা একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন। নিজের আবেগপ্রবণ স্বভাবের সঙ্গে বিজয়ের চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতার সমন্বয় তাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একসঙ্গে জীবন গড়ে তোলাকেই বেশি গুরুত্ব দেন রাশমিকা। তার ভাষায়, ‘আমাদের কাছে বিয়ে কখনোই প্রস্তাব দেওয়া, এক হাঁটু গেড়ে বসা কিংবা আঙুলে আংটি পরানোর বিষয় ছিল না। এগুলো বাহ্যিক আয়োজন। আমাদের কাছে বিয়ের অর্থ ছিল একসঙ্গে জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।’বিজয়ের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা তুলে ধরে অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘আমাদের কাছে বিয়ে কখনোই প্রস্তাব দেওয়া, এক হাঁটু গেড়ে বসা কিংবা আঙুলে আংটি পরানোর বিষয় ছিল না। এগুলো বাহ্যিক আয়োজন। আমাদের কাছে বিয়ের অর্থ ছিল একসঙ্গে জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। এমন কাউকে খুঁজে নিন, যার জন্য আপনি যেকোনো পর্যায়ে যেতে পারবেন এবং যে আপনার জন্যও একই কাজ করবে। আর হ্যাঁ, আমি আমার মানুষটিকে নিয়ে ভীষণ মুগ্ধ। এটা কখন থেকে খারাপ হয়ে গেল?’
জীবনের দীর্ঘ পথচলায় বিজয়কে সঙ্গী হিসেবে পাওয়ার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন রাশমিকা। তিনি বলেন, ‘আমি যাকে বিয়ে করছি, তার প্রেমে যদি গভীরভাবে না-ই পড়ি, তাহলে তাকে বিয়ে করব কেন? তিনি সারা জীবনের সঙ্গী হবেন। সাধারণ ও অসাধারণ প্রতিটি দিনের বন্ধু, আমার সন্তানের বাবা এবং সেই মানুষ, যার সঙ্গে আমি বৃদ্ধ হতে চাই।’
সমালোচকদের উদ্দেশে রাশমিকা বলেন, ‘এমন একজন মানুষ খুঁজুন, যিনি আপনাকে এত সুন্দরভাবে ভালোবাসবেন যে বিয়ের পরও তাকে বলতে ইচ্ছা করবে, চলো আবার বিয়ে করি। আমি হাজারবারও একই কাজ করব। সেখানে ১০০ বার কিছুই নয়।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে আসা নানা মন্তব্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরামর্শেও হতাশা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। তার মতে, ‘আমার ও বিজয়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অসংখ্য মতামত, মন্তব্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরামর্শ এসেছে। যেভাবে মানুষ আমাদের আক্রমণ করেছে, তা আমাকে সত্যিই কিছুটা বিস্মিত করেছে।’রাশমিকা লেখেন, ‘আমাদের নিয়ে চিন্তা করবেন না। আমি জীবনে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সুখী। আমার মুখে, বিয়ের পরের আনন্দে, আমার অভিনয়ে, সিনেমায় এবং জীবনযাপনে সেই সুখ দেখতে পাবেন বলে আশা করি। আমি সুখী, তৃপ্ত এবং নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।’
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। এর আগে ‘গীতা গোবিন্দম’ ও ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। সম্প্রতি ‘রানাবালি’ সিনেমায়ও এই জুটিকে একসঙ্গে দেখা গেছে।
টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় তদন্তে একের পর এক তথ্য সামনে আসছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু টাইগার নন, বলিউডের আরও কয়েকজন প্রথম সারির অভিনেতার বাড়ির আশপাশে নজরদারি চালানো হয়েছিল বলে জানা গেছে।তালিকায় ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, আমির খান, অক্ষয় কুমার ও সালমান খানও।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারীদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিলেন আমির খান। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়। সূত্রের দাবি, আমিরের তুলনায় টাইগারকে প্রকাশ্যে বেশি দেখা যাওয়ায় তাকে নিশানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
