যুক্তরাষ্ট্রে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষের পর প্যারাস্যুট নিয়ে বেরিয়ে আসেন চার ক্রু।

  • প্রকাশ : সোমবার ১৮ মে, ২০২৬, সময় : ৬:৩৬ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম আইডাহোর ‘মাউন্টেন হোম এয়ারফোর্স বেজ’-এ গতকাল রোববার এয়ার শো চলাকালে নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়েছে। তবে এ দুর্ঘটনার শিকার যুদ্ধবিমানের চারজন ক্রুই নিরাপদে প্যারাস্যুট দিয়ে নেমে আসতে সক্ষম হয়েছেন।


যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিটের নৌবাহিনীর মুখপাত্র কমান্ডার অ্যামেলিয়া উমায়াম এক বিবৃতিতে জানান, যুদ্ধবিমান দুটি যখন আকাশে কসরত দেখাচ্ছিল, তখনই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই বিমানের চারজন ক্রু নিরাপদে বের হয়ে আসতে পেরেছেন এবং দুর্ঘটনাটির তদন্ত চলছে। বিমানঘাঁটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্রুদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।


এয়ার শোর অন্যতম পরিকল্পনাকারী সংস্থা সিলভার উইংস অব আইডাহোর বিপণন পরিচালক কিম সাইকস বলেন, সামরিক ঘাঁটিতে থাকা অন্য কেউ এ ঘটনায় আহত হননি। বিমানঘাঁটি কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই পুরো ঘাঁটি লকডাউন (অবরুদ্ধ) করা হয় এবং এয়ার শোর বাকি অংশ বাতিল করা হয়।


দর্শনার্থীদের অনলাইনে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, বোইসি শহর থেকে প্রায় ৫০ মাইল (৮০ কিলোমিটার) দক্ষিণে ঘাঁটির কাছে বিমান দুটি যখন মাটিতে আছড়ে পড়ছিল, তখন আকাশে চারটি প্যারাস্যুট খুলছে।


‘ইএ-১৮জি গ্রোলার’ হলো আধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তিসমৃদ্ধ ‘এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট’ ফাইটার জেটের একটি উন্নত সংস্করণ।


প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ


শেন অগডেন নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, যুদ্ধবিমান দুটি যখন কাছাকাছি আসছিল, তখন তিনি ভিডিও করছিলেন। তাঁর ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, বিমান দুটির একটির সঙ্গে অন্যটির সংঘর্ষ হয়। এরপর একসঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে নিচে নামতে থাকে। ঠিক তখনই ক্রু সদস্যরা বিমান প্যারাস্যুট নিয়ে থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর বিমান দুটি একসঙ্গে মাটিতে আছড়ে পড়ে বিশাল আগুনের গোলায় পরিণত হয়। আর ক্রু সদস্যরা পাশেই মাটিতে নেমে আসেন।


টেক্সট বার্তায় অগডেন বলেন, ‘আমি ভাবছিলাম বিমান দুটি আলাদা হয়ে যাবে, তাই ভিডিও করছিলাম। কিন্তু হঠাৎ ওটা ঘটে গেল এবং আমি বাকি অংশটুকুও ভিডিও করলাম।’ দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীদের কাজে যাতে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য তিনি দ্রুত সেখান থেকে চলে যান।


আয়োজকেরা জানান, এই জনপ্রিয় এয়ার শোতে বিমান চালনা ও প্যারাস্যুট জাম্পের প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিমান চালনার ইতিহাস এবং আধুনিক সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরা হচ্ছিল। দুই দিনব্যাপী এই শোর মূল আকর্ষণ ছিল মার্কিন বিমানবাহিনীর ‘থান্ডারবার্ডস’ স্কোয়াড্রন।


মার্কিন আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় আকাশ পরিষ্কার ছিল এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৯ মাইল (৪৭ কিলোমিটার)।