আমিরের তৃতীয় বিয়ে এবং গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে তার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠীর নামে হুমকির খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে আমিরকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও হুমকি দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই পোস্টে আমির খানের মতো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’-এর প্রচারের অভিযোগ তোলা হয়। একই সঙ্গে দাবি করা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড তাদের সংস্কৃতি ও সনাতন ধর্মের পরিপন্থী।পোস্টে আরও হুমকি দেওয়া হয়, তারকাখ্যাতির আড়ালে যারা এসব কর্মকাণ্ডের প্রচার করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পোস্টটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও দাবির সত্যতা তদন্তের বিষয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাইসন বিষ্ণোই ও আরজু বিষ্ণোইয়ের নামে পরিচালিত একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে হুমকিটি দেওয়া হয়েছিল। এর আগে জুলাই মাসেও আমির খান হুমকি পেয়েছিলেন বলে খবর প্রকাশিত হয়।
এদিকে টাইগার শ্রফের ওপর গুলির ঘটনায় শনিবার ইন্দোর থেকে ২২ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে ঘটনায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১। তবে হামলার পেছনের উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা পরিবর্তনের বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত ফল এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার পর থেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে জানিয়েছেন টাইগার, এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে। এ কারণে তিনি এখনো পুলিশের কাছে বিস্তারিত জবানবন্দি দেননি বলে খবর। তার বক্তব্য নিতে মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন শাখার একটি দল অভিনেতার বাড়িতে গিয়েছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে টাইগার বলেছেন, পুরো ঘটনায় তিনি প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছেন। কে বা কারা তার ওপর এমন হামলা চালাতে চাইবে, তা বুঝতে পারছেন না। কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় টাইগারের গাড়িচালক ফিরদৌস বালোচ এবং ভ্লগার উমেশ চৌহানের বক্তব্য নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে হামলার উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।
‘অ্যানিমেল ফার্ম’ নাটকের একটি দৃশ্য
জর্জ অরওয়েলের বিশ্বখ্যাত উপন্যাস ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ অবলম্বনে নাটক মঞ্চস্থ করতে যাচ্ছে রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ। আজ ও আগামীকাল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় সন্ধ্যা ৭টায় নাটকটির প্রদর্শনী হবে। নজরুল সৈয়দের নাট্যরূপে নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রধান সাইদুর রহমান লিপন।
রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম আলোচিত উপন্যাস। পশুদের প্রতীকী চরিত্রের মধ্য দিয়ে জর্জ অরওয়েল এতে শাসন ব্যবস্থার শোষণ, নিপীড়ন এবং ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির চিত্র তুলে ধরেছেন। প্রাক্তন সোভিয়েত রাশিয়ার রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ব্যর্থতা উপন্যাসটির অন্যতম প্রেক্ষাপট। নির্দেশক সাইদুর রহমান লিপনের ভাষ্য, শোষণ-নিপীড়নের চূড়ান্ত পরিণতি বিপ্লব।
ফরাসি বিপ্লব থেকে রুশ বিপ্লব-ইতিহাসের বিভিন্ন বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার হাতবদল ঘটলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন হয়নি। নাটকটির মধ্য দিয়ে সেই বাস্তবতাই তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। নিজের এই বই সম্পর্কে জর্জ অরওয়েল বলেছিলেন, ‘এটা হচ্ছে আমার প্রথম বই, যেখানে আমি সম্পূর্ণ সচেতন থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এবং শৈল্পিক উদ্দেশ্য এক করে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’
রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নির্মিত নাটকটিতে ক্ষমতাহীন ও ক্ষমতাধরদের মধ্যকার চিরন্তন দ্বন্দ্বকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষমতার কাঠামো, শোষণ এবং বিপ্লব-পরবর্তী বাস্তবতা নিয়ে দর্শকদের ভাবনার খোরাক জোগাতে চান নির্মাতারা।
নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মো. হাবিবুল্লাহ, ফাহাদ খান, সাইফুল ইসলাম, মো. সজীব হোসেন, সানজিত সুপ্ত, নাজিমউদ্দৌলা জুয়েল, আবির খান অন্তু, পলক চক্রবর্তী, রিফাত আরা জুঁই, মেহেদী হাসানসহ নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। নাটকটির সহযোগী নির্দেশনায় রয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক ও মো. শামীম আহমেদ। আলোক পরিকল্পনায় ধীমান চন্দ্র বর্মন, পোশাক পরিকল্পনায় মহসিনা আক্তার এবং সংগীত পরিকল্পনায় অসীম কুমার নট্ট।
সুনেরাহ বিনতে কামাল
অনিন্দ্য অভিনয় দিয়ে দর্শকের মনোযোগ কেড়েছেন বহু আগে। একইভাবে নাটকপ্রেমীদের মনে স্থায়ী আসন গড়ে নিয়েছেন ভিন্ন রকম গল্প ও চরিত্র পর্দায় তুলে ধরে। সে কারণে সুনেরাহ বিনতে কামালের কাছে প্রত্যাশাও বেড়ে গেছে দর্শকের। আর সে প্রত্যাশা পূরণে নন্দিত এ অভিনেত্রী চেষ্টা করে যাচ্ছেন অভিনয়ে প্রতিনিয়ত নিজেকে ভেঙে নতুন রূপে উপস্থাপন করতে।
সেই ভাবনা থেকে অভিনয়ের জন্য এবার বেছে নিয়েছেন ‘অজানা অধ্যায়’ নামে একক নাটকটি। যেখানে তাঁর দেখা মিলেছে ইতি নামে এক সংগ্রামী তরুণীর চরিত্রে। যে অসুস্থ বাবা ও অসহায় বড় বোনের সমস্ত দায়দায়িত্ব একা বহন করে। চাকরির নাম করে সে প্রতিদিন বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু চাকরি সে আদৌ করে না। কারণ পরিবারে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য ইতি অর্থ উপার্জনের জন্য বেছে নিয়েছে এক অন্ধকার জগতের পথ। টাকার জন্য সে সময় কাটায় সমাজের বিত্তবানদের সঙ্গে। একসময় এই সত্যটি আবিষ্কার করে ইতির প্রেমিক। ভয়ংকর এই সত্য জানার পর সে দিশেহারা হয়ে পড়ে। বুঝে পায় না, ইতিকে কীভাবে সঠিক পথে নিয়ে আসা যায়। এভাবেই একের পর এক জন্ম নিতে থাকে নতুন সব ঘটনার।
এ রকম কাহিনি নিয়ে ‘অজানা অধ্যায়’ নাটকটি নির্মাণ করেছেন জহিরুল ইসলাম নীরব। নাটকের কাহিনি ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন এই পরিচালক। নাটকে সুনেরাহর বিপরীতে আবারও দেখা মিলেছে অভিনেতা আরশ খানের। আরও অভিনয় করেছেন দিলরুবা হোসেন দোয়েল, সাহেদ আলী, মঞ্জু রহমান, রিপন, শফিক, ইমন প্রমুখ। সম্প্রতি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি প্রকাশ করা হয়েছে।
অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামালের কথায়, ক্যারিয়ারে নানা ধরনের গল্প ও চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ হয়েছে। ‘অজানা অধ্যায়’ নাটকের কাহিনি ও ইতি চরিত্রটি আগের সব নাটক থেকে অনেকটা আলাদা। চেষ্টা করেছেন সাবলীল অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চরিত্রটি দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার। গল্প, চরিত্র, নির্মাণ, সহশিল্পীদের অভিনয় মিলিয়ে নাটকটি অনেকের মনে ছাপ ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করেন এ অভিনেত্রী।