বিশেষজ্ঞদের মতামত


মাঝ আকাশে সংঘর্ষের পরও দুই বিমানের সব ক্রুর বেঁচে ফেরাটা এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। বিমানের নিরাপত্তাবিশেষজ্ঞ জেফ গুজেত্তি বলেন, বিমান দুটি যেভাবে সংঘর্ষের পর মাঝ আকাশে আটকে ছিল এবং একসঙ্গে মাটিতে আছড়ে পড়েছে, সম্ভবত সে কারণেই ক্রুরা বের হওয়ার সময় পেয়েছেন। সাধারণত মাঝ আকাশে সংঘর্ষ হলে ক্রুদের বের হওয়ার সুযোগ থাকে না।


গুজেত্তি বলেন, ‘এটি সত্যিই দেখার মতো দৃশ্য। মনে হচ্ছে, বিমান দুটি ভিন্নভাবে একে অপরকে আঘাত করেছিল, যার ফলে বিমান দুটি ভেঙে টুকরা না হয়ে একসঙ্গে আটকে ছিল। আর এটাই হয়তো তাদের জীবন বাঁচিয়েছে।’


গুজেত্তি আরও যোগ করেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, এটি পাইলটের কোনো ভুলের কারণে হয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটি নয়। ফরমেশন ফ্লাইটে (একসঙ্গে দল বেঁধে ওড়ার সময়) অন্য বিমানের কাছাকাছি যাওয়া খুবই চ্যালেঞ্জিং এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এটি নিখুঁতভাবে করতে হয়।’


আরেক বিমান নিরাপত্তাবিশেষজ্ঞ এবং সেফটি অপারেটিং সিস্টেমের সিইও জন কক্স বলেন, এয়ার শোতে যাঁরা অংশ নেন, তাঁরা সেরা পাইলটদের অন্যতম। এখানে ভুলের কোনো সুযোগ থাকে না। তিনি আরও বলেন, ‘এয়ার শোতে বিমান চালানো খুবই কঠিন কাজ। এখানে সামান্য ভুলের মাশুল অনেক বড়। আমি খুশি যে সবাই নিরাপদে বের হতে পেরেছেন।’


অতীত দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি


২০১৮ সালের পর এই ঘাঁটিতে এটিই প্রথম ‘গানফাইটার স্কাইস’ ইভেন্ট ছিল। ২০১৮ সালের ওই শোতে হ্যাং গ্লাইডার দুর্ঘটনায় একজন পাইলট মারা যান। এর আগে ২০০৩ সালে একটি থান্ডারবার্ডস বিমান কসরত দেখানোর সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেবার পাইলট অক্ষত ছিলেন এবং মাটিতে আছড়ে পড়ার মাত্র এক সেকেন্ড আগে বিমানটিকে দর্শকদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিজে বের হয়ে আসতে পেরেছিলেন।


যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর প্রায় ২০০টি এয়ার শো হয় এবং কয়েক বছর ধরে এর নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ চলছে। ‘ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব এয়ার শোজ’-এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও জন কুডাহি বলেন, ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মার্কিন এয়ার শোগুলোয় বছরে গড়ে ৩ দশমিক ৮ জন মানুষের মৃত্যু হতো। সেই সংখ্যা এখন অনেক কমে এসেছে।


কুডাহি বলেন, ২০১৭ সাল থেকে মৃত্যুর গড় সংখ্যা বছরে মাত্র ১ দশমিক ১ জনে নেমে এসেছে, যার মধ্যে ২০২২ সালে ডালাসের একটি দুর্ঘটনাও রয়েছে। সেখানে দুটি পুরোনো বিমানের সংঘর্ষে ছয়জন মারা গিয়েছিলেন। এ ছাড়া ২০২৩ বা ২০২৫ সালে এয়ার শোতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি এবং ১৯৫২ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এয়ার শো দেখতে এসে কোনো দর্শকের মৃত্যু হয়নি।


কুডাহি বলেন, ‘নিরাপত্তার দিক থেকে আমরা সত্যিই একটি চমৎকার সময় পার করছি, যেখানে দুর্ঘটনা অনেক কম।’