আরশ খানের বিপরীতে অভিনয় প্রসঙ্গে সুনেরাহ জানান, নির্মাতারা মূলত দর্শকের প্রত্যাশা পূরণে নতুন সব জুটি গড়েন। আরশের সঙ্গে অভিনয়ের শুরু থেকে জুটি হিসেবে তাদের পছন্দ করেছেন সবাই। যে জন্য নির্মাতারা চাইছেন তাদের নিয়ে নতুন সব গল্প তুলে ধরার।
কিছুদিন আগে ‘মায়ারে’ নামে একক নাটকে জুটি বেঁধে দর্শকের প্রশংসা পেয়েছেন তারা। এরও আগে ‘কপাল’, ‘ভুল নাকি প্রেম’, ‘না বলা কথা’, ‘তুমি দূরত্ব চেয়ো না’, ‘সিগনেচার’, ‘পরমা সুন্দরী’, ‘বাটারফ্লাই ইফেক্ট’, ‘পাষাণ হৃদয়’, ‘কখনও কি তোমার হবো’, ‘আমি তুমি, তুমি আমি’, ‘হৃদয়ে ফাগুন’, ‘পূর্ণতা’, ‘ফিরে আসা ভালোবাসা’, ‘শ্যাওলা ফুল’সহ বেশ কিছু নাটকে জুটি বেঁধে অভিনয় করে মনোযোগ কাড়তে পেরেছেন অসংখ্য দর্শকের। সেই সুবাদে ‘অজানা অধ্যায়’ নাটকে আরও একবার জুটি বাঁধা।
পরিমনি
জন্মদিনে চট্টগ্রাম থেকে উড়োজাহাজে করে চিত্রনায়িকা পরীমনির জন্য শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন কেউ একজন। শনিবার রাতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী নিজেই এমন উপহার পাওয়ার কথা জানান। তবে ফুল পাঠানো ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি। এর পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়। রোববার দিনভর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলে আলোচনা।
কে সেই ব্যক্তি, যিনি পরীমনির জন্য এত দূর থেকে উড়োজাহাজে শিউলি ফুল পাঠালেন? এই আলোচনায় যোগ দেন অভিনেতা ও পরিচালক শাহরিয়ার নাজিম জয়ও। রসিকতা করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন তিনি। সেই পোস্টের মন্তব্যে পরীমনি তার জবাবও দিয়েছেন।
কয়েক দিন আগে ফেসবুকে পরীমনি লিখেছিলেন, ‘২ মণ শিউলি ফুল দরকার। ২৪ অক্টোবর দুপুর ১২টায়!’ তাঁর সেই ইচ্ছা পূরণে এগিয়ে আসেন চট্টগ্রামের এক নারী।উড়োজাহাজে করে ঢাকায় পাঠান শিউলি ফুল। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে এমন ভালোবাসার কথা জানিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন পরীমনি। তবে তখনো জানাননি, কে পাঠিয়েছেন এত ফুল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ছিল পরীমনির ৩৪তম জন্মদিন। এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় কাছের বন্ধু, সহকর্মী ও সাংবাদিকদের নিয়ে জন্মদিন উদ্যাপন করেন তিনি। পুরো আয়োজনেই ছিল শিউলি ফুলের ছোঁয়া। রেস্তোরাঁর সিঁড়ি সাজানো হয় শিউলি ফুল দিয়ে। পরীমনি নিজেও পরেছিলেন শিউলি ফুলের নকশা করা শাড়ি। সাজসজ্জা থেকে পোশাক—সবকিছুতেই ছিল একই ভাবনা।
জন্মদিনের অনুষ্ঠানে পরীমনি বলেন, ‘শিউলি ফুলের কথা মাথায় রেখেই সব করেছি। ফেসবুকে স্ট্যাটাসও দিয়েছিলাম, কেউ আমাকে অনেকগুলো শিউলি ফুল এনে দাও। কিন্তু এটা আসলে সম্ভবও না। এই ফুল চার-পাঁচ ঘণ্টাও ঠিক রাখা যায় না। কিন্তু একজন আমাকে চট্টগ্রাম থেকে ফ্লাইটে করে শিউলি ফুল পাঠিয়েছে।’
পরীমনির ইচ্ছা ছিল, পুরো আয়োজনকে শিউলি ফুলের বাগানের মতো সাজাবেন। কিন্তু ফুলের স্বল্পস্থায়িত্বের কারণে সবটুকু কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। তাই সাজসজ্জার পাশাপাশি নিজের পোশাকেও শিউলি ফুলের আবহ রেখেছিলেন তিনি।
জয়ের রসিকতায় রহস্য
পরীমনির জন্মদিনে চট্টগ্রাম থেকে ফুল আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা। এর মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে রসিকতা করেন শাহরিয়ার নাজিম জয়।
জয় তাঁর পোস্টে লেখেন, পরীমনির প্রতি এমন ভালোবাসা দেখে চট্টগ্রামের ধনী পরিবারের স্ত্রীদের অনেকেই হয়তো দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কোন স্বামী পরীমনির জন্য এত শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন?