তদন্তের অগ্রগতি


গতকালের দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তকারীরা হয়তো দ্রুতই জানতে পারবেন। যেহেতু দুই বিমানের সব ক্রু বেঁচে আছেন, তাই তাঁরা সংঘর্ষের ঠিক আগে কী দেখেছিলেন এবং কী ঘটেছিল, তা বিস্তারিত জানাতে পারবেন। তদন্তের দায়িত্বে থাকবে মার্কিন নৌবাহিনী। তবে সামরিক তদন্ত হওয়ায় বেসামরিক দুর্ঘটনার মতো এর সব তথ্য হয়তো জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে না।


ইরান যুদ্ধের কারণে এই বছর বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিতে এয়ার শো বাতিল করা হয়েছে। কারণ, সেখানকার সামরিক ইউনিটগুলো ওই যুদ্ধের মিশনে ব্যস্ত রয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৩১ এএম

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিনগত রাতে এই হামলা চালানো হয়ে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। 


বিশ্লেষকরা বলছেন, এই আকস্মিক হামলার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা ফের চরম আকার ধারণ করলো।


মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ছিল ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু।


যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে এক আকস্মিক হামলার উদ্দেশ্যে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। তবে সেসব ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।


সেন্টকম আরও জানায়, মার্কিন বাহিনী বর্তমানে ‘সম্পূর্ণ সতর্ক ও উচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।’


এর আগে টানা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ইরানের ওপর নৈশ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে গালফ বা পারস্য উপসাগরে ওয়াশিংটনের মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করে ইরান। তবে গত সপ্তাহে উভয় পক্ষই সাময়িকভাবে গোলাগুলি বা আক্রমণ বন্ধ রেখেছিল।


চরম সামরিক উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ লড়াই


সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ প্রবাহিত হওয়া অতি সংকীর্ণ ও কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালী’-তে ইরান কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর পর এই সংঘাতের সূচনা হয়। গত জুন উভয় পক্ষের মধ্যে এক অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকেই কার্যত এই প্রণালির ওপর একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার এক লড়াই শুরু হয়ে যায়।


ইরানের দাবি হলো, এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী সব জাহাজকে তাদের উপকূলের কাছাকাছি নির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে ও তেহরান এর জন্য শুল্ক বা ফি আদায় করার অধিকার রাখে। অন্যদিকে, মার্কিন নৌবাহিনীর বিশেষ অপারেশনের অধীনে ওমানের উপকূল ঘেঁষে দক্ষিণাঞ্চলীয় পথ দিয়ে যখন একের পর এক জাহাজ নিরাপদে অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই কয়েকটি জাহাজে হামলা চালায় ইরান।


ঘটনা নতুন মোড় নেয় যখন বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরের দিকে মার্কিন ও সৌদি যুদ্ধবিমানগুলো যৌথভাবে ইরাকে অবস্থানরত ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র মিলিশিয়াদের ওপর দফায় দফায় বিমান হামলা চালায়। সম্প্রতি সৌদি আরবের কয়েকটি তেল স্থাপনায় হওয়া ড্রোন হামলার পেছনে এই ইরাকি মিলিশিয়াদের দায়ী করেই যৌথ এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে।


এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে এই অভিযুক্ত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর কথিত ড্রোন হামলার ঘটনাটি গভীরভাবে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, তার দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যাতে ‘ইরাকি ভূখণ্ডকে কোনো বন্ধুপ্রতীম বা ভাতৃপ্রতিম দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণের রুট বা লঞ্চিং প্যাড হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া না হয়।’


তবে ইরাকের সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো সৌদি তেলের স্থাপনায় ড্রোন হামলার সব দায় সরাসরি অস্বীকার করেছে। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমন্বিত মোর্চা ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ সৌদির এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তারা ইঙ্গিত দিয়েছে যে, সোমবার (২৭ জুলাই) সংঘটিত এই হামলাগুলো মূলত ইয়েমেনের হুথিরাই চালিয়েছে; যারা নিজেরাই সৌদি তেলের স্থাপনায় হামলার দায় স্বীকার করেছিল।


সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


সর্বশেষ সব খবর

ছবিঃ সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:২১ এএম

মুম্বাইয়ের পুলিশ ভ্যান আটকে প্রতিবাদের মুখ হয়ে ওঠা মডেল রিয়া আহির এবার অনলাইনে তীব্র আক্রমণ ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনার পর তিনি সাইবার পুলিশের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন।


গত ২২ জুলাই মুম্বাইয়ের দাদারের শিবাজি পার্কের কাছে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভরত মানুষদের আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় একটি পুলিশ ভ্যান আটকে দিয়েছিলেন রিয়া আহির। 


ছাই রঙের হুডি পরে ভ্যানের বনেটে হাত রেখে তার সাহসিকতার সেই দৃশ্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। পরবর্তীতে এনডিটিভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, পুলিশ অন্যায় করছে বুঝতে পেরেই তিনি সহজাত প্রবৃত্তি থেকে ওই পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এবং নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকার ওপর জোর দিয়েছিলেন।


তবে এই সাহসী ঘটনার পর থেকেই অনলাইনে তাকে নানাভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমআইডিসি পুলিশ স্টেশনে দায়ের করা অভিযোগে তিনি জানান যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়মিত হত্যার হুমকি এবং তার অনলাইন কন্টেন্টে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হচ্ছে। 



রিয়ার দাবি, তার বিরুদ্ধে একটি সুসংগঠিত ঘৃণা প্রচার চালানো হচ্ছে, যার মধ্যে মানহানি, ভীতি প্রদর্শন, নারীর প্রতি অবমাননাকর অপব্যবহার, টার্গেটেড হয়রানি এবং ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


এই সাইবার হয়রানির কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি আইনি সহায়তার পথ বেছে নেন এবং মানহানিকর কন্টেন্টের স্ক্রিনশট, বিভিন্ন ইউআরএল ও প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র পুলিশের কাছে জমা দেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এর সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। 


সম্প্রতি এনডিটিভির একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে রিয়া আহির জানান, ওই মুহূর্তে তার প্রতিক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বাভাবিক ছিল এবং বিষয়টি সাধারণ মানুষের কাছে এত বড় একটি অসাধারণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে, তা এখনও তিনি পুরোপুরি বিশ্বাস করে উঠতে পারছেন না।


সূত্র: এনডিটিভি।

সর্বশেষ সব খবর

মা-বাবার মাঝে অভিজিৎ দিপকে

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:১৭ পিএম

ভারতের সাম্প্রতিক যুব আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে পরিচিতি পেয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। আন্দোলন থামতেই এই তরুণের জন্য একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব আসছে তার বাবা-মায়ের কাছে। অভিজিতের মা অনিতা দিপকের ইচ্ছা, আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারির মধ্যেই ছেলেকে বিয়ের পিঁড়িতে বসাবেন। তবে বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ বা মাসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভার তিনি ছেড়ে দিয়েছেন ৩০ বছর বয়সী এই সমাজকর্মীর ওপরই।


দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনিতা দিপকে জানান, এনইটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে সিজেপির প্রতিবাদের আগে থেকেই অভিজিতের জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করেছিল। আর সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে।


তিনি স্মরণ করেন, বোস্টনে থাকার সময় অভিজিতের সঙ্গে ফোনে এ বিষয়ে তার কথা হয়েছিল। তিনি যোগ করেন, ‘সে এ নিয়ে বেশি কিছু বলেনি; শুধু একটু হেসেছিল। অভিভাবক হিসেবে আমরা তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছি। তবে সে আর কয়েকদিনের মধ্যে বাড়ি ফিরলে আমরা বিষয়টি আবার তুলব এবং তাকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে দেব।’


সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর আন্দোলন সমাপ্ত হলে অভিজিতের দ্রুত বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি ভ্রমণ পিছিয়ে দেন। তার মা বলেন, ‘আমরা এখন জানতে পেরেছি তার ফিরতে আরও চার থেকে পাঁচদিন লাগবে।’


হুমকির মুখে আত্মগোপনে যায় পরিবার


অভিজিৎ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠনের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই চরম হুমকির মুখে পড়ে তার পরিবার। নিরাপত্তার খাতিরে তাদের প্রায় দুই সপ্তাহ আত্মগোপনে থাকতে হয়েছিল।


অনিতা দিপকে বলেন, দল গঠনের পর বোস্টনেই অভিজিৎকে হুমকি দেওয়া শুরু হয়। ফোন করে হুমকিদাতারা বলত, যেহেতু সে বস্টনে রয়েছে, তাই ভারতে তার বাবা-মাকে টার্গেট করা হবে।


এই খবর পেয়েই অভিজিৎ তাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার তাগিদ দেন। এরপর তারা কংকনে আত্মীয়দের বাড়িতে চলে যান এবং সেখানে ১৫ দিন কাটিয়ে আসেন। বর্তমানে পরিবারটি ছত্রপতি সম্ভাজি নগরের ওয়লুজ এলাকায় বসবাস করছে।


পরিবারকে না জানিয়েই রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ


অভিজিৎ যে এমন রাজনৈতিক দল গঠন করবেন, সে পরিকল্পনা তিনি পরিবারকে ঘুণাক্ষরেও জানাননি। সংবাদমাধ্যমে তার সাক্ষাৎকার দেখেই তারা বিষয়টি জানতে পারেন।


তার মা বলেন, ছেলে বাড়িতে খুব একটা কথা বলত না। খাবার বা মৌলিক প্রয়োজন ছাড়া সে দীর্ঘ কোনো আলোচনা করত না। স্কুলের বিতর্কে অংশ নেওয়ারও কোনো রেকর্ড ছিল না তার।


ছোটবেলায় বেশ শান্ত প্রকৃতির এই ছেলেটি কীভাবে জাতীয় টিভিতে তিন ভাষায় কথা বলল, তা দেখে আজও অবাক হন তার মা। মহামারির সময়ে অভিজিতের গৃহহীন আদিবাসী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর মানবিক রূপও তিনি তুলে ধরেন।


ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্যর্থতা ও আক্রমণের ভয়


দশম শ্রেণীতে ৯৬ শতাংশ নম্বর পাওয়া মেধাবী অভিজিৎকে তার বাবা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়ায় এই পেশায় ঠেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দ্বাদশ শ্রেণীতে ৬৫ শতাংশ পাওয়ার পর পুনের সিংহগড় ইনস্টিটিউটে ভর্তি হলেও পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি তিনি। মা স্বীকার করেন, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জোর করাটা তাদের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।


সাম্প্রতিক আন্দোলনে ছেলের ওপর হামলা এবং মুখে কালি ছেটানোর ঘটনায় পরিবারটি দারুণ ভীতি ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে গেছে। মা জানান, এসব খবর শুনে তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন এবং ছেলের বড় কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না তা নিয়ে ভেবেছিলেন।


তবে অভিজিৎ তাকে ফোন করে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, তিনি এখন আর শুধু পরিবারের নন, দেশের সাধারণ মানুষের সম্পদে পরিণত হয়েছেন।


সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:২৭ পিএম

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর (এজেকে) আইনসভার নির্বাচনের প্রথম ধাপে বড় ব্যবধানে এগিয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) বা পিএমএল-এন। 


অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে দেখা গেছে, ১৩টি আসনের মধ্যে দলটি ৯টিতে জয় পেয়েছে। বাকি চারটি আসন জিতেছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)।


গতকাল সোমবার মিরপুর, কোটলি ও ভিম্বর জেলার ১৩টি আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল পাঁচটায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শুরু হয়।


অনানুষ্ঠানিক ও প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, পিএমএল-এন মিরপুরের দুটি, ভিম্বরের তিনটি এবং কোটলির চারটি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে পিপিপি মিরপুরের দুটি ও কোটলির দুটি আসনে বিজয়ী হয়েছে।


পিএমএল-এনের রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছিল। তবে নির্বাচন চলাকালে দুটি সহিংস ঘটনার কথা জানান সানাউল্লাহ। তাঁর ভাষ্য, একটি ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে গুলির ঘটনা ঘটে। অন্যটি ঘটে নাকিয়াল এলাকায়, যেখানে একজন নিহত হন। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