রসিকতা সেখানেই থামাননি জয়। তাঁর কথায়, ফুল পাঠানো ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে অনেকে হয়তো তাঁকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করবেন। তবে জয় চান, ওই ব্যক্তি যেন ধরা না পড়েন। নিজের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে মজার ছলে জানান, তিনিও অনেককে শিউলি ফুল দিয়েছেন, কিন্তু ধরা পড়েননি। তাঁর ভাষায়, ‘এক পাপী আরেক পাপীর পক্ষ নেবে, এটাই তো স্বাভাবিক।’
একই পোস্টে পরীমনির প্রশংসাও করেন জয়। তাঁর মতে, পরীমনি বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নায়িকাদের একজন। চলচ্চিত্র অঙ্গনকে তিনি নিজের আপন জায়গা মনে করেন। শুধু প্রচারণা কিংবা সংবাদ সম্মেলনের জন্য নয়, ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গা থেকেও চলচ্চিত্রের মানুষদের ভালোবাসেন ও সম্মান করেন। পোস্টের শেষে পরীমনিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
তবে জয়ের পোস্টে মন্তব্য করে ফুল পাঠানোর রহস্যের একটি অংশ পরিষ্কার করেন পরীমনি। জানান, চট্টগ্রাম থেকে শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন কোনো পুরুষ নন, একজন নারী। ফলে জয়ের রসিকতারও জবাব মেলে। যদিও ওই নারীর নাম বা পরিচয় প্রকাশ করেননি অভিনেত্রী।
জন্মদিনে নতুন সিনেমার চমক
শুধু শিউলি ফুল নয়, জন্মদিনের অনুষ্ঠানে নতুন সিনেমার খবর দিয়েও চমকে দেন পরীমনি। জানান, ‘ফারজানা’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। ছবিটি পরিচালনা করছেন তারেক রহমান। এরই মধ্যে সিনেমাটির শুটিংয়ের বেশির ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
নতুন সিনেমা প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘জন্মদিনে একটা সারপ্রাইজ আছে। আমার মনে হয়, আপনারা আমাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করবেন। তাই উত্তর ঠিক করে এসেছি। আমার মনে হলো, এটা সুন্দর সময়। এখানে কাজ নিয়েও কথা বলা যায়।’
সিনেমাটির প্রস্তুতি ও শুটিংয়ের অগ্রগতি সম্পর্কে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা ছয় মাস আগেই লুক ঠিক করেছি। কাজ করতে যাওয়ার সময় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। সিনেমাটির শুটিং চলছে। কিছু কাজ বাকি আছে। বাকি কাজ শেষ করে জানাব।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক তারেক রহমানও। তিনি জানান, ‘ফারজানা’ সিনেমায় পরীমনিকে সংগ্রামী এক নারীর চরিত্রে দেখা যাবে। পরিচালক বলেন, ‘আমরা সুন্দর একটা জার্নি শুরু করতে যাচ্ছি। পরীমনির চরিত্রটি স্ট্রাগলিং একজন নারীর। আশা করি, জার্নিটা সুন্দর হবে। আপনারা নতুন পরীমনিকে আবিষ্কার করবেন।’
জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান পরীমনি। দীর্ঘদিন ধরে পাওয়া ভালোবাসার প্রতিদান ভালো কাজ দিয়েই দিতে চান তিনি।
পরীমনি বলেন, ‘শুরু থেকেই সবাই আমাকে যেভাবে ভালোবাসা দিয়েছেন, পাশে থেকেছেন, আশীর্বাদ করেছেন; সবকিছু ছাপিয়ে আমাকে ভালোবেসেছেন, সেই ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এর বিপরীতে আমি সুন্দর সুন্দর কাজ ছাড়া আর কিছুই দিতে পারব না। সেটাই যেন করতে পারি, দোয়া করবেন।’