রানা সানাউল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, ভিম্বরের এক আসনে এক প্রার্থী নিজেই একটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ব্যালট বাক্স সরিয়ে ফেলেন। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 


তিনি দাবি করেন, বিচ্ছিন্ন এসব ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সামগ্রিকভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:০৩ পিএম

আরেকটি তাপপ্রবাহের পূর্বাভাসের মধ্যেই মঙ্গলবার ফ্রান্স ও স্পেনের দমকলকর্মীরা দাবানল নিয়ন্ত্রণে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। বলা হচ্ছে, দেশ দুটিতে এবারের দাবানলটি স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ। এরই মধ্যে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলের পাশাপাশি পুড়ে গেছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন কয়েক লাখ বাসিন্দা।


ফ্রান্সে ওয়াইন উৎপাদনের রাজধানী হিসেবে পরিচিত বোর্দো শহরের কাছে জ্বলতে থাকা বড় দাবানল থেকে পাইরোকিউমুলোনিম্বাস বা অগ্নি মেঘ তৈরি হয়েছে। বিরল এই মেঘের কারণে ঝড়ো বাতাস ও বজ্রপাত হতে পারে।


আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে পশ্চিম ইউরোপে নতুন তাপপ্রবাহ তৈরি হতে পারে। যা মঙ্গলবার থেকে ফ্রান্সে ও বুধবার থেকে স্পেনে অনুভূত হবে। স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাস্কা বলেছেন, মাদ্রিদের পশ্চিমে জ্বলতে থাকা দাবানল নিয়ন্ত্রণে পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 


ফ্রান্সের বোর্দোতে কাজ করা দমকলকর্মীরা মঙ্গলবার জানিয়েছেন, আগের রাতে কয়েকটি স্থানে নতুন করে দাবানল তৈরি হয়। তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ায় সেটি আশপাশে ছড়াতে পারেনি। সোমবার বোর্দোর একটি এলাকা পরিদর্শন করেন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। তিনি বলেন, ‘সামনের দিনগুলো বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে। আমাদের টিকে থাকার লড়াই করতে হবে।’


গত ছয়দিনে বোর্দোর আশপাশের দাবানলে ৪২ হাজার হেক্টর বনাঞ্চল পুড়ে গেছে। এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার বাসিন্দা। সেখানে অন্তত ২৪০টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:৩৯ পিএম

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানি ও মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আবারও রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মধ্যরাতের বৈঠকের পর আপাতত নতুন কর্মসূচি স্থগিত রেখেছে দলটি।


সোমবার দিবাগত রাত একটার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টার বৈঠকে আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সরকার আগের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।


সৌরভ দাসের ভাষ্য, বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা নির্দেশনার কপি তাদের দেখানো হয়েছে। সেখানে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে নতুন কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং আটক ব্যক্তিদের মুক্তির বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।


তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এবং অন্য বিজেপি বা এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলো থেকেও একই ধরনের নির্দেশনা দ্রুত জারি করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


এক ভিডিও বার্তায় সৌরভ দাস জানান, সরকারের আশ্বাস বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, সে বিষয়ে বৈঠকে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার দাবি, জবাবে সরকারি প্রতিনিধিরা বিহারের স্বরাষ্ট্র বিভাগের একটি বিজ্ঞপ্তি দেখিয়েছেন, যেখানে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি ব্যবস্থা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।


সৌরভ দাস বলেন, বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো আইনি জটিলতা তৈরি না হয়, সে জন্য সব রাজ্য সরকারের কাছ থেকে একই ধরনের সুরক্ষামূলক নির্দেশনা জারির বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে।


তিনি বলেন, ‘সরকার আশ্বাস দিয়েছে, আমাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধান করে বিভিন্ন রাজ্যের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এতে আন্দোলনকারীরা নিরাপদ থাকবেন এবং ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’


সিজেপির দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রত্যেক ব্যক্তির আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে। প্রয়োজন হলে আবারও আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে দলটি।

সর্বশেষ সব খবর